ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিএনপির যৌথসভা: সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান


বিএনপির যৌথসভা: সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান

বিএনপি যৌথ সভা করেছে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার উদ্দেশ্যে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানী এমপি, অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ এমপি এবং সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল, মাহবুবের রহমান শামীম, সৈয়দ শাহীন শওকত, আসাদুল হাবিব দুলু, অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, শরীফুল আলম, শামা ওবায়েদ ও অনিন্দ্য ইসলাম অমিতও সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজীর আহমেদ টিটু, নজরুল ইসলাম আজাদ, হারুন অর রশীদ হারুন, ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন, মো. আব্দুল খালেক, অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, আমিরুল ইসলাম খান আলীম, এ এইচ এম ওবায়দুর রহমান চন্দন, জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, আকন কুদ্দুসুর রহমান, মাহবুবুল হক নান্নু, কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন, মিফতাহ সিদ্দিকী, মো. মোস্তাক মিয়া, খন্দকার মাশুকুর রহমান, আবু ওয়াহাব আকন্দ ও ওয়ারেছ আলী মামুনও সভায় অংশ নেন।

এছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব এবং যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সদস্যসচিবরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে দলের সাংগঠনিক কর্মতৎপরতা বৃদ্ধি এবং পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে থাকার আহ্বান জানানো হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাঝসমুদ্রে বিপরীতমুখী দুই জাহাজে মুখোমুখি নাবিক বাবা-ছেলে, অতঃপর...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:১৭ পি.এম


মাঝসমুদ্রে বিপরীতমুখী দুই জাহাজে মুখোমুখি নাবিক বাবা-ছেলে, অতঃপর...

মাঝসমুদ্রে হঠাৎ করে নাবিক বাবা ও ছেলের দেখা হয়ে যায়। ভারতীয় এই বাবা-ছেলে বিপরীতমুখী দুটি জাহাজে ভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার সময় এই বিশেষ মুহূর্তটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে উঠেছে।

ছেলে রুশীল সারান তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ঘটনাটি তুলে ধরেন। তিনি জানান, উত্তর দিকে নিজের জাহাজ নিয়ে যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে একটি বড় জাহাজ আসতে দেখেন। পরে জাহাজটির গন্তব্য ও গতিপথ সম্পর্কে জানার পর তিনি বুঝতে পারেন, ওই জাহাজে তার বাবা রয়েছেন।

এরপর ভূমি থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে সমুদ্রের মাঝখানে ঘটে যায় বাবা-ছেলের সেই বিরল সাক্ষাৎ। রুশীলের ভাষায়, এটি তার জীবনের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত। সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, এই সাক্ষাতের জন্য কোনো পূর্ব পরিকল্পনা ছিল না।

রুশীল বাবার পথ অনুসরণ করে নাবিক পেশা বেছে নিয়েছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ইনস্টাগ্রামে ভিডিওটি প্রকাশ করে তিনি লেখেন, "শতকোটি সুযোগের মধ্যে হয়তো একবার এমন মুহূর্ত আসে, যখন নাবিকদের দুই প্রজন্ম সমুদ্রের মাঝখানে একে অপরের মুখোমুখি হয়। দুটি জাহাজ, দুটি যাত্রা—আর একটি অবিস্মরণীয় মুহূর্ত।"

ভিডিওতে দেখা যায়, দুই জাহাজ কাছাকাছি আসার পর বাবা ও ছেলে পরস্পরকে দেখে আনন্দ প্রকাশ করছেন। বাবার মুখের হাসি এবং ছেলের সঙ্গে দেখা হওয়ার গর্বিত অভিব্যক্তি মুহূর্তটিকে আরও আবেগঘন করে তুলেছে।

ভিডিওটি প্রকাশের পর এটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। নেটিজেনদের অনেকেই এটিকে একজন নাবিকের জীবনের অত্যন্ত বিরল ও আবেগঘন মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

একজন মন্তব্য করেন, "এটি একজন নাবিকের জীবনের সবচেয়ে বিরল মুহূর্ত।"

আরেকজন লেখেন, "নিজের পথে এগিয়ে গেলেও যে মানুষটি পথচলা শিখিয়েছেন, তার থেকে কখনো পুরোপুরি দূরে থাকা যায় না।"

আরেক ব্যবহারকারী জানান, তার স্বামী চিফ অফিসার এবং চাচা ক্যাপ্টেন থাকার সময় জাহাজে তাদেরও এমন একটি আকস্মিক দেখা হয়েছিল। একই বন্দরে একদিনের জন্য অবস্থানের সময় তাদের দেখা হয়। পাশাপাশি বাবা-ছেলের দুজনেরই নিরাপদ সমুদ্রযাত্রা কামনা করেন তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ শুরু হচ্ছে ১৬ দিনের ফিফা উইন্ডো, থাকছে আন্তর্জাতিক লড়াই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:১৭ পি.এম


আজ শুরু হচ্ছে ১৬ দিনের ফিফা উইন্ডো, থাকছে আন্তর্জাতিক লড়াই

ফিফার পরিভাষায় ‘আন্তর্জাতিক ম্যাচ উইন্ডো’ এবং ক্লাব ফুটবলের পরিচিতিতে এটি ‘আন্তর্জাতিক বিরতি’ হিসেবে পরিচিত। জাতীয় দলের ম্যাচের জন্য ক্লাব ফুটবলের ব্যস্ত সূচিতে সাময়িক বিরতি দেওয়া হচ্ছে। আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হচ্ছে ১৬ দিনের দীর্ঘ ফিফা উইন্ডো, যা চলবে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত।

এই সময়কালে বিশ্বজুড়ে লিগ ফুটবলের ব্যস্ততা থমকে যাবে। মাঠে নামবে জাতীয় দলগুলো। কিছু দল প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলবে, আবার কিছু দল প্রীতি ম্যাচের মাধ্যমে নিজেদের প্রস্তুতি নেবে।

সাধারণত বছরে চারটি ফিফা উইন্ডো অনুষ্ঠিত হয়, যা সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর ও মার্চে হয়ে থাকে। প্রতিটি উইন্ডো সাধারণত নয় দিনের হয়ে থাকে এবং দলগুলো দুটি করে ম্যাচ খেলে। তবে এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরের দুটি উইন্ডো একত্রিত করে এবার ১৬ দিনের দীর্ঘ উইন্ডো তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে জাতীয় দলগুলো চারটি পর্যন্ত ম্যাচ খেলার সুযোগ পাচ্ছে।

২০২৩ সালে খেলোয়াড়দের কল্যাণের বিষয়টি বিবেচনা করে ফিফা কাউন্সিল আন্তর্জাতিক ম্যাচ উইন্ডোর কাঠামো পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। টানা কয়েক মাসে আলাদা আলাদা উইন্ডো থাকার কারণে ফুটবলারদের বারবার ক্লাব ছেড়ে জাতীয় দলের সঙ্গে যোগ দিতে হতো। এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে ভ্রমণের ফলে শারীরিক ও সময়ের চাপ বাড়ছিল। একটি উইন্ডো কমিয়ে দেওয়ার ফলে খেলোয়াড়দের ভ্রমণ ঝক্কি কমে যাবে এবং জাতীয় দলগুলোর সূচি পরিকল্পনাও সহজ হবে।

ইউরোপে নেশনস লিগ

এবারের উইন্ডোতে উয়েফার সদস্যদেশগুলো উয়েফা নেশনস লিগে ব্যস্ত থাকবে। প্রতিটি দল চারটি করে ম্যাচ খেলবে। ফলে ইউরোপের শীর্ষ দলগুলোর মাঠে লড়াইয়ে বাড়তি উত্তেজনা সৃষ্টি হবে।

আফ্রিকায় আফ্রিকা কাপের বাছাই

আফ্রিকার দলগুলোর সামনে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের বাছাইপর্ব রয়েছে। এই উইন্ডোতে অধিকাংশ দল দুটি করে ম্যাচ খেলবে। এর সাথে কিছু দল প্রীতি ম্যাচও খেলবে।

কনক্যাকাফ অঞ্চলেও ব্যস্ততা

উত্তর ও মধ্য আমেরিকার দেশগুলো কনক্যাকাফ নেশনস লিগের গ্রুপ পর্বের ম্যাচ খেলবে। পাশাপাশি বেশ কিছু প্রীতি ম্যাচও অনুষ্ঠিত হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মতো দলগুলো আগেই কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করায়, এই সময়ে মূলত প্রীতি ম্যাচেই মাঠে নামবে।

এশিয়ায় প্রীতি ম্যাচের ব্যস্ততা

এশিয়ার দলগুলোর বেশিরভাগই এই উইন্ডোতে প্রীতি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে ২০২৭ এশিয়ান কাপের প্রস্তুতি হিসেবে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নিজেদের প্রস্তুতি যাচাইয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে দলগুলো।

এশিয়ার ফুটবলে বাড়তি আকর্ষণ হিসেবে ফিফা আসিয়ান কাপ রয়েছে। ইন্দোনেশিয়া ও হংকংয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশসহ এশিয়ার ১৪টি দল অংশগ্রহণ করবে। এটি টুর্নামেন্টটির প্রথম আসর।

দক্ষিণ আমেরিকায়ও প্রীতি ম্যাচ

এশিয়ার মতো দক্ষিণ আমেরিকার দলগুলোরও এবারের সূচিতে প্রীতি ম্যাচ রয়েছে। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল আন্তর্জাতিক বিরতিকে কাজে লাগিয়ে মহাদেশের বাইরে গিয়ে ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা করছে।

সব মিলিয়ে ১৬ দিনের এই দীর্ঘ ফিফা উইন্ডোতে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে জাতীয় দলগুলোর ব্যস্ততা চোখে পড়ার মতো হবে। ক্লাব ফুটবল সাময়িক বিরতিতে গেলেও জাতীয় দলের লড়াইয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলের মাঠ সরগরম থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেরিন শিক্ষানবিশ কোর্সে ভর্তি, আবেদন করতে হবে এসএসসি পাসে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:১৮ পি.এম


মেরিন শিক্ষানবিশ কোর্সে ভর্তি, আবেদন করতে হবে এসএসসি পাসে

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) অধীনে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য এক বছরের মেয়াদি মেরিন শিক্ষানবিশ (ডেক ও ইঞ্জিন) কোর্সে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। এই কোর্সে ৩৭০ আসনের জন্য আবেদন করতে পারবেন এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ বাংলাদেশি পুরুষ নাগরিকরা।

এই কোর্সের প্রশিক্ষণ আগামী ১ জানুয়ারি শুরু হবে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকে আবেদন করা যাবে এবং শেষ সময় ৩১ অক্টোবর দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত।

যেসব প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে

১. ডিইপিটিসি–নারায়ণগঞ্জ, আসনসংখ্যা ১৫০

২. ডিইপিটিসি–বরিশাল, আসনসংখ্যা ৩০

৩. এসপিটিআই–মাদারীপুর, আসনসংখ্যা ১৯০

শিক্ষাগত যোগ্যতা

প্রার্থীদের জন্য এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া আবশ্যক।

বয়সসীমা

২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর তাদের বয়স ১৬ থেকে ২১ বছরের মধ্যে হতে হবে।

সুবিধাগুলো

চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের জন্য বিনা মূল্যে থাকার এবং খাওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণ ও প্রশিক্ষণের জন্য একটি ইউনিফর্ম প্রদান করা হবে।

আবেদনের নিয়ম

ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদন করার সময় প্রার্থীকে পছন্দের ক্রমানুসারে প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করতে হবে। তাছাড়া, তিনটি নির্বাচনী পরীক্ষার কেন্দ্রের মধ্যে কোন কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে চান, সেটিও আবেদনে উল্লেখ করতে হবে।

আবেদন ফি

৩২০ টাকা (ডাচ্–বাংলা ব্যাংকের রকেট মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রদান করতে হবে)।

ভর্তি পরীক্ষা

বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের শারীরিক সক্ষমতা, চোখ, সাঁতার ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।

এসব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে থেকে মেধাক্রম অনুযায়ী ডেক শাখায় প্রথম ১৪০ জন এবং ইঞ্জিন শাখায় ১৩০ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হবে। অন্যদের অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখা হবে।

পরীক্ষার তারিখ

২০ ও ২১ নভেম্বর ২০২৬, সকাল ৯টা।

পরীক্ষার কেন্দ্র

১. ডিইপিটিসি–নারায়ণগঞ্জ

২. ডিইপিটিসি–বরিশাল

৩. এসপিটিআই–মাদারীপুর

নির্দেশনা ও শর্তগুলো

১. ভর্তির সময় এককালীন ২০ হাজার টাকা এবং জামানত হিসেবে দুই হাজার টাকা প্রদান করতে হবে। কোর্স সফলভাবে শেষ করার পর জামানতের টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

২. প্রশিক্ষণ শেষে অভ্যন্তরীণ নৌযানে চাকরির সুযোগ রয়েছে। চাকরিরত অবস্থায় পদোন্নতি পেয়ে প্রথম শ্রেণির ইনল্যান্ড মাস্টার, ইনল্যান্ড ড্রাইভার বা ইনল্যান্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার সুযোগও রয়েছে।

৩. এ ছাড়া স্বীকৃত বোর্ড বা কর্তৃপক্ষ থেকে পদার্থবিজ্ঞান, গণিতসহ মাধ্যমিক (বিজ্ঞান) বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ (৫০ শতাংশ নম্বর) পাওয়া প্রশিক্ষণার্থীরা ডেক/ইঞ্জিন অফিসার ক্লাস–৫ সনদ পাওয়ার পর বিদেশগামী জাহাজে চাকরির সুযোগ পাবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই সনদ যেভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেভাবেই বাস্তবায়ন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:১৮ পি.এম


জুলাই সনদ যেভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেভাবেই বাস্তবায়ন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই জাতীয় সনদ যেভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে, ঠিক সেই অনুযায়ী তা বাস্তবায়নে দ্রুত অগ্রসর হতে চায় সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি। এ লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত নিয়ে ডিসেম্বরের মধ্যে আলোচনা শেষ করে জাতীয় সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক শেষে জাতীয় সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, কমিটির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে প্রতি সপ্তাহে অন্তত একটি বৈঠক করার চেষ্টা করা হবে।

তিনি বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ যেভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেভাবেই তা বাস্তবায়ন করা হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, সাবেক বিচারক ও বিচারপতি, আইনজীবী, শিক্ষক, সাংবাদিক, জুলাই যোদ্ধা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি, শহীদ পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত নেওয়া হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, এসব মতামত গ্রহণের পর জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সুপারিশ তৈরি করে জাতীয় সংসদে প্রতিবেদন দেওয়া হবে। সনদের বাইরে জাতীয় জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কোনো পরিপূরক প্রস্তাব এলে সেগুলোও কমিটি বিবেচনায় নেবে।

তিনি জানান, ইতোমধ্যে প্রতিবেদন তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। আলোচনা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপন করা সম্ভব হবে। কমিটির লক্ষ্য হলো ডিসেম্বরের মধ্যে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা শেষ করা।

এর আগে জুলাই জাতীয় সনদকে ভিত্তি ধরে পুরো সংবিধান পর্যালোচনা করে সংশোধনী সুপারিশ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কমিটির কার্যপরিধির মধ্যে সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধনের বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়ন করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার বিষয়টি রয়েছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষরকারী ২৬টি রাজনৈতিক দলকে মতবিনিময়ের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এর মধ্যে ১৫টি দল সরাসরি প্রতিনিধি পাঠিয়েছে। কিছু দল থেকে দু’জনের বেশি প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া একটি দল লিখিত বক্তব্য দিয়েছে এবং আরেকটি দলের প্রতিনিধিরা শেষ মুহূর্তে অসুস্থতা ও পারিবারিক কারণে উপস্থিত হতে পারেননি। সব মিলিয়ে প্রায় ১৭টি রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ হয়েছে বলে তিনি জানান।

লিখিত বক্তব্য দেওয়া দল হিসেবে এবি পার্টির নাম এবং অসুস্থতার কারণে অংশ নিতে না পারা দলের ক্ষেত্রে জাতীয় গণফ্রন্টের প্রতিনিধির অনুপস্থিতির কথা জানান কমিটির সভাপতি।

তিনি বলেন, যারা জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেনি, তারাও আলোচনায় অংশ নিতে চাইলে কমিটির দরজা খোলা থাকবে। নিবন্ধিত কিংবা অনিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কোনো প্রস্তাব লিখিতভাবে দিলে সেটিও বিবেচনা করা হবে।

বৈঠকে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রক্রিয়াটি কোনো একটি দল বা গোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে এগিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্য কমিটির নেই।

তিনি বলেন, যারা আজ আলোচনায় অংশ নিয়েছেন, তারা নিজেদের বক্তব্য ও প্রস্তাব দিয়েছেন। যারা এখনো আসেননি, তাদেরও লিখিত প্রস্তাব দেওয়ার সুযোগ থাকবে। প্রয়োজন হলে কমিটি তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে আবারও আলোচনায় ডাকতে পারে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের শুরুতেই সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য বিষয়গুলো আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন আইন, অধ্যাদেশ, বিধি ও নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য বিষয়ও সনদে আলাদা করে উল্লেখ রয়েছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো ঐকমত্যে পৌঁছেছে, সেগুলো বাস্তবায়নের ব্যাপারে তারা অঙ্গীকারবদ্ধ। আর যেসব বিষয়ে কোনো দলের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ রয়েছে, সেগুলোও সংশ্লিষ্ট ভিন্নমতসহ বিবেচনায় রাখা হবে।

জুলাই জাতীয় সনদের বাইরে নির্বাচনী ইশতেহারে থাকা কিছু সাংবিধানিক প্রস্তাবও বিশেষ কমিটি বিবেচনা করবে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান।

তিনি উদাহরণ হিসেবে অর্থবছর পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, বর্তমান অর্থবছর ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত হওয়ায় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের শেষ পর্যায়ে বর্ষাকাল পড়ে। এতে প্রকল্প বাস্তবায়নে সমস্যা এবং সরকারি অর্থের অপচয়ের আশঙ্কা থাকে।

বাংলাদেশের ঋতুচক্রের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অর্থবছর পরিবর্তনের একটি প্রস্তাব নিয়ে কাজ হচ্ছে বলেও তিনি জানান। এ ধরনের কোনো পরিবর্তন করতে সংবিধানের সংশ্লিষ্ট ধারায় সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে বলে উল্লেখ করেন।

সংবিধানের উচ্চকক্ষ গঠনের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কিছু ভিন্নমত রয়েছে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, উচ্চকক্ষ ১০০ সদস্যের হবে-এ বিষয়ে ঐকমত্য থাকলেও সদস্য নির্বাচন বা প্রতিনিধিত্বের পদ্ধতি নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। কেউ সংসদে পাওয়া আসনের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠনের কথা বলেছেন, আবার কেউ ভোটের আনুপাতিক হারের ভিত্তিতে গঠনের কথা বলেছেন।

এ ধরনের বিষয়ে কোনো রাজনৈতিক দল নির্বাচনী ইশতেহারে অবস্থান স্পষ্ট করে জনগণের ম্যান্ডেট পেলে পরবর্তী সময়ে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকবে বলে তিনি জানান।

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিএনপিকে ঘিরে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চলছে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপি জুলাই জাতীয় সনদ যেভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেভাবেই বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় সংবিধান সংশোধন সংসদে আনার লক্ষ্যে কাজ চলছে বলেও তিনি জানান।

তিনি বলেন, বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন তৈরির পর সেটির ভিত্তিতে আইন মন্ত্রণালয় থেকে সংবিধান সংশোধনী বিল সংসদে আসবে। এরপর সংসদে দীর্ঘ আলোচনা ও বিতর্কের মাধ্যমে সমঝোতার ভিত্তিতে বিলটি গ্রহণের চেষ্টা করা হবে।

বর্তমান সরকার যেসব বিষয়ে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছে, ভবিষ্যতে সরকার পরিবর্তন হলে নতুন সরকার সেসব অবস্থান পরিবর্তন করতে পারবে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে কোনো রাজনৈতিক দল সরকার গঠন করলে এবং সংবিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলে তারা সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিতে পারবে।

তিনি বলেন, সংবিধান একটি চলমান রাষ্ট্রীয় দলিল। সমাজের প্রয়োজন ও জনগণের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময়ে সংবিধান সংশোধন হয়েছে। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবকিছু স্থায়ীভাবে নির্ধারণ করে দেওয়া সম্ভব নয়।

সংবিধান সংশোধন সংসদের মাধ্যমে হলে ভবিষ্যতে আদালতে তা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংসদীয় প্রক্রিয়ায় গৃহীত সংবিধান সংশোধনী এবং নতুন সংবিধান প্রণয়নের বিষয় এক নয়।

তিনি বলেন, সংস্কার পরিষদ গঠন করলেই তার মাধ্যমে গৃহীত কোনো সংশোধনী আদালতের চ্যালেঞ্জের বাইরে থাকবে-এমন ধারণারও ভিত্তি নেই। একটি সংবিধান সংশোধন হলে সেটি সংশোধন হিসেবেই গণ্য হবে; আর নতুন সংবিধান প্রণয়ন সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রক্রিয়া।

বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধান বিদ্যমান থাকায় নতুন করে সংবিধান প্রণয়নের প্রয়োজন নেই বলেও নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। এর আগেও সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে বলেছিলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের জন্য সংবিধান পুনর্লিখনের প্রয়োজন নেই; সংশোধনের মাধ্যমেই তা করা সম্ভব।

বৈঠকে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে সংস্কার কমিশনের পুরোনো প্রস্তাব নতুন করে আলোচনায় আনার বিষয়ও উঠে আসে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এর আগে ছয়টি সংস্কার কমিশন বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ দিয়েছে। সেসব সুপারিশের ওপর রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে এবং পরবর্তীতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনার মাধ্যমে জুলাই জাতীয় সনদ প্রণীত হয়েছে।

তাই এখন আবার পুরোনো সংস্কার কমিশনের সব প্রস্তাব নতুন করে আলোচনায় আনলে প্রক্রিয়া আরও জটিল হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে কোনো রাজনৈতিক দলের নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব থাকলে তা লিখিতভাবে দিলে কমিটি নোট করে বিবেচনা করবে।

বৈঠকে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক নাম নিয়েও একটি প্রস্তাব এসেছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

‘পিপলস রিপাবলিক অব বাংলাদেশ’-এর বাংলা অনুবাদ নিয়ে কিছু রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে ‘গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ’ বা অনুরূপ নাম ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। তবে বিষয়টি আগে আলোচিত এবং নিষ্পত্তিকৃত বিষয়গুলোর মধ্যে পড়ে বলে উল্লেখ করেন তিনি। নতুন করে প্রস্তাব আসায় সেটিও কমিটির নোটে রাখা হবে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশের এককেন্দ্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উচ্চকক্ষ গঠনের বিষয়েও কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, উচ্চকক্ষ ফেডারেল রাষ্ট্রব্যবস্থার রাজ্য প্রতিনিধিত্বকারী কক্ষের মতো হবে না। বরং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও রাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম ব্যক্তিদের প্রতিনিধিত্বের সুযোগ দেওয়ার ধারণাও আলোচনায় এসেছে।

তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে বলে তার বক্তব্যে উঠে আসে।

বিশেষ কমিটির সুপারিশের পর সংসদে সংবিধান সংশোধনী বিল উত্থাপন করা হবে। এরপর সংসদে বিস্তারিত আলোচনা ও বিতর্কের মাধ্যমে বিলটি বিবেচনা করা হবে বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যতটা সম্ভব রাজনৈতিক সমঝোতা তৈরি করেই এগোতে চায় কমিটি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মূল লক্ষ্য হলো সনদে যেভাবে ঐকমত্য হয়েছে, সেই কাঠামো অনুসরণ করা এবং প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংশোধন সংসদীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন করা।

উল্লেখ্য, ১৩ জুলাই ২০২৬ জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে সভাপতি করে ১২ সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়; বিরোধী দলের প্রতিনিধিত্ব যুক্ত করে কমিটিকে ১৭ সদস্যে পুনর্গঠনের সুযোগ রাখা হয়েছিল।

বৈঠকে কমিটির সদস্য ও জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, কমিটির সদস্য ও আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন, কমিটির সদস্য ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, কমিটির সদস্য ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক এবং কমিটির সদস্য ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%