প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মাঝসমুদ্রে হঠাৎ করে নাবিক বাবা ও ছেলের দেখা হয়ে যায়। ভারতীয় এই বাবা-ছেলে বিপরীতমুখী দুটি জাহাজে ভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার সময় এই বিশেষ মুহূর্তটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে উঠেছে।
ছেলে রুশীল সারান তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ঘটনাটি তুলে ধরেন। তিনি জানান, উত্তর দিকে নিজের জাহাজ নিয়ে যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে একটি বড় জাহাজ আসতে দেখেন। পরে জাহাজটির গন্তব্য ও গতিপথ সম্পর্কে জানার পর তিনি বুঝতে পারেন, ওই জাহাজে তার বাবা রয়েছেন।
এরপর ভূমি থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে সমুদ্রের মাঝখানে ঘটে যায় বাবা-ছেলের সেই বিরল সাক্ষাৎ। রুশীলের ভাষায়, এটি তার জীবনের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত। সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, এই সাক্ষাতের জন্য কোনো পূর্ব পরিকল্পনা ছিল না।
রুশীল বাবার পথ অনুসরণ করে নাবিক পেশা বেছে নিয়েছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ইনস্টাগ্রামে ভিডিওটি প্রকাশ করে তিনি লেখেন, "শতকোটি সুযোগের মধ্যে হয়তো একবার এমন মুহূর্ত আসে, যখন নাবিকদের দুই প্রজন্ম সমুদ্রের মাঝখানে একে অপরের মুখোমুখি হয়। দুটি জাহাজ, দুটি যাত্রা—আর একটি অবিস্মরণীয় মুহূর্ত।"
ভিডিওতে দেখা যায়, দুই জাহাজ কাছাকাছি আসার পর বাবা ও ছেলে পরস্পরকে দেখে আনন্দ প্রকাশ করছেন। বাবার মুখের হাসি এবং ছেলের সঙ্গে দেখা হওয়ার গর্বিত অভিব্যক্তি মুহূর্তটিকে আরও আবেগঘন করে তুলেছে।
ভিডিওটি প্রকাশের পর এটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। নেটিজেনদের অনেকেই এটিকে একজন নাবিকের জীবনের অত্যন্ত বিরল ও আবেগঘন মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
একজন মন্তব্য করেন, "এটি একজন নাবিকের জীবনের সবচেয়ে বিরল মুহূর্ত।"
আরেকজন লেখেন, "নিজের পথে এগিয়ে গেলেও যে মানুষটি পথচলা শিখিয়েছেন, তার থেকে কখনো পুরোপুরি দূরে থাকা যায় না।"
আরেক ব্যবহারকারী জানান, তার স্বামী চিফ অফিসার এবং চাচা ক্যাপ্টেন থাকার সময় জাহাজে তাদেরও এমন একটি আকস্মিক দেখা হয়েছিল। একই বন্দরে একদিনের জন্য অবস্থানের সময় তাদের দেখা হয়। পাশাপাশি বাবা-ছেলের দুজনেরই নিরাপদ সমুদ্রযাত্রা কামনা করেন তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন