ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এক পায়ে দাঁড়িয়ে হার্ট সুস্থ আছে কি না জেনে নিন


এক পায়ে দাঁড়িয়ে হার্ট সুস্থ আছে কি না জেনে নিন

বর্তমানে হৃদরোগে আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। হৃদরোগ এখন শুধুমাত্র বয়স্কদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং কমবয়সীরাও এই রোগে আক্রান্ত হয়ে অকালে মৃত্যুবরণ করছেন। তাই এই বিষয়ে সচেতন হওয়া সবার জন্য অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায়, যে কোনো সময় বিপদ ঘটতে পারে।

হৃদরোগের কারণে শরীরে একাধিক লক্ষণ দেখা দিতে পারে। যদিও লক্ষণগুলি ব্যক্তি-ভেদে পরিবর্তিত হতে পারে। ফলে অনেকেই হৃদরোগের বিভিন্ন লক্ষণ দেখেও অবহেলা করেন এবং অনেকে নিজেদের অজান্তেই হৃদরোগে ভোগেন।

তবে একটি পরীক্ষা করার মাধ্যমে আপনি সহজেই জানতে পারবেন, আপনার হার্টের অবস্থা কেমন। এই পরীক্ষা করতে হবে ঘরে এক পায়ে দাঁড়িয়ে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৪, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ জন

আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের জার্নালে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, যদি আপনি কমপক্ষে ২০ সেকেন্ডের জন্য এক পায়ে দাঁড়াতে পারেন, তাহলে বুঝবেন আপনার হৃদযন্ত্রসহ সার্বিক স্বাস্থ্য ভালো।

এই গবেষণায় ৮৪১ জন নারী এবং ৫৪৬ জন পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। তাদের গড় বয়স ছিল ৬৭ বছর। অংশগ্রহণকারীরা এক পায়ে দাঁড়ানোর সময় তাদের চোখ খোলা রেখেছিলেন। এক পা উঁচু করে রাখার সর্বোচ্চ সময় ছিল ৬০ সেকেন্ড।

যেসব অংশগ্রহণকারী এই পরীক্ষায় নিজেদের ভারসাম্য ধরে রাখতে পারেননি, তাদের হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি ছিল।

গবেষণার প্রধান লেখক ও কিয়োটো ইউনিভার্সিটি গ্র্যাজুয়েট স্কুল অব মেডিসিনের সেন্টার ফর জেনোমিক মেডিসিনের সহযোগী অধ্যাপক ইয়াসুহারু তাবারার মতে, এক পায়ে দাঁড়ানোর সক্ষমতা মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।

আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু

তিনি জানান, যারা এক পায়ে দাঁড়াতে পারেন না, তাদের মধ্যে মস্তিষ্কের রোগ ও মানসিক স্বাস্থ্যের ঝুঁকি বেশি থাকে। পাশাপাশি, হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি আছে কি না সেটিও জানা যায় এই পরীক্ষার মাধ্যমে। নিয়মিত এক পায়ে দাঁড়ানোর অভ্যাস করলে সুফল পাওয়া যায়। এটি শরীরচর্চার একটি ভঙ্গি, যা ডিমেনশিয়া প্রতিরোধ করে এবং শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

এছাড়া, মানসিকভাবে সুস্থতা অর্জন করা যায় এবং শারীরিক সক্ষমতাও বৃদ্ধি পায় এই ভঙ্গির মাধ্যমে, যা কাঁধের প্রশস্ততা বাড়ায়। এক পায়ে দাঁড়ানোর অভ্যাস করলে আপনার হার্টও ভালো থাকবে।

সূত্র: ব্রাইট সাইড/হার্ট.অর্গ/ফ্রাইডে ম্যাগাজিন

আরও পড়ুন: ক্যানসার হাসপাতালগুলোতে রেডিওথেরাপি মেশিন স্থাপনের উদ্যোগ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের বাজারে সোনার দাম কমেছে কমল সোনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২২ পি.এম


দেশের বাজারে সোনার দাম কমেছে কমল সোনার

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সংগঠনটি ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা নির্ধারণ করেছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানায়। নতুন দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য হ্রাস পেয়েছে। এই কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভ্যাটসহ সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম হবে ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৫৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫২২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুস জানায়, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত সকল জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের পূর্বের নিয়ম বহাল থাকবে।

এর আগে, গত ৩ সেপ্টেম্বর সকালে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। ওই দিন ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৬ হাজার ৬৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৬১৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।

এখন পর্যন্ত চলতি বছর দেশের বাজারে ১১২ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ৫৬ দফা বাড়ানো হয়েছে, ৫৫ দফা কমানো হয়েছে এবং ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।

যদিও সোনার দাম কমানো হয়েছে, দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ১৩২ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ২০৮ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

এখন পর্যন্ত চলতি বছর দেশের বাজারে ৬৮ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ৩৫ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং বাকি ৩৩ দফা কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার এবং কমেছিল মাত্র ৩ বার।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক অনন্য আত্মিক বন্ধন ক্ষণিকের দেখায় তৈরি হয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২২ পি.এম


এক অনন্য আত্মিক বন্ধন ক্ষণিকের দেখায় তৈরি হয়

রোদ, বৃষ্টি কিংবা গভীর রাত, যাই ঘটুক না কেন, প্রতিদিন নির্দিষ্ট দুটি সময়ে কিছু মানুষ রাস্তার পাশে একই স্থানে দাঁড়িয়ে থাকেন, শুধুমাত্র একজন ব্যক্তিকে দেখার জন্য অপেক্ষা করেন।

কখন তার গাড়ি এই পথে যাবে, তা কারও জানা নেই। তবুও, তারা প্রতিদিনের আসা-যাওয়ার রুটিন মাথায় রেখে সকালে ও রাতে প্রিয় সেই মানুষটিকে দেখার জন্য অপেক্ষায় থাকেন। বহুল কাঙ্ক্ষিত সেই ব্যক্তি বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের নয়নমণি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রতিদিন একই স্থানে দাঁড়িয়ে থাকেন তারা, প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি কখন এই পথ দিয়ে যাবে সেই প্রত্যাশায়। তাদের মধ্যে কেউ কেউ প্রথম দিন থেকেই অফিসে যাওয়ার পথে দাঁড়িয়ে ছিলেন, এখনও রয়েছেন। আবার কেউ জেনে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর যাতায়াতের পথ।

কখনও দেখা যায়, রিকশার হ্যান্ডেলে হাত রেখে কেউ দাঁড়িয়ে আছেন, কেউ দোকানের সামনে, আবার কেউ ফুটপাতে নিত্যকার ব্যস্ততার মধ্যেও অপেক্ষা করেন। তাদের অপেক্ষা, সেই কাঙিক্ষত ক্ষণটির জন্য। গাড়ির ভেতরে থাকা মানুষটিকে একবার চোখের দেখা দেখবেন বলে।

দিনের পর দিন একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকা এই মানুষগুলো এখন প্রধানমন্ত্রীরও চেনা মুখ। যখন গাড়িবহর সেই জায়গাগুলোতে পৌঁছায়, তখন গতি একটু ধীর হয়। রাস্তার পাশ থেকে হাত নাড়িয়ে শুভেচ্ছা জানান তারা। গাড়ির ভেতর থেকেও প্রধানমন্ত্রী হাত তুলে সাড়া দেন হাসিমুখে।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, রমনা থানার পাশে যমুনা ব্যাংকের একটি এটিএম বুথে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন পাবনার এক বৃদ্ধ। প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি এই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় তিনি হাতে ধানের শীষ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতেন। প্রধানমন্ত্রীকে এক নজর দেখে, হাত নেড়ে অভিবাদন জানিয়ে তারপর নাশতা সেরে কাজে যোগ দিতেন।

তিনি বলেন, এখন এটিএম বুথটি স্থায়ীভাবে বন্ধ। চাকরিটিও আর নেই তার। তবুও, প্রতিদিন সিকিউরিটি গার্ডের সেই ইউনিফর্ম পরে, হাতে ধানের শীষ নিয়ে তিনি চলে আসেন পুরোনো জায়গাটিতে। দাঁড়িয়ে থাকেন প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায়। একসময় গাড়িবহরটি সামনে আসে। কয়েক সেকেন্ডের দেখা। এই কয়েক মুহূর্তের জন্যই তার এই দীর্ঘ প্রতীক্ষা। দেখা হওয়ার পর মনে একরাশ প্রশান্তি নিয়ে নাশতা সারেন তিনি। চলে যান নিজ গন্তব্যে সেই বৃদ্ধ। এ যেন পথের পাশে অপেক্ষমাণ মানুষ এবং চলন্ত গাড়ির ভেতরের মানুষটির মধ্যে গড়ে ওঠা এক অকৃত্রিম ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।

আতিকুর রহমান রুমন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর যাতায়াতের পথে বনানীর দুবাই মার্কেটের কাছে নিয়মিত অপেক্ষা করেন দুজন রিকশাচালক। প্রতিদিনের জীবিকার ব্যস্ততার মধ্যেও প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি যাওয়ার অপেক্ষায় থাকেন তারা। গাড়ি কাছাকাছি এলে চোখের তারায় এক অদ্ভুত দ্যুতি খেলে যায়, রচিত হয় এক আবেগময় মুহূর্ত। এ যেন অপেক্ষা এবং চোখের দেখায় গড়ে ওঠা হৃদয়ের সংযোগ।

তিনি বলেন, বনানী কাঁচাবাজারের কাছেও কিছু পরিচিত মুখ রয়েছে। ফুল ও ফল বিক্রেতাদের মধ্যে কেউ কেউ প্রতিদিন অপেক্ষা করেন। ফুটপাতের হকারদের মধ্যেও আছেন এমন অনেকে। কাজ থামিয়ে সেই মুহূর্তের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন, গাড়ির ভেতরে থাকা প্রিয় মানুষটিকে একবার দেখবেন বলে।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, আঁধার রাতে কামাল আতাতুর্ক রোডে একজন অপেক্ষা করেন প্রধানমন্ত্রীর বাড়ি ফেরার পথে। কখনও সেই অপেক্ষা গড়িয়ে যায় গভীর রাত পর্যন্ত। নাম জানা নেই, কিন্তু দিনের পর দিন একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকায় মুখটি আর অপরিচিত থাকেনি। রাতে সেখানে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীর গাড়ির গতি একটু কমে যায়। গাড়ির ভেতরের আলো জ্বালিয়ে হাত নেড়ে অপেক্ষমাণ মানুষটির অভিবাদনের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী।

আতিকুর রহমান রুমন বলেন, কাজ শেষে রাতে প্রধানমন্ত্রী যখন ফেরেন, গুলশান ২-এর প্রধান সড়ক থেকে গলির ভেতরের রেস্তোরাঁ ও হোটেলের অনেক কর্মচারী তখন অপেক্ষায় থাকেন। তাদের কাছাকাছি পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ির ভেতরের বাতি জ্বালিয়ে দেন, যেন পথের ধারে অপেক্ষমাণ মানুষগুলো তাকে স্পষ্ট দেখতে পান। আলো জ্বলে উঠতেই চেনা মুখগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে আনন্দ।

তিনি বলেন, কেউ হাত নাড়েন, কেউ অপলক চেয়ে থাকেন। চলন্ত গাড়ির ভেতর থেকে প্রধানমন্ত্রীও হাত তুলে অভিবাদনের জবাব দেন। কথাহীন সেই অভিবাদনেই বিনিময় হয়ে যায় অনেক না-বলা কথা। পুরো ঘটনাটা মাত্র কয়েক মুহূর্তের। গাড়ি থামে না, কাছে এসে কুশল বিনিময় হয় না, কথাও হয় না। তবুও, দিনের পর দিন এই ক্ষণিক দেখাতেই গড়ে উঠেছে এক অদ্ভুত মায়ার সম্পর্ক।

তিনি আরও বলেন, শুরুর দিকে অপেক্ষাটা ছিল শুধু পথের পাশের মানুষগুলোর। তারা জানতেন, এই পথ দিয়েই প্রধানমন্ত্রী যাবেন। তাই কাজের ফাঁকে কেউ এসে দাঁড়াতেন রাস্তার ধারে, কেউ অপেক্ষা করতেন শুধু একঝলক প্রিয় প্রধানমন্ত্রীকে দেখবেন বলে।

আতিকুর রহমান রুমন বলেন, একসময় সেই অপেক্ষা আর একপক্ষের থাকেনি। পরিচিত জায়গাগুলো কাছাকাছি এলে প্রধানমন্ত্রীও খুঁজে ফেরেন মানুষগুলোকে। সেই চেনা মুখগুলো কি আজও দাঁড়িয়ে আছেন পথের পাশে? এই সম্পর্কের কোনো আনুষ্ঠানিকতা নেই। কোনো মঞ্চ নেই, নেই বক্তৃতা কিংবা করতালির আয়োজন। আছে শুধু অপেক্ষা, পরিচিত কিছু মুখ এবং পরস্পরকে খুঁজে নেওয়ার এক নীরব টান। এ যেন অদৃশ্য এক সুতোয় গাঁথা ভালোবাসার মালা।

তিনি বলেন, একদিকে পথের ধারে অপেক্ষমাণ সেইসব মানুষ, অন্যদিকে চলন্ত গাড়ির ভেতর থেকে তাদের খুঁজে ফেরা প্রধানমন্ত্রী। মাঝখানে কয়েক হাতের দূরত্ব, কয়েক মুহূর্তের দেখা-তবু সেই ক্ষণিকের মধ্যেই নীরবে গড়ে উঠেছে এক নিঃস্বার্থ বন্ধন। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজকের এই দিনে ইতিহাসে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা ও বিখ্যাত ব্যক্তিদের তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২৩ পি.এম


আজকের এই দিনে ইতিহাসে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা ও বিখ্যাত ব্যক্তিদের তথ্য

বিশ্বের ইতিহাসে প্রতিদিন ঘটে নানা ধরনের ঘটনা। অনেক কিছু উদ্ভাবন ও উন্মোচন হয়। জন্মের পাশাপাশি অনেকের মৃত্যু ঘটে। প্রতিদিনের এসব ঘটনার মধ্যে কিছু ঘটনা মানুষের মনে স্থায়ীভাবে দাগ কাটে। কিছু ঘটনা ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নেয়।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) এক নজরে দেখা যাক তেমন কিছু ঘটনা।

ঘটনাবলি

১৬৫৭ সালে, মোগল সম্রাট শাহজাহান আকস্মিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে, সিংহাসন নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

১৭১৬ সালে বোস্টনে প্রথম বাতিঘর স্থাপন করা হয়।

১৭৭৮ সালে হুগলিতে প্রথম বাংলা ছাপাখানা স্থাপন করা হয়।

১৮৭৯ সালে লন্ডনে ব্রিটেনের প্রথম টেলিফোন একচেঞ্জ স্থাপন করা হয়।

১৮৮০ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রিকেট টেস্ট ম্যাচ শুরু হয়।

১৯০৫ সালে আটলান্টা জীবন বিমা কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯০৮ সালে কলকাতায় সর্বপ্রথম কলকাতা গাণিতিক সমিতি গঠিত হয়।

১৯৬৫ সালে প্রথম পাক-ভারত যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৬৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সোয়াজিল্যান্ড ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে।

১৯৯৮ সালে শেখ মুজিবুর রহমানকে ডায়াবেটিক সোসাইটির মরণোত্তর স্বর্ণপদক দেওয়ার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো স্বর্ণপদক প্রদান শুরু হয়।

জন্ম

১৭৬৬ সালে জন ডাল্টন, ইংরেজ রসায়নবিদ, স্কুলশিক্ষক, আবহাওয়া বিজ্ঞানী ও পদার্থবিদ জন্মগ্রহণ করেন।

১৮০৮ সালে আব্দুল কাদের আল-জাজায়িরি, আলজেরিয়ার জিহাদ-লড়াই করার একজন মুজাহিদ জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৬০ সালে জেন অ্যাডামস, সমাজ সংগঠক, অধ্যাপক, বুদ্ধিজীবী ও লেখক জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৭৬ সালে জন জেমস রিকার্ড ম্যাক্লিয়ড, স্কটিশ প্রাণরসায়নবিদ এবং শারীরতত্ত্ববিদ জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৮৯ সালে শরৎচন্দ্র বসু, বাঙালি জাতীয়তাবাদী, পেশায় ব্যারিস্টার এবং ভারতের স্বাধীনতা কর্মী জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৯২ সালে অ্যাডওয়ার্ড ভিক্টর অ্যাপলটন, ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী ও নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জন্মগ্রহণ করেন।

১৯০৬ সালে লুইস ফেদেরিকো লেলইর, আর্জেন্টাইন চিকিৎসক ও জৈবরসায়নবিদ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জন্মগ্রহণ করেন।

১৯১৩ সালে লিওনিদাস, প্রাক্তন ব্রাজিলীয় ফুটবলার জন্মগ্রহণ করেন।

১৯১৭ সালে বাসন্তী দুলাল নাগ চৌধুরী, ভারতীয় বাঙালি পদার্থ বিজ্ঞানী, ভারত সরকারের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ও পারমাণবিক পদার্থ বিজ্ঞানের অন্যতম পথিকৃৎ জন্মগ্রহণ করেন। জর্জ মান, ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯১৮ সালে জগন্ময় মিত্র, ভারতীয় বাঙালি সংগীতশিল্পী জন্মগ্রহণ করেন।

১৯২০ সালে শচীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি কবি, কথা-সাহিত্যিক ও নাট্যকার জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৪২ সালে রিচার্ড হাটন, ইংরেজ ক্রিকেটার জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৪৯ সালে রাকেশ রোশন, ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার ও চিত্র সম্পাদক জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৬৪ সালে রোজি পেরেজ, মার্কিন অভিনেত্রী, সমাজকর্মী, আলাপচারিতা অনুষ্ঠান সঞ্চালক, লেখিকা, নৃত্যশিল্পী ও নৃত্য পরিচালক জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৬৮ সালে সাঈদ আনোয়ার, পাকিস্তানি ক্রিকেটার জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৭২ সালে ইদ্রিস এলবা, ইংরেজ অভিনেতা, প্রযোজক, সঙ্গীতজ্ঞ ও ডিজে জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৭৬ সালে নাওমি হ্যারিস, ইংরেজ অভিনেত্রী জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৯৫ সালে মুস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশি ক্রিকেটার জন্মগ্রহণ করেন।

মৃত্যু

১৯০৭ সালে সুলি প্রুদোম, ফরাসি সাহিত্যিক জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৫৯ সালে এডমুন্ড গোয়েন, ইংরেজ অভিনেতা জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৭২ সালে উস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ, প্রখ্যাত বাঙালি সেতার ও সানাই বাদক হিসেবে পরিচিত সঙ্গীতজ্ঞ জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৮২ সালে অনিলেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়, খ্যাতনামা গণিতের অধ্যাপক জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৮৯ সালে মোহাম্মদ ইব্রাহিম, বাংলাদেশি চিকিৎসক এবং বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৯০ সালে লেন হাটন, ইংরেজ ক্রিকেটার জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৯৬ সালে সালমান শাহ, বাংলাদেশি চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেতা জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৯৭ সালে পি. এইচ. নিউবি, ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও বিবিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৯৮ সালে আকিরা কুরোসাওয়া, জাপানি চলচ্চিত্র পরিচালক জন্মগ্রহণ করেন।

২০১৭ সালে লতফি জাদেহ, ইরানি ও আজারবাইজানি বংশোদ্ভূত মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন্মগ্রহণ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ ঢাকার যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ থাকবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২৩ পি.এম


আজ ঢাকার যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ থাকবে

ঢাকাতে কেনাকাটার জন্য প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে। তবে, কোনো মার্কেটে যাওয়ার পূর্বে সেই এলাকার সাপ্তাহিক বন্ধের দিন সম্পর্কে অবগত থাকা অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায়, বিড়ম্বনায় পড়তে হতে পারে আপনাকে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) তারিখে দেখে নিন কোন কোন মার্কেট, শপিংমল এবং এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে

বিসিএস কম্পিউটার সিটি (আইডিবি), পল্লবী সুপার মার্কেট, মিরপুর বেনারসি পল্লি, ইব্রাহীমপুর বাজার, রজনীগন্ধা মার্কেট, ইউএই মৈত্রী কমপ্লেক্স, বনানী সুপার মার্কেট, ডিসিসি মার্কেট গুলশান-১ এবং ২, গুলশান পিংক সিটি, মোল্লা টাওয়ার, আল-আমিন সুপার মার্কেট, রামপুরা সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি করপোরেশন মার্কেট, কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, গোরান বাজার, আবেদিন টাওয়ার, ঢাকা শপিং সেন্টার, আয়েশা মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স ও মিতালি অ্যান্ড ফ্রেন্ড সুপার মার্কেট।

যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে

আগারগাঁও, তালতলা, শেরেবাংলা নগর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, পল্লবী, মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, ইব্রাহীমপুর, কচুক্ষেত, কাফরুল, মহাখালী, নিউ ডিওএইচএস, ওল্ড ডিওএইচএস, কাকলী, তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর এলাকা, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান-১, ২, বনানী, মহাখালী কমার্শিয়াল এরিয়া, নাখালপাড়া, মহাখালী ইন্টার সিটি বাস টার্মিনাল এরিয়া, রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁও, গোড়ান, মালিবাগের একাংশ, বাসাবো, ধলপুর, সায়েদাবাদ, মাদারটেক, মুগদা, কমলাপুরের একাংশ, যাত্রাবাড়ী একাংশ, শনির আখড়া, দনিয়া, রায়েরবাগ ও সানারপাড়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%