রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:২৩ পি.এম
বিশ্বের ইতিহাসে প্রতিদিন ঘটে নানা ধরনের ঘটনা। অনেক কিছু উদ্ভাবন ও উন্মোচন হয়। জন্মের পাশাপাশি অনেকের মৃত্যু ঘটে। প্রতিদিনের এসব ঘটনার মধ্যে কিছু ঘটনা মানুষের মনে স্থায়ীভাবে দাগ কাটে। কিছু ঘটনা ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নেয়।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) এক নজরে দেখা যাক তেমন কিছু ঘটনা।
ঘটনাবলি
১৬৫৭ সালে, মোগল সম্রাট শাহজাহান আকস্মিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে, সিংহাসন নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
১৭১৬ সালে বোস্টনে প্রথম বাতিঘর স্থাপন করা হয়।
১৭৭৮ সালে হুগলিতে প্রথম বাংলা ছাপাখানা স্থাপন করা হয়।
১৮৭৯ সালে লন্ডনে ব্রিটেনের প্রথম টেলিফোন একচেঞ্জ স্থাপন করা হয়।
১৮৮০ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রিকেট টেস্ট ম্যাচ শুরু হয়।
১৯০৫ সালে আটলান্টা জীবন বিমা কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯০৮ সালে কলকাতায় সর্বপ্রথম কলকাতা গাণিতিক সমিতি গঠিত হয়।
১৯৬৫ সালে প্রথম পাক-ভারত যুদ্ধ শুরু হয়।
১৯৬৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সোয়াজিল্যান্ড ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে।
১৯৯৮ সালে শেখ মুজিবুর রহমানকে ডায়াবেটিক সোসাইটির মরণোত্তর স্বর্ণপদক দেওয়ার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো স্বর্ণপদক প্রদান শুরু হয়।
জন্ম
১৭৬৬ সালে জন ডাল্টন, ইংরেজ রসায়নবিদ, স্কুলশিক্ষক, আবহাওয়া বিজ্ঞানী ও পদার্থবিদ জন্মগ্রহণ করেন।
১৮০৮ সালে আব্দুল কাদের আল-জাজায়িরি, আলজেরিয়ার জিহাদ-লড়াই করার একজন মুজাহিদ জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৬০ সালে জেন অ্যাডামস, সমাজ সংগঠক, অধ্যাপক, বুদ্ধিজীবী ও লেখক জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৭৬ সালে জন জেমস রিকার্ড ম্যাক্লিয়ড, স্কটিশ প্রাণরসায়নবিদ এবং শারীরতত্ত্ববিদ জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৮৯ সালে শরৎচন্দ্র বসু, বাঙালি জাতীয়তাবাদী, পেশায় ব্যারিস্টার এবং ভারতের স্বাধীনতা কর্মী জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৯২ সালে অ্যাডওয়ার্ড ভিক্টর অ্যাপলটন, ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী ও নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জন্মগ্রহণ করেন।
১৯০৬ সালে লুইস ফেদেরিকো লেলইর, আর্জেন্টাইন চিকিৎসক ও জৈবরসায়নবিদ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জন্মগ্রহণ করেন।
১৯১৩ সালে লিওনিদাস, প্রাক্তন ব্রাজিলীয় ফুটবলার জন্মগ্রহণ করেন।
১৯১৭ সালে বাসন্তী দুলাল নাগ চৌধুরী, ভারতীয় বাঙালি পদার্থ বিজ্ঞানী, ভারত সরকারের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ও পারমাণবিক পদার্থ বিজ্ঞানের অন্যতম পথিকৃৎ জন্মগ্রহণ করেন। জর্জ মান, ইংরেজ ক্রিকেটার।
১৯১৮ সালে জগন্ময় মিত্র, ভারতীয় বাঙালি সংগীতশিল্পী জন্মগ্রহণ করেন।
১৯২০ সালে শচীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি কবি, কথা-সাহিত্যিক ও নাট্যকার জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪২ সালে রিচার্ড হাটন, ইংরেজ ক্রিকেটার জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪৯ সালে রাকেশ রোশন, ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার ও চিত্র সম্পাদক জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৬৪ সালে রোজি পেরেজ, মার্কিন অভিনেত্রী, সমাজকর্মী, আলাপচারিতা অনুষ্ঠান সঞ্চালক, লেখিকা, নৃত্যশিল্পী ও নৃত্য পরিচালক জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৬৮ সালে সাঈদ আনোয়ার, পাকিস্তানি ক্রিকেটার জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৭২ সালে ইদ্রিস এলবা, ইংরেজ অভিনেতা, প্রযোজক, সঙ্গীতজ্ঞ ও ডিজে জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৭৬ সালে নাওমি হ্যারিস, ইংরেজ অভিনেত্রী জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৯৫ সালে মুস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশি ক্রিকেটার জন্মগ্রহণ করেন।
মৃত্যু
১৯০৭ সালে সুলি প্রুদোম, ফরাসি সাহিত্যিক জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৫৯ সালে এডমুন্ড গোয়েন, ইংরেজ অভিনেতা জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৭২ সালে উস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ, প্রখ্যাত বাঙালি সেতার ও সানাই বাদক হিসেবে পরিচিত সঙ্গীতজ্ঞ জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৮২ সালে অনিলেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়, খ্যাতনামা গণিতের অধ্যাপক জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৮৯ সালে মোহাম্মদ ইব্রাহিম, বাংলাদেশি চিকিৎসক এবং বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৯০ সালে লেন হাটন, ইংরেজ ক্রিকেটার জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৯৬ সালে সালমান শাহ, বাংলাদেশি চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেতা জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৯৭ সালে পি. এইচ. নিউবি, ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও বিবিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৯৮ সালে আকিরা কুরোসাওয়া, জাপানি চলচ্চিত্র পরিচালক জন্মগ্রহণ করেন।
২০১৭ সালে লতফি জাদেহ, ইরানি ও আজারবাইজানি বংশোদ্ভূত মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন্মগ্রহণ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকাতে কেনাকাটার জন্য প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে। তবে, কোনো মার্কেটে যাওয়ার পূর্বে সেই এলাকার সাপ্তাহিক বন্ধের দিন সম্পর্কে অবগত থাকা অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায়, বিড়ম্বনায় পড়তে হতে পারে আপনাকে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) তারিখে দেখে নিন কোন কোন মার্কেট, শপিংমল এবং এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে।
যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে
বিসিএস কম্পিউটার সিটি (আইডিবি), পল্লবী সুপার মার্কেট, মিরপুর বেনারসি পল্লি, ইব্রাহীমপুর বাজার, রজনীগন্ধা মার্কেট, ইউএই মৈত্রী কমপ্লেক্স, বনানী সুপার মার্কেট, ডিসিসি মার্কেট গুলশান-১ এবং ২, গুলশান পিংক সিটি, মোল্লা টাওয়ার, আল-আমিন সুপার মার্কেট, রামপুরা সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি করপোরেশন মার্কেট, কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, গোরান বাজার, আবেদিন টাওয়ার, ঢাকা শপিং সেন্টার, আয়েশা মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স ও মিতালি অ্যান্ড ফ্রেন্ড সুপার মার্কেট।
যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে
আগারগাঁও, তালতলা, শেরেবাংলা নগর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, পল্লবী, মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, ইব্রাহীমপুর, কচুক্ষেত, কাফরুল, মহাখালী, নিউ ডিওএইচএস, ওল্ড ডিওএইচএস, কাকলী, তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর এলাকা, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান-১, ২, বনানী, মহাখালী কমার্শিয়াল এরিয়া, নাখালপাড়া, মহাখালী ইন্টার সিটি বাস টার্মিনাল এরিয়া, রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁও, গোড়ান, মালিবাগের একাংশ, বাসাবো, ধলপুর, সায়েদাবাদ, মাদারটেক, মুগদা, কমলাপুরের একাংশ, যাত্রাবাড়ী একাংশ, শনির আখড়া, দনিয়া, রায়েরবাগ ও সানারপাড়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস), যা টানা তিন দফা কমার পর নেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বৃদ্ধি করে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন এ দাম বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। আজ শুক্রবারও সোনার বিক্রি একই দামে হবে।
নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ২ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৬৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৯৪ হাজার ৬১৪ টাকায় বিক্রি হবে।
সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সোনার দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ১৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৯৫৭ টাকায় বিক্রি হবে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ২০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকার বাড্ডা এলাকার সাতারকুলে অবস্থিত একটি আসবাবপত্রের (ফার্নিচার) গোডাউনে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ সম্পন্ন করেছে ফায়ার সার্ভিস। প্রায় এক ঘণ্টার নিরলস প্রচেষ্টার পর, সকাল পৌনে ১০টার দিকে অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।
এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে। এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিসের সূত্র মতে, সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে সাতারকুল এলাকায় ফার্নিচারের গোডাউনে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। খবর পাওয়ার পর বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট দ্রুত রওনা দেয় এবং সকাল ৯টা ১৯ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। আগুনের তীব্রতা বিবেচনা করে, পূর্বাচল ফায়ার স্টেশন থেকেও সহায়তার জন্য আরও দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল।
বারিধারা স্টেশনের কর্মীদের তৎপরতায়, সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। অতিরিক্ত সহায়তার প্রয়োজন না হওয়ায়, পূর্বাচল ফায়ার স্টেশনের ইউনিট দুটিকে ফায়ার সার্ভিস সদর দফতর থেকে ফেরত পাঠানো হয়।
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে আগুন আশপাশের ভবনে ছড়িয়ে পড়তে পারেনি। আগুন পুরোপুরি নেভানোর পাশাপাশি, কীভাবে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছিল এবং এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত, তা খতিয়ে দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর একটি ঘরের ভেতর টেলিভিশন দেখার সময় আকস্মিকভাবে বাইরে থেকে আসা গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছেন এক গৃহবধূ।
এই ঘটনা ঘটে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে দারুস সালামের মাতবরবাড়ি মসজিদ গলি এলাকায়। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে, তার অবস্থার অবনতি হলে রাত ১১টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়।
গুলিবিদ্ধ জেসমিন বেগম (৩৮) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার উত্তর দাললা গ্রামের আব্দুল মান্নানের স্ত্রী। বর্তমানে তারা দারুস সালামের মসজিদ গলির একটি টিনশেড বাসায় ভাড়া বসবাস করছেন।
জেসমিনের ছেলে মাজিদুল ইসলাম ইয়াসিন জানিয়েছেন, তারা দারুস সালামের মাদবরবাড়ি মসজিদের পাশে একটি টিনশেড বাসায় বসবাস করেন। তার বাবা আব্দুল মান্নান পেশায় দিনমজুর। শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে তার মা ঘরের জানালা খোলা রেখে টেলিভিশন দেখছিলেন। এই সময়, কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তদের ছোড়া একটি গুলি তার ডান হাতে লাগে। গুলির শব্দ ও মায়ের আর্তচিৎকারে তিনি এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা দ্রুত ঘরে ছুটে যান এবং তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান।
তবে, ঠিক কী কারণে বা কারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে, সে সম্পর্কে তিনি অবগত নন। তার পরিবারের অন্য সদস্যরাও সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বা শত্রুতার কথা জানাতে পারেননি।
ভুক্তভোগীর স্বামী আব্দুল মান্নান এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক মো. ফারুক গণমাধ্যমকে জানান, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক নারীকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। বর্তমানে তাকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ