বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৩৭ পি.এম
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক থেকে খাগড়াছড়িতে পর্যটকদের পৌঁছানোর পথে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে তাদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে সাজেক ইউনিয়নের উজোবাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সড়ক অবরোধের কারণে সাজেক ভ্যালি পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর আজ সকাল ৮টার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ নিরাপত্তায় প্রায় তিন হাজার পর্যটক খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা হন। তবে পর্যটকবাহী গাড়িগুলো উজোবাজার এলাকায় পৌঁছালে অবরোধকারীদের বাধার সম্মুখীন হয়।
পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যারিকেড সরিয়ে পর্যটকদের খাগড়াছড়ির দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে সশস্ত্র ব্যক্তিদের সঙ্গে গোলাগুলি শুরু হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, সাজেক থেকে ফেরত আসা পর্যটকেরা নিরাপদে খাগড়াছড়ির কাছাকাছি পৌঁছেছেন বলে জানা গেছে।
রাঙামাটির পুলিশ সুপার আব্দুর রবিক গোলাগুলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘উজোবাজার এলাকায় থেমে থেমে গোলাগুলির খবর পেয়েছি। বিস্তারিত পরে জানানো যাবে। তবে সাজেক থেকে ফেরা পর্যটকরা নিরাপদে খাগড়াছড়ির কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন।’
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক দুই রাজনৈতিক সংগঠনের বিরোধের কারণে আজ থেকে রাঙামাটির সাজেক সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ চলছে। সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন এই অবরোধের ডাক দিয়েছে। এর ফলে সাজেকে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের যাতায়াতে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে।
তবে জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা। তিনি বলেন, ‘এসব ইউপিডিএফের ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার। দীর্ঘদিন ধরে সাজেকে ইউপিডিএফ যে সন্ত্রাসী তৎপরতা ও জনগণের ওপর শোষণ-পীড়ন চালাচ্ছে, সেখান থেকে নজর সরাতেই তারা এ কাজ করছে।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে নিখোঁজ ৫ পর্যটকের মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ফলে মৃতের সংখ্যা এখন চারজনে দাঁড়িয়েছে। এই ঘটনায় এখনও একজন পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে ওই পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দুর্ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরে সৈকতে ভেসে আসা মরদেহটি চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ কবিরের ছেলে মোহাম্মদ হারুনের বলে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করেন তার স্বজনেরা।
আরো পড়ুন
নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধিতে বসুন্ধরা শুভসংঘের পোস্টার প্রদর্শন
এর আগে বুধবার বিকেলে হিমছড়ি এলাকার মারিনা রিসোর্টের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পরপরই তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ীর বাসিন্দা রোহান (২৩) ও শহীদুল ইসলাম জিসান (২৩) এবং চট্টগ্রামের বায়েজিদ শার্সা এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আকাশ (২১)। বর্তমানে নিখোঁজ রয়েছেন ঢাকার আজিমপুরের বাসিন্দা নাফিসুল হক নিবিড় (২২)।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মস জিল্লুর রহমান জানিয়েছেন, পর্যটকদের দুটি পৃথক দল হিমছড়ির পেঁচারদ্বীপ জাদুঘর-সংলগ্ন রেজু খাল পেরিয়ে সমুদ্র ও খালের মোহনায় জেগে ওঠা একটি বালুচরে বেড়াতে যায়। বিকেলের দিকে সাগরে পূর্ণ জোয়ার শুরু হলে ধীরে ধীরে বালুচরটি পানিতে তলিয়ে যেতে শুরু করে। কিন্তু পর্যটকেরা বিষয়টি বুঝতে পারেননি। একপর্যায়ে পুরো চরটি পানির নিচে চলে গেলে দুই দলের সদস্যরা সাগরের পানিতে আটকা পড়ে যান বলে তিনি জানান।
ইউএনও আরও বলেন, খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। তারা চট্টগ্রাম থেকে আসা পর্যটক দলের তিন সদস্যকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান এবং পরে তল্লাশি চালিয়ে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে উদ্ধার হয় আরো একজনের মরদেহ।
জীবিত উদ্ধার হওয়া তিনজন হলেন– চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকার মৃত আবুল কালামের ছেলে রাকিব হাসান, একই এলাকার মৃত ছগিরের ছেলে মো. সানী এবং বায়েজিদে বসবাসকারী নোয়াখালীর বাসিন্দা মোহাম্মদ আকাশ। বর্তমানে তারা কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সানী ও আকাশ জানান, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ট্রেনে করে তারা কক্সবাজারে পৌঁছান। এরপর পেঁচারদ্বীপে আগে থেকে বুকিং করা একটি রিসোর্টে ওঠেন। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তারা রেজু খাল পেরিয়ে ওই বালুচরে যান। একই সময়ে ঢাকা থেকে আসা আরেকটি পর্যটক দলও সেখানে অবস্থান করছিল। হঠাৎ জোয়ারের পানি বেড়ে যাওয়ায় তারা বিপদের মুখে পড়েন।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন জানিয়েছেন, নিহত চারজনের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং নিখোঁজ একজনের সন্ধানে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জের শিবালয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বরংগাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি বাসের সঙ্গে ব্যাটারিচালিত ইজি বাইকের সংঘর্ষের ফলে দুই যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় ইজি বাইকের চালকও গুরুতর আহত অবস্থায় রয়েছেন।
আরো পড়ুন
কক্সবাজার সৈকত : সাগরে ভেসে যাওয়া আরো এক পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতদের মধ্যে একজন হলেন মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার মৌহালী গ্রামের মো. সাহানের ছেলে ইয়াসিন (২২) এবং অপরজন একই গ্রামের মোজাহারের ছেলে বাবলু (২৮)। আহত ইজি বাইকচালকের নাম এখনো জানা যায়নি।
আরো পড়ুন
মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, সেলফি পরিবহনের একটি বাস পাটুরিয়া থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। এ সময় ঘিওর উপজেলার মৌহালী থেকে যাত্রী নিয়ে বরংগাইল হাটের দিকে যাচ্ছিল ব্যাটারিচালিত ইজি বাইকটি। বরংগাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বাসটি ইজি বাইকটিকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলে একজন যাত্রী নিহত হন। অপর যাত্রীকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় ইজি বাইকচালক গুরুতর আহত হন এবং পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকায় পাঠানো হয়।
আরো পড়ুন
কঙ্গো থেকে ৪ দেশে ছড়িয়েছে ইবোলা, যা জানা জরুরি
বরংগাইল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পর বাসটি জব্দ করা হয়েছে। তবে বাসের চালক ও তার সহকারী পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে একটি ট্রাকের ধাক্কায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার দুই যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন। এই ঘটনায় আরও অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের রূপগঞ্জ উপজেলার মৈকুলী এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন রূপগঞ্জের মৈকুলী এলাকার বাসিন্দা শাহনাজ বেগম (৫৫) এবং একই এলাকার রিফাত হোসেন (২০)। আহত তিনজনকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে।
আরো পড়ুন
মানিকগঞ্জে বাসের সঙ্গে ইজি বাইক সংঘর্ষ, নিহত ২
ভুলতা হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর জসিম উদ্দিন জানান, দুপুরের দিকে যাত্রী নিয়ে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা রূপসীর দিকে যাচ্ছিল। এ সময় একটি দ্রুতগতির ট্রাকের সঙ্গে অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে অটোরিকশাটি সম্পূর্ণরূপে দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলে দুইজন নিহত হন এবং আরও তিনজন আহত হন। দুর্ঘটনার পর ট্রাকটিকে আটক করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের প্রধান কোচ লিওনেল স্ক্যালোনির মেয়াদ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশ্বকাপজয়ী এই কোচ নতুন চুক্তিতে সম্মতি প্রদান করেছেন। এখন কেবল আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।
ইতালিয়ান সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানো এক্সে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে জানিয়েছেন, স্ক্যালোনি ২০৩০ সালের জুলাই পর্যন্ত আর্জেন্টিনার কোচের দায়িত্বে থাকতে সম্মত হয়েছেন। তবে আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এটি একটি দুই বছরের চুক্তি হবে। চুক্তির শর্তাবলীতে আরও দুই বছরের মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
টিওয়াইসি স্পোর্টসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৮ সালের কোপা আমেরিকার পর চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য আসবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে স্ক্যালোনি ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার দায়িত্বে থাকতে পারবেন।
২০৩০ বিশ্বকাপ হবে শততম আসর। স্পেন, পর্তুগাল এবং মরক্কোর সঙ্গে আয়োজক হিসেবে আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে এবং প্যারাগুয়ে থাকবে। এই তিনটি দক্ষিণ আমেরিকান দেশে একটি করে উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে, স্ক্যালোনির বর্তমান কোচিং স্টাফদেরও ধরে রাখতে চায় আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)। বিশেষ করে সহকারী কোচ ওয়াল্টার স্যামুয়েলকে দায়িত্বে রাখার চেষ্টা চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ