ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফতুল্লায় গ্যাস সংকটে কারখানার উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে


ফতুল্লায় গ্যাস সংকটে কারখানার উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে

দেশজুড়ে চলমান ভয়াবহ গ্যাস সংকটের ফলে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা শিল্পাঞ্চলের রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্প মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণে অনেক কারখানার উৎপাদন প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। শিল্পসংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, যদি দ্রুত সংকট সমাধান না করা হয়, তাহলে বিদেশি ক্রেতারা মুখ ফিরিয়ে নেবেন এবং দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাকশিল্পে গভীর অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) সূত্রে জানা গেছে, ফতুল্লার বিসিক শিল্পনগরীতে মোট ২৫৬টি গার্মেন্টস কারখানার মধ্যে গত দুই বছরে ১২২টি বন্ধ হয়ে গেছে। বর্তমানে চালু থাকা ১৩৪টি কারখানার বেশিরভাগই গ্যাস সংকটের কারণে প্রয়োজনীয় ডাইং করা কাপড় সময়মতো সংগ্রহ করতে পারছে না। উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় অনেক কারখানাকে মাঝেমধ্যেই কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হচ্ছে।

শিল্প মালিকরা জানান, প্রতি বছর জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বিদেশি ক্রেতারা সবচেয়ে বেশি ক্রয়াদেশ দিয়ে থাকেন। এই সময় পাওয়া অর্ডারের ওপর নির্ভর করেই পরবর্তী কয়েক মাস উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কিন্তু চলমান গ্যাস সংকটের কারণে অনেক বিদেশি ক্রেতা নতুন করে ক্রয়াদেশ দিচ্ছেন না।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

গ্যাস সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিকেএমই’র প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ হাতেম বলেন, গার্মেন্টস, নিটিং, ডাইং ও টেক্সটাইল শিল্প একটি অভিন্ন উৎপাদন শৃঙ্খলের অংশ। নিটিং কারখানায় সুতা দিয়ে কাপড় তৈরি হয়, সেই কাপড় ডাইং কারখানায় রঙ ও ফিনিশিং শেষে গার্মেন্টসে গিয়ে পোশাকে রূপ নেয়। ফলে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হলেই পুরো উৎপাদন চক্রে স্থবিরতা নেমে আসে।

তিনি আরও বলেন, গ্যাসের স্বল্প চাপের কারণে অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান সিএনজি স্টেশন থেকে ক্যাসকেড (খোলা সিলিন্ডার) গ্যাস এনে বয়লার চালিয়ে উৎপাদন সচল রেখেছিল। কিন্তু গত ২৬ জুলাই তিতাস গ্যাসের নতুন নির্দেশনায় যানবাহন ছাড়া ক্যাসকেড সিএনজি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেই বিকল্প ব্যবস্থাও কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে সংকট আরো গভীর হয়েছে।

উপাদনে এই স্থবিরতার কারণে শ্রমিকদের বেতন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিকেএমইএ সভাপতি। তিনি বলেন, উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় অনেক কারখানায় বিল আদায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করা নিয়ে মালিকদের মধ্যে দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, সংকট চলমান থাকলে দেড় বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি হারাবে বাংলাদেশ শিল্প মালিকরা। এর প্রভাব পড়বে সব সেক্টরে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ফতুল্লার কাঠেরপুল এলাকার আজাদ রিফাত ফাইবার্স-এর পরিচালক তাইজুল ইসলাম রাজীব বলেন, আমাদের ডাইং চালাতে ন্যূনতম পাঁচ পিএসআই গ্যাসের চাপ প্রয়োজন। সেখানে আমরা এক থেকে দুই পিএসআই পাচ্ছি। যা দিয়ে কাপর রঙ বা শুকানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়। ফলে গার্মেন্টসে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বিদেশি ক্রেতাদের অর্ডার সময় মতো দিতে পারব কি না সেটা নিয়ে শঙ্কায় আছি।

শিল্প মালিকদের মতে, দ্রুত নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, রপ্তানি হ্রাস, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমে যাবে। একই সঙ্গে কাজ হারানোর ঝুঁকিতে পড়বে লাখো শ্রমিক।

 

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষক সংকটে সরকারি কলেজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১৭ এম


শিক্ষক সংকটে সরকারি কলেজ

সরকারি কলেজগুলোতে শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে একটি হলো শিক্ষক সংকট। দেশের বিভিন্ন কলেজে অনুমোদিত পদের তুলনায় শিক্ষক সংখ্যা কম রয়েছে। কিছু কিছু বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘ সময় ধরে শূন্য থাকায় পাঠদান কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে। একজন শিক্ষককে একাধিক কোর্স বা বিষয় পড়াতে বাধ্য হতে হচ্ছে, যা শিক্ষার গুণগত মানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। শিক্ষকরা প্রশাসনিক দায়িত্ব, বিভিন্ন সরকারি কার্যক্রম এবং পরীক্ষাসংক্রান্ত কাজের চাপের কারণে শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারছেন না, যা শিক্ষার মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

শুধুমাত্র শিক্ষক সংখ্যা বৃদ্ধি করলেই সংকটের সমাধান হবে না; শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে শিক্ষাদানের পদ্ধতিতে পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে এখনও প্রচলিত মুখস্থনির্ভর শিক্ষার ধারা বিদ্যমান। শিক্ষকদের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ, গবেষণার সুযোগ এবং আধুনিক শিক্ষণ-পদ্ধতির সাথে পরিচিত হওয়ার ব্যবস্থা আরও সম্প্রসারণের প্রয়োজন রয়েছে।

অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। অনেক সরকারি কলেজে পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, আধুনিক ল্যাবরেটরি, গ্রন্থাগার এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার উপকরণের অভাব রয়েছে। বিশেষ করে, বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত গবেষণাগার ও ব্যবহারিক শিক্ষার সুযোগ সীমিত। বর্তমান যুগে শুধুমাত্র পাঠ্যবইনির্ভর শিক্ষা যথেষ্ট নয়; বাস্তবমুখী ও প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। কিন্তু অনেক কলেজে সেই পরিবেশ এখনও পুরোপুরি গড়ে ওঠেনি।

গবেষণা সংস্কৃতির অভাবও উচ্চশিক্ষার মান উন্নয়নের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবন্ধকতা। বিশ্বের উন্নত বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে গবেষণাকে শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখা হয়। গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি হয়, সমাজের সমস্যার সমাধান খুঁজে পাওয়া যায় এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিশ্লেষণী দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। কিন্তু আমাদের অধিকাংশ সরকারি কলেজে গবেষণার সুযোগ ও গবেষণা তহবিল অত্যন্ত সীমিত। ফলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে গবেষণামুখী মনোভাব গড়ে ওঠার সুযোগ কম থাকে।

শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, শিক্ষার প্রতি আগ্রহ এবং আত্মনিয়ন্ত্রণও শিক্ষার মানের সাথে গভীরভাবে জড়িত। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মোবাইল ফোন এবং বিভিন্ন ডিজিটাল বিনোদনের কারণে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠাভ্যাস, সৃজনশীল চিন্তাশক্তি এবং গবেষণামুখী মানসিকতা গড়ে তোলার জন্য বিশেষ উদ্যোগ প্রয়োজন।

সরকারি কলেজগুলোর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হলো কর্মমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার অভাব। বর্তমান চাকরির বাজারে শুধুমাত্র একাডেমিক সনদ যথেষ্ট নয়; যোগাযোগ দক্ষতা, তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞান, সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলি প্রয়োজন। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে পাঠ্যক্রম ও বাস্তব কর্মক্ষেত্রের চাহিদার মধ্যে একটি ব্যবধান লক্ষ্য করা যায়। ফলে অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করার পরও চাকরির বাজারে প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জন করতে পারে না।

সরকারি কলেজে শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য কয়েকটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। প্রথমত, শূন্য পদ দ্রুত পূরণ করে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, শিক্ষকদের গবেষণা ও উচ্চতর প্রশিক্ষণের সুযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। তৃতীয়ত, আধুনিক গ্রন্থাগার, গবেষণাগার এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার অবকাঠামো উন্নত করতে হবে। চতুর্থত, শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিকতা, সৃজনশীলতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে সহশিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে হবে। পঞ্চমত, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের মধ্যে কার্যকর সংযোগ গড়ে তুলতে হবে।

লেখক: অধ্যাপক, হিসাববিজ্ঞান বিভাগ, সরকারি ইকবাল মেমোরিয়াল কলেজ দাগনভূঞা, ফেনী

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তারেক রহমানের পাশে আছে ঢাকাবাসী : আব্দুস সালাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৪৩ পি.এম


তারেক রহমানের পাশে আছে ঢাকাবাসী : আব্দুস সালাম

ঢাকা, ২৯ আগস্ট, ২০২৬ : ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম মন্তব্য করেছেন যে, অতীতে ঢাকা শহর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার পাশে যেভাবে ছিল, তেমনি আজ ঢাকাবাসী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাশে রয়েছে।

তিনি আজ শুক্রবার বিকেলে নগরভবনে ‘৪১৬ হৃদয়ে ঢাকা’ উৎসবের অংশ হিসেবে আয়োজিত ঢাকা শোভাযাত্রা শেষে এসব কথা বলেন।

আব্দুস সালাম আরও বলেন, ঢাকার ঐতিহাসিক স্থানগুলোর রেপ্লিকা শোভাযাত্রায় প্রদর্শনের মাধ্যমে এসব স্থাপনা এবং রাজধানীর সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য মানুষের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। এসব ঐতিহাসিক স্থাপনা ঢাকার গর্ব, একইসঙ্গে দেশেরও গর্ব। নতুন প্রজন্মের কাছে ঢাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরাই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘এই ঢাকা আমার’-এই অনুভূতি নিয়ে সবাইকে ঢাকাকে হৃদয়ে ধারণ করতে হবে। ঢাকাকে হৃদয়ে ধারণ করতে পারলে শহরকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও মশামুক্ত রাখা সম্ভব হবে।

রাজধানীর বায়ুদূষণের প্রসঙ্গ তুলে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, বায়ুদূষণের কারণে ঢাকা প্রায়ই বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় থাকে। ঢাকাকে হৃদয়ে ধারণ করে সম্মিলিতভাবে কাজ করলে এ দূষণ কমিয়ে আনা সম্ভব। জনগণকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই ‘৪১৬ হৃদয়ে ঢাকা’ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি জানান, আগামীতে প্রধানমন্ত্রী সময় দিলে তাঁকে সঙ্গে নিয়ে লালবাগ কেল্লায় চূড়ান্ত অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। এতে ঢাকা মহানগরের সর্বস্তরের মানুষ, বিশেষ করে আদি ঢাকার বাসিন্দাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।

‘হৃদয়ে ঢাকা’ উৎসবের বিভিন্ন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে আব্দুস সালাম বলেন, ইতোমধ্যে সাইকেল র‌্যালি, ম্যারাথন, নৌকাবাইচ ও চিত্রাঙ্কন উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী বছর আরও সুন্দর ও বড় পরিসরে এ উৎসব আয়োজন করা হবে।

তিনি জানান, আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগরের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে রচনা প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের আজীবন শিক্ষার দায়িত্ব ঢাকা সিটি করপোরেশন নেবে।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘এই সিটি করপোরেশন ঢাকার জনগণের করপোরেশন। জনগণের সহযোগিতা নিয়েই এই সিটি করপোরেশন কাজ করবে।’ এ কাজে তিনি নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।

ঢাকার ঐতিহাসিক স্থানগুলো নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচিত করে তুলতে আগামী মাস থেকে প্রতি শনিবার স্কুলশিক্ষার্থীদের এসব স্থান পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি। সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতিটি স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য ঢাকা সিটি করপোরেশন দুটি করে বাসের ব্যবস্থা করবে বলে জানান তিনি।

আব্দুস সালাম বলেন, ঐতিহাসিক স্থানগুলো পরিদর্শনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে নিজেদের শহর ও ইতিহাস নিয়ে গর্ববোধ তৈরি হবে। শহীদ মিনারসহ ঢাকার ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো মানুষের আত্মত্যাগ ও ইতিহাসের স্মৃতি বহন করছে। ঢাকা সব ধর্মের মানুষের শহর। ইসলাম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানসহ সব সম্প্রদায়ের মানুষের ঐতিহ্য ও স্মৃতি এ শহরের সঙ্গে জড়িয়ে আছে।

নগর পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যত্রতত্র ময়লা ফেলা যাবে না। ডাস্টবিন ছাড়া ময়লা না ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। মানুষ যেমন নিজের শয়নকক্ষ ও বসার ঘর সুন্দর রাখে, তেমনি ঢাকা শহরের রাজপথকেও সুন্দর রাখার চেষ্টা করতে হবে।

পুরান ঢাকা ও আদি ঢাকার উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, তারা পুরান ঢাকাকে আরও সুন্দরভাবে সাজাতে চান। রাস্তাঘাট উন্নয়নের পাশাপাশি আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হবে। এমন পরিবেশ তৈরি করা হবে, যাতে পুরান ঢাকার যেসব বাসিন্দা বর্তমানে গুলশান-বনানীসহ বিভিন্ন এলাকায় বসবাস করছেন, তারা আবার পুরান ঢাকায় ফিরে আসতে আগ্রহী হন।

হাজার হাজার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে শোভাযাত্রাটি পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজার থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নগরভবনে এসে শেষ হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবৈধ অস্ত্রের তথ্য দিলে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৫৩ পি.এম


অবৈধ অস্ত্রের তথ্য দিলে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা

লুট হওয়া এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য পুলিশকে তথ্য প্রদান করলে ১০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার প্রদান করা হবে, এ কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, লুট হওয়া এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করার জন্য একটি বিশেষ ইউনিট গঠন করা হয়েছে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে গত তিন মাসের অপরাধ পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তিনি এই ঘোষণা দেন।

সভায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সদস্যরা কর্মক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত সহায়তা বৃদ্ধি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়গুলোর চাহিদা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদের কাছে তুলে ধরেন। তিনি জানান, এসব বিষয়ে সরকার কাজ করছে। সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, "ধীরে ধীরে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে।" নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার বিষয়ে পুলিশকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিবিকে ফোনকল: আমি ভালো হয়ে যাবো, অস্ত্রসহ আমাকে নিয়ে যান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৭ পি.এম


ডিবিকে ফোনকল:  আমি ভালো হয়ে যাবো, অস্ত্রসহ আমাকে নিয়ে যান

রাজধানীর মিরপুরের ভাষানটেক এলাকায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) একটি বাড়ি ঘিরে অভিযান পরিচালনা করছে। এই অভিযানের পেছনে রয়েছে তথ্য যে, ওই বাড়ির ভেতরে এক ব্যক্তির কাছে অস্ত্র রয়েছে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরের পর থেকে ডিবির একটি দল ভাষানটেকের ওই বাড়িটি ঘিরে রেখেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিবির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভাষানটেকের একটি বাড়ির ঠিকানা উল্লেখ করে এক ব্যক্তি ডিবিকে ফোন করেন। ফোনে তিনি জানান, তার কাছে অস্ত্র রয়েছে। তিনি অপরাধের জীবন থেকে বেরিয়ে আসতে চান এবং ভালো হয়ে যেতে চান। একইসাথে, তিনি পুলিশকে অনুরোধ করেন যে, তাকে অস্ত্রসহ নিয়ে যেতে। তিনি আত্মসমর্পণেরও ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ফোনে এ ধরনের তথ্য পাওয়ার পর ডিবির একটি দল বাড়িটি ঘিরে অভিযান শুরু করে। তবে, ওই ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের সত্যতা এখনও নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। অভিযান শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%