শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:১৪ পি.এম
গাজীপুরের কালীগঞ্জ এলাকায় রাতে টহল দেওয়ার সময় কাভার্ড ভ্যানের আঘাতে পুলিশের এক উপপরিদর্শকসহ (এসআই) দুজনের মৃত্যু ঘটেছে। এই ঘটনায় আরও দুইজন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ভোরে কালীগঞ্জ সরকারি শ্রমিক কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন– কালীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক মিজানুর রহমান (৩০) এবং তুমুলিয়া এলাকার মৃত ওয়াজ উদ্দিন মোল্লার পুত্র রফিক মোল্লা (৪৫)। আহতদের মধ্যে উপপরিদর্শক জাবেদ ওমর (২৮) ও গাড়িচালক রাব্বি (২৮) অন্তর্ভুক্ত। জাবেদ ওমর বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে এসআই মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টহল দল নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছিল। এক পর্যায়ে কালীগঞ্জ সরকারি শ্রমিক কলেজের সামনে পুলিশের গাড়ি থামিয়ে সড়কের পাশে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছিলেন এসআই মিজানুর রহমান, জাবেদ ওমর এবং রাব্বি। ঠিক তখনই একটি কাভার্ড ভ্যান ঘোড়াশালমুখী হয়ে তাদের চাপা দিয়ে চলে যায়।
পরে অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা আহত চারজনকে উদ্ধার করে রাত ৩টা ৫০ মিনিটে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রফিক মোল্লাকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় মিজানুর রহমান ও জাবেদ ওমরকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। পরে তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা শুক্রবার সকাল ৬টা ৪৭ মিনিটে মিজানুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন জানান, রাতের টহল চলাকালীন সময়ে তাদের গাড়িচাপা দেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় এসআই মিজানুর রহমানের মৃত্যু ঘটে। জাবেদ ওমর গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রাব্বি প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। এই ঘটনায় স্থানীয় একজনেরও মৃত্যু হয়েছে।
চাপা দেওয়া গাড়িটি শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও তিনি জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ২০০ প্যাকেট ভারতীয় কীটনাশক, ৬৫৩ পিস ওষুধ এবং একটি ইজিবাইক জব্দ করেছে। এ সময়, অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের চেষ্টা করার সময় এক দালালসহ তিন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি)-এর পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২২ অক্টোবর আনুমানিক বেলা ২টা ২০ মিনিটে মহেশপুর ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ নতুনপাড়া বিওপির একটি দল সীমান্ত পিলার-৬৬/৭-এস থেকে প্রায় ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অভিযান চালায়। নায়েব সুবেদার মোহাঃ শরীফ উদ্দিনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে একটি আম বাগান থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২০০ প্যাকেট ভারতীয় অবৈধ কীটনাশক উদ্ধার করা হয়।
এর আগে, ২১ অক্টোবর রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে খোসালপুর বিওপির একটি টহল দল যোশপুর গ্রাম থেকে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় তিন বাংলাদেশি এবং এক দালালকে আটক করে। আটককৃত দালাল হলেন মহেশপুর থানার বাঘাডাঙ্গা গ্রামের বিল্লাল হোসেন (৩৫)। আটক হওয়া তিন বাংলাদেশি নাগরিক হলেন—কুমিল্লার সায়েদ আলম (২২), সাব্বির হোসাইন (২৩) এবং চাঁদপুরের মো. মাহমুদুল হাসান (২১)। তাদের কাছ থেকে একটি ইজিবাইকও জব্দ করা হয়।
এদিকে, আজ ২৩ অক্টোবর ভোরে যাদবপুর বিওপির এলাকা থেকে নায়েব সুবেদার মো: আবু বকরের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে বেতবাড়িয়া এলাকার একটি খেতের পাশ থেকে ৬৫৩ পিস ভারতীয় চোরাচালানি ওষুধ উদ্ধার করে বিজিবি।
৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মুন্সী এমদাদুর রহমান জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করে উদ্ধারকৃত মালামাল ও ইজিবাইকসহ তাদেরকে মহেশপুর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কক্সবাজারের চকরিয়ায় যাত্রীবাহী বাস ও সবজিবাহী পিকআপের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় দুইজন প্রাণ হারিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার সময় চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের নয়াপাড়া সবুজ পাহাড় এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের মধ্যে একজন হলেন কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ফুলের ডেইল এলাকার আবুল কালামের ছেলে আবদুল্লাহ এবং অপরজন মাতামুহুরী উপজেলার সাহারবিল রামপুর এলাকার মো. দুলালের ছেলে মো. ইয়াছিন। উভয়েই দুর্ঘটনার সময় পিকআপের যাত্রী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, চকরিয়া থেকে কক্সবাজারের দিকে আসা একটি সবজিবাহী পিকআপের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকাগামী শ্যামলী এনআর পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষের ফলে পিকআপটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ঘটনাস্থলেই দুইজন গুরুতর আহত হন।
ঘটনার খবর পাওয়ার পর মালুমঘাট হাইওয়ে থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন।
মালুমঘাট হাইওয়ে থানার ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সেলিম মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতদের সুরতহাল প্রতিবেদনে তাঁদের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জুলাই-আগস্টের শহীদদের স্মরণে নির্মিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিরোধী দলের নেতাদের অনুপস্থিতি নিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, "যারা জুলাই-আগস্ট নিয়ে সারাদিন রাজনীতি করেন ও চিৎকার করেন, তারা দাওয়াত পাওয়া সত্ত্বেও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত না হয়ে ধোঁকাবাজির পরিচয় দিয়েছেন।"
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিরোধী দলের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, কিন্তু তারা উপস্থিত না হয়ে খোড়া যুক্তি দাঁড় করিয়েছেন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১০টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ১৯ অক্টোবর ওসমানী উদ্যানে সরকারের পক্ষ থেকে নির্মিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন। দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সকল সমমনা, সহযোগী ও জোটের রাজনৈতিক দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল। শুধু দাওয়াত কার্ড পাঠানোই নয়, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম টেলিফোনেও সবাইকে আমন্ত্রণ নিশ্চিত করেছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শহীদ মীর মুগ্ধ, আবু সাঈদ ও আনাসের বাবা এবং এক শহীদের মাকে সঙ্গে নিয়ে চার শহীদ পরিবারকে স্মৃতিস্তম্ভ ও দীর্ঘ ১০ বছর পর ওসমানী উদ্যানটি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। অথচ জুলাই নিয়ে যারা সারাদিন কথা বলেন, সেই সমস্ত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্তরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি। বাংলাদেশের এই একমাত্র শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে গ্যাজেটভুক্ত ৮৩৪ জন শহীদের নাম লেখা রয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেলের বক্তব্যের জবাবে মীর শাহে আলম বলেন, "দাওয়াত কার্ডে বিরোধী দলীয় নেতার নাম না থাকায় তারা যাননি" বলে যে যুক্তি দেওয়া হয়েছে, তা সঠিক নয়। অনুষ্ঠানে প্রবীণ রাজনীতিবিদ মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় নেতা সাইফুল হক এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন সাহেবের নাম দাওয়াত কার্ডে না থাকলেও প্রধানমন্ত্রী তাদের মঞ্চে ডেকে নেন। তিনি বলেন, "আমাদের দাওয়াত গ্রহণ করে বিরোধী দল উপস্থিত হলে মানবিক প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রতিনিধিকেও মঞ্চে ডেকে নিতেন।"
জামায়াতে সেক্রেটারী জেনারেলের অন্য একটি বক্তব্যের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "দেশের ইতিহাসে এই প্রথম বিরোধী দল ‘চকলেট’ পাচ্ছে; আমরা অতীতে বসার জায়গাও পাইনি, অথচ আপনারা সব সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন।" তিনি বলেন, "নির্বাচনের সময় বেহেশতের কথা বলে ভোট নিয়ে এখন সস্তা রাজনীতি বন্ধ করুন।" তিনি অভিযোগ করেন, "তারা ভোটের আগে মানুষকে বেহেশতের লোভ দেখায়, আবার পূজায় ঢাকের তালে নাচে; অথচ ভোটের পর এবার কোনো পূজায় তাদের পাওয়া যায়নি।" তিনি বলেন, "তারা এখন এক দফার নামে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।"
প্রতিমন্ত্রী অশালীন ভাষা প্রয়োগ না করার অনুরোধ জানিয়ে সতর্ক করে বলেন, "এপর্যন্ত যদি অশালীন ভাষা ব্যবহার করা হয়, তবে জাতীয়তাবাদী শক্তি তা মেনে নেবে না।"
তিনি দলের ভেতরের শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে বলেন, "বট বিএনপির মধ্যেও রয়েছে। আমাদের দলে কারা এসব করছে, তাদের চিহ্নিত করতে কাজ করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
বিরোধী দলকে একতরফা আন্দোলন বা লং মার্চ বাদ দিয়ে সংসদে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "আগামী ৯ নভেম্বর থেকে সংসদ অধিবেশন শুরু হচ্ছে। সংসদে অবাধে কথা বলার সুযোগ রয়েছে এবং স্পিকার বিরোধী দলকে যথেষ্ট সুযোগ দেন।" তিনি বলেন, "সরকারের ভুল ধরিয়ে দেওয়া বা বারবার ওয়াকআউট করাও গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।" তিনি জানান, "বিরোধী দলের সে অধিকার রয়েছে এবং ওয়াকআউট শেষে তারা আবার ফিরে আসে।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, "জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের জন্য সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দলের জন্য পাঁচটি সদস্য পদ শূন্য রাখা হয়েছে।" তবে তিনি জানান, "তারা সেখানে সহযোগিতা করছেন না।" তিনি তাদের প্রতি আহ্বান জানান, "সংঘাতের পথ ছেড়ে কমিটিতে সম্পৃক্ত হয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অংশ নিন এবং যেকোনো মুহূর্তে পাঁচজন প্রতিনিধির নাম দিয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করুন।"
প্রেস ব্রিফিং শেষে প্রতিমন্ত্রী শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে প্রতিভাবান শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার শিবগঞ্জে জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারীকে বহনকারী সরকারি গাড়ির ধাক্কায় নিহত ফিরোজার পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে। এই অনুদান বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) পক্ষ থেকে দেওয়া হয়।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক সেতুর সামনে গোপীনাথপুর এলাকায় নিহত ফিরোজার পরিবারের সদস্যদের হাতে চেকটি তুলে দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
চেক হস্তান্তরের সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, "দুর্ঘটনায় নিহত ফিরোজার পরিবারের হাতে পাঁচ লাখ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়েছে। বিআরটিএর মাধ্যমে এ অনুদান দেওয়া হয়েছে।"
চেক হস্তান্তরের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম তাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল ওহাব, শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুজ্জামান শাহীন, প্রতিমন্ত্রীর ছেলে মীর শাকরুল ইসলাম সীমান্তসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা।
এর আগে, গত ৪ সেপ্টেম্বর সকাল পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার কিচক ইউনিয়নের গোপীনাথপুর এলাকায় মোকামতলা–জয়পুরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে। ফিরোজা বেগম ওই এলাকার মৃত নিজাম উদ্দিনের স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী সরকারি গাড়িতে করে ঢাকা থেকে তার নির্বাচনি এলাকা জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় যাচ্ছিলেন। তার সঙ্গে স্ত্রী নাজমা আরা বেগম এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে পুলিশের একটি গাড়ি ছিল। গোপীনাথপুর এলাকায় পৌঁছালে ফিরোজা বিবি মহাসড়কের এক পাশ থেকে অন্য পাশে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির সামনে চলে আসেন। তাকে বাঁচাতে গিয়ে চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারান। পরে গাড়িটি সড়কের পাশের ধানখেতে নেমে যায়। এতে ফিরোজা গুরুতর আহত হন। প্রতিমন্ত্রী ও তার স্ত্রীও আহত হন।
দুর্ঘটনার পর প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রী নাজমা আরা বেগম জানান, "ওই নারীকে বাঁচাতে গিয়ে চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারান। পরে গাড়িটি সড়কের পাশে ধানক্ষেতে নেমে যায়।" আহত ফিরোজা বিবিকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাকে বগুড়ার টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ