মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৪৭ পি.এম
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ আলড্রিচ মন্তব্য করেছেন যে, জুলাই মাসে সংঘটিত গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে একটি নির্বাচিত সরকার। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারের পাশে রয়েছে এবং যে কোনো সহায়তা প্রদানের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
গত ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসি’র বাংলাদেশ দূতাবাসে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন, যা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছিল। এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থী ও জনতার আত্মদানের কথা স্মরণ করা হয়। ওয়াশিংটন ডিসি’র বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস উইং থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
সারাহ আলড্রিচ বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পরবর্তী বিভিন্ন জটিলতা অতিক্রম করে অন্তর্বর্তী সরকার অল্প সময়ের মধ্যে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে আগ্রহী। তিনি জুলাইয়ের চেতনায় দেশকে কৃষি, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক খাতে এগিয়ে নেয়ার আহবান জানান। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য তিনি শুভ কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আটলান্টিক কাউন্সিলের সিনিয়র ফেলো মাইকেল কুগেলম্যান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের তরুণ জেন-জিরা গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে পরিবর্তনের সূচনা করেছেন, তা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এই দিক থেকে বাংলাদেশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনা, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে গুণগত পরিবর্তন এবং বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে জীবনদানকারী শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র ‘জুলাইকন্যা’ প্রদর্শন করা হয়। এই তথ্যচিত্রে জুলাই আন্দোলনে নারীদের অংশগ্রহণ, অবদান ও আত্মত্যাগের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও অন্যান্য সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বরগুনা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বরগুনায় পালিত হয়েছে, যেখানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা এবং সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
আজ মঙ্গলবার সকালে, দলীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
বেলা সাড়ে ১১ টায়, সদর সড়কের বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়, যা শহর প্রদক্ষিণ শেষে প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে সমাবেশে পরিণত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য প্রদান করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ফজলুল হক মাস্টার, এবং সদস্য সচিব এস এম হুমায়ুন হাসান শাহিন।
এ সময় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : করাচির উপকূলীয় অঞ্চলের একটি স্থানে পেরেক ঠোকার সুরেলা আওয়াজ এবং করাতের ঘর্ষণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। সেখানে গ্রীষ্মের ফ্যাকাশে আকাশের নিচে বিশাল মাছ ধরার কাঠের নৌকার কাঠামোর ওপর ছোট ছোট মানুষের অবয়ব দেখা যাচ্ছে। তারা নৌকা নির্মাণের কাজে ব্যস্ত রয়েছে।
বন্দরনগরীর উপকণ্ঠের সামুদ্রিক জনপদ ইবরাহিম হায়দারি বহু শতাব্দী পুরোনো বলে ধারণা করা হয়। ঐতিহ্যবাহী মাছ ধরার নৌকা নির্মাণের জন্য এই এলাকা বেশ পরিচিত।
করাচি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানাচ্ছে।
স্থানীয় জেলেদের অধিকার নিয়ে কাজ করা পাকিস্তান ফিশারফোক ফোরামের মেহরান আলী শাহ মন্তব্য করেন, ‘এই এলাকাই করাচির জন্ম দিয়েছে। করাচির মৎস্য খাতও এখান থেকেই গড়ে উঠেছে।’
শিল্পভিত্তিক জাহাজ নির্মাণের প্রসার ঘটলেও কাঠের টুকরো জোড়া দিয়ে হাতে নৌকা তৈরির এই ঐতিহ্য এখনও টিকে আছে।
নৌকা নির্মাতা ২২ বছর বয়সী মুহাম্মদ আসিফ জানান, তিনি কিশোর বয়সে বাবার কাছ থেকে এই কাজ শিখেছেন। বর্তমানে তিনি নিজেই নৌকা তৈরি করতে সক্ষম, এ নিয়ে তিনি গর্বিত।
মুখ ও রোদে বিবর্ণ চুলে কাঠের গুঁড়ো লেগে থাকা অবস্থায় আসিফ এএফপিকে বলেন, ‘এই কাজের প্রতি আমার আগ্রহ ছিল। তাই আমি অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এটি সবসময়ই আমার আগ্রহের বিষয় ছিল। তাই আমি এই পেশা বেছে নিয়েছি।’
অন্য শ্রমিকদের মতো আসিফ প্রতিদিন সকাল ৭টায় কাজে আসেন এবং রাত ৭টার দিকে রাতের খাবারের জন্য বাড়ি ফেরেন।
দুপুরে দুই ঘণ্টার খাবারের বিরতি ছাড়া তিনি কাজের সরঞ্জাম হাতছাড়া করেন না।
সপ্তাহে ছয় দিন কাজ করে তিনি দিনে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৫০০ পাকিস্তানি রুপি (৯ ডলার) আয় করেন।
সারা বছর শ্রমিকদের প্রতিকূল আবহাওয়ার সঙ্গে লড়াই করতে হয়। গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরম ও আর্দ্রতার পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমের প্রবল বৃষ্টিও তাদের সহ্য করতে হয়।
একজন জেলে প্রথমে নৌকার নকশা বেছে নেন। এরপর একজন দক্ষ কারিগর নকশার ছাঁচ তৈরি করেন। সেখান থেকে শ্রমিকরা কাজ শুরু করেন। বছরের পর বছর অর্জিত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তারা অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে এই নৌকা তৈরি করেন।
কারিগররা বিভিন্ন ধরনের কাঠ বেছে নেন। এর মধ্যে রয়েছে স্থানীয় ইউক্যালিপটাস কাঠ। সমুদ্রের পানির ক্ষয় প্রতিরোধে আফ্রিকান সেগুন কাঠও ব্যবহার করা হয়।
ভারী কাঠের টুকরোগুলো পুরোনো উল্লম্ব করাতসহ বিভিন্ন করাত দিয়ে হাতে আঁকা পেন্সিলের দাগ অনুসরণ করে সতর্কতার সঙ্গে কাটা হয়।
এরপর মাটি থেকে ধাপে ধাপে নৌকা তৈরি করা হয়। কাঠের টুকরো ও পেরেক একটির পর একটি বসিয়ে নৌকার কাঠামো দাঁড় করানো হয়। কাঠামো যত উঁচু হয়, শ্রমিকরা ততই নড়বড়ে মই বেয়ে ওপরে ওঠেন।
আসিফ জানান, এই সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়ায় কয়েক মিটার দীর্ঘ একটি ছোট নৌকাও তৈরি করতে তিন মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। খরচ হতে পারে ১০ লাখ পাকিস্তানি রুপি (৩ হাজার ৬০০ ডলার)।
নির্মাণকাজ শেষ হলে আঙিনাজুড়ে থাকা নৌকাগুলোতে রঙের ছোঁয়া দেন চিত্রশিল্পী মুহাম্মদ ইসমাইল।
৩৮ বছর বয়সী ইসমাইলের হাতে ও নখে নীল রঙের দাগ। রোদ-বৃষ্টিতে ক্ষয়প্রাপ্ত নৌকার কাঠামোয় তিনি ফুলের পাপড়ি আঁকছিলেন।
এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি এমন বহু নৌকায় কাজ করেছেন।
এএফপিকে তিনি বলেন, ‘আমাদের অধিকাংশ জেলে মাছের নকশার চেয়ে ফুলের নকশাই বেশি পছন্দ করেন।’
নৌকার মালিক তার আঁকা নকশার প্রশংসা করলে তিনি ‘খুবই তৃপ্তি’ পান বলেও জানান।
ইসমাইল আরও বলেন, ‘কেউ কেউ আমাকে নিজের ধারণা অনুযায়ী নকশা করতে বলেন। আবার কেউ কেউ ঠিক কী চান— তা আমাকে বলে দেন।’
কাছের একটি বন্দরে জেলে কাদির বক্স একটি ছোট নৌকায় বসে মাছ ধরার জাল মেরামত করছিলেন। নৌকাটি অন্তত দুই দশক ধরে তাদের পরিবারের মালিকানায় রয়েছে।
শিগগিরই কাঠের নৌকাটির সংস্কার করার আশা করছেন তিনি।
ইসমাইল বলেন, ‘এটি খুব মূল্যবান কোনো কিছুর যত্ন নেওয়ার মতো। এমনকি নিজের সন্তানের যত্ন নেওয়ার মতোও।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ।
তিনি উল্লেখ করেন, "যেহেতু আমরা গণতান্ত্রিক সরকার, মানুষের ভোটে নির্বাচিত সরকার, তাই চলতি অর্থবছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।"
আজ সচিবালয়ে, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানের সাথে তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। পরে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "দিনেশ ত্রিবেদী সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসেছেন। তিনি ড. আবদুল মঈন খানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে তিনি অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। আমরা জানিয়েছি চলতি অর্থ বছরে নির্বাচন হবে।"
তিনি আরও বলেন, "সৌজন্য সাক্ষাতে রাজনীতি, অর্থনীতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ভারতের অভিজ্ঞতা রয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাই আমরা। এ বিষয়ে হাইকমিশনারের সাথে আলোচনা হয়েছে।"
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দিনেশ ত্রিবেদী এ সৌজন্য সাক্ষাতে আসেন। তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের নেতাকর্মীদেরও শুভেচ্ছা জানান।
বৈঠকে দু’দেশের সম্পর্ক ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও আলোচনা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সাভারে ধসে পড়া রানা প্লাজার নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ভবন মালিক সোহেল রানাসহ আট জনের মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আগামী ৬ অক্টোবর আদালত দিন নির্ধারণ করেছে।
আজ ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বিএম তারিকুল কবীর এই দিন নির্ধারণ করেন।
আজকের জন্য মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। তবে আদালত রায় ঘোষণা থেকে বিরত থেকে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য ৬ অক্টোবর দিন নির্ধারণ করে।
এর আগে, গত ১৬ আগস্ট মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য ১ সেপ্টেম্বর দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর ইশতিয়াক আহমেদ বাসস’কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভার বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন রানা প্লাজা ধসে ১ হাজার ১৩৬ জন নিহত এবং দেড় হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হন। ঘটনার পরপরই ভবন নির্মাণে দুর্নীতির অনুসন্ধানে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১৪ সালের ১৫ জুন নকশা বহির্ভূত ভবন নির্মাণের অভিযোগে সাভার থানায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক এস এম মফিদুল ইসলাম। ভবনটি সোহেল রানার বাবার নামে হওয়ায়, মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে বাদ দিয়ে তার বাবা-মাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়। তদন্তে প্রমাণিত হলে সোহেল রানাই ভবনের মূল দেখভালকারী ছিল, ফলে তাকে অভিযোগপত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার পর, ২০১৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় দফায় ভবন মালিক সোহেল রানা ও তার বাবা-মাসহ ১৮ জনকে আসামি করে অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।
২০১৭ সালের ২১ মে রানাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। একই সঙ্গে মোহাম্মদ আলী খানসহ আটজনকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
মামলার বিচার চলাকালে ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ