ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুই বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিটের নাম বদলাতে যাচ্ছে


দুই বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিটের নাম বদলাতে যাচ্ছে

উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমনে কাজ করা পুলিশের বিশেষায়িত দুটি ইউনিট, অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ) এবং কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি), এর নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রস্তাব অনুযায়ী, এটিইউর নতুন নাম হবে স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট (এসএসইউ) এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সিটিটিসির নতুন নাম হবে স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট-ডিএমপি (এসএসইউ-ডিএমপি)।

সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে এবং বর্তমানে তা বিবেচনাধীন রয়েছে।

গত ৭ জুন, পুলিশ সদর দপ্তর থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক প্রস্তাবে, এটিইউর নাম পরিবর্তন করে ‘স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট (এসএসইউ)’ করার অনুমোদন চাওয়া হয়। এর পরদিন ৮ জুন, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠানো পৃথক চিঠিতে সিটিটিসির নাম পরিবর্তন করে ‘স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট-ডিএমপি (এসএসইউ-ডিএমপি)’ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

পুলিশ সদর দপ্তরের মিডিয়া শাখার এএইচএম শাহাদাত হোসেন জানান, ইউনিটগুলোর কার্যকারিতা আরও জোরদার করতে সাংগঠনিক পুনর্গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তদুপরি, তাদের মূল নিরাপত্তা-সংক্রান্ত দায়িত্বও বহাল থাকবে।

তিনি বলেন, এটিইউ ও সিটিটিসির নতুন নামকরণের প্রস্তাব ইতোমধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

আইজিপির পক্ষ থেকে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (এডিশনাল আইজিপি) পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইন্টারনেটের বিস্তার এবং তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকির ধরন পরিবর্তিত হয়েছে। এ কারণে প্রচলিত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী ও আধুনিক করার প্রয়োজন।

প্রস্তাবে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, উগ্রবাদী ও জঙ্গি সংগঠনগুলো এখন হামলার পরিকল্পনা, অর্থায়ন এবং বাস্তবায়নে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। তারা ধর্মের অপব্যাখ্যার মাধ্যমে মানুষকে উগ্রপন্থায় উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। এর সাথে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ডিজিটাল মাধ্যমে তরুণদের গোপন ‘স্লিপার সেল’-এ যুক্ত করার অপচেষ্টাও চালাচ্ছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এসব পরিবর্তিত নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়, এটিইউকে ‘স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিটে’ রূপান্তরের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। নতুন কাঠামোয় ইউনিটটি শুধু জঙ্গিবাদ দমনেই নয়, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, জাতীয় স্থিতিশীলতা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও আরও বিস্তৃত ভূমিকা পালন করবে বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, ‘স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট’ নামটি আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত হওয়ায় বিদেশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা সহজ হবে। পাশাপাশি দেশের অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ও আরও বাড়বে।

এটি উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, ২০১৬ সালে রাজধানীর হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার পর বিশেষায়িত সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিট হিসেবে এটিইউ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পরে ২০১৭ সালের ৭ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে সংস্থাটি। এরপর থেকে সারা দেশে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

এ বিষয়ে, পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি খোন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, ইউনিটগুলোর নাম পরিবর্তনের বিষয়ে একটি সিদ্ধান্তের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৈঠকও হয়েছে। তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোণায় মর্টার শেল উদ্ধার, ছিল অবিস্ফোরিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


নেত্রকোণায় মর্টার শেল উদ্ধার, ছিল অবিস্ফোরিত

জেলার নেত্রকোণা ব্যাটালিয়নের (৩১ বিজিবি) আওতাধীন ভবানীপুর বিওপির সীমান্ত এলাকা থেকে আজ একটি ৬০ মিলিমিটারের জ্যান্ত ও অবিস্ফোরিত মর্টার শেল উদ্ধার করা হয়েছে। আজ দুপুরে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভবানীপুর গ্রামের নালা থেকে এই শক্তিশালী গোলাটি উদ্ধার করা হয়।

নেত্রকোণা ব্যাটালিয়ন (৩১ বিজিবি) এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ আনুমানিক বেলা পৌনে ১২টার দিকে ভবানীপুর বিওপির (বর্ডার অবজারবেশন পোস্ট) আওতাধীন এলাকার সীমান্ত পিলার ১১৫৫/১০-এস হতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আনুমানিক ৩০০ গজ দূরে ভবানীপুর গ্রামের কয়েকজন ছোট বাচ্চা একটি নালায় মাছ ধরতে যায়। মাছ ধরার সময় কাদা মাটির ভেতরে তারা ভারী লোহার বস্তু বা একটি গোলা দেখতে পায়।

পরবর্তীতে ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. ছদর উদ্দিনের পুত্র মো. আমজাদ আলী (৩০) বিষয়টি জানতে পেরে নালা থেকে উক্ত গোলাটি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে তুলে নিয়ে আসেন। তিনি গোলাটি তার বাড়ির নিকটবর্তী নিরাপদ স্থানে রেখে তাৎক্ষণিকভাবে বিজিবি ভবানীপুর বিওপি কমান্ডারকে খবর দেন। 

খবর পেয়ে ভবানীপুর বিওপি কমান্ডার বিজিবির একটি টহল দল ঘটনাস্থলে যান। সেখানে  তারা বস্তুটিকে ৬০ মি: মি: মর্টার এর একটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও অবিস্ফোরিত গোলা হিসেবে শনাক্ত করেন।

৩১ বিজিবির অধিনায়ক ও পরিচালক লে. কর্নেল তৌহিদুল বারী, পিএসসি জানান, জননিরাপত্তা ও যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে তাৎক্ষণিকভাবে অবিস্ফোরিত গোলাটি বালির বস্তা দিয়ে চারপাশ থেকে নিরাপদ বেষ্টনীতে ঘিরে ফেলা হয়েছে এবং উক্ত স্থানে বিজিবি মোতায়েন করে কঠোর নিরাপত্তা বলয় তৈরি ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা  দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, সীমান্ত এলাকায় উদ্ধার হওয়া মর্টার শেলটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজাল দলের সাথে সার্বিক সমন্বয় সাধন করে গোলাটি সম্পূর্ণ  নিরাপদ উপায়ে ধ্বংস করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বোম্ব ডিসপোজাল দল উক্ত স্থানে পৌঁছে গোলাটি নিষ্ক্রিয় বা ধ্বংস করার পর এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য গণমাধ্যমকে জানানো হবে।

বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিজিবির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং স্থানীয় জনগণকে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য বিজিবির পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢেউয়ের তাণ্ডবেও পর্যটকদের আনন্দ-উল্লাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ পি.এম


ঢেউয়ের তাণ্ডবেও পর্যটকদের আনন্দ-উল্লাস

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখানো হলে থামেনি পর্যটকদের উল্লাস। উত্তাল ঢেউয়ে গা ভেজাচ্ছেন ভ্রমণপিপাসুরা। সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় বেড়েছে পর্যটকদের ভিড়। তবে নিরাপত্তায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন লাইফগার্ড কর্মীরা।

শনিবার (০৪ জুলাই) কক্সবাজারে কখনও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি, কখনও তীব্র রোদ। ভ্যাপসা গরম আর উত্তাল সাগর উপেক্ষা করেই সাপ্তাহিক ছুটিতে সমুদ্রসৈকতে ছুটে এসেছেন ভ্রমণপিপাসুরা। শুক্রবারের মতো শনিবারও দিনব্যাপি পর্যটকরা কেউ সমুদ্রস্নানে, কেউ টিউবে ভেসে ঢেউয়ের সঙ্গে মেতে উঠেছেন।

 

ঢাকার বনানী থেকে আসা পর্যটক হারুন-উর-রশিদ বলেন, ‘সমুদ্র উত্তাল হলেও আবহাওয়া দারুণ। ছুটির দিন হওয়ায় পর্যটকের চাপও অনেক বেশি। সৈকতে কিছু সময় কাটিয়ে পরে মেরিন ড্রাইভ ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।’

 

নোয়াখালীর সন্দ্বীপ থেকে আসা পর্যটক তানভীর ইসলাম বলেন, ‘সমুদ্র উত্তাল থাকলেও এর সৌন্দর্য ও আকর্ষণ আলাদা। তিন নম্বর সতর্কসংকেত থাকলেও মানুষ দূর-দূরান্ত থেকে সমুদ্র উপভোগ করতে আসে। আমি সন্দ্বীপের মানুষ, তাই উত্তাল সাগর নতুন নয়। তবে নিরাপত্তা মেনে চলাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কক্সবাজারকে ঘিরে মানুষের যে উচ্ছ্বাস, সেটা সত্যিই ভালো লাগে।’

 

আরেক পর্যটক ইব্রাহিম কাদের বলেন, ‘পরিবার নিয়ে সমুদ্রসৈকতে এসে খুব ভালো লাগছে। উত্তাল সমুদ্রের কারণে ভেতরে না গিয়ে নিরাপদ দূরত্বে থেকেই সময় কাটাচ্ছি। তিন নম্বর সতর্কসংকেত থাকায় ঝুঁকি না নিয়ে সবাইকে নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানাই।’

 

আবহাওয়ার সতর্কবার্তায় জানানো হয়- উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসগার ও তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘণীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে সমুদ্র বন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

 

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ০৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

 

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

 

এদিকে বর্ষা মৌসুমেও পর্যটকের উপস্থিতিতে প্রাণ ফিরে পেয়েছে সৈকতপাড়। বিশেষ করে সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায় বেড়েছে বেচাকেনা।

 

জেড স্কী ব্যবসায়ী মো. সাদ্দাম বলেন, ‘ছুটির দিন হওয়ায় সৈকতে পর্যটকের উপস্থিতি অনেক বেশি। তবে সমুদ্র উত্তাল থাকায় সবাইকে নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে চলা উচিত। পর্যটকরা নিরাপদে ঘুরতে পারলে আমাদের ব্যবসাও ভালো হবে।’

 

ফটোগ্রাফার জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘বর্ষাকাল হওয়ায় ব্যবসা এখন মোটামুটি চলছে। পর্যটক এলে ব্যবসা ভালো হয়, আর পর্যটক কম থাকলে আয়ও কমে যায়। আমরা আশা করছি, আগামী দিনগুলোতেও পর্যটকের উপস্থিতি অব্যাহত থাকবে।’

 

সমুদ্র উত্তাল থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে টাঙানো হয়েছে লাল পতাকা। আর লাইফগার্ডের নিরাপদ সীমানা চিহ্নিত করা হয়েছে লাল-হলুদ পতাকার মাধ্যমে।

 

সী সেফ লাইফ গার্ড সংস্থার সিনিয়র সদস্য মো. সেলিম সময় সংবাদকে বলেন, সমুদ্র বর্তমানে উত্তাল থাকায় সৈকতের বিভিন্ন স্থানে গর্ত ও তীব্র স্রোতের সৃষ্টি হয়েছে। তাই সুগন্ধা, লাবণী ও কলাতলী পয়েন্টে লাইফগার্ডরা সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। নিরাপদ গোসলের জন্য রেড-ইয়েলো পতাকার মধ্যে থাকতে এবং লাল পতাকা চিহ্নিত বিপজ্জনক এলাকায় না নামতে পর্যটকদের অনুরোধ করা হচ্ছে। পাশাপাশি হুইসেল ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে সবাইকে নিরাপদ এলাকায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

 

পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে লাইফগার্ডের পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করছে সৈকতকর্মী, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও জেলা প্রশাসন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আফগানিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর স‌ঙ্গে স্পিকা‌রের বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫৫ পি.এম


আফগানিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর স‌ঙ্গে স্পিকা‌রের বৈঠক

আফগানিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকির সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বৈঠক করেছেন।

শনিবার (৪ জুলাই) তেহরানে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তালেবান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই তথ্য জা‌নি‌য়ে‌ছে।

আফগানিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আবদুল কাহার বালখি জানিয়েছেন, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ, বিশেষ করে বাণিজ্য সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে মতবিনিময় করেছে।

বৈঠকে আফগানিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিদ্যমান এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে উভয় দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা সম্ভব।

বাংলাদেশের স্পিকারও দুই দেশের সম্পর্ককে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আফগানিস্তানের চলমান অর্থনৈতিক পুনর্গঠন এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের উদ্যোগ উভয় দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কা-যশোর রুটে তিনটি আন্তঃনগর ট্রেন চালুর দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৩ পি.এম


কা-যশোর রুটে তিনটি আন্তঃনগর ট্রেন চালুর দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন

ঢাকা-যশোর পদ্মা সেতু রেল প্রকল্পে যশোরবাসীর দীর্ঘদিনের বঞ্চনা দূর করতে অবিলম্বে বেনাপোল/দর্শনা-যশোর-ঢাকা রুটে একটি প্রভাতি আন্তঃনগর ট্রেনসহ মোট তিনটি নতুন আন্তঃনগর ট্রেন চালুর দাবি জানিয়ে আগামী ৬ জুলাই সোমবার যশোর রেলওয়ে জংশনে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা করেছে 'বৃহত্তর যশোর রেল যোগাযোগ উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটি'।

এই ঘোষণা শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সংগঠনের নেতারা জানিয়েছেন, প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ঢাকা-যশোর পদ্মা সেতু রেলপথে বর্তমানে দিনে মাত্র একটি ট্রেন চলাচল করছে। এটি এই অঞ্চলের মানুষের চাহিদার তুলনায় সম্পূর্ণ অপ্রতুল। এর ফলে যশোরসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লাখো মানুষ প্রকল্পের পূর্ণ সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়, প্রকল্পের নাম ঢাকা-যশোর হলেও অতীতে মূল যশোর শহরকে রেল সুবিধার বাইরে রেখে পদ্মবিলা স্টেশনকেন্দ্রিক পরিকল্পনা করা হয়েছিল। যদিও পরে জনদাবির মুখে পরিস্থিতির পরিবর্তন হলেও এখনও কাঙ্ক্ষিত রেলসেবা চালু হয়নি।

নেতারা ব্যাখ্যা করেছেন, যশোর থেকে ভোরে একটি আন্তঃনগর ট্রেন চালু হলে যাত্রীরা সকালে ঢাকায় গিয়ে অফিস-আদালত ও প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করে সন্ধ্যায় ফিরতে পারবেন। এই দাবিকে সামনে রেখে তারা 'পান্তা খেয়ে ঢাকায় যাই, রাতে বাড়ি ফিরতে চাই' স্লোগানকে আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেছেন।

তারা আরও জানান, ২০২৩ সাল থেকে স্মারকলিপি, মানববন্ধন, বিক্ষোভ, রেল অবরোধ ও নানান কর্মসূচির মাধ্যমে তারা দাবি জানিয়ে আসছেন। রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মার্চ-এপ্রিল ২০২৬ সালের মধ্যেই নতুন আন্তঃনগর ট্রেন চালুর আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। তাই, আগামী ৬ জুলাই সোমবার বেলা ১টায় যশোর রেলওয়ে জংশনে অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের আহ্বায়ক কাওসার আলী ও সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিন বলেছেন, আগামী ৬ জুলাইয়ের কর্মসূচির পরেও দাবি বাস্তবায়ন না হলে যশোরবাসী আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে। তারা কর্মসূচি সফল করতে সর্বস্তরের জনগণ ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%