মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৪২ পি.এম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সংগ্রহশালা থেকে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর তিনটি ছবি ছিঁড়ে ফেলে প্রতিবাদ জানিয়ে আলোচনায় আসেন আবু তৈয়ব হাবিলদার। তবে, বর্তমানে তিনি আবারও নতুন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা চলছে। এবারের আলোচনার বিষয়বস্তু হলো অতীত এবং ডাকসু নির্বাচনে তার অংশগ্রহণের তথ্য। সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচনে তিনি ইতিহাসের অংশ হতে সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ ভিপি প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তবে, নির্বাচনে তার প্রাপ্ত ভোট ছিল মাত্র ১০।
জানা গেছে, আবু তৈয়ব হাবিলদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০১-০২ শিক্ষাবর্ষের উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থী। রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন তার শিক্ষাজীবন ব্যাহত হয়েছে, যা তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। দীর্ঘ সময় পর নানা বাধা-বিপত্তি ও প্রতিকূলতা অতিক্রম করে তিনি পুনরায় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পান।
সর্বশেষ ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে তিনি সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে প্রার্থী হন। ওই নির্বাচনে মোট ৪৫ জন শিক্ষার্থী ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্যানেল থেকে সাদিক কায়েম রেকর্ডসংখ্যক ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ছাত্রদলের প্রার্থী মো. আবিদুল ইসলাম খান ৫ হাজার ৭০৮ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন।
ডাকসু নির্বাচন পোর্টাল-২০২৫-এর ফলাফল অনুযায়ী, আবু তৈয়ব হাবিলদার ভিপি পদে মোট ১০ ভোট পেয়েছিলেন। ফলে বিপুল সংখ্যক প্রার্থীর মধ্যে তার অবস্থান ছিল তলানিতে। তবে নির্বাচনের আগে আবু তৈয়ব জানিয়েছিলেন, জয়-পরাজয় নয়, ইতিহাসের অংশ হওয়া এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার লক্ষ্যেই তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২০২৫ সালের ২০ আগস্ট নিজের ফেসবুক পোস্টে আবু তৈয়ব লিখেছিলেন, তিনি ১/১১-এর সময় ‘স্বৈরাচার’ ম ইউ আহমেদকে হঠাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে দীর্ঘদিন লড়াই করেছেন। তার দাবি, ২০০৯ সালে ছাত্রলীগের নির্মমতার শিকার হয়ে তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়তে বাধ্য হতে হয়। এতে তার শিক্ষাজীবন বিপন্ন হয়ে পড়ে এবং পড়ালেখা শেষ করতে না পারায় তিনি বিসিএসে অংশ নিতে পারেননি কিংবা কোনো চাকরির সুযোগও পাননি।
ওই পোস্টে তিনি আরও লিখেছিলেন, বিগত ১৬ বছরে ছাত্রলীগের নির্যাতন-নিপীড়ন ও নির্মমতার শিকার অনেক শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে পুনর্ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। তাদের মধ্যে তিনি ও আরও একজন রয়েছেন। এর মাধ্যমে নিয়মিত ছাত্র হিসেবে ক্লাস ও পরীক্ষা দিয়ে শিক্ষাজীবনের ইতি টানার আশা প্রকাশ করেছিলেন তিনি।
ডাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহণের কারণ ব্যাখ্যা করে আবু তৈয়ব বলেছিলেন, এখানে জেতা-হারার বিষয় নেই। গণতন্ত্রের বিকাশে অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে দাঁড়ানো তার অধিকার এবং শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন। এমনকি তিনি শিক্ষার্থীদের কাছে ভোট না চেয়ে বড় ভাই হিসেবে ভালোবাসা চেয়েছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর সুপ্রিম কোর্টের প্রাঙ্গণের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদের প্রবেশপথের সামনে এই বিস্ফোরণটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সেখানে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যদের বক্তব্য অনুযায়ী, রায় ঘোষণার পর প্রধান বিচারপতির প্রবেশপথের কাছে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। তবে ককটেলটি কে বা কারা ছুড়ে ফেলেছে, সে বিষয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হতে পারেনি।
এর আগে, দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সাত আসামির মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
এই মামলার সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক অবস্থায় রয়েছে।
মামলাটিতে গত ১৮ আগস্ট যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। এরপর রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয় ট্রাইব্যুনাল। পরে ১৪ সেপ্টেম্বর রায় ঘোষণার জন্য ১৫ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করা হয়।
মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির প্রবেশপথের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ১২ দিন ধরে মাদকের বিরুদ্ধে একটি ব্যাপক অভিযান চলছে। এই অভিযানের মধ্যে একাধিক কৌশলধারী মাদককারবারি পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে। ফতুল্লার কেতাবনগর এলাকার এক দুর্ধর্ষ মাদককারবারি উৎসরের মাদক বিক্রির কৌশল দেখে পুলিশ চমকে গেছে।
একটি নির্মাণাধীন ভবনের একপাশে ক্রেতারা সিরিয়াল ধরে ইটের ফাঁক দিয়ে টাকা প্রদান করছেন। অপর পাশ থেকে কে টাকা গ্রহণ করছে, সেটি ক্রেতাদের দেখা যায় না। তবে চাহিদা অনুযায়ী মাদক প্লাস্টিকের বোতলে ভরে সুতলি দিয়ে উপর থেকে নিচে ক্রেতার হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়। এরপর ক্রেতারা দ্রুত ওই এলাকা ত্যাগ করেন।
পুলিশ জানায়, মাদককারবারি উৎস তার স্পটের চারপাশে লোকজন ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখেন। পুলিশ বা সাংবাদিক দেখলেই সংকেত দিয়ে সবাইকে সতর্ক করা হয়। ফলে মাদক স্পটের সবাই মুহূর্তের মধ্যে আত্মগোপন করে। সোর্সদের এমন তথ্যের ভিত্তিতে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব আলমের নেতৃত্বে পুলিশের একাধিক টিম সোমবার বিকালে মাদককারবারি উৎসরের স্পটে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে উৎস ও তার লোকজন আত্মগোপন করেন। তবে পুলিশ ওই স্পটে কাউকে পায়নি। কিন্তু তাদের মাদক বিক্রির কৌশল সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব আলম জানান, জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জের প্রতিটি থানা এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চলছে। ফতুল্লায় গত ১২ দিনে অন্তত ২শ মাদককারবারি ও সেবনকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কিছু কৌশলধারী মাদককারবারি পুলিশকে অবাক করেছে। এর মধ্যে উৎস নামে একজন মাদককারবারির স্পটে গিয়ে পুলিশ দেখতে পায় ক্রেতারা বিশ্বাস করে ইটের ফাঁক দিয়ে টাকা দিচ্ছেন এবং উপর থেকে প্লাস্টিকের বোতলে সুতলি বেঁধে মাদক তাদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। কে টাকা নিচ্ছে এবং কে মাদক নিচে ফেলছে, কাউকেই দেখা যায় না। এটি সত্যিই অবাক করার মতো। এসব কৌশলধারী মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে পুলিশও কৌশল নিয়েছে। খুব শিগগিরই ফতুল্লাকে মাদকমুক্ত করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ায় নাশকতার মামলায় জামিন নিয়ে বিএনপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগের সমর্থকদের বিরুদ্ধে। বিএনপির নেতাকর্মীরা দাবি করেছেন যে, হামলায় ৫-৬ জন সমর্থক আহত হয়েছেন। পরে বিএনপির ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা এক আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে ভাঙচুর ও তার পাটের গোডাউনে আগুন দিয়েছেন বলে জানা যায়।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ইবি থানার পাটিকাবাড়ি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের নলকোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযোগ, এই হামলা ও ভাঙচুরের নেতৃত্ব দেন পাটিকাবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. রুহুল।
প্রত্যক্ষদর্শী ও হামলার শিকার বিএনপির সমর্থকরা জানিয়েছেন, সন্ধ্যার পর নলকোলা গ্রামের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি কার্যালয়ে নেতাকর্মীরা মুড়ি-চানাচুর খাচ্ছিলেন। এ সময় রুহুলের নেতৃত্বে প্রায় ৫০-৬০ জন ব্যক্তি ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে কার্যালয়ে হামলা চালান। তারা কার্যালয়ে ভাঙচুর করেন এবং বিএনপির কয়েকজন সমর্থককে মারধর করেন। এতে ৫-৬ জন আহত হওয়ার দাবি করেন তারা।
তারা আরও জানান, কয়েক দিন আগে আওয়ামী লীগের সমর্থকরা মিছিল করায় ইবি থানায় একটি নাশকতার মামলা হয়। ওই মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা রুহুলসহ বেশ কয়েকজন আসামি হন। মঙ্গলবার আদালত থেকে জামিন নিয়ে এলাকায় ফেরার পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মিষ্টি বিতরণ করে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ তাদের।
হামলার পর বিএনপির ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ নেতা রুহুলের বাড়িতে ভাঙচুর করেন। এ সময় তার পাটের গোডাউনে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।
কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. ফয়সাল মাহমুদ জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে ইবি থানা পুলিশ উপস্থিত রয়েছে। তিনি বলেন, "আমিও ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছি। বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার আটজন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-১ শাখা থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যা অ্যাডিশনাল ডিআইজি রায়হান উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত।
প্রজ্ঞাপনের আওতায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজা সারোয়ারকে ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। একইসঙ্গে, তাকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাতক্ষীরা হিসেবে বদলির পূর্বের আদেশ বাতিল করা হয়েছে।
অন্যদিকে, র্যাবে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আনিচ উদ্দীনকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে কুড়িগ্রামে বদলি করা হয়েছে। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে টিআর পদে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলামকেও পুলিশ হেডকোয়ার্টারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
গোপালগঞ্জের মকসুদপুর সার্কেলে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত নাফিছুর রহমানকে র্যাবে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ সার্কেলে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত সুবীর কুমার সাহাকে গোপালগঞ্জের মকসুদপুর সার্কেলে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
নৌ পুলিশে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত মো. সোহেল মিয়াকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশে (জিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশে (কেএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে কর্মরত মো. আজিজুর রহমান খানকে খুলনায় রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। এছাড়া, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশে (জিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে কর্মরত অরুপ রতন সরকারকে নওগাঁর সাপাহার সার্কেলে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের আগামী ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার অর্পণ করতে হবে। অন্যথায়, ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে তাদের তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজড) হিসেবে গণ্য করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ