ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পেরুর আন্দিজে রঙিন টিকটিকির নতুন প্রজাতি ‘লিওলাইমাস আর্কিপেনসিস’ আবিষ্কার


পেরুর আন্দিজে রঙিন টিকটিকির নতুন প্রজাতি ‘লিওলাইমাস আর্কিপেনসিস’ আবিষ্কার

বিজ্ঞানীরা পেরুর আন্দিজ পর্বতমালার প্রায় ৪ হাজার ৮০০ মিটার উচ্চতায় টিকটিকির একটি নতুন প্রজাতির সন্ধান করেছেন। এই ক্ষুদ্র সরীসৃপটি চরম প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার জন্য পরিচিত, এবং এর বাহারি রং ও শরীরের বিশেষ নকশা গবেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

নতুন প্রজাতির আবিষ্কারের তথ্য নিশ্চিত করেছে পেরুর সান মার্কোস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাকৃতিক ইতিহাস জাদুঘর। এই প্রজাতির নামকরণ করা হয়েছে ‘লিওলাইমাস আর্কিপেনসিস’ নামে।

দক্ষিণ পেরুর আরেকিপা অঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায়, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ মিটার বা ১৫ হাজার ৭৫০ ফুট উচ্চতায় এই প্রজাতির সন্ধান পাওয়া যায়। এনডিটিভির রিপোর্ট অনুযায়ী, নতুন টিকটিকিটির দৈর্ঘ্য মাত্র ৬ থেকে ৮ সেন্টিমিটার।

আরও পড়ুন: ইলিশের নামে চন্দনা ও সুরমা বিক্রির অভিযোগ, চিনবেন যেভাবে

খাদ্যাভ্যাসের দিক থেকে এই প্রজাতির বৈচিত্র্য রয়েছে। ছোট উদ্ভিদের পাশাপাশি, মাকড়সা, গুবরে পোকা এবং অন্যান্য পোকামাকড়ের লার্ভা খেয়ে বেঁচে থাকে তারা।

নতুন প্রজাতিটির পুরুষ ও স্ত্রী সদস্যদের শরীরের রং এবং নকশায় পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। স্ত্রী টিকটিকির পিঠে বর্গাকার দাগ রয়েছে, যেখানে পুরুষদের পিঠে তির্যক দাগ ও সাদা আঁশ দেখা যায়। গবেষকদের ধারণা, এই বৈশিষ্ট্যগুলো পাথুরে পাহাড়ি পরিবেশের সঙ্গে মিশে শিকারির চোখ এড়াতে সহায়তা করে।

গবেষণার প্রধান জীববিজ্ঞানী লিং হুয়ামানি-ভালদেররামা জানিয়েছেন, পেরুতে বর্তমানে ২৯৬ প্রজাতির টিকটিকি বিদ্যমান। নতুন এই প্রজাতির আবিষ্কার দেশটির জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের জ্ঞানের পরিধি আরও বাড়াবে।

গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বৈজ্ঞানিক সাময়িকী ‘ডাইভারসিটি’-তে। উচ্চ পর্বতাঞ্চলের প্রতিকূল পরিবেশে প্রাণীদের অভিযোজন এবং জীববৈচিত্র্যের অজানা দিক উন্মোচনে এই আবিষ্কার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন গবেষকেরা।

আরও পড়ুন: অসহায় মেয়েদের বিয়ের ব্যবস্থা করাই রুহুল আমিন রুবেলের শখ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি সফরে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়লেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১১ পি.এম


সরকারি সফরে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়লেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান নয় দিনের সরকারি সফরের জন্য অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।

রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাদের ফেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সফরের প্রথম পর্যায়ে সেনাপ্রধান অস্ট্রেলিয়ার পার্থে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা প্রদর্শনী (The Chief of Army Symposium and Land Forces International Defence Exposition 2026) এ অংশগ্রহণ করবেন।

এছাড়া, তিনি মেলবোর্নে ডেকিন ইউনিভার্সিটি (Deakin University) পরিদর্শন করবেন। সফরের পর, অস্ট্রেলিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির উদ্দেশ্যে রওনা হবেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

যুক্তরাষ্ট্রে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর প্রধান বার্ষিক সভা ও প্রদর্শনী (Association of the US Army (AUSA) Annual Meeting and Exposition) তে অংশগ্রহণ করবেন।

সরকারি সফরের সময় সেনাবাহিনী প্রধান অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা খাতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন এবং দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতবিনিময় করবেন বলেও জানানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সকালে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা জানালেন চিকিৎসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১১ পি.এম


সকালে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা জানালেন চিকিৎসক

সুস্থ থাকার জন্য খাদ্যতালিকায় পুষ্টিকর খাবারের অন্তর্ভুক্তি অপরিহার্য। স্বাস্থ্যসচেতন ব্যক্তিদের মধ্যে চিয়া সিড ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এই ছোট্ট বীজে রয়েছে ফাইবার, প্রোটিন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। তবে প্রশ্ন হলো, চিয়া সিড খাওয়ার সঠিক সময় কখন? সকাল, দুপুর, নাকি রাত?

পুষ্টিবিদদের মতে, চিয়া সিড খাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময় নির্ধারণ করা হয়নি। তবে সকালের নাশতা কিংবা মধ্যসকালের নাশতায় এটি খেলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সহায়তা করতে পারে।

চিয়া সিডের ফাইবার এবং প্রোটিন ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। তাই সকালের নাশতায় এটি রাখলে দুপুরের খাবারের আগে ক্ষুধা অনুভবের প্রবণতা কমে যেতে পারে। পাশাপাশি, পানির সংস্পর্শে চিয়া সিড জেলির মতো আকার ধারণ করে, যা পেট ভরা অনুভূতি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

চিয়া সিডের উপকারিতা

১. পুষ্টির জোগান: চিয়া সিডে রয়েছে ফাইবার, প্রোটিন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, আয়রন ও জিঙ্কের মতো খনিজ উপাদান।

২. হৃদযন্ত্রের সুস্থতা: সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে চিয়া সিডের ফাইবার কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। এতে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডও হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

৩. ওজন নিয়ন্ত্রণ: ফাইবার ও প্রোটিন দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সহায়তা করে। ফলে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হতে পারে।

৪. হজমে সহায়তা: চিয়া সিডের ফাইবার অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়ক।

৫. রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ: ফাইবার খাবার থেকে গ্লুকোজ শোষণের গতি ধীর করতে পারে। তবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে চিয়া সিডের কার্যকারিতা নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

৬. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস: চিয়া সিডে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেসজনিত ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে।

যেভাবে খাবেন চিয়া সিড

চিয়া সিড দই, স্মুদি, ওটস, ফল বা পুডিংয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। স্যুপ, সালাদ এবং প্যানকেকেও এটি যোগ করা সম্ভব।

তবে খাওয়ার আগে একটি বিষয় মনে রাখা আবশ্যক—শুকনো চিয়া সিড সরাসরি খাওয়া উচিত নয়। এটি দ্রুত পানি শোষণ করে ফুলে ওঠে, ফলে গলায় আটকে যাওয়ার ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে। তাই পানি বা অন্য কোনো তরলে ভালোভাবে ভিজিয়ে কিংবা দইয়ের মতো আর্দ্র খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া নিরাপদ।

চিয়া সিড পুষ্টিকর খাবার হলেও এটি কোনো রোগের বিকল্প চিকিৎসা নয়। সুস্থ থাকতে সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং পর্যাপ্ত ঘুমের পাশাপাশি পরিমিত পরিমাণে চিয়া সিড খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।

সূত্র: ভেরিওয়েল হেলথ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সালিশ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আ.লীগ নেতা, গ্রেপ্তার মো. দিদারুল আলম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১১ পি.এম


সালিশ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আ.লীগ নেতা, গ্রেপ্তার মো. দিদারুল আলম

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার করা হয়েছে আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য মো. দিদারুল আলম, যিনি দিদার মেম্বার নামেও পরিচিত।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বাহারছড়া ইউনিয়নে অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া দিদারুল আলম খানখানাবাদ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। তিনি ডোংরা গ্রামের মৃত সোলায়মানের পুত্র।

পুলিশের দাবি, দিদারুল আলম খানখানাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি ছিলেন। বর্তমানে তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সংগঠক এবং দলের অর্থের জোগানদাতা হিসেবে কাজ করছেন। অভিযানের মাধ্যমে তাকে আটক করা হয়।

দিদার মেম্বারের পরিবার দাবি করেছে, তিনি একটি সালিশি বৈঠক শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার হন।

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল হক জানান, গ্রেপ্তার হওয়া দিদারুল আলমকে যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আজ বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোটরসাইকেলের হেলমেট মাথায় তুলে ক্রিকেট বদলে দেন কিংবদন্তি ডেনিস অ্যামিস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১২ পি.এম


মোটরসাইকেলের হেলমেট মাথায় তুলে ক্রিকেট বদলে দেন কিংবদন্তি ডেনিস অ্যামিস

ক্রিকেটে ব্যাটারদের মাথার সুরক্ষায় আধুনিক হেলমেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম হল ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি ডেনিস অ্যামিস। মোটরসাইকেলের হেলমেট মাথায় পরে ভয়ংকর গতির ফাস্ট বোলারদের মোকাবিলা করতে গিয়ে একসময় তিনি কটাক্ষের শিকার হলেও, তার এই সাহসী উদ্যোগ পরবর্তীতে ক্রিকেটে সুরক্ষার নতুন দিগন্ত উন্মোচনে ভূমিকা রাখে।

১৯৭০-এর দশকে ক্রিকেটে ব্যাটারদের জন্য আধুনিক হেলমেটের প্রচলন ছিল না। ডেনিস লিলি, জেফ থম্পসন, মাইকেল হোল্ডিং, অ্যান্ডি রবার্টস, জোয়েল গার্নার ও ইমরান খানের মতো গতিদানবদের সামনে ব্যাটারদের সাহস, দক্ষতা ও প্রতিক্রিয়ার ওপর নির্ভর করতে হতো।

এমন পরিস্থিতিতে ১৯৭৭ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড সিরিজ ক্রিকেটে মোটরসাইকেলের ভারী হেলমেট ও পলিকার্বনেটের ভাইজর পরে ব্যাটিং করেন অ্যামিস। তার এই উদ্যোগ ক্রিকেটে মাথার সুরক্ষার বিষয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে সকলকে।

৫০টি টেস্ট খেলা অ্যামিস ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম সেঞ্চুরিয়ান হিসেবেও পরিচিত। তবে হেলমেট ব্যবহারের শুরুটা তার জন্য সহজ ছিল না। সতীর্থ ও প্রতিপক্ষের কাছ থেকে তাকে নানা ধরনের কটাক্ষ শুনতে হয়েছিল।

এক সাক্ষাৎকারে নিজের সেই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে অ্যামিস বলেন, ওয়ার্ল্ড সিরিজ ক্রিকেটে ঘণ্টায় ৯০ মাইল বা প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার গতিতে বল করতে সক্ষম এমন ১৯ জন ফাস্ট বোলার ছিলেন। এর আগে লিলি ও থম্পসনের মুখোমুখি হওয়ার অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি বুঝেছিলেন, মাথার সুরক্ষা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

অ্যামিসের ভাষায়, মাথায় আঘাতের পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে। ক্রিকেটার ফিলিপ হিউজের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনাও সেই ঝুঁকির নির্মম উদাহরণ। এসব বিবেচনা করেই তিনি মোটরসাইকেলের হেলমেটের সঙ্গে পলিকার্বনেটের ভাইজর ব্যবহার শুরু করেন।

শুরুর দিকে তাকে শুনতে হতো, ‘এই অ্যামিস, তোমার মোটরসাইকেল কোথায়?’ কিন্তু সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতি বদলে যায়। একসময় হেলমেটের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন অন্য ব্যাটাররাও।

অ্যামিস জানান, অস্ট্রেলীয় ব্যাটার ডেভিড হুকসের চোয়াল ভেঙে যাওয়ার পর তাকে ছয় সপ্তাহ স্ট্র দিয়ে তরল খাবার খেতে হয়েছিল। এরপর অ্যান্ডি রবার্টসের বিপক্ষে খেলতে নামার আগে হুকস অ্যামিসের কাছে হেলমেট ধার চান।

এরপর ঘটে যায় স্মরণীয় এক ঘটনা। হেলমেট পরে রবার্টসের করা প্রথম বলটি মাথার দিকে উঠে এলে হুকস সেটিকে হুক করে ছক্কা হাঁকান। অ্যামিসের চোখের সামনেই ঘটে ঘটনাটি।

সেই মুহূর্তের স্মৃতিচারণ করে অ্যামিস বলেন, ধারাভাষ্যকার রিচি বেনো ঘটনাটিকে ক্রিকেটের সংজ্ঞা নির্ধারণ করে দেওয়া মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন।

অ্যামিসের কাছে ঘটনাটি ছিল বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। যে ব্যাটার কয়েক সপ্তাহ আগেও চোয়াল ভাঙার কারণে স্বাভাবিকভাবে খেতে পারছিলেন না, সেই তিনিই একই বোলারের বিপক্ষে একই মাঠে দ্রুতগতির বল হুক করে সীমানার বাইরে পাঠিয়েছিলেন।

ক্রিকেটে হেলমেটের ব্যবহার এক দিনে সর্বজনীন হয়ে ওঠেনি। তবে ডেনিস অ্যামিসের সেই সাহসী পদক্ষেপ ব্যাটারদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একসময় যে হেলমেট নিয়ে তাকে বিদ্রূপ সহ্য করতে হয়েছিল, পরবর্তী সময়ে সেটিই হয়ে ওঠে আধুনিক ক্রিকেটে ব্যাটারদের অপরিহার্য সুরক্ষাসামগ্রীর একটি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%