শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০১ পি.এম
রাজধানীর ধানমন্ডির ২৭ নম্বর রোডের মিনা বাজারের সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম এই তথ্য জানান।
তিনি জানান, আনুমানিক দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ধানমন্ডি ২৭ নম্বর রোডের মিনা বাজারের সামনে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। পরে ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করা হয়।
একটি সূত্রের মাধ্যমে জানা যায়, নিষিদ্ধঘোষিত একটি সংগঠনের কয়েকজন সদস্য এই সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন। তবে এ বিষয়ে ধানমণ্ডি পুলিশ বলছে, বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনী গ্রিড উপকেন্দ্রে ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ লাইনের সোর্স ব্রেকারে বিস্ফোরণের ফলে জেলা শহর মাইজদী এবং এর আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে। ব্রেকারটি মেরামত না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ রোটেশন ভিত্তিতে করা হচ্ছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে চৌমুহনী গ্রিড উপকেন্দ্রের ৩৩ কেভি সোর্স ব্রেকারে আকস্মিক বিস্ফোরণ ঘটে। এর পর ব্রেকারটিতে আগুন লেগে যায়। ফলে চৌমুহনী থেকে মাইজদী পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন বন্ধ হয়ে যায় এবং মাইজদী উপকেন্দ্রে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) নোয়াখালী কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্রেকারটি গ্রিডের প্রধান ব্রেকার। এটি বিদ্যুৎ লোড আনার জন্য ব্যবহৃত হয়। ব্রেকারটি বিকল হয়ে যাওয়ার কারণে বিকল্প সোর্সের মাধ্যমে রিং সার্কিট ব্যবহার করে বর্তমানে প্রায় ১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে মাইজদী শহর ও আশপাশের এলাকায় বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ২০ থেকে ২৫ মেগাওয়াট।
সরবরাহের তুলনায় চাহিদা কম থাকায় বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এক ঘণ্টা পরপর রোটেশন ভিত্তিতে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। এর ফলে শহরের এক অংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু থাকলে অন্য অংশে তা বন্ধ থাকে এবং পরবর্তী ঘণ্টায় সরবরাহের এলাকা পরিবর্তন করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা লোকমান হোসেন জানান, শুক্রবার রাতে তার এলাকায় বিদ্যুৎ চলে যায়। পরে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হলেও এক ঘণ্টা না যেতেই আবার বিদ্যুৎ চলে যায়। এভাবে সারা রাত এবং শনিবার সকাল পর্যন্ত কয়েকবার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করেছে। বিদ্যুতের সংকটের কারণে রাতে তিনি ঠিকমতো ঘুমাতে পারেননি বলেও জানান।
পিডিবি নোয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাবিবুল বাহার জানান, চৌমুহনী গ্রিড উপকেন্দ্রের ৩৩ কেভি সোর্স ব্রেকারের পোল নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে সেটি বিকল হয়ে পড়েছে। বিকল্প ব্যবস্থায় জেলা শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সরবরাহ স্বাভাবিক করতে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ চলছে।
তিনি আরও বলেন, বৃষ্টির কারণে কাজে কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে। আশা করা হচ্ছে, শনিবার বিকেলের দিকে নতুন ব্রেকার স্থাপনের কাজ শেষ হবে। এরপর বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার ধুনটে মসজিদের জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের ফলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় নারীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় একটি টিনের তৈরি মসজিদে ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের পর উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নের রামনগর পশ্চিমপাড়া মসজিদ এলাকায় সংঘর্ষটি ঘটে। আহতদের ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন, রামনগর গ্রামের রইচ উদ্দিনের ছেলে সোহরাব আলী (৫৫), ফরিদুল ইসলাম (৩৫), সোহরাব আলীর ছেলে নুর আলম (৩০), মহির উদ্দিনের ছেলে ফরিদুল ইসলাম (৩৪), মেছের আলীর ছেলে ডাবলু হোসেন (৪০), আছের আলীর ছেলে রেজাউল প্রামাণিক (৪২), আফছার আলীর স্ত্রী আয়েশা বেগম (৫৫), উজ্জল মিয়ার স্ত্রী সুমি খাতুন (৩০) এবং মোরগ আলী প্রামাণিকের স্ত্রী গোলছারা বেগম (৫৫)।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, রামনগর পশ্চিমপাড়া এলাকায় ২০০১ সালে স্থানীয়দের উদ্যোগে একটি টিনের তৈরি মসজিদ নির্মাণ করা হয়। তবে যাতায়াতের সুবিধার জন্য নির্ধারিত জায়গার পরিবর্তে প্রায় ২০০ মিটার দূরে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে মসজিদের নির্ধারিত জায়গা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয় এবং তারা দুই পক্ষ হয়ে পড়েন।
২০২১ সালে অপর পক্ষ মসজিদের নির্ধারিত জায়গায় নতুন একটি টিনের মসজিদ নির্মাণ করে। এরপর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ আরও তীব্র হয়ে ওঠে।
শুক্রবার জুমার নামাজের পর দুই পক্ষের লোকজন মুখোমুখি অবস্থান নিলে একপর্যায়ে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় ২০২১ সালে নির্মিত মসজিদটিতে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। মসজিদের মাইক, ফ্যানসহ বিভিন্ন সামগ্রীও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
সোহরাব আলী অভিযোগ করেন, "২০২১ সালে নির্মিত মসজিদে নামাজ আদায় করার সময় প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।"
অন্যদিকে অপর পক্ষের আবুল কালাম দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে মসজিদের জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছে। বিষয়টি মীমাংসার প্রস্তাব নিয়ে তিনি মসজিদে প্রবেশ করলে তাকে আটক করে রাখা হয়। পরে খবর পেয়ে তার স্বজনরা মসজিদের বেড়া ভেঙে তাকে উদ্ধার করেন।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে পুলিশ চলে যাওয়ার পর দুই পক্ষ আবারও মুখোমুখি অবস্থান নেয় বলে স্থানীয়রা জানান।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, "খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার মার্কিন দূতাবাস সতর্ক করেছে যে, যদি কেউ ভিসার অনুমোদিত সময়ের চেয়ে বেশি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেন, তবে ভবিষ্যতে দেশটিতে ভ্রমণের ক্ষেত্রে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভিসা সংক্রান্ত একটি বার্তায় এই সতর্কতা প্রকাশ করা হয়।
বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, একটি মার্কিন ভিসা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের নিশ্চয়তা প্রদান করে না। দেশটিতে প্রবেশের সময় কতদিন অবস্থান করা যাবে এবং কোন শর্ত প্রযোজ্য হবে, তা নির্ধারণ করেন প্রবেশস্থলের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা।
দূতাবাস আরো জানায়, যদি কেউ অনুমোদিত সময়ের বেশি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেন অথবা ভিসার ধরন অনুযায়ী অনুমোদিত নয় এমন কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত হন, তাহলে তার ওপর ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের ক্ষেত্রে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ হতে পারে।
সুতরাং, ভিসার শর্ত ও অনুমোদিত সময়সীমা যথাযথভাবে মেনে চলার দায়িত্ব ভিসাধারীর নিজের উপর রয়েছে- বার্তায় এ বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মধ্যে নারীদের খেলাধুলা ও পোশাক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী। তিনি এ বিষয়গুলোতে আলেমদের সুস্পষ্ট বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
রোববার (২৬ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী এ নিয়ে একটি বিস্তারিত স্ট্যাটাস দেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ডাকসুতে সাদিক কায়েমের বিজয়ের পর তিনি অনেক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছিলেন। তিনি সারারাত সজাগ থেকে ফলাফলের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। "চাইলে যে কেউ আমার আইডিতে ঘুরে ঐ সময়ের পোস্টগুলো দেখতে পারেন।"
তিনি আরও লেখেন, "কারণ একটাই, এ বিজয়কে ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধী শক্তির বিজয় মনে করেছিলাম, নিজেদের বিজয় মনে করেছিলাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের আন্দোলন-সংগ্রামের সূতিকাগার; জুলাই আন্দোলনও এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই শুরু হয়েছে। তাই এখানে শিবিরের হাতে ক্ষমতা থাকা মানে দিল্লির জন্য বিশাল ভয় আর সে কারণেই খুশি হয়েছিলাম।"
তিনি বলেন, সাদিক কায়েম, এস এম ফরহাদরা অনেক কাজ করেছে, যা দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট। সিট বাণিজ্য বন্ধ করা, যোগ্যতা অনুযায়ী সিট দেওয়া, বৃষ্টির দিনে মেয়েদের জন্য ভেনগাড়ি, আলাদা বাস, গরমের দিনে সুপেয় পানির ব্যবস্থা এসব অবশ্যই প্রশংসনীয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, "আমরা ত মুসলিম, আমরা কি শুধুমাত্র এসব কাজের জন্য কাউকে সাপোর্ট করতে পারি? নাকি দুনিয়ার সকল সুযোগ-সুবিধার চেয়েও আমাদের কাছে আল্লাহর বিধান বড়?"
তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কোনো ইসলামিক স্থান নয়, সব মেয়েও পর্দা করে না। তাহলে তারা বাস্কেটবল খেললে দোষের কী? বিষয়টি শুধুমাত্র খেলার নয়, বরং শর্ট প্যান্ট ও টাইট ফিটিং গেঞ্জি পরে মেয়েদের খেলার আয়োজন করে সেটাকে প্রকাশ্যে উৎসাহ ও গর্বের সঙ্গে উপস্থাপন করা। "আরমান নামে একজন আয়োজকের জন্য হাত তালি দিতে বলা! সমস্যাটা ঠিক এই জায়গায়।"
কারণ, সাদিক কায়েমকে অনেক মেয়ে ফলো করে এবং নেতা মনে করে। তারা যখন দেখে সাদিক কায়েম শায়েখ আহমদুল্লাহ, শায়েখ মিজানুর রহমান আজহারী, শায়েখ মামুনুল হক, আব্দুল হাই মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ সহ অনেক হুজুরের সঙ্গে প্রোগ্রামে দেখা যায় এবং জামায়াতের আমিরসহ অনেক আলেমরা তাকে সাপোর্ট করেন, তখন তারা স্বাভাবিকভাবেই মনে করবে, "উনি যা করছেন সেটা মনে হয় সঠিক।"
রফিকুল ইসলাম লেখেন, মারজিয়া মমতাজের মতো মহিলা শাখার মহিলারা যখন টকশোতে বলেন, "মেয়েরা শর্ট প্যান্ট পরলেও সমস্যা নেই," তখন সেই সরলমনা মেয়েগুলো ইসলামকে কী ভাববে? তারা তো মনে করবে এগুলো সব জায়েজ!
তাহলে আমি যে শায়েখদের নাম নিলাম, আপনাদের বলব প্লিজ, এই বিষয়ে সুস্পষ্ট কথা বলুন। কারণ যেসব মেয়ে সাদিক কায়েমকে ফলো করে, তাদের কাছে আমাদের হুজুরদের আওয়াজও পৌঁছে না। তাই আপনারা এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা তুলে ধরুন যাতে সাদিক কায়েমসহ সকলেই সতর্ক হতে পারে!
তিনি লেখেন, বিষয়টি শুধুমাত্র উন্নয়নের নয়, উন্নয়ন কিন্তু হাসিনা ও আওয়ামী লীগও অনেক করছিল। আমরা শুধু উন্নয়ন দেখিনি, তাদের এজেন্ডার বিরুদ্ধে কথা বলেছি। কারণ আমাদের কাছে আদর্শ ও আল্লাহর বিধান গুরুত্বপূর্ণ।
স্পষ্ট কথা, এপস্টিন ফাইলে জড়িত কুখ্যাত নরপিশাচ আমেরিকা ও পশ্চিমের কাছে নিজেদের প্রগতিশীল প্রমাণ করে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা যদি ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলোকে গৌণ করে দেয়, তাহলে কাকতালীয়ভাবে সেই ক্ষমতা যদি এসেও যায়, সেটা ইসলামের পক্ষের হবে না, ফায়দাও হবে না।
আর তখন সেই ক্ষমতার বিরুদ্ধে আমাদের স্পষ্ট অবস্থানও থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ