ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শেরপুরে বার্ড ক্লাব ও শাইনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি


শেরপুরে বার্ড ক্লাব ও শাইনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

শেরপুর বার্ড ক্লাব এবং প্রকৃতি ও পরিবেশবাদী সংগঠন শাইনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং প্রকৃতি-পাখির সুরক্ষায় সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে শেরপুরের বয়ড়া পরানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, শেরপুর এবং সল্ট-কেন্ডি ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের সহযোগিতায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বট, কদম, চালতা, আমলকি, গাব, আমড়া ও ডেউয়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির বনজ, ফলজ ও ঔষধি বৃক্ষের চারা রোপণ করা হয়।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, শেরপুরের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন সরকার, ওয়াইল্ডলাইফ রেঞ্জার মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, বয়ড়া পরানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক করুণা দাস কারুয়া, শেরপুর বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও প্রকৃতি-পরিবেশবাদী সংগঠন শাইনের নির্বাহী পরিচালক এবং জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মো. মুগনিউর রহমান মনি, বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

বৃক্ষরোপণ শেষে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রকৃতি ও পাখির সুরক্ষায় সচেতনতা বাড়াতে লিফলেট বিতরণ করা হয়।

শেরপুর বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও শাইনের নির্বাহী পরিচালক মো. মুগনিউর রহমান মনি বলেন, "প্রতিবছর আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে পাখি ও পরিবেশবান্ধব বিশেষ প্রজাতির বনজ, ফলজ ও ঔষধি বৃক্ষের চারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ঈদগাহ, রাস্তার পাশে ও বিভিন্ন খোলা জায়গায় লাগানো হয়। এ ছাড়া শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যেও চারা বিতরণ করা হয়।"

তিনি আরও জানান, "এ বছর প্রায় পাঁচ হাজার চারা রোপণ ও বিতরণ করা হবে।"

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য ১৫০০ কোটি টাকা ঋণ দেবে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ পি.এম


নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য ১৫০০ কোটি টাকা ঋণ দেবে সরকার

দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। এই কর্মসূচির আওতায় তিনটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গৃহস্থালি, প্রাতিষ্ঠানিক এবং শিল্প পর্যায়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি স্থাপনায় ঋণ প্রদান করা হবে।

সরকারের তরফ থেকে নির্ধারিত ঋণের সুদহার বার্ষিক দশমিক ৫ শতাংশ। তবে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সুবিধাভোগীদের যে ঋণ প্রদান করবে, তাতে সব ধরনের ফি ও চার্জসহ কার্যকর বার্ষিক সুদহার সর্বোচ্চ ৬ শতাংশের মধ্যে রাখতে হবে। এই সীমা অতিক্রম করা যাবে না।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সামষ্টিক অর্থনীতি অনুবিভাগের জারি করা একটি পরিপত্রে এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানানো হয়েছে। গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) জারি করা ওই পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, বিদ্যুৎ উৎপাদনে আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির উচ্চমাত্রার ব্যবহার উৎপাদন ব্যয়, ভর্তুকির চাপ এবং জ্বালানি নিরাপত্তার ঝুঁকি বাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সহজ শর্তে এবং স্বল্প ব্যয়ে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন নিশ্চিত করার জন্য এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

সরকারের জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬–২০৩০) অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ২০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন দ্রুত সম্প্রসারণের লক্ষ্যও রয়েছে।

পরিপত্র অনুযায়ী, সরকারের অগ্রাধিকার বিবেচনায় এ কর্মসূচির জন্য মোট ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হবে। এর মধ্যে ১ হাজার কোটি টাকা চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের (এমএসএমই) জন্য সংরক্ষিত ২ হাজার কোটি টাকার থোক বরাদ্দ থেকে পুনর্বিন্যাস করে সংস্থান করা হবে। বাকি ৫০০ কোটি টাকা পরিচালন বাজেট থেকে সংস্থান করা হবে।

এই অর্থ তিনটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (আইডকল), বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেড (বিআইএফএফএল) এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য ৫০০ কোটি টাকা সরকারি ঋণ দেওয়া হবে।

এ জন্য অর্থ বিভাগ এবং প্রতিটি অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পৃথক ঋণচুক্তি সম্পাদিত হবে। ওই চুক্তিতে ঋণের পরিমাণ, অর্থ ব্যবহারের অনুমোদিত খাত, ঋণ পরিশোধ, প্রতিবেদন, নিরীক্ষা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় শর্ত উল্লেখ থাকবে। অর্থ বিভাগ প্রয়োজন অনুযায়ী অথবা অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের চাহিদার ভিত্তিতে চুক্তি সম্পাদন ও অন্যান্য শর্ত পূরণের পর অর্থ ছাড় করবে।

সরকারি ঋণের সুদহার বার্ষিক দশমিক ৫ শতাংশ থাকবে। তবে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে নেওয়া সব ধরনের ফি ও চার্জসহ কার্যকর বার্ষিক হার সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ হতে পারবে। অর্থাৎ ঋণ ব্যবস্থাপনার নামে অতিরিক্ত ফি বা চার্জ নিয়ে নির্ধারিত ৬ শতাংশের সীমা অতিক্রম করা যাবে না।

সরকারের কাছ থেকে নেওয়া ঋণের অর্থের মেয়াদ ১০ বছর হবে। এর মধ্যে এক বছর গ্রেস পিরিয়ড থাকবে। গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পরবর্তী মাস থেকে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারের অনুকূলে আসল ও সুদ পরিশোধ শুরু করবে। ঋণচুক্তিতে পরিশোধের বিস্তারিত কাঠামো নির্ধারণ করা হবে।

ছাদে সৌরবিদ্যুৎ থেকে সেচপাম্প

সরকারি এ অর্থায়নের আওতায় মূলত গৃহস্থালি, প্রাতিষ্ঠানিক ও শিল্প পর্যায়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রযুক্তি স্থাপন, সম্প্রসারণ এবং আধুনিকায়নে ঋণ প্রদান করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা, নেট মিটারিং সংযোগ, সোলার হোম সিস্টেম, সৌরচালিত সেচপাম্প, সংশ্লিষ্ট ইনভার্টার, মিটার এবং ব্যাটারি সংরক্ষণ ব্যবস্থা।

অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি অথবা অংশীদার ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এ ঋণ বিতরণ করতে পারবে। তবে যে পদ্ধতিতেই ঋণ বিতরণ করা হোক, পরিপত্রে নির্ধারিত সব শর্ত মানতে হবে। সুবিধাভোগীর ঋণ পরিশোধে ব্যর্থতার ঝুঁকি বহন করবে সংশ্লিষ্ট অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান।

ঋণ বিতরণের পদ্ধতি, কিস্তির কাঠামো, পণ্য পরিকল্পনা, কর্মসূচির নির্দেশিকা এবং সুবিধাভোগীর যোগ্যতা ও মূল্যায়নের মানদণ্ড নির্ধারণের দায়িত্ব অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর দেওয়া হয়েছে। তবে এসব নির্ধারণের ক্ষেত্রে যথাযথ যাচাই-বাছাই বা ডিউ ডিলিজেন্স করতে হবে এবং পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নিতে হবে।

কর্মসূচির অর্থ বিদ্যমান ঋণ পরিশোধ, ঋণ নবায়ন বা ‘লোন এভারগ্রিনিং’, জমি বা শেয়ার কেনা, ব্যক্তিগত ভোগ, প্রতিষ্ঠানের সাধারণ প্রশাসনিক ব্যয় কিংবা অন্য কোনো তহবিল বা কর্মসূচিতে স্থানান্তর করা যাবে না।

এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানকে আলাদা ব্যাংক হিসাব এবং পৃথক হিসাব কোড রাখতে হবে। পাশাপাশি পর্ষদ অনুমোদিত পরিচালন পদ্ধতি এবং ব্যবস্থাপনা তথ্যব্যবস্থা চালু করতে হবে। ঋণ সুবিধাভোগীদের অনুমোদিত ব্যাংক হিসাবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে অর্থ বিতরণ করতে হবে।

ঋণ বিতরণের আগে সুবিধাভোগীর যথাযথ যাচাই-বাছাই করতে হবে। কর্মসূচির নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনার পাশাপাশি গ্রাহক পরিচিতি যাচাই (কেওয়াইসি) এবং অর্থপাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধের (এএমএল/সিএফটি) বিধানও পরিপালন করতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেকহ্যাম: ব্যালন ডি’অর মেসিরই প্রাপ্য, কেইন-এমবাপ্পে নয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩০ পি.এম


বেকহ্যাম: ব্যালন ডি’অর মেসিরই প্রাপ্য, কেইন-এমবাপ্পে নয়

ক্যাম্পিওনেস কাপের ফাইনালে ইন্টার মায়ামির জয়ে লিওনেল মেসির অবদান ছিল বিশেষ। তিনি নিজে গোল করার পাশাপাশি কাসেমিরোকে গোল করাতে সাহায্য করেছেন। মেসির এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের পর, ব্যালন ডি’অর নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন ইন্টার মায়ামির অন্যতম মালিক এবং ইংল্যান্ডের প্রাক্তন কিংবদন্তি ডেভিড বেকহ্যাম। তার মতে, এবারের পুরস্কারটি মেসিরই প্রাপ্য।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মিশেলোব আল্ট্রা ক্যাম্পিওনেস কাপের ফাইনালে ক্রুজ আজুলকে ২-০ গোলে পরাজিত করে শিরোপা জেতে ইন্টার মায়ামি। মেসি দলের দুই গোলেই সরাসরি অবদান রাখেন। প্রথম গোলটি তিনি নিজেই করেন, এবং দ্বিতীয় গোলটি তার পাস থেকে হেডে করেন কাসেমিরো।

ম্যাচের ফলাফল ব্যালন ডি’অর দৌড়ে সরাসরি প্রভাব ফেলবে না। তবে, মেসির সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের কারণে বেকহ্যাম তার পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছেন।

ইএসপিএনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অ্যাপল টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বেকহ্যাম বলেন, "গত এক বছরে মেসির পারফরম্যান্স নিয়ে সংশয়ের কোনো কারণ নেই।"

বেকহ্যাম আরও বলেন, "আজ রাতে ওর (মেসি) পারফরম্যান্স বা বিশ্বকাপে যেভাবে খেলেছে, তা দেখার পর এটুকু বলা যায় যে আবারও ব্যালন ডি’অরের আলোচনায় থাকা কোনো ভাগ্যের বিষয় নয়। সে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় ছিল এবং গত বছরটিও তার জন্য দুর্দান্ত ছিল।"

মেসির বয়সের বিষয়টিও আলাদাভাবে উল্লেখ করেছেন বেকহ্যাম। তিনি বলেন, "৩৯ বছর বয়সে বিশ্বকাপে গিয়ে প্রতিটি ম্যাচে এমন প্রভাব ফেলা বিশেষ কিছু। এই বয়সে এই মানের ফুটবল আর কেউ খেলছে না। তাই ব্যালন ডি’অরের জন্য তার নাম বিবেচনা করাটা একেবারেই যৌক্তিক। আমার মতে, পুরস্কারটি তারই প্রাপ্য।"

হ্যারি কেইন, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও জুড বেলিংহামের মতো খেলোয়াড়রাও ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে রয়েছেন, তবে বেকহ্যাম মেসির প্রতি তার সমর্থন স্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেন, "ওরা দুর্দান্ত খেলোয়াড়। কিন্তু লিওকে নিয়ে কথা বললে আমি সবসময়ই তার সবচেয়ে বড় সমর্থক।"

মেসির ব্যালন ডি’অরে আধিপত্য নতুন কিছু নয়। তিনি ইতোমধ্যে রেকর্ড আটবার এই পুরস্কার জিতেছেন। সম্প্রতি রেকর্ড ১৭তমবারের মতো মনোনয়ন পাওয়ার পর, বেকহ্যামের বিশ্বাস, এবার মেসির ট্রফির সংখ্যা নয়েও পৌঁছাতে পারে।

গত এক বছরে ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে মেসির পারফরম্যান্স ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি ইন্টার মায়ামিকে প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপ জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এবং আর্জেন্টিনাকে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলেছেন। ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনালে মূল একাদশে খেলার কীর্তিও গড়েছেন মেসি।

বিশ্বকাপে তার পারফরম্যান্স ছিল নজরকাড়া, ৮ গোলের পাশাপাশি ৪টি অ্যাসিস্ট করেছেন। চলতি ২০২৬ মৌসুমেও গোল ও গোলে সহায়তায় ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন তিনি। এমএলএসে এখন পর্যন্ত ১৯ গোল ও ১৩ অ্যাসিস্ট নিয়ে গোল এবং গোল-অবদানের দুই তালিকাতেই শীর্ষে রয়েছেন মেসি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিনিস্টার চাকরি দিচ্ছে, প্রভিডেন্ট ফান্ড-মোবাইল বিলসহ রয়েছে নানান সুবিধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩০ পি.এম


মিনিস্টার চাকরি দিচ্ছে, প্রভিডেন্ট ফান্ড-মোবাইল বিলসহ রয়েছে নানান সুবিধা

মিনিস্টার হাই-টেক পার্ক লিমিটেড জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

পদের নাম: রিজিওনাল হেড অব সেলস

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক/স্নাতকোত্তর ডিগ্রি

অন্যান্য যোগ্যতা হিসেবে প্রার্থীদের ইলেকট্রনিক্স প্রতিষ্ঠানে কাজের দক্ষতা থাকতে হবে।

চাকরির ধরন: ফুলটাইম

কর্মক্ষেত্র: অফিসে

প্রার্থীর ধরন: শুধু পুরুষ

বয়সসীমা: ৩৬ থেকে ৫২ বছর

কর্মস্থল: যেকোনো জায়গায়

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

অন্যান্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে টি/এ, মোবাইল বিল, প্রভিডেন্ট ফান্ড, প্রতি বছর ইনক্রিমেন্ট, বছরে ২টি উৎসব বোনাস এবং যাতায়াত সুবিধা।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আনন্দ হাউজিং সোসাইটিতে প্লট ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩০ পি.এম


আনন্দ হাউজিং সোসাইটিতে প্লট ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে

আধুনিক নগর পরিকল্পনা, আইনগত স্বচ্ছতা এবং ধারাবাহিক অবকাঠামোগত উন্নয়নের সমন্বয়ে পুলিশ পরিবার কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের আওতাধীন আনন্দ হাউজিং সোসাইটি আবাসন খাতে ক্রমশ বিনিয়োগকারী ও প্লট ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করছে, যা একটি সম্ভাবনাময় প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কারণে দেশ-বিদেশের বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

প্রকল্প কর্তৃপক্ষ জানায়, শুরু থেকেই একটি স্বচ্ছ, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ব্যক্তি ও পরিবার এই প্রকল্পে প্লট ক্রয় করেছেন। ক্রেতাদের মধ্যে জমির বাজারমূল্য বৃদ্ধি এবং প্রকল্পের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করায় নতুন বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রকল্প এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ির কার্যক্রম ইতোমধ্যে চালু রয়েছে। সার্বক্ষণিক আইন-শৃঙ্খলা তদারকির ফলে প্রকল্পটি বিনিয়োগকারী ও ভবিষ্যৎ বাসিন্দাদের জন্য আরও নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য আবাসিক পরিবেশে পরিণত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আবাসন খাতের সংশ্লিষ্টদের অভিমত হলো, নগরায়ণের বর্তমান প্রেক্ষাপটে পরিকল্পিত সড়ক ব্যবস্থা, আধুনিক নাগরিক সুবিধা এবং নিরাপদ আবাসন পরিবেশসম্পন্ন প্রকল্পের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। সেই বাস্তবতায় আনন্দ হাউজিং সোসাইটির উন্নয়ন পরিকল্পনা ও অবকাঠামোগত অগ্রগতি ভবিষ্যতে প্রকল্পটির বাজারমূল্য এবং গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বর্তমানে পল্লী বিদ্যুৎ ব্যবস্থা চলমান থাকলেও প্রকল্পের অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে শিগগিরই একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র (সাব-স্টেশন) নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এটি চালু হলে নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতের আবাসিক, বাণিজ্যিক ও অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে প্রকল্প বাসীদের ধর্মীয় ও সামাজিক চাহিদা বিবেচনায় একটি আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এটি শুধু ধর্মীয় উপাসনার স্থানই নয়, বরং স্থানীয় বাসিন্দাদের সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

প্রকল্প কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আনন্দ হাউজিং সোসাইটিতে প্রায় ৯২৭টি রেজিস্ট্রি-যোগ্য প্লট রয়েছে। এর মধ্যে ৪৬২ টি প্লটের রেজিস্ট্রি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যা প্রকল্পের আইনগত স্বচ্ছতা এবং ক্রেতাদের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অবশিষ্ট প্লটের আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রতি মাসে রেজিস্ট্রেশন প্রদান করা হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, আনন্দ হাউজিং সোসাইটিকে একটি আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও পূর্ণাঙ্গ আবাসিক কমিউনিটিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় স্থাপনা, খেলার মাঠ, উন্মুক্ত সবুজ এলাকা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজছেন এমন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য আনন্দ হাউজিং সোসাইটি একটি সম্ভাবনাময় আবাসন প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। চলমান উন্নয়ন, সফল রেজিস্ট্রি কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ অবকাঠামো পরিকল্পনা প্রকল্পটির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও শক্তিশালী করছে।

প্রকল্প কর্তৃপক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে জানিয়েছে, নির্ধারিত উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে আনন্দ হাউজিং সোসাইটি দেশের অন্যতম আধুনিক, সুপরিকল্পিত ও টেকসই আবাসন প্রকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে, এটি প্লট মালিক ও বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে মূল্য সংযোজন এবং উন্নত জীবনযাপনের একটি মানসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%