বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০১:৩৪ পি.এম
জুলাই আন্দোলনের সময় চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় কক্সবাজারের পেকুয়ার মেহেরনামা মুরাপাড়া শহীদ ওয়াসিমের সমাধিস্থল পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমি জুলাই অভ্যুত্থানের একজন কর্মী এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের একজন রাজপথের যোদ্ধা হিসেবে চাই-জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গণহত্যা এবং গত ১৭ বছরে সংঘটিত গুম, খুন ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সব ব্যক্তি, নির্দেশদাতা ও সহযোগীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হোক।’
এ সময় তিনি আরও জানান, ‘বিচার শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ হয়ে থাকবে না, এজন্য কার্যকর বাস্তবায়নও নিশ্চিত করতে হবে। এই বিষয়ে আমি সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে কথা বলব এবং জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাব।’
ইশরাক বলেন, ‘যারা গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার কোনো অপচেষ্টা সফল হতে দেয়া হবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘জুলাইয়ের আন্দোলনে আমরা জীবন বাজি রেখে রাজপথে নেমেছিলাম। আজও সেই আন্দোলনের লাখো-কোটি মানুষ জীবিত আছে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ। বাংলাদেশের জনগণ প্রয়োজনে আবারও প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।’
এই সময় প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির ও শহীদ ওয়াসিমের বাবা শফিউল আলম।
ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন বলেন, ‘২০২৪ সালের ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের, বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে সারা দেশে আন্দোলন শুরু হয়। সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আবু সাঈদ এবং চট্টগ্রামের ওয়াসিমসহ ছয়জন শহীদ হন।’
তিনি জানান, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এই শহীদরা আমাদের পথ দেখিয়েছেন-অন্যায় ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম থেকে পিছু হাঁটার কোনো সুযোগ নেই। আবু সাঈদ ও ওয়াসিমের আত্মত্যাগসহ দুই হাজারের বেশি শহীদের রক্তের বিনিময়ে যে পরিবর্তন এসেছে, তার প্রকৃত মূল্যায়ন হবে সব হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার মাধ্যমে।’
নাছির উদ্দীন নাছির আরও বলেন, ‘আমরা চাই জুলাই-আগস্টের গণহত্যার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের বিচার দ্রুত সম্পন্ন হোক। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই হবে শহীদদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা।’
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পক্ষ থেকে শহীদ ওয়াসিমসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। তাদের আত্মত্যাগের পথ ধরেই একটি সাম্য, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি বলে জানান নাছির উদ্দীন।
শহীদ ওয়াসিমের বাবা শফিউল আলম বলেন, ‘দুই বছর আগে আজকের এই দিনে আমার ছেলে চট্টগ্রামের রাজপথে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হয়েছে। দুই বছর পার হয়ে গেলেও আমরা এখনো বিচারের দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখতে পাচ্ছি না। তবে আমরা আশাবাদী, এই সরকার আমাদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে।’
তিনি বলেন, ‘যারা আমার সন্তানসহ অসংখ্য মানুষকে হত্যা করেছে-যারা নির্দেশ দিয়েছে, যারা গুলি চালিয়েছে এবং যারা সহযোগিতা করেছে—প্রত্যেকের সমান বিচার হতে হবে। শুধু একজনের বিচার হলে হবে না, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত পুরো চক্রের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।’
শফিউল আলম এরপর বলেন, ‘আমরা শহীদ পরিবারের সদস্যরা এখনো বেঁচে আছি। আমাদের সন্তানদের রক্তের বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা ন্যায়বিচারের দাবি থেকে সরে যাব না। আমরা চাই, ভবিষ্যতে যেন কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি আর মানুষের ওপর এমন নির্যাতন চালানোর সাহস না পায়।’
পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন শহীদ ওয়াসিমের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের আর্থিক সহায়তা দেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর কবিরহাটে মাদকসেবনের প্রতিবাদ করায় মো. ফারুক ওরফে শহীদ (৫০) নামের একজন বিএনপি নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুই যুবককে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোমেল বড়ুয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বুধবার (১৫ জুলাই) রাত ১১টার দিকে উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের তেঁতুলতলা বাজারসংলগ্ন পল্লী বিদ্যুতের সাব-স্টেশনের সামনে তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পথে রাত ২টার দিকে চৌমুহনী চৌরাস্তা এলাকায় তার মৃত্যু ঘটে।
নিহত শহীদ সুন্দলপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক ছিলেন এবং স্থানীয় তেঁতুলতলা বাজারের একজন ব্যবসায়ী ছিলেন।
এ ঘটনায় আটকরা হলেন, মো. আরশাদ ওরফে আকাশ (২৪) একই গ্রামের মুন মুন্সিবাড়ির আল আমিনের ছেলে এবং অপর আটক ব্যক্তি মো. সাজ্জাদ হোসেন আকাশ (১৯) আকবরের ছেলে।
নিহতের বড় ছেলে মো. ইমরান হোসেন জানান, আকাশ আগে মাঝে মধ্যে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালাতেন এবং এলাকায় চিহ্নিত মাদকসেবী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার বেপরোয়া মাদকসেবনের প্রতিবাদ করেছিলেন উপজেলা ছাত্রদল নেতা জহির। গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে স্থানীয় তেঁতুলতলা বাজারের একটি দোকানে আকাশের মাদকসেবনের বিষয়ে কথা ওঠে।
এ সময় আকাশ বেপরোয়া আচরণ করে ছাত্রদল নেতা জহিরকে উদ্দেশ্য করে বলেন, তিনি তার মাদকসেবনের প্রতিবাদ করার কে? তখন ওই দোকানে থাকা তার বাবা ফারুক তাকে বলেন, ‘তুমি কাউকে মানো না।’ একপর্যায়ে তিনি আকাশকে ঘাড় ধরে দোকান থেকে বের করে দেন।
ইমরান আরও জানান, ‘পরদিন বুধবার সকালে আকাশ কয়েকজনের কাছে তার বাবাকে হত্যার হুমকি দেন। পরে রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে তেঁতুলতলা বাজারসংলগ্ন পল্লী বিদ্যুতের সাব-স্টেশনের সামনে পেছন থেকে তার বাবার মেরুদণ্ডে ছুরিকাঘাত করেন আকাশ। পরে গুরুতর অবস্থায় ফারুককে প্রথমে কবিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পথেই চৌমুহনী চৌরাস্তা এলাকায় অ্যাম্বুলেন্সে তার মৃত্যু হয়।’
এ বিষয়ে ওসি রোমেল বড়ুয়া আরও জানান, মাদকসেবনের প্রতিবাদ করার জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। আটক দুজন বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নীলফামারীর ডিমলায়, বিয়ের মাত্র একদিন পর আব্দুল মালেক (২৫) নামে এক যুবক মসজিদের ভেতর আত্মহত্যা করেছেন। এদিকে, তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখার পর অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন নিহতের মামা আহিদুল ইসলাম (৪০)।
বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে, উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের মুনাকাশা কাকড়া চৌপতি জামে মসজিদে আব্দুল মালেকের মরদেহটি পাওয়া যায়। মৃত আব্দুল মালেক ওই এলাকার মুনাকাশা গ্রামের নুরুল হকের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানায়, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) আব্দুল মালেকের বিয়ে হয়েছিল। পরে, বুধবার মধ্যরাতে স্থানীয় মুসল্লিরা মসজিদের ভেতরের ছাদের কাঠামোর সঙ্গে গলায় রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় আব্দুল মালেককে দেখতে পান। খবর পেয়ে ডিমলা থানা পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
এদিকে, ভাগনের এমন মৃত্যুর খবর শুনে স্তব্ধ হয়ে যান আহিদুল ইসলাম। মরদেহ দেখতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান একরামুল হক চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানান, বিয়ের মাত্র একদিন পর মালেক আত্মহত্যা করেছে। একই সাথে, ভাগনের মৃত্যুর শোকে মামা আহিদুল ইসলামের মৃত্যুর বিষয়টিও অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এই জোড়া মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী বলেন, খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মুয়াজ্জিনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনাটির ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলার প্রস্তুতি চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব আরও তীব্র হচ্ছে। গত চার দিন ধরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালিটির নিয়ন্ত্রণ কখনোই ছাড়বে না বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছে ইরান।
দেশটির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা আলি আকবর বেলায়াতি বলছেন, "বিশ্বের কোনো শক্তিও হরমুজ প্রণালির ওপর থেকে তেহরানের মালিকানা কেড়ে নিতে পারবে না।"
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে সাবেক এই শীর্ষ কূটনীতিক আরও বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি ইরানেরই অংশ। সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির সাহসী এবং বিচক্ষণ নির্দেশের মাধ্যমে এই প্রণালি ইরানের নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ৪০ দিনের যুদ্ধে এটি একটি মূল্যবান অর্জন।’
গত কয়েক দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাচ্ছে। ওয়শিংটনের দাবি, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য ইরান যেন আর হুমকি সৃষ্টি করতে না পারে, তার জন্যই এই হামলা চালানো হচ্ছে। এর আগে ইরান ওই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের বিকল্প রুট ব্যবহার করে কিছু তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাব হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে আক্রমণ করছেন ইরানের সৈন্যরা, যার মধ্যে বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক স্থাপনাও রয়েছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের অবকাঠামোতে হামলা চালায়, তবে ওয়াশিংটনের মিত্র উপসাগরীয় দেশগুলোর অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দফতরের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইব্রাহিম যুল্ফাগারি এক বিবৃতিতে বলেন, "যদি ট্রাম্প তার হুমকি বাস্তবায়নের চেষ্টা করেন, তাহলে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী এই অঞ্চলের সব অবকাঠামো এমনভাবে গুঁড়িয়ে দেবে যে, সেগুলোর আর কোনো চিহ্নও থাকবে না।"
তিনি আরও বলেছেন, ইরান হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করবে না। কোনো অবস্থাতেই এবং কোনোভাবেই আমরা আমেরিকাকে, একটি বিদেশি এবং আঞ্চলিক বাইরের দেশ হিসেবে, হরমুজ প্রণালিতে হস্তক্ষেপ করতে দেব না। এটি ইরানের চূড়ান্ত রেড লাইন।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় একটি বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে, মো. মাহাফুজ উল্লাহ সিদ্দিকী (৪০) নামক কম্বোডিয়ায় মানবপাচার চক্রের প্রধানকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য উপস্থাপন করেছেন।
এর ও আগে বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর বনশ্রী-সংলগ্ন আফতাবনগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত মাহাফুজ উল্লাহ সিদ্দিকী বিমানবন্দর থানার মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশের আওতায় করা মামলার এজাহারনামীয় আসামি।
মাহাফুজ উল্লাহ কম্বোডিয়ায় মানবপাচার চক্রের অন্যতম মূলহোতা উল্লেখ করে প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ