বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:০৮ পি.এম
দীর্ঘ ১৭ বছর পর আবারও বাংলাদেশ ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে। ২০২৭ সালের মে মাসে ঐতিহাসিক লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একটি একমাত্র টেস্ট ম্যাচ খেলবে টাইগাররা।
ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) প্রকাশিত ২০২৭ সালের গ্রীষ্মকালীন আন্তর্জাতিক সূচিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৮ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত লর্ডসে অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই টেস্ট।
এর আগে সর্বশেষ ২০১০ সালে ইংল্যান্ড সফরে টেস্ট খেলেছিল বাংলাদেশ। সেই হিসাবে দীর্ঘ ১৭ বছর পর ক্রিকেটের ‘মক্কা’খ্যাত লর্ডসে ফিরে আসছে টাইগাররা। শক্তিশালী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই ম্যাচ বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ।
শুধু পুরুষ দলই নয়, ২০২৭ সালে ইংল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলও যাবে। সেপ্টেম্বরে স্বাগতিকদের বিপক্ষে তিনটি ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ও তিনটি ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে টাইগ্রেসরা।
বাংলাদেশ দলকে লর্ডসে স্বাগত জানাতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ইসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিচার্ড গোল্ড। তিনি বলেছেন, দীর্ঘ বিরতির পর লর্ডসে বাংলাদেশের প্রত্যাবর্তন ইংল্যান্ডের আন্তর্জাতিক সূচিতে আরও সমৃদ্ধ করবে।
বাংলাদেশ পুরুষ দলের সূচি:
একমাত্র টেস্ট: ২৮ মে – ১ জুন, ২০২৭
ভেন্যু: লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড, লন্ডন
বাংলাদেশ নারী দলের সূচি:
টি-টোয়েন্টি সিরিজ:
১ম টি-টোয়েন্টি: ৮ সেপ্টেম্বর, নর্থহ্যাম্পটন
২য় টি-টোয়েন্টি: ১০ সেপ্টেম্বর, টনটন
৩য় টি-টোয়েন্টি: ১২ সেপ্টেম্বর, ওরচেস্টার
ওয়ানডে সিরিজ:
১ম ওয়ানডে: ১৭ সেপ্টেম্বর, হোভ
২য় ওয়ানডে: ২১ সেপ্টেম্বর, ক্যান্টারবেরি
৩য় ওয়ানডে: ২৪ সেপ্টেম্বর, চেমসফোর্ড।
দীর্ঘ অপেক্ষার পর লর্ডসে বাংলাদেশের টেস্ট প্রত্যাবর্তন দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে একটি স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে গণ্য হচ্ছে। ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রত্যাশা, ঐতিহাসিক এই সফরে ভালো পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে নতুন ইতিহাস গড়বে টাইগাররা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিদেশি শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করে বাংলাদেশকে আঞ্চলিক উচ্চশিক্ষার গন্তব্যে পরিণত করতে হবে। এজন্য একাডেমিক সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিকীকরণে একটি সমন্বিত জাতীয় নীতিমালা তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ইউজিসি চেয়ারম্যানের সভাকক্ষে জাতীয় কর্মপরিকল্পনার খসড়া নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক ও সমন্বয়কারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইউজিসির নেতৃত্ব আরও কার্যকর ও গতিশীল করতে হবে। একই সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সফল উচ্চশিক্ষা সংস্কারের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে বাংলাদেশের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি এই মুহূর্তে বলেন, দেশের বিপুল জনসংখ্যা একটি সম্ভাবনাময় সম্পদ। পরিকল্পিত উচ্চশিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণা এবং উদ্ভাবনে বিনিয়োগের মাধ্যমে এই জনসম্পদকে জাতীয় উন্নয়নের কার্যকর শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। তিনি চীন, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের সফল উচ্চশিক্ষা সংস্কারের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে বাংলাদেশে জন্য উপযোগী দিকগুলো বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিতে বাধ্যতার কথা উল্লেখ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিছানায় উপুড় হয়ে শুয়ে থাকা একটি শিশুর সামনে মোবাইল ফোনে কার্টুন দেখানো একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। শিশুটির পাশেই কুণ্ডলী পাকিয়ে রয়েছে একটি সাপ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি ভিডিও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে ভিডিওটি কোথায় এবং কবে ধারণ করা হয়েছে, সেই তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ভিডিওটির সত্যতাও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ঘরের বিছানায় উপুড় হয়ে শুয়ে থাকা শিশুটি মোবাইলে কার্টুন দেখছে। এ সময় মাঝারি আকারের একটি সাপ ধীরে ধীরে এগিয়ে এসে মোবাইলের স্ক্রিনের সামনে মাথা তোলে। দেখে মনে হচ্ছে, সাপটিও যেন পর্দার দিকে তাকিয়ে রয়েছে।
কিছুক্ষণ পর সাপটি সরে যেতে চাইলে শিশুটি উঠে বসে সেটিকে ধরে আবার মোবাইলের সামনে আনার চেষ্টা করে। সাপটি আবারও সরে যেতে চাইলে শিশুটি পুনরায় সেটিকে ধরে। পুরো ঘটনা ভিডিওতে ধারণ করা হয়েছে।
এই ভিডিওটি ইনস্টাগ্রামের ‘Santosh__Stories’ নামক একটি অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশ করা হয়েছে। এরপর সেটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। দেখা যায়, ভিডিওটি দেখে কেউ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, আবার কেউ শিশুটির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন।
এক নেটিজেন ভিডিওতে মন্তব্য করেছেন, "সাপটি যদি ছোবল দিত, তাহলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত।" আরেকজনের মন্তব্য, "সম্ভবত এটি একটি পোষা ও নির্বিষ সাপ।"
তবে ভিডিওটি দেখে সাপটির প্রজাতি বা এটি বিষধর কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাপ বিষধর হোক বা নির্বিষ— এই ধরনের প্রাণীর সঙ্গে শিশুদের অবাধ মেলামেশা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাই বিশেষজ্ঞরা এমন ভিডিও দেখে অনুকরণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন। সূত্র: আনন্দবাজার
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের মাঠ প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় ও গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর ক্ষেত্রে বর্তমানে নারী কর্মকর্তাদের উপস্থিতি স্মরণকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বর্তমানে ৬৪ জেলার মধ্যে ২১টিতে নারী জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং ৪৯৯ উপজেলার ১৯১টিতে নারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজ করছেন। সংশ্লিষ্টরা এ বিষয়ে বলছেন, এটি প্রশাসনে নারীর সক্ষমতা এবং নেতৃত্বের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির প্রতিফলন।
এর আগে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রশাসনের সর্বোচ্চ ১৮ জন নারী ডিসি দায়িত্ব পালন করছিলেন। বর্তমানে ওই রেকর্ড ছাড়িয়ে ২০ জন নারী ডিসি দায়িত্ব পালন করছেন। তবে বর্তমানে নয় বিভাগীয় কমিশনারের মধ্যে একজনও নারী নেই।
বর্তমানে নারী ডিসিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম, মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক সৈয়দা নূরমহল আশরাফী, নরসিংদীর জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান কেয়া, মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরিফা হক, রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন, শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম, মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তার এবং কুমিল্লার জেলা প্রশাসক রোজী আক্তার।
এছাড়াও আরও রয়েছেন- রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, ফেনীর জেলা প্রশাসক মনিরা হক, নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন, খুলনার জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ, চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার, মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায়, বরগুনার জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তার, কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মোছা. শুকরিয়া পারভীন এবং শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন।
বিভাগভিত্তিক হিসাবে ঢাকা বিভাগে নারী ডিসির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। বিভাগের ১৩ জেলার মধ্যে ৯ জেলায় নারী ডিসি দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া খুলনা বিভাগে চারজন, চট্টগ্রাম বিভাগে তিনজন, রংপুর বিভাগে দুজন এবং রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগে একজন করে নারী ডিসি রয়েছেন।
শুধু জেলা প্রশাসনে নয়, উপজেলা প্রশাসনেও নারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। বর্তমানে দেশের ৪৯৯টি উপজেলার মধ্যে ১৯১টিতে নারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দায়িত্ব পালন করছেন। অর্থাৎ প্রায় ৩৯ শতাংশ উপজেলায় প্রশাসনের নেতৃত্বে নারীরা রয়েছেন।
ভূমি প্রশাসনে নারীদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বর্তমানে ৪৭৮ জন সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর মধ্যে ১১৬ জন নারী, যা মোট পদের ২৪ শতাংশের বেশি।
সব মিলিয়ে মাঠ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ১ হাজার ৮৫টি পদের মধ্যে ৩৩২টিতে নারী কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করছেন। অর্থাৎ মাঠ প্রশাসনের প্রায় ৩০ দশমিক ৬ শতাংশ গুরুত্বপূর্ণ পদে নারীরা এখন রয়েছেন।
কেন্দ্রীয় প্রশাসনেও নারীদের উপস্থিতি বেড়েছে। বর্তমানে ৮১টি সচিব ও সচিব-সমমর্যাদার পদের মধ্যে ১৪টিতে নারী কর্মকর্তারা রয়েছেন। এছাড়া ৩৬১ জন অতিরিক্ত সচিবের মধ্যে ৭৩ জন, ১ হাজার ৫১ জন যুগ্ম সচিবের মধ্যে ২৪৯ জন, ১ হাজার ৬৪৩ জন উপসচিবের মধ্যে ৪০৪ জন এবং ৩ হাজার ৩৫০ জন সহকারী ও সিনিয়র সহকারী সচিবের মধ্যে ৯৮৬ জন নারী কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করছেন।
সহকারী সচিব থেকে সচিব পর্যন্ত ৬ হাজার ৩৩০টি পদের মধ্যে মোট ১ হাজার ৬৮৬ জন নারী রয়েছেন। নারীর হার দাঁড়িয়েছে ২৬.৬৪ শতাংশ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহ, ২৩ জুলাই, ২০২৬: জেলার হরিণাকুণ্ডুতে সাহেব আলী নামে একজন মাংস ব্যবসায়ীকে (কসাই) পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পশু জবাই এবং মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘনের কারণেই তাকে এ জরিমানা প্রদান করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কুলবাড়িয়া বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ফুলবাড়িয়া বাজারে প্রয়োজনীয় মেডিকেল সার্টিফিকেট কিংবা ভেটেরিনারি ছাড়পত্র ছাড়া পশু জবাই করে মাংস বিক্রি করছিলেন ওই ব্যবসায়ী।
খবর পেয়ে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) প্রদীপ্ত রায় দীপন ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
এ সময় ‘পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১’-এর সংশ্লিষ্ট ধারা লঙ্ঘনের কারণে সাহেব আলীকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযানকালে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা উজ্জ্বল কুমার কুণ্ডু উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রদীপ্ত রায় দীপন বাসসকে জানিয়েছেন, ভোক্তাদের নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যসম্মত মাংস ও খাদ্যপণ্য নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
পশু চিকিৎসকের ছাড়পত্র ছাড়া পশু জবাই ও মাংস বিক্রির বিরুদ্ধে প্রশাসনের এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ