ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ক্ষমতার জন্য বিএনপির পাশে থাকলেও জামায়াতের মনে আ. লীগের আকর্ষণ: রিজভী


ক্ষমতার জন্য বিএনপির পাশে থাকলেও জামায়াতের মনে আ. লীগের আকর্ষণ: রিজভী

ক্ষমতার জন্য বিএনপির সঙ্গেও থাকার কথা বললেও জামায়াতে ইসলামীর অন্তরে আওয়ামী লীগের প্রতি এক ধরনের আকর্ষণ রয়েছে, এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় প্রেসক্লাবে বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আফসার আহমদ সিদ্দিকীর ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রিজভী জামায়াতের আমিরের বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, "জামায়াতের আমির আজকেই বোধ হয় একটা কথা বলেছেন, যে বিএনপি ফ্যাসিস্টদের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। তা আমি তাকে বলতে চাই, ফ্যাসিস্টদের পথ কী? কোনটা পথ? একটা দৃষ্টান্ত দেখান।"

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তিনি আরও বলেন, "৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের সবকিছু মাফ করে দেওয়া কিংবা ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের কথা বিএনপির কোনো নেতা বলেননি। বিএনপির প্রধান নেতা তারেক রহমানও এমন কথা বলেননি। অথচ এখন বিএনপির বিরুদ্ধে ফ্যাসিস্টদের পথে হাঁটার অভিযোগ তোলা হচ্ছে।"

রিজভী বলেন, "বিএনপিকে জনগণ চেনে, বিএনপি যে প্রতিশ্রুতি দেয়, সেই প্রতিশ্রুতি থেকে বিন্দুমাত্র বিচ্যুত হয় না। কিন্তু আপনারা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সেই প্রতিশ্রুতি আপনারা ইসলামের নামে দিয়েছেন, আল্লাহর নামে দিয়েছেন। অনেক কথা বলছেন মানুষের মনকে জয় করার জন্য। কিন্তু পরক্ষণেই উল্টো কাজ করেছেন।"

তিনি উল্লেখ করেন, "আপনারা অতীতের যত কাজ, সে কাজগুলো কিন্তু আপনারা করেছেন শেখ হাসিনার পথ ধরেই।"

রিজভী বলেন, "বেগম খালেদা জিয়া এরশাদ সরকারকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে তার অধীনে নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ ও জামায়াতও এরশাদের অধীনে নির্বাচনে না যাওয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু পরে আওয়ামী লীগ সে অবস্থান থেকে সরে আসে এবং জামাতও সে অবস্থান থেকে সরে আসে। আপনারা (জামায়াত) তো প্রমাণ রেখেছেন ইতিহাসে। আপনারা হাসিনার পথে হাঁটতে সবচাইতে ভালোবাসেন। ক্ষমতার জন্য কখনো কখনো বিএনপির সঙ্গে জোট করার চেষ্টা করেন। কিন্তু মনের ভেতরে হাসিনার প্রদর্শিত পথেই আপনারা হাঁটেন।"

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

তিনি বলেন, "১৯৯৪-৯৫ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার আন্দোলনেও জামায়াত আওয়ামী লীগের সঙ্গে একই পথে হেঁটেছে। ইতিহাসের এসব উদাহরণ উপেক্ষা করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।"

বিএনপির এই নেতা বলেন, "বিএনপির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অসংখ্য নেতাকর্মীদের গুপ্তহত্যার আত্মদান, স্যাক্রিফাইস এবং ত্যাগের মধ্যে দিয়ে এই দল তৈরি হয়েছে। গণতন্ত্র হচ্ছে তার অভীষ্ট লক্ষ্য। গণতন্ত্র হচ্ছে তার আদর্শিক চেতনা।"

জামায়াতের উদ্দেশে রিজভী বলেন, "গণতন্ত্র ও দেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে দলটির আদর্শিক অবস্থান কী, তা নিয়ে জনগণের মধ্যে সন্দেহ রয়েছে। গণতান্ত্রিক আন্দোলনগুলোতে জামায়াতের অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।"

আফসার আহমেদ সিদ্দিকীর সঙ্গে নিজের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা তুলে ধরে রিজভী বলেন, "আফসার আহমেদকে বড় ভাই বলে ডাকলেও তাদের সম্পর্ক ছিল অনেকটা পিতা-পুত্রের মতো। তার সান্নিধ্য থেকে রাজনীতি বোঝার পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও অনেক কিছু শিখেছেন তিনি।"

আরও পড়ুন: সদরঘাটে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের আকস্মিক পরিদর্শন

সভায় বিএনপির নার্সেস ও স্বাস্থ্য সহকারী সহসম্পাদক জাহানারা সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক-বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, স্বাস্থ্য-বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম, যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন মামুনসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কানাডা বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য চার প্রতিষ্ঠানকে ৩৯০ কোটি টাকা দিচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৬ পি.এম


কানাডা বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য চার প্রতিষ্ঠানকে ৩৯০ কোটি টাকা দিচ্ছে

বাংলাদেশের কৃষি, বাণিজ্য, অর্থনৈতিক সংস্কার ও বেসরকারি খাতের উন্নয়নে চারটি নতুন উদ্যোগের জন্য কানাডা ৪ কোটি ৫০ লাখ কানাডিয়ান ডলার অনুদান ঘোষণা করেছে। এই অর্থ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৯০ কোটি টাকার সমান।

ঢাকার কানাডীয় হাইকমিশন রোববার (১৮ অক্টোবর) এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

হাইকমিশন জানায়, কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মাননীয় রণদীপ সারাই গত ১১ থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশ সফরের সময় বিশাল এই অনুদানের ঘোষণা দেন।

সফরের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে কানাডা ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা এবং দুই দেশের জনগণের জন্য উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা। সফরের সময় তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন উদ্যোগ, গবেষণা কার্যক্রম, দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তা এবং বেসরকারি খাতের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এর পাশাপাশি কানাডা ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করেন রণদীপ সারাই।

ঘোষিত নতুন অনুদানের মধ্যে বায়োএন্টারপ্রাইজ কানাডাকে ১ কোটি ৮০ লাখ কানাডিয়ান ডলার দেওয়া হবে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো কানাডার কৃষি খাতের উদ্ভাবকদের সঙ্গে বাংলাদেশের কৃষি ও খাদ্য খাতের সংযোগ স্থাপন করে খাদ্যনিরাপত্তা জোরদার করা। একই পরিমাণ অর্থ, অর্থাৎ ১ কোটি ৮০ লাখ কানাডিয়ান ডলার, কোওয়াটার ইন্টারন্যাশনালকে দেওয়া হবে। এই অর্থের মাধ্যমে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা সহজ করা, ব্যবসায়িক পরিবেশের উন্নয়ন এবং কানাডাসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রবেশের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এছাড়া, অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর সংস্কারে অগ্রাধিকারমূলক উদ্যোগ এগিয়ে নিতে বিশ্বব্যাংককে ৫০ লাখ কানাডিয়ান ডলার অনুদান দেওয়া হবে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থায়নের সুযোগ বাড়ানো এবং বেসরকারি খাতের বিকাশে সহায়তার জন্য আন্তর্জাতিক ফাইন্যান্স করপোরেশন বা আইএফসিকে ৪০ লাখ কানাডিয়ান ডলার দেওয়া হবে। এই চারটি উদ্যোগের মাধ্যমে কানাডা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকারের পাশাপাশি অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি, ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

সফরকালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিনের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রতিমন্ত্রী রণদীপ সারাই। বৈঠকগুলোতে কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, জ্বালানি ও জলবায়ু অর্থায়নে সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। রোহিঙ্গা সংকট এবং এর টেকসই সমাধানে বাংলাদেশ, কানাডা ও অন্যান্য অংশীদারের যৌথ প্রচেষ্টার গুরুত্ব নিয়েও উভয় পক্ষ মতবিনিময় করে।

বাংলাদেশ সফরের অংশ হিসেবে ঢাকার আশকোনায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণকেন্দ্র পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী সারাই। সেখানে তিনি দেখেন, কানাডার সহায়তায় তরুণ-তরুণীরা, বিশেষ করে নারীরা, কীভাবে বিভিন্ন দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে উন্নত কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করছেন। কানাডা, ব্র্যাক ও অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তর একটি উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কানাডা ৪ কোটি ৪০ লাখ কানাডিয়ান ডলার সহায়তা দিয়েছে, যা গত পাঁচ বছর ধরে বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।

ঢাকায় আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) হাসপাতাল পরিদর্শনকালে কানাডার সহায়তায় পরিচালিত গবেষণা কার্যক্রমের অবদান সম্পর্কে অবগত হন প্রতিমন্ত্রী সারাই। এসব গবেষণার মাধ্যমে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার সাশ্রয়ী ও জীবনরক্ষাকারী সমাধান তৈরি হচ্ছে, যা বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লাখো মানুষের জীবনকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করছে। এমনকি এসব উদ্ভাবনের সুফল কানাডাতেও পৌঁছেছে।

বর্তমানে আইসিডিডিআর,বির প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কানাডা ১ কোটি ৫০ লাখ কানাডিয়ান ডলার অনুদান দিয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়া কানাডাই একমাত্র দেশ, যারা প্রতিষ্ঠানটিকে এ ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রদান করে আসছে। যৌন ও প্রজননস্বাস্থ্যবিষয়ক বিভিন্ন সমস্যা ও ঘাটতি নিয়ে প্রয়োজনীয় গবেষণার জন্য আইসিডিডিআর,বিকে আরও ২ কোটি ৪০ লাখ কানাডিয়ান ডলার সহায়তা দিয়েছে কানাডা।

সফরের অংশ হিসেবে কক্সবাজারে গিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নিজ দেশ থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী। সেখানে তিনি রোহিঙ্গা শরণার্থী ও আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর জন্য কানাডার সহায়তায় পরিচালিত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে সরাসরি অবগত হন। ২০১৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত কানাডা ৬০ কোটি কানাডিয়ান ডলারেরও বেশি সহায়তা দিয়েছে, যা শিক্ষা, দক্ষতা প্রশিক্ষণ ও জীবিকার সুযোগ সম্প্রসারণে অবদান রাখছে।

কক্সবাজারে সফরকালে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন প্রতিমন্ত্রী। বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ, কানাডা ও আঞ্চলিক অংশীদারদের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। দীর্ঘস্থায়ী এ সংকট মোকাবিলায় যৌথ প্রচেষ্টা এবং শরণার্থী ও আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর জন্য সহায়তা অব্যাহত রাখার গুরুত্ব আলোচনায় উঠে আসে।

কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক ভুট্টা ও গম উন্নয়ন কেন্দ্রের (সিমিট) একটি প্রদর্শনী কেন্দ্রও পরিদর্শন করেন রণদীপ সারাই। সেখানে তিনি গবেষণাভিত্তিক কৃষি কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃষকরা কীভাবে ফসলের উৎপাদন বাড়াচ্ছেন, খাদ্যের চাহিদা পূরণে অবদান রাখছেন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করছেন, তা প্রত্যক্ষ করেন। বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষিকে কেন্দ্র করে নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে উদ্ভাবনী পদ্ধতি ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে সিমিট বায়োএন্টারপ্রাইজ কানাডার সঙ্গে কাজ করবে।

সফরের অংশ হিসেবে ঢাকায় গিলডান অ্যাকটিভওয়্যার বাংলাদেশ লিমিটেডও পরিদর্শন করেন সারাই। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে কানাডার বৃহত্তম বিনিয়োগকারী। বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এ পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক উঠে আসে। এ সময় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, বাংলাদেশে ব্যবসায়িক কার্যক্রমের প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার গুরুত্বও আলোচনায় স্থান পায়।

কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যসেবা, দক্ষতা উন্নয়ন, ব্যবসায়িক পরিবেশ এবং শরণার্থী সহায়তা, বিভিন্ন ক্ষেত্রে কানাডার সহযোগিতার কার্যক্রম বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে কানাডা এদেশে ৬৩০ কোটি কানাডিয়ান ডলারেরও বেশি উন্নয়ন সহায়তা দিয়েছে।

দু দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২০২৫ সালে ৪০০ কোটি কানাডিয়ান ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে গড়ে ওঠা বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার ধারাবাহিকতায় নতুন এ বিনিয়োগ ঘোষণা দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এর মাধ্যমে দুই দেশের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও সম্পদ কাজে লাগিয়ে যৌথভাবে নতুন সুযোগ সৃষ্টি এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে সহায়তার পাশাপাশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, বিনিয়োগকারী ও সাধারণ মানুষের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সফর শেষে কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী রণদীপ সারাই আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ২০২৬ সালের বার্ষিক সভায় অংশ নিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে যাত্রা করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৬ পি.এম


একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

ভাষা শহীদদের স্মরণে মাসব্যাপী অমর একুশে বইমেলা শুরু হবে ৭ জানুয়ারি।

রোববার (১৮ অক্টোবর) বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৩ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলা একাডেমির শহিদ মুনীর চৌধুরী সভাকক্ষে অমর একুশে বইমেলা ২০২৭ আয়োজনের বিষয়ে প্রকাশক-প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মত-বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। এসময় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম উপস্থিত ছিলেন।

সভায় প্রকাশক-প্রতিনিধিদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে আগামী ৭ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অমর একুশে বইমেলার সময় নির্ধারণ করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের পর্যটনে ১.২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৭ পি.এম


বাংলাদেশের পর্যটনে ১.২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপানের

জাপানি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুর ২টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের উন্নয়ন নিয়ে জাপানি বিনিয়োগকারী প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

মন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উল্লেখ করেন, ‘বাংলাদেশ বৈচিত্র্যময় পর্যটন সম্ভাবনার একটি দেশ। আমাদের এই ভূখণ্ডে রয়েছে প্রকৃতি, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অপূর্ব সমাহার। আমাদের রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন, বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার, সিলেটের চা-বাগান। বর্তমান সরকার দেশের পর্যটন খাতকে বিদেশী বিনিয়োগ স্বাগত জানাবে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘জাপান বাংলাদেশের পুরনো বন্ধু। আমাদের দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়নে জাপান সহযোগিতা করেছে। তাই পর্যটন খাতের বিকাশে জাপানি বিনিয়োগকারীগণের যেকোনো সহযোগিতায় সরকার সদা প্রস্তুত। বিদেশী বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সরকার উইন উইন সিচুয়েশনে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলে কাজ করতে চায়।’

জাপানি প্রতিনিধি জানান, জাপান বাংলাদেশে বিনিয়োগে আন্তরিক। তারা বাংলাদেশের পর্যটন খাতে একসঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।

এ সময় বিনিয়োগকারীগণের পক্ষ থেকে Tourism and Hospitality খাতে প্রাথমিকভাবে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দেয়া হয়।

মন্ত্রী ঘোষণার জবাবে বলেন, ‘বাংলাদেশে বিনিয়োগে জাপানি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহকে আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে স্বাগত জানাই। তাদের বিনিয়োগ প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে জমা হলে সরকার দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রতিনিধিদল বিনিয়োগকারীদের পর্যটন স্পট পরিদর্শনে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৮ পি.এম


ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার

শারদীয় দুর্গোৎসবের নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্‌যাপনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিয়া।

তিনি উল্লেখ করেছেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যেন নিজেদের নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন না এবং শতভাগ নিরাপদ বোধ করেন, সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিসর্জন সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য সবাইকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার ধামরাইয়ের মাধববাড়ি, যাত্রাবাড়ীসহ পৌরসভা এলাকার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা প্রশাসক মিজ্ ফরিদা খানম এবং পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন।

পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিনও বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি জানান, "আমাদের সম্মানিত মাননীয় বিভাগীয় কমিশনার সাহেব আমাদের হিন্দুধর্মাবলম্বী ভাইবোনদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন শারদীয় দুর্গাপূজা নিজ চোখে দেখতে এসেছেন, তাদের খোঁজখবর নিতে এসেছেন। এ জন্য ধামরাইবাসী, অর্থাৎ ঢাকাবাসীর পক্ষ থেকে আমি অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।"

তমিজ উদ্দিন আরও বলেন, "অতীতে কখনো দেখেছেন, এই মন্দিরের পুরোহিতদের জন্য কোনো সরকার কোনো কালে টাকা-পয়সা দিয়েছেন কিনা, সম্মান দিয়েছেন কিনা? আপনারা নিশ্চয়ই ইতোমধ্যে জানেন, আমাদের প্রিয় নেতা জনাব তারেক রহমান, বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, তিনি কিন্তু এই প্রণোদনা শুরু করেছেন। এটা কিন্তু ছোট কোনো বিষয় নয়। আপনারা জানেন কিনা জানি না, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাঝেমধ্যে আমাদের সঙ্গে বসার সুযোগ দেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো প্রধানমন্ত্রী এভাবে মাঝেমধ্যে সংসদ সদস্যদের নিয়ে বসেন না। তিনি কিন্তু আমাদের নিয়ে বসেন, সারা দেশের চিত্র আমাদের কাছ থেকে জানতে চান।"

তিনি আরও জানান, "তার সঙ্গে আলোচনার সময় আমরা ১১ তারিখে জেনেছি, হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্ট দুর্গাপূজার জন্য তার কাছে ৪ কোটি টাকা চেয়েছিল। তিনি ৬ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন। তো, এটা কি আপনাদের খবরে আসা উচিত নয়? এটা দয়া করে প্রচার করবেন। এখানেই শেষ নয়, আপনারা আরও পাবেন।"

ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিয়া বলেন, "শারদীয় দুর্গোৎসব সফল ও উৎসবমুখর করতে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ জন্য প্রশাসন, পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সবাই মাঠে তৎপর রয়েছেন। প্রশাসনের কর্মকর্তা ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা প্রতিটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করছেন। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া হিন্দু ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার সভা করা হয়েছে।"

তিনি আরও বলেন, "কোথাও গুজবের সৃষ্টি হলে সংশ্লিষ্ট পূজামণ্ডপের পক্ষ থেকে দ্রুত বিবৃতি দিয়ে তা প্রতিহত করার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে গুজব ছড়িয়ে না পড়ে। দুর্গোৎসব নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্‌যাপনে সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছে। কোনো অশুভ শক্তি যাতে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে এবং দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি বা দেশের ক্ষতি করতে না পারে, সে জন্য তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।"

মো. মনিরুজ্জামান মিয়া আরও জানান, "জনগণের জানমালের নিরাপত্তা সবার আগে। এ বিষয়টি মাথায় রেখেই নিরাপত্তাব্যবস্থা সাজানো হয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যেন কোনোভাবেই নিজেদের অনিরাপদ মনে না করেন এবং শতভাগ নিরাপদ বোধ করেন, সে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।"

বিসর্জনের সময় নিয়ে তিনি বলেন, "বিসর্জন সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সম্পন্ন করতে সবাইকে বলা হয়েছে। কারণ নদীতে বিসর্জন দিতে যাওয়ার সময় নৌকায় ঠেলাঠেলিসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এ ছাড়া বিসর্জনের দিন মাদক সেবন ও উচ্ছৃঙ্খল আচরণ রোধেও তৎপরতা রয়েছে। মাদকের অপব্যবহার রোধে আগে থেকেই বিভিন্ন স্থানে কার্যক্রম চলছে।"

ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, "সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের এই উৎসবে ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সব বাংলাদেশি অংশগ্রহণ করেন। এ উৎসবকে ঘিরে পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পূজামণ্ডপগুলোতে পুলিশের পিকেট, মোবাইল টিম ও কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) রয়েছে। পাশাপাশি সাদাপোশাকেও পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। নিরাপত্তার জন্য পুলিশের নেওয়া ব্যবস্থা যথেষ্ট বলে মনে করেন তিনি। হিন্দু ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনেরা নিরাপত্তার মধ্যেই তাঁদের প্রাণের উৎসব পালন করছেন।"

ডিআইজি আরও বলেন, "অনেক সময় গুজব সৃষ্টি করে উৎসবের নিরাপত্তা ও অন্যান্য কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটানো হয়। এ জন্য গুজবে কান না দিয়ে সঠিক তথ্য যাচাই-বাছাই করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে পুলিশ সতর্ক রয়েছে এবং দায়িত্ব পালন করবে।"

তিনি বলেন, "মা দুর্গার আবির্ভাবের উদ্দেশ্য অসুর বধ। এই বিষয়টি অন্তরে ধারণ করে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার জন্য অশুভ শক্তির যে তৎপরতা দেখা যাচ্ছে, তা প্রতিহত করতে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।"

ডিআইজি জানান, আইজিপির কার্যালয়ে এ বিষয়ে সভা হয়েছে। বিভাগীয় পর্যায়ে এবং জেলায় এসপি, ডিসি, ইউএনও ও ওসিরা সভায় অংশ নিয়েছেন। পুলিশের পাশাপাশি সিভিল প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারাও নিজস্ব টিম নিয়ে কাজ করছেন। ফলে নিরাপত্তার কোনো অভাব তিনি দেখছেন না। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গেও কথা বললে তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের অভাবের বিষয়টি জানা যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%