মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:১৫ পি.এম
ইসলামের ইতিহাসে মহান মনীষীদের অম্লান স্মৃতির আলো আজও পথভোলা মানুষকে সত্য ও সঠিক পথের দিশা দেখায়। এক অনন্য পুরুষ, কাদেরিয়া সুফি ধারার প্রতিষ্ঠাতা, প্রখ্যাত আলেম ও বড়পীর হজরত শেখ আবদুল কাদির জিলানি (রহ.)। বিশ্বজুড়ে সুফি অনুসারী ও ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের কাছে হিজরি রবিউস সানি মাসের এগারো তারিখটি ‘ফাতিহা-ই-ইয়াজদহম’ হিসেবে অত্যন্ত শ্রদ্ধাপূর্ণ ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালিত হয়ে আসছে। তবে আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং মহান এই অলি ও আলেমের বর্ণাঢ্য জীবন, সুন্নাহর অনুসরণ এবং দ্বীনি শিক্ষা গ্রহণ করাই এই দিবসের প্রকৃত উদ্দেশ্য।
‘ফাতিহা-ই-ইয়াজদহম’-এর ইতিহাস
শব্দগত দিক থেকে এটি ফারসি ভাষার দুটি শব্দের চমৎকার এক সমন্বয়। ‘ফাতিহা’-এর অর্থ দোয়া, মোনাজাত, জিয়ারত বা কোনো বুজুর্গের রুহের মাগফিরাত ও মর্যাদা কামনায় কুরআন তিলাওয়াত করে ইসালে সওয়াব করা। আর ‘ইয়াজদহম’- এটি একটি ফারসি সংখ্যাবাচক শব্দ, যার অর্থ ‘এগারো’। সুতরাং ফাতিহা-ই-ইয়াজদাহম বলতে এগারো-এর ফাতিহা শরিফকে বোঝায়। এই ফাতিহা-ই-ইয়াজদাহম শরিফ আবদুল কাদের জিলানী এর স্মরণে পালিত হয়।
হিজরি রবিউস সানি (বা রবিউল আখির) মাসের ১১তম দিনে আবদুল কাদির জিলানি (রহ.) ইন্তেকাল করেন। তাই প্রতি বছর এই বিশেষ দিনে তাঁর অম্লান স্মরণে আয়োজিত ইসালে সওয়াব ও মোনাজাতের মাহফিলকে ‘ফাতিহা-ই-ইয়াজদহম’ বলা হয়। সে হিসেবে এ বছর ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বুধবার যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে দিবসটি পালিত হবে।
আধ্যাত্মিক সাধক আবদুল কাদির জিলানি (রহ.) ৪৭০ হিজরিতে (১০৭৮ খ্রিষ্টাব্দে) ইরানের জিলান প্রদেশের কাস্পিয়ান সমুদ্রের তীরবর্তী মনোরম এক শহরে জন্ম নেন। পিতৃসূত্রে তিনি হজরত হাসান (রা.) এবং মাতৃসূত্রে হজরত হোসাইন (রা.)-এর বংশধর ছিলেন। বাল্যকালেই উচ্চতর জ্ঞানার্জনের অদম্য তৃষ্ণা নিয়ে তিনি তৎকালীন জ্ঞানের কেন্দ্রবিন্দু বাগদাদে গমন করেন। সেখানে শায়খ আবু জাকারিয়া তাবরিজি (রহ.)-সহ সময়ের সেরা আলেমদের সান্নিধ্যে থেকে তাফসির, হাদিস, ফিকহ ও আরবি সাহিত্যে গভীর পাণ্ডিত্য অর্জন করেন।
তিনি কেবল তত্ত্বীয় সুফিসাধকই ছিলেন না; একাধারে ইতিহাস, ভূগোল, দর্শন ও কাব্যে ছিলেন অগাধ পণ্ডিত। একই সাথে তিনি ছিলেন হাম্বলি ও শাফেয়ি মাজহাবের শীর্ষস্থানীয় ফকিহ।
আল্লাহ তাআলা তার অনুগত ও বুজুর্গ বান্দাদের মর্যাদা সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেছেন—
أَلَا إِنَّ أَوْلِيَاءَ اللَّهِ لَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ
‘জেনে রাখো, নিশ্চয়ই আল্লাহর অলি বা বন্ধুদের কোনো ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবেন না।’ (সুরা ইউনুস: আয়াত ৬২)
সুফি দর্শনে আবদুল কাদির জিলানির অবদান বাগদাদে আবদুল কাদির জিলানি (রহ.)-এর বয়ান ও রূহানি নসিহত শোনার জন্য হাজার হাজার ব্যাকুল মানুষের সমাগম হতো। তার সুগভীর জ্ঞান, হৃদয়স্পর্শী প্রজ্ঞা ও মোহাচ্ছন্ন কণ্ঠের দরসে মুগ্ধ হয়ে হাজার হাজার অমুসলিম স্বতঃস্ফূর্তভাবে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং অজস্র পথভ্রষ্ট মানুষ খুঁজে পান হিদায়েতের সরল পথ। এমনকি সুলতান নুরুদ্দিন জেনকি ও ক্রুসেডজয়ী গাজি সালাহউদ্দিন আইয়ুবির বিশেষ কয়েকজন উপদেষ্টা ও সেনাপতি সরাসরি তার দরসের ছাত্র ছিলেন।
কাদেরিয়া তরিকার প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে সমগ্র বিশ্বে তাসাউফের সুমহান দ্বীনি সংস্কারক হয়ে উঠেছিলেন তিনি। সুফি ধারায় পরম আধ্যাত্মিক উচ্চ মর্যাদার কারণে তাকে ‘গাউসুল আজম’ বা ‘বড়পীর’ নামে ডাকা হয়। তার কালজয়ী গ্রন্থাবলি— ‘গুনিয়াতুত তালিবিন’, ‘ফাতহুল গাইব’, ‘আল-ফাতহুর রাব্বানি’ ও ‘কাসিদায়ে গাউসিয়া’ আজও ইসলামি আলেম সমাজ ও আধ্যাত্মিক জ্ঞানপিপাসুদের পরম সম্পদ।
ফাতিহা-ই-ইয়াজদহম: উদযাপন ও শরয়ি বিধান হিজরি ৫৬১ সনের ১১ রবিউস সানি (১১৬৬ খ্রিষ্টাব্দের ২১ ফেব্রুয়ারি) মহান এই সুফিসাধক ইরাকের বাগদাদে ইন্তেকাল করেন, সেখানেই তার মাজার শরিফ অবস্থিত।
এ দিনটিতে মুসলিম সমাজ মূলত তার পবিত্র জীবন, নিষ্কলঙ্ক চরিত্র ও ইসলামি খেদমত নিয়ে আলোচনা করে। দরুদ পাঠ, দান-সদকা ও কুরআন পাঠের মাধ্যমে তার রুহের মাগফিরাত ও মর্যাদা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ইসালে সওয়াব করা হয়। মৃত ব্যক্তির জন্য ভালো কাজ ও সওয়াব পৌঁছানো প্রসঙ্গে হাদিস শরিফে রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন—
إِذَا مَاتَ الإِنْسَانُ انْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُهُ إِلاَّ مِنْ ثَلاَثَةٍ: إِلاَّ مِنْ صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ، أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهِ، أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهُ
‘মানুষ যখন মৃত্যুবরণ করে, তখন তার তিনটি আমল ব্যতীত বাকি সব আমলের পথ বন্ধ হয়ে যায়—১. সদকায়ে জারিয়া, ২. এমন জ্ঞান যার দ্বারা মানুষ উপকৃত হয়, এবং ৩. এমন নেক সন্তান যে তার জন্য দোয়া করে।’ (মুসলিম ৪২০৫)
তবে ওলামায়ে কেরামের মতে, এ দিনকে কেন্দ্র করে লাইটিং, আলোকসজ্জা, খামখেয়ালি বা অপ্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতায় মেতে ওঠা ইসলামে অনুমোদন নেই। কোনো বিশেষ স্থান সাজানো বা বাহ্যিক আড়ম্বর নয়; বরং তার সুন্নাহভিত্তিক শিক্ষাকে জীবনের পাথেয় বানানোই এ দিনের প্রকৃত দাবি।
বড়পীর হজরত আবদুল কাদির জিলানি (রহ.) ছিলেন সততা, আমানতদারিতা ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণের এক অনন্য বাতিঘর। ‘ফাতিহা-ই-ইয়াজদহম’ পালনের আসল বার্তাটি কেবল বছরের একটি নির্দিষ্ট দিনে মিলাদ বা দোয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং তার মতো চারিত্রিক মাধুর্য গড়ে তোলা, সত্য কথা বলা এবং আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর সুন্নাহর প্রতি একনিষ্ঠ থেকে জীবন পরিচালনা করার মাঝেই নিহিত রয়েছে এই দিবসের প্রকৃত শিক্ষা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সারা দেশে ডেঙ্গু রোগে ৫ জনের মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১,৮৭২ জন রোগী।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে দেশে ডেঙ্গুতে মোট ১৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালগুলিতে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৬৫,৪৯৯ জন।
রাজশাহী বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় দুজন এবং ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকা ও বরিশাল বিভাগে একজন করে ডেঙ্গু রোগে মারা গেছেন। মৃতদের মধ্যে তিনজন পুরুষ এবং দুজন নারী রয়েছেন।
এর আগে, ১৬ সেপ্টেম্বর এক হাজার ৭৫৩ জন, ১৫ সেপ্টেম্বর এক হাজার ৫৯৩ জন এবং ৮ সেপ্টেম্বর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন এক হাজার ৫৭১ জন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাধারণ এক রক্ষণশীল পরিবারের সন্তান হিসেবে শুরু করে আধুনিক তুরস্কের সর্বাধিক প্রভাবশালী নেতা হয়ে ওঠার গল্প—রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের জীবনযাত্রা যেন এক নাটকীয় ইতিহাসের প্রতিফলন।
চড়াই-উতরাই ও নানা বাধার প্রাচীর অতিক্রম করে তিনি কিভাবে আজকের ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছালেন, তা এই প্রতিবেদনে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হবে।
সংগ্রামী শৈশব থেকে রাজনীতিতে পদার্পণ
ইস্তাম্বুলের কাসিমপাসা এলাকায় এক দরিদ্র পরিবারে বেড়ে ওঠেন এরদোগান। ছাত্রজীবনে সংসার চালানোর জন্য রাস্তায় রুটি ও লেবুর শরবত বিক্রি করতেন এবং নিয়মিত ফুটবল খেলতেন। এই সময়েই ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ১৯৭০-এর দশকে ইসলামপন্থী রাজনীতির যুব শাখায় যোগ দিয়ে তিনি রাজনীতিতে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন।
ইস্তাম্বুলের সফল মেয়র ও প্রথম চমক
১৯৯৪ সালে ওয়েলফেয়ার পার্টির ব্যানারে ইস্তাম্বুলের মেয়র নির্বাচিত হয়ে তিনি সবাইকে চমকে দেন। মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি ইস্তাম্বুলের তীব্র পানি সংকট সমাধান, শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক সংস্কারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা তৈরি করেন।
বিতর্কিত কবিতা, কারাবরণ ও রাজনৈতিক মোড়
১৯৯৭ সালে এক জনসভায় একটি রাজনৈতিক ধর্মীয় কবিতা আবৃত্তি করার কারণে তুর্কি প্রশাসনের বিরোধিতার সম্মুখীন হন তিনি। ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে ১৯৯৮ সালে মেয়রের পদ হারানোর পাশাপাশি চার মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। তবে এই কারাবরণ তাকে দমানোর পরিবর্তে সাধারণ মানুষের চোখে এক আপসহীন নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
একে পার্টি গঠন ও ২০০২ সালের ঐতিহাসিক জয়
জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর কট্টর ইসলামপন্থী ধারা থেকে সরে এসে ২০০১ সালে তুলনামূলক মধ্যপন্থী ‘জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি’ গঠন করেন এরদোগান। ২০০২ সালের নির্বাচনে বিপুল জনসমর্থন অর্জন করে তার দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে এবং ২০০৩ সালে তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
অর্থনৈতিক পরিবর্তন ও সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম দশকে তিনি তুরস্কের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে চাঙ্গা করেন, বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি করেন এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করে আমূল পরিবর্তন আনেন। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে তিনি দেশটির প্রথম সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হন এবং সংবিধান পরিবর্তন করে সব ক্ষমতা নিজের হাতে কেন্দ্রীভূত করেন।
সূত্র: ব্রিটানিকা, বিবিসি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ওয়ানডে ক্রিকেট, যা একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নামে পরিচিত, ক্রিকেট খেলার একটি সীমিত সংস্করণ। দর্শকদের কাছে ক্রিকেটকে আকর্ষণীয় করে তোলার উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) প্রথমবারের মতো এই উদ্যোগ গ্রহণ করে। ১৯৭১ সালের ৫ জানুয়ারি অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মধ্যে প্রথম আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।
শুরুর সময় থেকেই ওয়ানডে ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। সেই জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে ১৯৭৫ সাল থেকে ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরু হয়। প্রতি চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত হওয়া এই বিশ্বকাপ এখন ক্রিকেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় টুর্নামেন্টে পরিণত হয়েছে।
তবে, ওয়ানডে ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি করা একসময় ছিল একটি স্বপ্ন। ভারতীয় কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন। শচীনের দেখানো পথ অনুসরণ করে ওয়ানডে ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন ভারত, নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান, শ্রীলংকা ও অস্ট্রেলিয়ার ৯ জন তারকা ব্যাটসম্যান।
তবে, ওয়ানডেতে রেকর্ড ৩টি ডাবল সেঞ্চুরি করার পাশাপাশি সর্বোচ্চ ২৪৬ রানের ইনিংস খেলে ইতিহাসের অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছেন ‘হিটম্যান’ খ্যাত ভারতীয় সাবেক অধিনায়ক রোহিত শর্মা।
রোহিত ২০২৪ সালের ১৩ নভেম্বর কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ইডেন গার্ডেন্সে শ্রীলংকার বিপক্ষে মাত্র ১৭৩ বল মোকাবেলা করে রেকর্ড ৩৩টি চার এবং ৯টি ছক্কার সাহায্যে খেলেন ২৬৪ রানের ঝলমলে ইনিংস। এই ইনিংসটি আজও ক্রিকেট ইতিহাসের ব্যক্তিগত সেরা ইনিংসের স্থান দখল করে আছে।
এই তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক তারকা ক্রিকেটার মার্টিন গাপটিল। তিনি ২০১৫ সালের ২১ মার্চ ওয়েলিংটনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১৬৩ বলে ২৪টি চার এবং ১১টি ছক্কার সাহায্যে খেলেন ২৩৭* রানের অনবদ্য একটি ইনিংস।
ওয়ানডে ক্রিকেটে ব্যক্তিগত তৃতীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি খেলেন ভারতীয় সাবেক তারকা ওপেনার বীরেন্দ্র শেহবাগ। তিনি ২০১১ সালের ৮ ডিসেম্বর ইন্দোরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১৪৯ বলে ২৫টি চার এবং ৭টি ছক্কার সাহায্যে খেলেন ২১৯ রানের ইনিংস।
এই তালিকার চতুর্থ স্থানে আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক অধিনায়ক ও তারকা ক্রিকেটার ক্রিস গেইল। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে ‘ইউনিভার্স বস’ হিসেবে পরিচিত এই তারকা ক্রিকেটার ২০১৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ক্যানবেরায় ১৪৭ বলে ১০টি চার এবং রেকর্ড ১৬টি ছক্কার সাহায্যে খেলেন ২১৫ রানের ইনিংস।
পঞ্চম স্থানে রয়েছেন পাকিস্তান, শ্রীলংকা ও ভারতের তিন তারকা ওপেনার ফখর জামান, পাথুম নিশাঙ্কা এবং ইশান কিশান। ফখর জামান ২০১৮ সালের ২০ জুলাই বুলাওয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৫৬ বলে ২৪টি চার এবং ৫টি ছক্কার সাহায্যে খেলেন ২১০* রানের ইনিংস।
২০২৪ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি পাল্লেকেল্লে স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১৩৯ বলে ২০টি চার এবং ৮টি ছক্কার সাহায্যে ২১০* রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন লংকান তারকা ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা।
২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৩১ বলে ২৪টি চার এবং ১০টি ছক্কার সাহায্যে ২১০ রান করেন ভারতীয় ওপেনার ইশান কিশান।
এছাড়া ভারতীয় তারকা ওপেনার শুভমান গিল (২০৮) এবং অস্ট্রেলিয়ান তারকা গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (২০১*) ওয়ানডে ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে অনুষ্ঠিত হয়েছে “জুলাই বিপ্লবের প্রেক্ষাপট ও ফ্যাসিবাদ বিরোধী” আলোচনা সভা, যা তারুণ্যের উৎসবের অংশ। গতকাল মঙ্গলবার, বেলা ১১ টায়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্যোগে বিক্রমপুর আদর্শ কলেজ মিলনায়তনে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিক্রমপুর কুঞ্জবিহারী সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ ড. রসময় কির্ত্তনীয়া। সভাপতিত্ব করেন বিক্রমপুর আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ অরুণ চন্দ্র কির্ত্তনীয়া। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সাবেক অধ্যক্ষ আ: জলিল, উপাধ্যক্ষ মোখলেসুর রহমান, প্রতিষ্ঠান প্রধান পরিষদের সভাপতি ও কুসুমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মাহবুবুর রহমান, একাডেমিক সুপারভাইজার এম এ মালেক, শহীদ সমূদ্রের মা মাসুদা জামান, জুলাই আন্দোলনের সমন্বয়ক এডভোকেট মারুফ হাসান মন্টি, ছাত্র সমন্বয়ক রাইম হোসেন, রাব্বি প্রমুখ।
বক্তারা ফ্যাসিবাদের কারণ, আন্দোলনের ভয়াবহতা, ছাত্র-জনতার ভূমিকা, বৈষম্যের স্বরূপ এবং আগামীর বাংলাদেশ নির্মাণে করণীয় সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। সভার শুরুতে জুলাই শহীদ ও আন্দোলনে আহতদের স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ