মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫১ পি.এম
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রকে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে তরুণ ও নতুনদের নিয়ে গঠিত এই ব্যবস্থাকে সহায়তা প্রদান করবে ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ), এবং আইনপ্রণেতাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা জোরদার করবে।
আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সফররত আইপিইউ মহাসচিব অ্যান্ডা ফিলিপের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
শামা ওবায়েদ বলেন, ‘আইপিইউ বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে আরো শক্তিশালী করতে কাজ করবে এবং তাদের সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী।’
তিনি জানান, আইপিইউ প্রতিনিধিদল বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। তারা সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্য এবং নারী সংসদ সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আইপিইউ নতুন সংসদকে ইতিবাচকভাবে দেখছে। বিশেষ করে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক তরুণ এবং প্রথমবারের মতো নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের উপস্থিতি তাদের সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
তিনি বলেন, ‘অনেক সংসদ সদস্য প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন এবং তারা তুলনামূলকভাবে তরুণ। সংসদে তরুণদের প্রতিনিধিত্বও বেশি। তারা বিষয়টিকে খুবই ইতিবাচকভাবে দেখছেন।’
শামা ওবায়েদ জানান, আইপিইউ মহাসচিবের সঙ্গে আলোচনা চলাকালীন বাংলাদেশি আইনপ্রণেতাদের দক্ষতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিশ্বজুড়ে অন্যান্য সংসদ সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
জেনেভায় আয়োজিত প্রশিক্ষণসহ আইপিইউ-এর বিভিন্ন সক্ষমতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত কর্মসূচিতে বাংলাদেশি সংসদ সদস্যদের আরো বেশি অংশগ্রহণে বাংলাদেশ আগ্রহী বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বৈঠকে উভয় পক্ষ গণতন্ত্র, মানবাধিকার, শান্তি ও স্থিতিশীলতা, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি), নারী ক্ষমতায়ন, লিঙ্গ সমতা এবং জলবায়ু সহনশীলতা নিয়ে আলোচনা করেছে। শামা এসব বিষয়কে বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে আমি আইপিইউ-এর সঙ্গে আরো নিবিড়ভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছি।’
আগামী মাসে তানজানিয়ায় আইপিইউ-এর একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে বাংলাদেশের স্পিকার এবং সংসদ সদস্যরা অংশগ্রহণ করবেন বলে তিনি জানান।
রোববার রাতে ঢাকায় পৌঁছান ফিলিপ। ২ সেপ্টেম্বর তার বাংলাদেশ ত্যাগ করার কথা রয়েছে।
সফরকালে আইপিইউ মহাসচিব বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ পরিদর্শন করেন এবং সংসদ সদস্যদের সঙ্গে পারস্পরিক মতবিনিময় করেন।
এছাড়া তিনি শেরেবাংলা নগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং এর পেছনের ঘটনাবলি সংক্রান্ত বিভিন্ন আলোকচিত্র, দলিলপত্র ও স্মৃতিচিহ্ন ঘুরে দেখেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম মন্তব্য করেছেন যে, মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গরের বাংলাদেশে আরো বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে করা বক্তব্যটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পূর্বে সম্পাদিত উড়োজাহাজ ক্রয় চুক্তির সাথে সম্পর্কিত হতে পারে।
আজ সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সামনে তিনি উল্লেখ করেন, ‘বোয়িংয়ের কাছ থেকে উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে তার মন্তব্য আগের চুক্তির বিষয়ে হয়ে থাকতে পারে।’
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত এবং ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের জন্য ‘বিলিয়ন ডলারের’ ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি সংবলিত ‘আরেকটি অবিশ্বাস্য চুক্তি’ করেছেন, যা আরো বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার জন্য।
গর আরো দাবি করেন যে, বাংলাদেশ তাদের প্রাথমিক বোয়িং উড়োজাহাজ ক্রয়ের আদেশ ‘উল্লেখযোগ্যভাবে’ বাড়াবে। তার এই মন্তব্যের পর বাংলাদেশ সরকার যুক্তরাষ্ট্র বা বোয়িংয়ের সঙ্গে নতুন কোনো উড়োজাহাজ ক্রয় চুক্তি করেছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে।
বহর সম্প্রসারণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স গত ৩০ এপ্রিল ঢাকায় মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার জন্য একটি চুক্তি সই করে।
এই চুক্তির আওতায় আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দু’টি ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স উড়োজাহাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় পরবর্তীতে জানায় যে, ১৪টি উড়োজাহাজের ওই চুক্তির বাইরে বোয়িংয়ের সঙ্গে আলাদা কোনো উড়োজাহাজ ক্রয় চুক্তি হয়নি।
এর আগে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছিলেন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতার বিষয়গুলো বাংলাদেশ জাতীয় স্বার্থের দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা হবে।
তিনি আরো বলেন, দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের দৃশ্যমানতা ও প্রভাব বাড়ানোর পাশাপাশি সরকার শক্ত অবস্থান থেকে তার বৈদেশিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ভারতের নয়াদিল্লির ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের (এনডিসি) ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ‘স্ট্র্যাটেজিক নেবারহুড স্টাডি ট্যুর’-এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সফর করছে। এ সফরের লক্ষ্য বাংলাদেশের বেসামরিক ও সামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে মতবিনিময় এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ানো।
ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিনিধিদলে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী ও বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বন্ধুত্বপূর্ণ কয়েকটি দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরাও রয়েছেন।
গত ৩০ আগস্ট বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর প্রতিনিধিদলটি ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে মতবিনিময় করে।
সফরকালে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী প্রতিনিধিদলটিকে আতিথেয়তা প্রদান করবে। এ সময় তারা বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
ভারতীয় হাইকমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের ‘স্ট্র্যাটেজিক নেবারহুড স্টাডি ট্যুর’-এর অংশ হিসেবে এ সফরের আয়োজন করা হয়েছে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে আঞ্চলিক কৌশলগত, নিরাপত্তা ও দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয়ে সরাসরি ধারণা লাভের সুযোগ পান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ফেনীর ফুলগাজী উপজেলায় আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচিত উপকারভোগীদের মধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ করা হবে। সমাজসেবা অধিদপ্তর একটি পাঁচ সদস্যের তদারকি টিম গঠন করেছে যাতে এ কার্যক্রম সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করা যায়।
রোববার প্রকাশিত সমাজসেবা অধিদপ্তরের এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মোশাররফ হোসেনের স্বাক্ষরিত আদেশে এই বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
আদেশ অনুযায়ী, ১৭ সেপ্টেম্বর ফুলগাজী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে নির্বাচিত উপকারভোগীদের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। সমাজসেবা অধিদপ্তরের পাঁচ কর্মকর্তাকে এ কার্যক্রমের সার্বিক তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
তদারকি টিমের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন- সমাজসেবা অধিদপ্তর, ঢাকার উপ-পরিচালক হাসান মাসুদ, সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রেদওয়ান হোসেন, সহকারী পরিচালক মো. ইকবাল হোসেন, সমাজসেবা অফিসার মো. রায়হান কবীর এবং সমাজসেবা অফিসার পলাশ হোসাইন।
অফিস আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, তদারকি টিম ১ সেপ্টেম্বর তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণের সার্বিক দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি, বাড়ি-বাড়ি গিয়ে উপকারভোগীদের তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম মনিটরিং করবে।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় প্রকৃত ও নির্বাচিত উপকারভোগীদের কাছে সুবিধা পৌঁছে দেওয়া এবং মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই এ তদারকি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় একটি দিনব্যাপী বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প এবং ওষুধ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় আয়োজিত এই মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
ক্যাম্পে সকাল থেকেই বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে আসেন। বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চিকিৎসা পরামর্শ এবং ব্যবস্থাপত্র প্রদান করেন। মেডিসিন, হৃদরোগ, চর্ম ও যৌন এবং চক্ষুসহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি রোগীদের প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, "বিএনপি সব সময় জনগণের সুখে-দুঃখে পাশে ছিল এবং আছে। দেশের যেকোনো ক্রান্তিলগ্নে ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে দলের নেতাকর্মীরা সামনের সারিতে থেকেছেন। ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন বিএনপির সামাজিক ও মানবিক অঙ্গীকারের ধারাবাহিকতার অংশ।"
তিনি আরও বলেন, "বর্তমান বাস্তবতায় দেশের স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া বিএনপির অন্যতম অগ্রাধিকার।"
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ, মহাসচিব অধ্যাপক ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল, ডা. পারভেজ রেজা কাকনসহ ড্যাবের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসক, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং স্বেচ্ছাসেবীরা উপস্থিত ছিলেন।
দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে শত শত দুস্থ, সুবিধাবঞ্চিত ও সাধারণ মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়।
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে সুবিধাবঞ্চিত ও নিম্নআয়ের মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এই মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ