ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নাটোরে ১১শ’ কৃষকের মাঝে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ কার্যক্রম


নাটোরে ১১শ’ কৃষকের মাঝে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ কার্যক্রম

জেলার নলডাঙ্গা উপজেলায় কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ১১শ’ কৃষককে গ্রীষ্মকালীন শাকসব্জির বীজ এবং রাসায়নিক সার প্রদান করা হয়েছে।

আজ রোববার দুপুরে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে এই প্রণোদনার উপকরণগুলো হস্তান্তর করা হয়।

নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আল এমরান খাঁনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নাটোর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. হাবিবুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

উপজেলা কৃষি অফিসার সবুজ আলী জানান, প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় প্রত্যেক কৃষকের জন্য মিষ্টি কুমড়া, চাল কুমড়া, বেগুন, লাউসহ সাত প্রকার শাকসব্জির ৩০০ গ্রাম করে বীজ এবং ১৫ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার প্রদান করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতীয় নাট্যাঙ্গনে মঞ্চভাবনায় বিপ্লব এনেছেন যিনি তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০৬ পি.এম


ভারতীয় নাট্যাঙ্গনে মঞ্চভাবনায় বিপ্লব এনেছেন যিনি তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন

৯২ বছর বয়সে ভারতীয় থিয়েটারের কিংবদন্তি বিজয়া মেহতা চলে গেলেন। গত সপ্তাহে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এই গুণী শিল্পীকে মনে রাখবে মানুষ তার যুগান্তকারী নাট্যপ্রয়াসের জন্য, যা ভারতীয় নাট্যাঙ্গনের গতিপথ পরিবর্তন করেছিল।

গত শতকের ষাট এবং সত্তরের দশকে মারাঠি থিয়েটারকে আধুনিক রূপ দেওয়ার প্রধান কারিগর হিসেবে তাকে বিবেচনা করা হয়। পারফরমিং আর্টসের দুনিয়ায় বিজয়া মেহতা একটি প্রভাবশালী নাম।

নাটক এবং চলচ্চিত্র পরিচালনা ও অভিনয়ের জন্য তিনি সমধিক পরিচিত ছিল। নানা পাটেকর ও অনুপম খেরের মতো বলিউডের বহু জনপ্রিয় অভিনেতার গুরু হিসেবে তিনি পরিচিত ছিলেন। শিল্পকলায় অসামান্য অবদানের জন্য প্রচুর পুরস্কারে তিনি ভূষিত হয়েছেন। এর মধ্যে অভিনয় ও পরিচালনার জন্য রয়েছে একাধিক ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’ এবং আধুনিক ভারতীয় থিয়েটারে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভারত সরকারের প্রদত্ত ‘পদ্মশ্রী’ পুরস্কার।

যদিও মারাঠি থিয়েটারের জড়িয়ে থাকার কারণে বিজয়া মেহতার জন্ম ১৯৩৪ সালে বর্তমান গুজরাট রাজ্যের ভাদোদরায়। সংস্কৃতিমনা পরিবারে জন্ম হওয়ার জন্য মূলধারার বাণিজ্যিক সিনেমায় ক্যারিয়ার গড়া তার জন্য সহজ ছিল, কিন্তু নাটকের জগৎ তিনি বেছে নেন।

পারফর্মিং আর্টসের দুনিয়ায় ভারতীয় থিয়েটার একটি জায়গা যেখানে গ্ল্যামার কখনই নেই। তবে বিজয়া মেহতার কাছে এর গুরুত্ব ছিল না। কলেজের জীবনে এক অধ্যাপকের অনুপ্রেরণায় মারাঠি নাটকে অভিনয় শুরু করেন তিনি।

পরে আধুনিক ভারতীয় থিয়েটারের পথপ্রদর্শক ইব্রাহিম আলকাজি এবং আদি মারজবানের কাছে প্রশিক্ষণ নেন। গুরুদের সেই কাজের চেতনা তিনি নিজস্ব কাজের মধ্যে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলতেন।

মহারাষ্ট্রের নাট্যপ্রেমীদের কাছে, বিজয়া এমন একজন নারী যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে কেন্দ্র করে মারাঠি থিয়েটারকে নতুন একটি রূপ দিয়েছে। এই পরিবর্তন মধ্যবিত্ত মারাঠি দর্শকদের হৃদয়ে গভীরভাবে দাগ কেটেছে। কারণ তারা অবশেষে মঞ্চে নিজেদের জীবনের প্রতিফলন দেখতে পেয়েছিলেন। তার নাটকে চিত্রিত হতো মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের জটিলতা, যা দর্শক সহজেই নিজেদের মধ্যে খুঁজে পেতেন।

১৯৬০ সালে বিজয়া মেহতা যৌথভাবে নাট্যদল ‘রঙ্গায়ন’ প্রতিষ্ঠা করেন। ওই বছর ‘বোম্বে পুনর্গঠন আইন’-এর মাধ্যমে বোম্বে রাজ্যের ভেঙে গুজরাট এবং মারাঠি রাজ্যের অনুপ্রেরণা হয়। ‘রঙ্গায়ন’ নাট্যদলটির হাত ধরে মারাঠি থিয়েটারের সাহসী নাটক মঞ্চস্থ হয়, পাশাপাশি একটি নতুন প্রতিভাবান অভিনেতা ও লেখকের একটি দলের সৃষ্টি হয়।

বিখ্যাত নাট্যকার মহেশ এলকুঞ্চওয়ার ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ পত্রিকায় লিখেছেন, ''আমি যখন ‘বাই’ (মারাঠি ভাষায় ফেব্রুয়ারির কাহিনী বা আপাকে এই নামে ডাকা হতো) এর সঙ্গে হাত মেলালাম, তখন বুঝলাম আমার আসল ঠিকানা খুঁজে পেলাম। বিনোদন দেয়ার লক্ষ্য ছিল না; নাম বা যশ আমাদের চিন্তাধারায় ছিল না। আমরা কাজের মাধ্যমে থিয়েটার, শিল্প এবং জীবনকে অন্বেষণ করতে চেয়েছিলাম।''

বিজয়া মেহতা বহু মানুষকে থিয়েটারে আসার জন্য অনুপ্রাণিত করেছেন। তাদের একজন হলেন গায়ক ও লেখক স্বানন্দ কিরকিরে। তিনি জানিয়েছেন, বিজয়া মেহতার একটি কর্মশালা তাকে মঞ্চের প্রতি আকৃষ্ট করেছিল। এক্স পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘সেখানকার পরিবেশ এতই সুন্দর ছিল যে, সেখানেই স্থায়ী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।’

বিজয়া মেহতা মারাঠি দর্শকদের পরিচিত করেছেন সংস্কৃত ক্লাসিকের সঙ্গে। একই সঙ্গে বিজয় তেন্ডুলকরের নাটক এবং বার্টোল্ট ব্রেখট ও আন্তন চেখভের কাজের রূপান্তর তার হাত দিয়ে মঞ্চে এসেছিল।

যদিও তার পরীক্ষামূলক কাজগুলো থিয়েটারেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবেও প্রসিদ্ধ হয়েছেন। তিনি পরিচালিত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘রাও সাহেব’ (১৯৮৫), যা ১৯ শতকের মহারাষ্ট্রের সংস্কারবাদী আইনজীবীর জীবন নিয়ে নির্মিত, এবং ‘পেস্টনজি’ (১৯৮৮), যা মুম্বাইয়ের তিন জন পার্সির প্রেম, পরকীয়া ও বন্ধুত্বের কাহিনী নিয়ে নির্মিত হয়েছে।

প্রবীণ অভিনেতা অনুপম খের ‘রাও সাহেব’ চলচ্চিত্রে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা মনে করে এক্স পোস্টে লিখেছেন, ‘ততদিনে আমি কয়েকটি সিনেমা করে ফেলেছিলাম এবং ভাবছিলাম অভিনয় সম্পর্কে আমার কিছুটা ধারণা আছে। কিন্তু তার সঙ্গে প্রতিটি রিহার্সাল আমাকে মনে করিয়ে দিত যে, এই শিল্পের সমুদ্র আসলে কত বিশাল! মানুষের আচরণ নিয়ে তার জ্ঞান এবং অসাধারণ সংবেদনশীলতার সামনে আমি আনন্দের সঙ্গে আবারও একজন ছাত্র বনে গিয়েছিলাম।’

বিজয়া মেহতা একটি দশকেরও বেশি সময় মুম্বাইয়ের ‘ন্যাশনাল সেন্টার ফর দ্য পারফর্মিং আর্টসের’ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। কর্মজীবনে তিনি ভারতের শীর্ষ নাট্যকার ও অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করেছেন, পাশাপাশি পিটার ব্রুক, ইউজেনিও বার্বা এবং রিচার্ড শেখনারের মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নাট্য ব্যক্তিত্বের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন।

এ কারণে বলা হচ্ছে, তার প্রয়াণে ভারতীয় নাট্যজগতে যে শূন্যতা তৈরি হলো, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। অভিনেত্রী সোনালী কুলকার্নি বলেন, ‘আমার মতো অসংখ্য অভিনেতা ও থিয়েটারকর্মী বিজয়া মেহতার কাছে এমন এক ঋণে আবদ্ধ, যা কখনো শোধ করা যাবে না।’

শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ''আপনার চলে যাওয়া আমাদের ‘ক্ষতি’ - এটুকু বলা হবে খুবই সামান্য। এতে আপনার অবদানকে ছোট করা হবে। থিয়েটারকে যে প্রাচুর্য আর সমৃদ্ধি আপনি দিয়েছেন, তার প্রতিদান আমরা দিতে পারব না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে যুবক হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১০ পি.এম


বরিশালে যুবক হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত আটক

বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে শেষ পর্যন্ত মাহবুব আলম বাবু রাড়ী (২৯) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় যে প্রধান অভিযুক্ত, তিনি হলেন মো. বজলুর রশিদ বয়াতী (৩৮)। র‍্যাব তাকে গ্রেফতার করেছে।

রোববার (৫ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-৮ বরিশালের মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান। উল্লেখ্য, এর আগে র‍্যাব-৮ ও র‍্যাব-১০-এর সদর কোম্পানির যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধরা পড়ার সময় বজলুর রশিদ বয়াতী ঢাকা মহানগরীর গেন্ডারিয়া থানার হরিচরণ রায় সড়ক এলাকায় অবস্থান করছিলেন।

গ্রেফতার হওয়া বজলুর রশিদ বয়াতী মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার সাদেকপুর এলাকার আব্দুর রাজ্জাক বয়াতীর ছেলে। অপরদিকে, নিহত মাহবুব আলম বাবু রাড়ী মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের সাদেকপুর গ্রামের দুলাল রাড়ীর ছেলে।

র‍্যাব ও মামলার বিবরণ অনুযায়ী, জমিজমার বিরোধের কারণে গত ১৮ জুন সকালবেলা পশ্চিম সাদেকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে খুবই বড় ধরনের একটি ঘটনায় বজলুর রশিদ বয়াতী এবং তার সহযোগীরা মাহবুবের ভোগদখলের জমিতে দোকানঘর নির্মাণে বাধা দেয়। এর ফলশ্রুতিতে গত ২৩ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ চুনারচর ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আক্তার পোদ্দারের দোকানের সামনে এই অভিযুক্তরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অবস্থান নেওয়ার ব্যবস্থা করে। একপর্যায়ে বজলুর রশিদ বয়াতীসহ অন্যান্যরা মাহবুব আলম বাবু রাড়ীর ওপর অতর্কিতভাবে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে তাকে মারধর করে গুরুতরভাবে আহত করে।

মাহবুবের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ও তার স্বজনরা দ্রুত ছুটে এসে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন, কিন্তু হামলাকারীরা তখন সেখানে থেকে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় মাহবুবকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, তবে পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৪ জুন ভোর সোয়া ৬টার দিকে ডাক্তাররা মাহবুব আলম বাবু রাড়ীকে মৃত ঘোষণা করেন। এই সময়, নিহতের মাও পরবর্তীতে মেহেন্দিগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর জড়িতদের গ্রেপ্তারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে এবং অভিযান শুরু হয়।

র‍্যাব জানিয়েছে, প্রধান অভিযুক্ত বজলুর রশিদ বয়াতীকে গ্রেফতারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এই মামলার অপর আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে (৫৩) তাও নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে পুলিশ আগেই গ্রেফতার করেছিল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে পাচার হওয়া ৫০ বাংলাদেশিকে ট্রাভেল পারমিটে ফেরত পাঠালো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৪ পি.এম


ভারতে পাচার হওয়া ৫০ বাংলাদেশিকে ট্রাভেল পারমিটে ফেরত পাঠালো

ভারতে পাচারের শিকার ৫০ বাংলাদেশি নারী, পুরুষ ও শিশু ট্রাভেল পারমিটে ফেরত দিয়েছেন ভারতীয় পুলিশ।

রোববার (৫ জুলাই) রাতের ঘটনার মধ্যে ভারতের পেট্রাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে ট্রাভেল পারমিটে বেনাপোল চেকপোষ্টে তাদের ফেরত পাঠানো হয়।

মানবাধিকার সংস্থা রাইটস যশোর ও জাস্টিস এন্ড কেয়ার তাদের গ্রহণ করেছে। ফেরত আসা বাংলাদেশিদের মধ্যে ৪৪ জন পুরুষ, ৬ জন নারী রয়েছে। এই বাংলাদেশিরা দেড় বছর থেকে ৭ বছর পর্যন্ত কারাভোগ করেছেন।

এদিকে রাত সাড়ে ৮ টায় শুন্যরেখায় বাংলাদেশীদের হস্তান্তর প্রক্রিয়ার সময় ভারত-বাংলাদেশের বেনাপোল ও হরিদাসপুর সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ, বিজিবি, ইমিগ্রেশন পুলিশ এবং বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন অফিসার সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ফেরত আসা ৫০ বাংলাদেশিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে পোর্ট থানার পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। সেখান থেকে মানবাধিকার সংস্থা তাদের গ্রহণ করবে।

বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফ হোসেন জানিয়েছেন, ইমিগ্রেশন ও পোর্ট থানা পুলিশের আইনি প্রক্রিয়া শেষে ফেরত আসা নারীদের জন্য আইনি সহায়তা ও পরবর্তী পুনর্বাসনের জন্য মানবাধিকার সংস্থা 'জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার' ও রাইটস যশোরের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা ফেরত আসা নারীদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

রাইটস যশোরের নির্বাহী পরিচালক বিনয় কৃষ্ণ মল্লিক জানিয়েছেন, ফেরত আসা বাংলাদেশিদের পরিবারে অভাব অনটনের সুযোগ নিয়ে তাদের ভালো কাজের কথা বলে ভারতে পাচার করা হয়। এরপর প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে বিভিন্ন ঝুঁকির মুলক কাজে ব্যবহার করা হয়। অবৈধ অনুপ্রবেশের খবর পেয়ে ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে জেলে পাঠায়। পরে ভারতীয় মানবাধিকার সংস্থ্যা সেখান থেকে ছাড়িয়ে তাদের শেল্টার হোমে রাখে। এরপর সরকারের সহযোগিতায় ট্রাভেল পারমিটে তারা ফেরত আসেন। ফেরত আসা বাংলাদেশিদের আইনী সহায়তাসহ কর্মসংস্থান তৈরীতে কাজ করবে মানবাধিকার সংগঠন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ দিলেন প্রশাসক প্রিন্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৮ পি.এম


তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ দিলেন প্রশাসক প্রিন্স

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, ময়মনসিংহ একটি বিপুল সম্ভাবনাময় অঞ্চল, যেটি কৃষি, শিক্ষা, সংস্কৃতি, মৎস্য, বনজ সম্পদ এবং ব্রহ্মপুত্র নদকে ঘিরে অবস্থিত।

এ অঞ্চলের সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে কৃষিভিত্তিক শিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, পর্যটন এবং যুব উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে দেশটির অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে ময়মনসিংহকে গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য যুবকদের উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে হবে, পাশাপাশি চাকরি প্রত্যাশী হয়ে থাকতে হবে। আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনী চিন্তা ব্যবহার করে নতুন কর্মসংস্থান তৈরির সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

আজ রোববার বিকেলে ময়মনসিংহে প্রতিজ্ঞা যুব সংঘের আয়োজনে ‘ময়মনসিংহের টেকসই উন্নয়ন: যুব সমাজের ভূমিকা, চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা’ শীর্ষক তারুণ্যের সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রিন্স সংলাপে আরো বলেন, ময়মনসিংহের টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়নের জন্য যুব সমাজকে নেতৃত্বের ভূমিকায় এগিয়ে আসতে হবে। টেকসই উন্নয়ন শুধুমাত্র অবকাঠামো নির্মাণ বা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সমস্যার বিষয় নয়, বরং এর সঙ্গে সামাজিক ন্যায়বিচার, পরিবেশের ভারসাম্য, সুশাসন এবং মানবিক মূল্যবোধও জড়িত।

সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স উল্লেখ করেন, উন্নয়নের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ আবশ্যক। এর জন্য ব্রহ্মপুত্র নদ রক্ষা, বৃক্ষরোপণ, প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ, এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় তরুণদের সম্পৃক্ত হতে হবে।

জেলা পরিষদের জয়নুল আবেদীন মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হারুন অর রশিদ, প্রতিজ্ঞা যুব সংঘের সভাপতি মামুন মিয়া এবং বিভিন্ন এলাকার যুব সংগঠকবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রতিজ্ঞা যুব সংঘের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, তরুণ উদ্যোক্তা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং অন্যান্য সুধীজন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%