ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আগৈলঝাড়ায় তথ্যমন্ত্রী: থানায় হামলায় জড়িতদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে


আগৈলঝাড়ায় তথ্যমন্ত্রী: থানায় হামলায় জড়িতদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, আগৈলঝাড়া থানায় হামলা ও পুলিশ সদস্যদের মারধরের ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের সকলকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

তবে, তিনি উল্লেখ করেছেন যে এ ঘটনায় যেন কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে লক্ষ্য রাখা হবে।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে, আগৈলঝাড়া থানার ভাঙচুর করা কক্ষ পরিদর্শন ও আহত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার সময় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

এর আগে, এদিন সকালে গৌরনদী উপজেলার নলচিড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

সেখানে প্রধান অতিথিদের বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘ক্ষমতা এমনভাবে পরিচালনা করতে হবে, যাতে জনগণ আমাদের প্রতি, আপনাদের প্রতি এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অসন্তুষ্ট না হন।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

তাই শিক্ষার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’’ শিক্ষাব্যবস্থাকে আরো আধুনিকায়নের মাধ্যমে শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

প্রায় ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে বিদ্যালয়টির নতুন ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে, মন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ব্যবস্থাপনা কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে, তথ্যমন্ত্রী বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে পরিত্যক্ত গোডাউনে আগুন, ৫ লাখ টাকার সম্পদ উদ্ধার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে চিকিৎসক ও সুশীল সমাজের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩০ এম


বরিশালে চিকিৎসক ও সুশীল সমাজের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

বরিশাল বিভাগের নবনিযুক্ত পরিচালক ডা. এসএম মনিরুজ্জামানকে লাঞ্ছিত করা এবং মব করে তাঁর কক্ষে তালা লাগানোর প্রতিবাদে বরিশালে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। চিকিৎসক, ছাত্র এবং সুশীল সমাজের নেতারা এই সমাবেশে অংশ নিয়েছেন।

আজ শনিবার নগরের অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন বরিশাল জেলা সাধারণ সম্পাদক রাইদুল ইসলাম সাকিবের সঞ্চালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ড্যাব বরিশাল জেলার সাবেক সভাপতি ডা. অধ্যাপক আজিজ রহিম।

এই বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, আমাদের দেশে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। আমরা আশা করছি যে আগামী দিনে আর মব সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেন এদিকটি লক্ষ্য রাখে এবং মব সন্ত্রাসীদেরকে কঠোর হাতে দমন করে।

এ সময় উপস্থিত শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা বলেন, জুলাই আন্দোলনে ডা. মনিরুজ্জামান আমাদের নানানভাবে সহযোগিতা করেছেন। তিনি অর্থ, পরামর্শ ও চিকিৎসা দিয়ে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। আজকে যারা তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন, তারাই বরং জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের এমপি জাহিদ ফারুক শামীমের অনুসারী ছিলেন। বরিশালের জনগণ এই মব সংস্কৃতি কোনোভাবেই মেনে নেবে না। বরিশালের সাধারণ জনগণ এই মবের বিপক্ষে শক্ত অবস্থানে রয়েছে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেনারেল হাসপাতালের সাবেক চিকিৎসক ডা. মিজানুর রহমান, শেবাচিম হাসপাতালের সাবেক অধ্যাপক ডা. এ কে এম আমিনুল হক, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. এস এম আবুল হাসান, ড্যাব নেতা আনোয়ার হোসেন, নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ন্যাব) বরিশাল শাখার সভাপতি মমতাজ পারভীন, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ছাত্রনেতা তুহিন আরাফাত এবং শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের মো. মনিরুজ্জামান প্রমুখ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে থানায় হামলা: গ্রেপ্তার আতঙ্কে জনশূন্য গ্রাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৩ এম


মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে থানায় হামলা: গ্রেপ্তার আতঙ্কে জনশূন্য গ্রাম

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার ফুল্লশ্রী গ্রাম বর্তমানে অনেকটাই জনশূন্য অবস্থায় আছে। আগৈলঝাড়া থানায় হামলা, ভাঙচুর এবং পুলিশকে মারধরের ঘটনার পরে মামলার পর গ্রেপ্তার আতঙ্কে গ্রামের অধিকাংশ নারী এবং পুরুষ আত্মগোপন করে রয়েছেন। ফলে গ্রামের স্বাভাবিক জীবনযাপন যথেষ্ট বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। কিছু কিছু পরিবারের নারীরা ঘরে অবস্থান করছেন, তবে তাঁরা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। সম্প্রতি, আগৈলঝাড়া থানায় গ্রেপ্তার করা এক আসামি মৃত্যুর গুজব ছড়ানোর পর গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় থানায় হামলা, ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে, যেখানে পুলিশ ৪৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও তিন শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা করেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যক্তি জানান, ফুল্লশ্রী গ্রামের একাধিক বাড়িতে পুলিশ দিনে দুই থেকে তিনবার হানা দিচ্ছে। সেইসঙ্গে, মামলায় যাঁরা আসামি নন, তাঁরাও পুলিশের আতঙ্কে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

তাঁরা জানান, স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে এবং সব সময় আতঙ্কের মধ্যে বাড়িতে থাকতে হচ্ছে। "আমরা নিরপরাধ, পুলিশ যে কখন এসে আমাদেরও ধরে নিয়ে যাবে।" এই ঘটনার প্রসঙ্গে আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খাঁন বলেন, ‘থানায় হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে সাঁড়াশি অভিযান চলছে। সিসিটিভি ফুটেজ, ভিডিওচিত্র এবং অন্যান্য তথ্যউপাত্ত বিশ্লেষণ করে হামলায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হচ্ছে। এই ঘটনায় জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।’ ওসি আরও বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ২২ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ১২ জন নারী এবং ১০ জন পুরুষ রয়েছেন।’ এ বিষয়ে উল্লেখ্য, গত বুধবার সন্ধ্যায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে চুরি, মাদকসহ একাধিক মামলার আসামি ফুল্লশ্রী গ্রামের রিয়াজ ফকিরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

থানা-পুলিশের একটি সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, হাজতখানার মধ্যে রিয়াজ নিজেই দেয়ালের সঙ্গে মাথায় আঘাত করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। রাত ১১টার দিকে তাঁকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয় এবং অবস্থার অবনতি হলে গভীর রাতে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তাঁর স্বজন এবং স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যার আগে কয়েকশ জনতা মিছিল নিয়ে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা চালায়। এই অবস্থায় ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে মারধর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিপেটা শুরু করলে সংঘর্ষে ছয় পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন। গুরুতর আহত এএসআই আব্দুল হালিমকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কঠিন প্রশ্ন ও নকল করতে না দেওয়ায় ভোলায় এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৭ এম


কঠিন প্রশ্ন ও নকল করতে না দেওয়ায় ভোলায় এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে হামলা

ভোলার চরফ্যাশনে ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা আইসিটি প্রশ্ন কঠিন হওয়ার অভিযোগে হামলা করেছিল। হামলায় এই কলেজের গেইট, সাইনবোর্ড, দরজা জানালা ভাঙচুর করা হয়। হামলা ঘটে শনিবার দুপুরে, পরীক্ষা শেষে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে এবং আহত হয়েছে কমপক্ষে ১৫ জন। এই আহতদের মধ্যে কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হুমায়ুন শিকদার কবির এবং ৬নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর জাহিদুল ইসলাম রাসেল রয়েছেন। সাধারণ শিক্ষার্থী এবং পথচারীরাও আহত হন এবং তাদের হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিব মহিউদ্দিন বাচ্চু অভিযোগ করেন যে, পরীক্ষার্থীরা অসাধুপায় অবলম্বন করতে না দেওয়ায় হামলা করেছে। তিনি আরও জানান, এক দিকে প্রশ্নপত্র কঠিন হয়েছে এবং অপরদিকে কক্ষ পরিদর্শকরা যথাযথ দায়িত্ব পালন করায় পরীক্ষার্থীরা দেখার সুযোগ পায়নি।

যে কারণে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার শুরুর পর থেকেই কক্ষ পরিদর্শকদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করতে থাকে। পরীক্ষা শেষে, শিক্ষার্থীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং গেইট ভেঙে ফেলে। লোহার পাইপ নিয়ে পরীক্ষা পরিচালনা কক্ষে হামলা করা হয়। শিক্ষক কক্ষে হামলা হয়। এই হামলার সঙ্গে ৪/৫শ শিক্ষার্থী এবং বহিরাগতরা মিলে ছিল। জানা যায়, ওই কেন্দ্রে সরকারি চরফ্যাশন কলেজের ৭৮৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছিল। শনিবার ছিল এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের তথ্য ও যোগাযোগ ও প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে পরীক্ষা। পরীক্ষার্থীরা জানায়, প্রশ্নপত্র কঠিন হয়েছে এবং কমন পড়েনি। অপরদিকে পরীক্ষার হলের কক্ষ পরিদর্শকরা রূঢ আচরণ করেন, যার ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুমানা আফরোজ খবর শুনে থানার অফিসার ইনচার্জকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া জানান, একদল পরীক্ষার্থী চরফ্যাশন ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে হামলা চালায়। খবর শুনে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে, তবে সফল হয়নি। পরে কয়েক রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। প্রত্যক্ষদর্শী সোহেব হোসেন জানান, দুপুর সোয়া ১টার দিকে কয়েকজন শিক্ষার্থী কলেজের গেইটের সামনে অবস্থান নিয়ে 'ভুয়া ভুয়া' ম্লোগান দিতে থাকে। পরে তারা উত্তর ও পশ্চিম পাশে দুটি গেইট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় শিক্ষকরা আতঙ্কিত হয়ে একটি কক্ষে আশ্রয় নেয় এবং পরীক্ষার্থীরা লাঠিসোটা নিয়ে তাদের তাড়া করে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ দ্রুত ছুটে এসে প্রশাসনের সঙ্গে পরিস্থিতি সামলাতে শিক্ষার্থীদের সরে যেতে বলেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের তত্বাবধানে পুলিশ পরীক্ষার উত্তরপত্র পোস্ট অফিসে জমা দেয়। ওসি জানান, পুলিশ টহল অব্যাহত রাখা হয়েছে এবং পরীক্ষা কমিটি অভিযোগ করে যে শিক্ষার্থীদের উসকে দেওয়া হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নলছিটিতে শিশুসন্তান নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিলেন মা, নেপথ্যে যে কারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৯ এম


নলছিটিতে শিশুসন্তান নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিলেন মা, নেপথ্যে যে কারণ

ঝালকাঠির নলছিটিতে একটি ৫ বছরের শিশুসন্তানকে সহকারে নজরে আসা এক মা সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন। স্থানীয়দের তাৎক্ষণিক কর্মপদ্ধতির ফলে মা ও তার মেয়েকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে সাড়ে ৯টার দিকে নলছিটি ফেরিঘাট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, লাকী আক্তার (২৪) তার সন্তান ফাহিমা (৫) নিয়ে ফেরিঘাট এলাকার ঘাটে বাঁধা ফেরির ওপর থেকে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন। ঘটনাটি দেখে আশপাশের লোকজন তৎক্ষণাৎ নদীতে ঝাঁপিয়ে তাদেরকে জীবিত উদ্ধার করেন। উদ্ধার করার পর তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

জানা গেছে, ৬ থেকে ৭ বছর আগে উপজেলা হাঁড়িখালী গ্রামের মো. আজিজ মোল্লার কন্যা লাকী আক্তারের বিয়ে হয় নলছিটি শহরের থানারপুল এলাকার আদম আলীর ছেলে সাইদুল ইসলামের সঙ্গে। বিয়ের বছর দেড়েক পরে তাদের একটি কন্যাসন্তান হয়। লাকী আক্তার জানান, তার স্বামী নেশাগ্রস্ত এবং শাশুড়ি তাকে মারধর করতেন। পারিবারিক কলহের কারণে তিনি তিন সপ্তাহ আগে স্বামীকে তালাক দেন। এরপর সাইদুল ইসলাম তার মেয়েকে নিয়ে যেতে চান। কিন্তু লাকী আক্তার মেয়েকে তার বাবার কাছে পাঠাতে চাননি। এই নিয়ে সাইদুল মামলা করার হুমকি দেন। এরপর লাকী আক্তারের বাবা আজিজ মোল্লা নাতি ফাহিমাকে তার বাবার কাছে দেওয়ার জন্য বলেন। এ ঘটনায় আফসোস করে লাকী তার শিশুসন্তানকে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন।

নলছিটি থানার ওসি মো. তৌহিদুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ওই নারী শিশুসন্তানকে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করেন। বর্তমানে তিনি তার বাবার কাছে রয়েছেন। এ ঘটনার বিষয়ে এখনও কোনো অভিযোগ করা হয়নি। তবে পুলিশ ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%