ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পাবনায় পাগলা শিয়ালের কামড়ে শিশুসহ ১১ জন আহত


পাবনায় পাগলা শিয়ালের কামড়ে শিশুসহ ১১ জন আহত

পাবনার সাঁথিয়ায় একটি ‘পাগলা’ শিয়াল লোকালয়ে ঢুকে শিশু ও নারীসহ মোট ১১ জনকে কামড়ে আহত করেছে।

এটি বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টা থেকে সাড়ে ৫টার মধ্যে সাঁথিয়া পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের শালঘর মহল্লা এবং সাতবিলা এলাকায় ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্য অনুযায়ী, শালঘর মহল্লার মো. রফিকের বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ে বেঁধে রাখা একটি ছাগল প্রথমে শিয়ালের হামলার শিকার হয়। এরপর শিয়ালটি একের পর এক গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে ঢুকে আরও কয়েকজনকে কামড়ে আহত করে। আহতদের মধ্যে শালঘর এলাকার বাদশার মেয়ে জুবাইদা (৪), মংলা খাতুন (৭০), আলেয়া (২৫), ওয়াজ কুরুনি (৭), শাহিদা (৫০), সোনিয়া (১৪) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

এছাড়া, গৌরীগ্রাম ইউনিয়নের সাতবিলা গ্রামের সাব্বিরের মেয়ে সিনহা (৩), লাকি (৩০), বায়জিদ (০৬), রেহেনা (৪২), সামসুর (২২)ও পাগলা শিয়ালের আক্রমণের শিকার হন।

পরে স্থানীয়রা শিয়ালটিকে একটি ঝোপ থেকে সাড়ে পাঁচটার দিকে ধরে পিটিয়ে মেরে ফেলে।

সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মাহফুজ আহমেদ জানান, আহতদের জলাতঙ্ক প্রতিরোধে প্রাথমিক চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য শনাক্তে এআই প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছে ডিআইইউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৯ পি.এম


শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য শনাক্তে এআই প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছে ডিআইইউ

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিভিন্ন ঝুঁকি শনাক্ত করার জন্য এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) উচ্চশিক্ষা ত্বরান্বিতকরণ ও রূপান্তর (হিট) প্রকল্পের আওতায় এই উপপ্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে দেশের ৫০টির বেশি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার শিক্ষার্থীর তথ্য সংগ্রহ করে গবেষণা করা হবে।

ডিআইইউ সিএসই বিভাগের এ উপপ্রকল্পের নম্বর ১৩৮১৪ এবং প্রকল্পটির নাম ‘ডেভেলপমেন্ট অব আ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ড্রিভেন বাই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ফর আর্লি ইন্টারভেনশন অ্যান্ড মেন্টাল হেলথ ডায়াগনসিস অ্যামং বাংলাদেশি ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস’। প্রকল্পটির মোট বাজেট ২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং মেয়াদ তিন বছর। বর্তমানে প্রকল্পটির অগ্রগতি প্রায় ৩০ শতাংশ। এআই প্ল্যাটফর্মটি আগামী ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, প্ল্যাটফর্মটি চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সহায়ক একটি এআই টুল হিসেবে কাজ করবে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে একটি ফলাফল তৈরি করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা পরামর্শকের মাধ্যমে তা মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।

গবেষণার জন্য দেশের সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে ৫০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার শিক্ষার্থীর তথ্য সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। তথ্য সংগ্রহের কাজে প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ জন শিক্ষার্থীকে যুক্ত করা হবে। ফলে গবেষণাটি শুধুমাত্র ডিআইইউর শিক্ষার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে।

প্রকল্পে শিক্ষার্থীদের বিষণ্নতা, মানসিক চাপ ও উদ্বেগসহ বিভিন্ন মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত বিষয় মূল্যায়নের জন্য প্রশ্নমালা তৈরি করা হবে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন মনোবিজ্ঞানী এ প্রশ্নমালা তৈরির সঙ্গে যুক্ত থাকবেন। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সংগৃহীত তথ্য পরবর্তী সময়ে গবেষণা ও এআই ভিত্তিক বিশ্লেষণের কাজে ব্যবহার করা হবে।

যদি কোনো শিক্ষার্থীর মানসিক স্বাস্থ্যে ঝুঁকির ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা পরামর্শকের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা নেওয়ার সুযোগ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, এআইকে সরাসরি চিকিৎসকের বিকল্প হিসেবে নয়, বরং চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সহায়ক প্রযুক্তি হিসেবে ব্যবহারের লক্ষ্য রয়েছে।

প্রকল্প বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ডিআইইউর নতুন ভবনের সিএসই বিভাগের ৬০২ নম্বর কক্ষে রিসার্চ অ্যান্ড ডেটা অ্যানালাইসিস সেল স্থাপন করা হচ্ছে। এই সেল থেকে গবেষণা, তথ্য বিশ্লেষণ এবং প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

গবেষণা ও তথ্য বিশ্লেষণের জন্য প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম কেনা হয়েছে। এর মধ্যে ১০টি কম্পিউটার, চারটি ল্যাপটপ, ১০টি ট্যাব, পাঁচটি ক্যামেরা, স্মার্ট হোয়াইটবোর্ড, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, কনফারেন্স রুমের চেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন ল্যাব ও অফিস সরঞ্জাম রয়েছে। বড় পরিসরের তথ্য বিশ্লেষণ ও মেশিন লার্নিংয়ের জন্য দুটি উচ্চক্ষমতার কম্পিউটারও রাখা হয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের দাবি, এসব সরঞ্জাম ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছেছে।

সরকারি ই-জিপি তথ্য অনুযায়ী, এসপি ১৩৮১৪-এর আওতায় রিসার্চ অ্যান্ড ডেটা অ্যানালাইসিস সেলের জন্য আইসিটি ইকুইপমেন্ট অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ কেনার একটি প্যাকেজে ৬৮ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৫ টাকার চুক্তি করা হয়েছে। এ প্যাকেজের আওতায় প্রকল্পের গবেষণা ও তথ্য বিশ্লেষণ কার্যক্রমের প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে।

প্রকল্পটির অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং প্রাথমিকভাবে নিজেদের ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার সুযোগ তৈরি করা। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

এদিকে প্রকল্পের আওতায় ডিআইইউর শিক্ষার্থীদের গবেষণার সুযোগও তৈরি হচ্ছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের গবেষণার কাজে হিট প্রকল্পের ল্যাব ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। এতে গবেষণা ও তথ্য বিশ্লেষণের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হবে।

তবে প্রকল্পের আওতায় বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। ফলে তথ্যের গোপনীয়তা, শিক্ষার্থীদের সম্মতি এবং সংগৃহীত তথ্য কীভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবহার করা হবে, তা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠছে। বিশেষ করে মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সংবেদনশীল তথ্যের ক্ষেত্রে তথ্য সুরক্ষা ও ব্যবহারের নীতিমালা স্পষ্ট থাকা জরুরি।

বর্তমানে প্রকল্পটির কাজ প্রায় ৩০ শতাংশ এগিয়েছে। নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে এআই প্ল্যাটফর্মটি চালুর লক্ষ্য রয়েছে। তবে প্রকল্প শেষে প্ল্যাটফর্মটির স্থায়ী পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কার থাকবে এবং গবেষণার ফলাফল কীভাবে ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি.

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জকসুর উদ্যোগে জবিতে রক্তদাতা খুঁজতে চালু হলো ‘JnURedDrop’ অ্যাপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫০ পি.এম


জকসুর উদ্যোগে জবিতে রক্তদাতা খুঁজতে চালু হলো ‘JnURedDrop’ অ্যাপ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের জন্য জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত রক্তদাতা খুঁজে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ‘JnURedDrop’ নামে একটি অ্যাপ চালু করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু)।

জকসুর সমাজসেবা সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমানের উদ্যোগে এই অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী তুষার শেখও এতে সহযোগিতা করেছেন।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জকসুর ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম অ্যাপটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

‘JnURedDrop’ অ্যাপের মাধ্যমে রক্তের গ্রুপ ও অবস্থান অনুযায়ী রক্তদাতার তথ্য খোঁজার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি বর্তমানে রক্তদানে প্রস্তুত দাতাদেরও শনাক্ত করা যাবে। জবি শিক্ষার্থীরা এই অ্যাপটিতে নিজেদের প্রোফাইল তৈরি করে রক্তের গ্রুপসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করতে পারবেন।

নিবন্ধিত রক্তদাতাদের মধ্যে থেকে রক্তের গ্রুপ ও এলাকার ভিত্তিতে অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় দাতার তথ্য পাওয়া যাবে। এছাড়া, কোনো দাতা বর্তমানে রক্তদানে প্রস্তুত আছেন কি না, সেটিও জানা যাবে।

জকসুর সমাজসেবা সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মন্তব্য করেন, "শিক্ষার্থীদের জরুরি সময়ে রক্তদাতা খোঁজার প্রক্রিয়া সহজ করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অ্যাপটিতে রক্তের গ্রুপ ও এলাকা অনুযায়ী দাতা খোঁজার সুবিধা রাখা হয়েছে। জরুরি রক্তের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করা এবং ক্যাম্পাসে পারস্পরিক সহযোগিতার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।"

অ্যাপ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জকসুর এজিএস মাসুদ রানা, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক হাবিব মোহাম্মদ ফারুক, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ, কার্যনির্বাহী সদস্য আকিব হাসান ও আব্দুল্লাহ আল ফারুক উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাঁচতে চান চবি শিক্ষার্থী মোশারফ, প্রয়োজন সবার সহযোগিতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫০ পি.এম


বাঁচতে চান চবি শিক্ষার্থী মোশারফ, প্রয়োজন সবার সহযোগিতা

মোশারফ হুছাইন, একজন ২৬ বছর বয়সী শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) পড়াশোনা শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু বর্তমানে তিনি ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন, যা প্রায় এক বছর ধরে চলছে। মোশারফের চিকিৎসায় ইতোমধ্যে তার পরিবারের প্রায় আট লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। তিনি ছয় ডোজ কেমোথেরাপিও গ্রহণ করেছেন, তবে কাঙ্ক্ষিত সুফল এখনও মেলেনি। উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হলেও অর্থসংকটের কারণে তা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই মোশারফ ও তার পরিবার সবার সহযোগিতা চেয়েছেন।

মোশারফ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০১৮–১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বর্তমানে তিনি স্নাতকোত্তর (এমএ) পর্যায়ে অধ্যয়নরত আছেন। তার শিক্ষার্থী আইডি নম্বর ১৯১০৭০৩৯।

পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোশারফ সেকেন্ডারি লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত। গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ থেকে তিনি ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মোশারফ গত ২৭ এপ্রিল থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুই ধাপে মোট ছয় ডোজ কেমোথেরাপি গ্রহণ করেছেন। দীর্ঘদিনের চিকিৎসায় প্রায় আট লাখ টাকা ব্যয় হলেও প্রত্যাশিত উন্নতি না হওয়ায় তার পরবর্তী চিকিৎসা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই এবং চিকিৎসার বিপুল ব্যয়, দুইয়ে মিলে মোশারফের পরিবার অসহায় হয়ে পড়েছে। আর্থিক সংকট এতটাই প্রকট হয়েছে যে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া এখন কঠিন হয়ে পড়েছে।

পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, মোশারফের উন্নত চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে আরও অর্থ প্রয়োজন। তারা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী এতদিন চিকিৎসার খরচ বহনের চেষ্টা করেছেন, কিন্তু এখন আর তাদের একার পক্ষে তা সম্ভব হচ্ছে না। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন তারা।

এর আগে, দীর্ঘ তিন বছর ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে মারা যান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অনিক দাস (২৪)। তিনি গত ১৯ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে চাঁদপুরে নিজ বাড়িতে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।

অর্থের অভাবে মোশারফের চিকিৎসা যেন থেমে না যায়, এ প্রত্যাশায় তার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে পরিবার। সামর্থ্য অনুযায়ী সবার ছোট-বড় সহযোগিতাই তার চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার পথ সহজ করতে পারে।

আর্থিক সহযোগিতা তথ্য—

বিকাশ / নগদ: +880 1869-561939 (পার্সোনাল)— রোগী

A/N: 20507770232337809, Islami Bank, Ilishia Branch.

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে আবাসিক হোটেলে মিলল নিখোঁজ দুই মাদরাসাছাত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫০ পি.এম


কক্সবাজারে আবাসিক হোটেলে মিলল নিখোঁজ দুই মাদরাসাছাত্রী

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মাদ্রাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া দুই কিশোরীকে কক্সবাজার থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উদ্ধার হওয়া দুই কিশোরী হলেন— চৌদ্দগ্রামের কাশিনগর এলাকার বসন্তপুর গ্রামের মহিন উদ্দিনের কন্যা মাহিমা ইসলাম মাহি (১২) এবং যুগিরকান্দি গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের কন্যা তানিসা আক্তার (১৪)।

এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এডমিন) লুৎফর রহমান।

পুলিশ জানায়, ২৪ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মাহিমা ও তানিসা কাশিনগর এলাকার আল-আমিন মহিলা মাদরাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে নিজ নিজ বাড়ি থেকে বের হন। কিন্তু তারা মাদরাসায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হন এবং বাড়িতে ফিরে না আসায় তাদের পরিবার বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরে সন্ধান না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে চৌদ্দগ্রাম থানায় পৃথক দুটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।

এ বিষয়ে জানার পর কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশনায় নিখোঁজ দুই কিশোরীর সন্ধানে কার্যক্রম শুরু করে পুলিশ। চৌদ্দগ্রাম মডেল থানা পুলিশ ও কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) যৌথভাবে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে অনুসন্ধান চালায়।

অনুসন্ধানের এক পর্যায়ে কিশোরী দুটির অবস্থান কক্সবাজারে শনাক্ত করা হয়। পরে কক্সবাজার ডিবি পুলিশের সহায়তায় সমুদ্রসৈকত এলাকার গ্রিন প্যারাডাইজ হোটেলের ১০১ নম্বর কক্ষ থেকে তাদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কিশোরী দুজন জানায়, পরিবারের সদস্যদের ওপর অভিমান করে তারা স্বেচ্ছায় বাড়ি থেকে বের হয়ে কক্সবাজারে চলে যায়।

প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম সম্পন্ন করার পর উদ্ধার হওয়া দুই কিশোরীকে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%