ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হাম উপসর্গে একদিনে ১১ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১ হাজার ২৭০


হাম উপসর্গে একদিনে ১১ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১ হাজার ২৭০

হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহ ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৭০ জন। চলতি সেপ্টেম্বর মাসে একদিনে এটিই হাম উপসর্গে সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদন ও কন্ট্রোলরুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ১৫৭ জন। একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৩ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে হাম ও হাম উপসর্গে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪৪৯ জনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার ৮৫১ জন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

এই সময়ের মধ্যে হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৪৮ জন। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৬১২ জন।

মৃত্যুর হিসাবের দিক থেকে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ১১ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে মোট ৯৭৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে ১৫ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সব মিলিয়ে ১৫ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে হাম ও হাম উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা ১ হাজার ৭৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ৯৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে হাম উপসর্গ নিয়ে এবং ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে নিশ্চিত হামে।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নবীগঞ্জে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় দুই আসামির ৩ বছরের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৮ পি.এম


নবীগঞ্জে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় দুই আসামির ৩ বছরের কারাদণ্ড

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ১০ বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালত তিন বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে। এ ছাড়া, প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একজন আসামির বয়স ১৮ বছরের নিচে হওয়ায় তাকে শিশু সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপর আসামিকে কারাগারে পাঠানো হবে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক সৈয়দা মিনহাজ উম মুনীরা রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কামাল উদ্দিন সেলিম রায়ের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে একজন হলেন নবীগঞ্জ উপজেলার শ্রীমতপুর ইউনিয়নের শেখ কবিরের ছেলে শেখ জামাল এবং অপরজন এলাহী মিয়ার ছেলে রাজিব মিয়া।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৭ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শ্রীমতপুর ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী জান্নাত (১০) স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযোগে বলা হয়েছে, মাদ্রাসা ছুটির পর বাড়ি ফেরার সময় তাকে মোবাইল ফোন দেওয়ার কথা বলে ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়।

অভিযোগের ভিত্তিতে, ঘরে নেওয়ার পর শেখ জামাল ও রাজিব মিয়া দরজা বন্ধ করে শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখান। এক পর্যায়ে তারা জোরপূর্বক শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। পরে, বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য ভয় দেখিয়ে শিশুটিকে ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়।

বাড়ি ফেরার পথে শিশুটি রাস্তায় অচেতন হয়ে পড়ে। তখন মুমিনা বেগম নামে এক নারী তাকে দেখে পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। পরে, শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে জ্ঞান ফেরার পর সে স্বজনদের কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানায়।

ঘটনার পর শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে নবীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্ত শেষে নবীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দুলাল মিয়া চলতি বছরের ৩০ মার্চ দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচারকালে মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কামাল উদ্দিন সেলিম বলেন, আসামিদের বয়স বিবেচনায় আদালত তিন বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্তদের একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাকে শিশু সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কামাল উদ্দিন সেলিম।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোবিপ্রবিতে অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদকে অব্যাহতি, তদন্ত কমিটি গঠন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:১৮ পি.এম


নোবিপ্রবিতে অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদকে অব্যাহতি, তদন্ত কমিটি গঠন

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সময় ব্যাকগ্রাউন্ড ডিজিটাল স্ক্রিনে শেখ হাসিনার ছবি প্রদর্শনের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদকে অব্যাহতির নির্দেশ দিয়েছে। তিনি অণুজীববিজ্ঞান (মাইক্রোবায়োলজি) বিভাগের চেয়ারম্যান এবং আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ‘নীল দলের’ সাবেক সভাপতি। একই সঙ্গে, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং পুরো বিষয়টির সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ওই বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া, ঘটনার তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ কর্তৃক বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘ইন্টারন্যাশনাল মাইক্রোঅর্গানিজম ডে-২০২৬’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীত চলাকালে ডিজিটাল স্ক্রিনে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিকভাবে শেখ হাসিনার ছবি প্রদর্শন করা হয়। এ ঘটনায় অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ এবং অনুষ্ঠান আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক সহযোগী অধ্যাপক ড. খন্দকার ফাহমিদা সুলতানাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল এবং তারা ইতোমধ্যে সেই কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিয়েছেন।

সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দিনকে আহ্বায়ক, জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. গাজী মো. মহসিনকে সদস্য এবং প্রক্টর অধ্যাপক এ এফ এম আরিফুর রহমানকে সদস্য-সচিব করা হয়েছে।

নোবিপ্রবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তদন্তের স্বার্থে এ সময়কালে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের দুই দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের সময় ব্যাকগ্রাউন্ড ভিডিওর শেষ অংশে শেখ হাসিনার ছবি ভেসে ওঠে। বিষয়টি উপস্থিত অতিথিদের নজরে এলে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানান ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন। পরবর্তীতে পুনরায় শুধু অডিওর মাধ্যমে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।

ঘটনাটিকে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের প্রতি অবমাননাকর এবং চাকরির শৃঙ্খলার পরিপন্থী হিসেবে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্টদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে ঘটনার বিষয়ে অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ও আয়োজকেরা জানান, অনুষ্ঠান আয়োজনের ব্যস্ততায় প্রজেক্টরে চালানো ইউটিউব ভিডিওটি আগে পর্যালোচনা করা হয়নি। এ কারণে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে এই ভুলটি ঘটে যায়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাত্রীকে ডাকাডাকি করেও মেলেনি সাড়া, দরজা ভাঙতেই সামনে অপ্রত্যাশিত দৃশ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:১৯ পি.এম


ছাত্রীকে ডাকাডাকি করেও মেলেনি সাড়া, দরজা ভাঙতেই সামনে অপ্রত্যাশিত দৃশ্য

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) সংলগ্ন একটি ছাত্রীনিবাস থেকে পুলিশ এক ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। জানা গেছে, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন বিসিএস গলির শেষপ্রান্তে অবস্থিত ফজিলা ছাত্রীনিবাসের তৃতীয় তলার ৩০১ নম্বর কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতে মেসে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে সর্বশেষ ওই ছাত্রীকে দেখা যায়। এরপর থেকে তাকে আর বাইরে দেখা যায়নি। বুধবার সন্ধ্যায় বারবার ডাকাডাকি করেও তার কোনো সাড়া না পাওয়ায় মেসের মালিক ও কয়েকজন ছাত্রী হাতুড়ি দিয়ে দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন। তখন তারা তাকে জানালার সঙ্গে কাপড় দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তিনি প্রায় ৮-৯ মাস ধরে ওই ছাত্রীনিবাসে অবস্থান করছিলেন বলে জানা গেছে। এর আগে তিনি দিনাজপুর শহরের অন্য একটি মেসে থাকতেন।

খবর পেয়ে দিনাজপুর সদর কোতোয়ালি থানা পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ছাত্রীর পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। আইনগতভাবে পরিবারের সম্মতিতে বাকি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

পুলিশের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। দিনাজপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল হালিম বলেন, "প্রাথমিক লক্ষণগুলো দেখে আমাদের কাছে আত্মহত্যা বলে মনে হয়েছে। তবে পোস্টমর্টেম রিপোর্ট পাওয়ার আগে আমরা নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছি না। তার মধ্যে আত্মহত্যার কিছু প্রাথমিক লক্ষণ ছিল। পোস্টমর্টেমের পর এসব বিষয় নিশ্চিত করে বলা যাবে। ছাত্রীর পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে বাকি প্রক্রিয়া শুরু হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:১৯ পি.এম


১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ শিক্ষার্থী

১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) আইন ডিসিপ্লিনের ছয় শিক্ষার্থী সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তারা বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষায় সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হন।

২৩ সেপ্টেম্বর (বুধবার) ১৮তম বিজেএস পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এই তথ্য প্রকাশ পায়।

সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮ ব্যাচের মাহবুবা সুলতানা এবং ১৯ ব্যাচের নাসিম বিল্লাহ, হাফসা বিনতে আইয়ুব, সজল আহমেদ বাপ্পী, কামরুজ্জামান বাদশা ও ২০ ব্যাচের নাজমুল ইসলাম সিয়াম।

মেধাতালিকায় তাদের স্থানগুলো হলো: হাফসা বিনতে আইয়ুব ৭ম, সজল আহমেদ বাপ্পী ৮ম, নাজমুল ইসলাম সিয়াম ৩০তম, কামরুজ্জামান বাদশা ৫৭তম এবং নাসিম বিল্লাহ ৬৫তম।

নাসিম বিল্লাহ বিজেএস পরীক্ষায় সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পর বলেন, “সর্বপ্রথম সৃষ্টিকর্তার নিকট অশেষ শুকরিয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর আমরা ছিলাম তৃতীয় ব্যাচ। আমাদের সিনিয়র ব্যাচ যখন জুডিশিয়ারির পরীক্ষা দিতেন, আমরা খুবই আগ্রহ নিয়ে তাদের সাফল্যের খবর শোনার জন্য অপেক্ষা করতাম। অনেক পরিশ্রমের পরও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এ সাফল্য ধরা দিচ্ছিল না। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, ১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় আমাদের ছয়জন সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমাকে এই দিনে নিয়ে আসার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান আমাদের শিক্ষকদের, আমাদের সিনিয়রদের, আমার জুনিয়রদের, আমার খাজা হলের সকল মানুষের এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি মানুষের। অনেক অনেক ধন্যবাদ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। সকলের নিকট দোয়া চাই, যেন বিচারক হিসেবে ন্যায় ও সুষ্ঠু বিচার প্রতিষ্ঠিত করতে পারি।”

অন্যদিকে, সজল আহমেদ বাপ্পী বলেন, “আইন ডিসিপ্লিন তথা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অনন্য ইতিহাসের সাক্ষী হতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি। আমার সকল শুভাকাঙ্ক্ষীর কাছে দোয়া চাই, যাতে সারাজীবন ন্যায়ের পথে থাকতে পারি এবং মানুষের জন্য সবসময় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারি।”

আইন ডিসিপ্লিনের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক পুনাম চক্রবর্তী এ বিষয়ে মন্তব্য করেন, “খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবারই প্রথমবারের মতো বিচারক হিসেবে কয়েকজন শিক্ষার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। আইন ডিসিপ্লিন প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই প্রথম ১৪ জন ভাইভায় অংশগ্রহণ করে তাদের মধ্যে ছয়জন জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এটি শুধু আইন ডিসিপ্লিনের জন্য নয়, পুরো খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যও অত্যন্ত গর্বের বিষয়। আমরা আশা করি, ভবিষ্যতেও এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি বর্তমান শিক্ষার্থীরাও যেন এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে ভালো করতে পারে, সে জন্য আইন ডিসিপ্লিনের শিক্ষকরা তাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা দিয়ে যাবেন।”

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন দেশের অধস্তন আদালতের বিচারক নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষা আয়োজন করে। প্রাথমিক, লিখিত ও মৌখিকসহ বিভিন্ন ধাপের পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের বাছাই করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%