ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাংবিধানিকভাবে দায়মুক্তি পাচ্ছেন জুলাইযোদ্ধারা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


সাংবিধানিকভাবে দায়মুক্তি পাচ্ছেন জুলাইযোদ্ধারা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সংবিধান সংশোধন কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি এর বীর রাজনৈতিক ও সাধারণ অংশগ্রহণকারীদের (জুলাই যোদ্ধা) জন্য সুনির্দিষ্ট তফসিলে আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা বা দায়মুক্তির ব্যবস্থা করতে যাচ্ছে সরকার।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত কমিটির বিশেষ কমিটির ষষ্ঠ বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। কমিটির পক্ষ থেকে পরিষ্কারভাবে জানানো হয়, রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাক্ষরিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর ভিত্তিতে এই নতুন সংবিধান সংশোধনী বিল সংসদে তোলা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জুলাই জাতীয় সনদে যেভাবে সব রাজনৈতিক দল নোট অব ডিসেন্টসহ স্বাক্ষর করেছে, ঠিক সেভাবেই এটি বাস্তবায়নে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি আরও জানান, আগামীতে সংবিধানে কিছু পরিবর্তন আনা হবে, যার মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্প্রতিষ্ঠা এবং সাংবিধানিক সংশোধনীতে জনগণের সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করতে গণভোটের বিধান পূর্ণাঙ্গভাবে পুনর্বহাল করা হবে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

মন্ত্রী জানান, আজকের ষষ্ঠ বৈঠকে মোট ৬৩ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তালিকা থেকে (জুলাই যোদ্ধাদের) প্রতিনিধি হিসেবে শহীদদের মা-বাবা, ভাই এবং আহতদের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তারা মূলত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাংবিধানিক স্বীকৃতি, বিশেষ করে জুলাই ঘোষণাপত্রের প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো সংবিধানের উপযুক্ত স্থানে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন। অনেকে এটি প্রস্তাবনায় যুক্ত করার প্রস্তাবও দিয়েছেন। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়নকালে যেসব রাজনৈতিক দল ও শক্তি একমত হয়েছিল, সেভাবেই সংবিধানে তা ধারণ করা হবে। তাদের সমস্ত প্রস্তাব লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

জুলাই যোদ্ধাদের আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ইতঃপূর্বে অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে যে আইন করা হয়েছিল তা বহাল রয়েছে। তবে বিচারিক বাধ্যবাধকতা ও আইনি জটিলতা এড়াতে তফসিলে সুনির্দিষ্ট জায়গা নির্ধারণ করে জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া, গণঅভ্যুত্থানকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ, গণহত্যা এবং শেখ হাসিনাসহ তার দোসরদের বিচারের গতি দ্রুত করার বিষয়ে তারা জোর দাবি জানিয়েছেন। সরকার ও আদালত বিচার কার্যক্রমে স্বাধীন হলেও তদন্ত, প্রসিকিউশন এবং চার্জ গঠনের মতো বিচারসহায়ক কাজগুলো যেন দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা যায়, সে বিষয়ে সরকার সম্পূর্ণ আন্তরিক বলে আস্বস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি দণ্ডবিধির অধীনে অন্যান্য আদালতে চলমান মামলাগুলো নিবিড় তদারকির মাধ্যমে নিষ্পত্তির আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় দীর্ঘ ছয়-সাত মাসের আলোচনার ভিত্তিতে একটি জাতীয় ঘোষণাপত্র প্রণীত হয়েছিল, যাতে ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল একমত পোষণ করে। সংবিধানের তফসিলে এটিকে এমনভাবে ধারণ করা হবে যাতে এটি আইনি রূপ পায় এবং জুলাই যোদ্ধারা সাংবিধানিক দায়মুক্তি ও নিরাপত্তা পান।

বিরোধী দলগুলোর রাজনৈতিক অবস্থান ও মন্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো জাতীয় সনদে যেভাবে স্বাক্ষর করেছে, সরকার ঠিক সেই অনুযায়ী কাজ করছে। নোট অব ডিসেন্ট ছাড়া সনদ বাস্তবায়নের কোনো সুযোগ নেই, কারণ ঐক্যমত্য সেভাবেই হয়েছিল। জাতীয় স্বার্থে এবং নির্বাচনী ইশতেহারের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে একটি সর্বজনগ্রাহ্য বিল সংসদে জমা দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

সংবিধানে গণভোট ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অতীতে যে গণভোটের কথা বলা হয়েছিল তা ছিল আইনি গণভোট। কিন্তু সামনে যে পরিবর্তনগুলো আসছে, সেগুলো পুরোপুরি সাংবিধানিক বাধ্যতামূলক গণভোট। সংবিধানের প্রস্তাবনা, অনুচ্ছেদ ৮-এ উল্লিখিত মূলনীতি, অনুচ্ছেদ ৪৮, ৫৬ এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার মতো বিষয়গুলোতে মৌলিক পরিবর্তন আনতে হলে সংশোধনের পর রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের আগেই জনগণের রায়ের জন্য গণভোটের আয়োজন করতে হবে। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৪২ অনুচ্ছেদ থেকে গণভোটের বিধান তুলে দেওয়াকে হাইকোর্ট ইতোমধ্যে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছে। আইনের ‘ডকট্রিন অব ইক্লিপস’ বা গ্রহণ তত্ত্বের আলোকেও ওই বাতিলের সিদ্ধান্ত দূর হয়ে আগের আইনি অবস্থা বহাল হয়েছে। সংসদে এটি পুরোপুরি প্রতিস্থাপিত হলে গণভোটের বিষয়টি আর কোনো প্রশ্নের মুখে থাকবে না।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার কাঠামোর বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করেন যে, ১৯৯৬ বা ২০০৬ সালের আগের অনুকরণে হুবহু কিছু করা হচ্ছে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন এবং কোন প্রক্রিয়ায় অন্তর্বর্তীকালীন এই সরকার গঠিত হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সরকার বর্তমানে সমাজের সব স্তরের মানুষ, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন, বিচারক, সাবেক বিচারপতি, সংবিধান বিশেষজ্ঞ এবং শিক্ষাবিদদের মতামত গ্রহণ করছে। অতীতে বিতর্কিত হওয়ায় রাষ্ট্রপতির কাছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানের দায়িত্ব অর্পণের শেষ অপশনটি বাদ দেওয়ার পক্ষে সরকারের অবস্থান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর বাইরে কেউ রাজপথে লংমার্চ বা কর্মসূচি পালন করলে সেটি তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার হিসেবে গণ্য হবে, তবে চূড়ান্ত সাংবিধানিক সিদ্ধান্ত সংসদের আলোচনার মধ্য দিয়েই নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসির বিদায়ী ম্যাচে হলুদ ও লাল কার্ড দেখালেন রেফারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২৮ পি.এম


মেসির বিদায়ী ম্যাচে হলুদ ও লাল কার্ড দেখালেন রেফারি

আন্তর্জাতিক ফুটবলে খেলোয়াড়দের অপরাধের জন্য রেফারিরা লাল ও হলুদ কার্ড প্রদর্শন করেন। কিন্তু লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারের বিদায়ী ম্যাচে একটি ভিন্ন দৃশ্য দেখা গেল।

মাঠে তখন বেনিনের বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচটি শেষ হওয়ার প্রান্তে। ক্যামেরার সব দৃষ্টি তখন মেসির দিকে নিবদ্ধ। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজানোর পর আর্জেন্টাইন মহাতারকা মেসির দিকে এগিয়ে আসেন রেফারি ফার্নান্দো ভেখার।

ভেখার হাতে ছিল একটি বিশেষ উপহার। লাল ও হলুদ কার্ড— এই দুটি কার্ড, যা সাধারণত খেলোয়াড়দের শাস্তি দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়, সেগুলোই তিনি মেসির হাতে তুলে দেন।

কিন্তু এই কার্ডগুলো কোনো শাস্তির প্রতীক নয়। বরং, মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচের স্মৃতি হিসেবে সম্মান জানাতে ভেখার এই কার্ডগুলোর একটি সেট তুলে দেন। আর্জেন্টিনার অধিনায়ক সেগুলোকে নিজের কাছে রেখে দেন ম্যাচের শেষ স্মৃতি হিসেবে।

এর আগে, বিদায়ী ম্যাচটি মেসির জন্য ছিল এক স্বপ্নের অভিজ্ঞতা। বেনিনের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে জয়লাভের ম্যাচে আর্জেন্টিনার তিনটি গোলেই তার সরাসরি অবদান ছিল। নিকোলাস ওতামেন্দি ও নিকো পাজকে দিয়ে দুটি গোল করানোর পর, ৭১তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিজেও একটি গোল করেন তিনি।

বিদায়ী ম্যাচে মেসির নামের পাশে ১ গোল ও ২ অ্যাসিস্ট রয়ে যায়। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচে ২০৮তম বার আর্জেন্টিনার জার্সি পরে মাঠে নেমে তিনি নিজের শেষ গোলটিও করেন।

আলবিসেলেস্তেদের হয়ে তার নামের পাশে ১২৬ গোল এবং ৭০টি অ্যাসিস্ট রইলো। শুধু কার্ডই নয়, বিদায়ী ম্যাচের বলটিও মেসির হাতে তুলে দিয়ে দিনটি স্মরণীয় করে রাখা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম বন্দরে অনুমতি ছাড়া ছবি-ভিডিও ধারণে নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২৯ পি.এম


চট্টগ্রাম বন্দরে অনুমতি ছাড়া ছবি-ভিডিও ধারণে নিষেধাজ্ঞা

চট্টগ্রাম বন্দরের সংবেদনশীল স্থাপনা, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ছবি-ভিডিও ধারণ এবং বিভিন্ন মাধ্যমে তা প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সংরক্ষিত এলাকা, নজরদারি সক্ষমতা, স্থাপনার বিন্যাস ও অপারেশনাল তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করার জন্য পূর্বানুমোদন গ্রহণ করা আবশ্যক। অনুমতি ছাড়া এসব তথ্য প্রকাশ করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের প্রধান সামুদ্রিক প্রবেশদ্বার এবং জাতীয় অর্থনীতি, আমদানি-রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও জাতীয় নিরাপত্তা বিধিমালা অনুসরণ করে বন্দরের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক জাহাজ ও বন্দর স্থাপনা নিরাপত্তা (আইএসপিএস) কোড অনুসরণের ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম বন্দর “জিরো অবজারভেশন” অর্জন করেছে।

এছাড়া, দেশের “ক” শ্রেণির কেপিআই (গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা) হিসেবে বন্দরের নিরাপত্তা, অবকাঠামো ও সংবেদনশীল স্থাপনার সুরক্ষা জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি জড়িত বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২২ এর ১২ ধারা অনুযায়ী, বন্দরের সুষ্ঠু পরিচালনা ও সর্বসাধারণের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বন্দর সীমানার অন্তর্ভুক্ত সব স্থান ও স্থাপনাকে সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে গণ্য করা হয়। অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, ১৯২৩ এর বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট সংবেদনশীল স্থান, তথ্য, নকশা, ছবি বা অন্যান্য উপাত্তের অননুমোদিত ধারণ, প্রকাশ বা প্রচার আইনত দণ্ডনীয় হতে পারে।

কর্তৃপক্ষ জানায়, অনুমোদন ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, গণমাধ্যমসহ যেকোনো মাধ্যমে বন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সংরক্ষিত এলাকা, নজরদারি সক্ষমতা, স্থাপনার বিন্যাস ও অপারেশনাল তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করা যাবে না।

এছাড়া, বন্দরের সংবেদনশীল স্থাপনা, নিরাপত্তা, প্রবেশ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, নজরদারি, যোগাযোগ ব্যবস্থা, জাহাজ ও কার্গো ব্যবস্থাপনাসহ অন্যান্য স্থাপনার অননুমোদিত ছবি, ভিডিও, স্কেচ বা যেকোনো ধরনের দৃশ্যমান তথ্য সংগ্রহ ও প্রচার থেকে বিরত থাকতে সবাইকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে কেপিআই, সংরক্ষিত এলাকা ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত স্থাপনার ক্ষেত্রে অনুমতিহীন কোনো কার্যক্রম কঠোরভাবে পরিহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বন্দর ব্যবহারকারী সবাইকে নিরাপত্তা নির্দেশনা যথাযথভাবে মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে কর্তৃপক্ষ বলেছে, অননুমোদিত তথ্য প্রকাশ বা প্রচারের মাধ্যমে বন্দরের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইন, নিরাপত্তা বিধিমালা ও বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রচলিত নির্দেশনা অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্র্যাকে সপ্তাহে ২ দিন ছুটিসহ চাকরির সুযোগ, আবেদন ১১ অক্টোবর পর্যন্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২৯ পি.এম


ব্র্যাকে সপ্তাহে ২ দিন ছুটিসহ চাকরির সুযোগ, আবেদন ১১ অক্টোবর পর্যন্ত

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ব্র্যাক জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১১ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

পদের নাম: প্রজেক্ট অফিসার

বিভাগ: ওয়াশ, এইচসিএমপি

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি

অন্যান্য যোগ্যতা হিসেবে মাইক্রোসফট অফিসের (এক্সেল, ওয়ার্ড, পাওয়ারপয়েন্ট, আউটলুক) উপর দক্ষতা থাকতে হবে। ইআরপি (ERP) এবং অনলাইন ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সম্পর্কে জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। ওয়্যারহাউস ও স্টক ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার সম্পর্কিত জ্ঞানও প্রয়োজন। গুগল ওয়ার্কস্পেস (গুগল শিটস, ডকস, ফর্মস, ড্রাইভ)-এ দক্ষতা থাকা আবশ্যক।

অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ১ বছর

চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক

কর্মক্ষেত্র: অফিসে

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)

বয়সসীমা: ১৮-৪৫ বছর

কর্মস্থল: কক্সবাজার (উখিয়া)

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

অন্যান্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে মোবাইল বিল, সাপ্তাহিক ২ দিন ছুটি, উৎসব বোনাস, স্বাস্থ্য ও জীবন বিমা, এবং পিতৃত্বকালীন/মাতৃত্বকালীন ছুটিসহ প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তুরস্কে সম্মেলনে অংশ নিতে ঢাকা ত্যাগ করলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৩০ পি.এম


তুরস্কে সম্মেলনে অংশ নিতে ঢাকা ত্যাগ করলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান ঢাকা ত্যাগ করে তুরস্কের উদ্দেশ্যে গেছেন।

তিনি বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তুরস্কের দিকে রওনা হন।

বিমানবন্দরে জামায়াতের আমিরকে বিদায় জানাতে উপস্থিত ছিলেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. মোবারক হোসাইন।

ডা. শফিকুর রহমান তুরস্কের ইস্তাম্বুল ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিতব্য ‘সেকেন্ড ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন বাংলাদেশ স্টাডিজ’এ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন।

সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘বাংলাদেশ ২.০-এর সংস্কারের বহুমাত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং তুরস্ক-বাংলাদেশের সহযোগিতার নতুন দিগন্ত’। ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয় এবং সেন্টার ফর পলিসি অ্যান্ড সোশ্যাল রিসার্চ (সিপিএসআর) সম্মেলনটি যৌথভাবে আয়োজন করছে।

এই সম্মেলনে বাংলাদেশ, তুরস্ক এবং অন্যান্য দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক, কূটনীতিক, গবেষক এবং বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবেন।

সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সৌদি আরবে গিয়ে পবিত্র ওমরাহ পালন করবেন। ওমরাহ পালন শেষে তিনি আগামী ১১ অক্টোবর সকালে দেশে ফেরার পরিকল্পনা করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%