ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল খাতে সক্ষমতা বাড়াতে এমওইউ স্বাক্ষর


নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল খাতে সক্ষমতা বাড়াতে এমওইউ স্বাক্ষর

ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল খাতকে আরও টেকসই, পরিবেশবান্ধব এবং বৈশ্বিক বাজারের উপযোগী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে সার্কুলার অর্থনীতি বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ।

এই সমর্থন কার্যক্রমের ফলে টেক্সটাইল মূল্য শৃঙ্খলে সম্পদের দক্ষ ব্যবহার, বর্জ্য কমানো, পুনর্ব্যবহারযোগ্য উৎপাদন ব্যবস্থা এবং সবুজ শিল্পায়ন বিষয়ে দুই দেশের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।

সোমবার, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘এমওইউ সাইনিং অন কোপারেশন ইন দি ফিল্ড অব সার্কুলার ইকনমিক’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগে আগ্রহ

অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বৈশ্বিক টেক্সটাইল শিল্পে টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা ও সার্কুলার পদ্ধতি গ্রহণ এখন সময়ের অপরিহার্য দাবি।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল খাতের সরবরাহ ব্যবস্থা যেহেতু বৈশ্বিক পরিসরে বিস্তৃত, তাই এই খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

তিনি জানান, বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক আস্থা, অভিন্ন মূল্যবোধ এবং শক্তিশালী অর্থনৈতিক সহযোগিতার ভিত্তিতে অংশীদার হিসেবে কাজ করছে।

পানি ব্যবস্থাপনা, কৃষি, লজিস্টিকস এবং টেকসই শিল্প উন্নয়ন বিষয়ে নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও বাণিজ্য সহযোগী।

আরও পড়ুন: পায়রা বন্দরে অত্যাধুনিক কার্গো হ্যান্ডলিং যন্ত্রের সংযোজন

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এই সমঝোতা স্মারক আমাদের অংশীদারিত্বকে আরও সবুজ, স্থিতিশীল ও ভবিষ্যতমুখী অর্থনীতির পথে এগিয়ে নেওয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

সার্কুলার অর্থনীতি কেবল পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয় নয়; এটি বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা, টেকসই বিনিয়োগ আকর্ষণ, সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক বাজারের নতুন চাহিদা মোকাবিলার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।’

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পথে রয়েছে।

এ প্রেক্ষাপটে শিল্পখাতের টেকসই সক্ষমতা বৃদ্ধি, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ ভবিষ্যৎ বাণিজ্য প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে।

আরও পড়ুন: মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশ ভ্রমণের আহ্বান জানালেন ডেপুটি হাইকমিশনার

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সার্কুলার অর্থনীতিতে রূপান্তর কোনও একক পক্ষের মাধ্যমে সম্ভব নয়।

এই জন্য সরকার, শিল্পখাত, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং ভোক্তাদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

এই সমঝোতা স্মারকে বহু-পক্ষীয় সহযোগিতা ও জ্ঞান বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যা টেক্সটাইল খাতে প্রয়োজনীয় কাঠামোগত পরিবর্তন আনতে সহায়ক হবে।

অনুষ্ঠানে নেদারল্যান্ডস সরকারের অব্যাহত সহযোগিতা ও গঠনমূলক অংশগ্রহণের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এই অংশীদারিত্ব টেকসই শিল্প উন্নয়ন এবং জলবায়ু লক্ষ্য অর্জনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি সফল উদাহরণ হয়ে উঠবে।

আরও পড়ুন: ইইউর রাসায়নিক পণ্যে অ্যান্টি-ডাম্পিং তদন্ত শুরু করেছে চীন

সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়েছে বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং নেদারল্যান্ডসের মিনিস্ট্রি অফ ইকনমিক অ্যাফেয়ার্স এন্ড ক্লাইমেট পলিসি-এর মধ্যে।

বাংলাদেশের পক্ষে এতে স্বাক্ষর করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং নেদারল্যান্ডসের পক্ষে স্বাক্ষর করেন দেশটির ক্লাইমেট এন্ড গ্রিন গ্রোথ বিষয়ক মন্ত্রী স্টিয়েন্টজে ভ্যান ভেলধোভেন।

দুই দেশের মন্ত্রীরা ভার্চুয়াল মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে নিজ নিজ দেশের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

নেদারল্যান্ডসের ক্লাইমেট অ্যান্ড গ্রিন গ্রোথ মন্ত্রী স্টিয়েন্টজে ভ্যান ভেলধোভেন বলেন, সার্কুলার অর্থনীতির প্রসার এখন অত্যন্ত জরুরি।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ৭ দেশের রাষ্ট্রদূত ও ইইউ প্রতিনিধিদের বৈঠক

তবে কোনো দেশ এককভাবে এই রূপান্তর সম্পন্ন করতে পারবে না।

পুরো সরবরাহ শৃঙ্খলজুড়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব এবং সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

তিনি জানালেন, দুই দেশের কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে অগ্রাধিকারভিত্তিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং এসব আলোচনাকে দ্রুত বাস্তব পদক্ষেপে রূপ দেওয়া প্রয়োজন।

তিনি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফোরামেও বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ

একই সঙ্গে দুই দেশের সহযোগিতাকে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান, নেদারল্যান্ডসে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ফাইয়াজ মুরশিদ কাজী এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল।

এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক খাতে সবুজ প্রযুক্তির ব্যবহার, উদ্ভাবন, টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশের শিল্পখাতকে জলবায়ু সহনশীল ও ভবিষ্যতের বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থার উপযোগী করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানবতাবিরোধী অপরাধ: ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির রায় যেকোন দিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০৭ পি.এম


মানবতাবিরোধী অপরাধ: ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির রায় যেকোন দিন

ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ পলাতক সাত আসামির বিরুদ্ধে চব্বিশের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় যেকোন দিন প্রকাশিত হতে পারে।

আজ সোমবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই নির্দেশনা দেন, যখন উভয় পক্ষের শুনানি ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে।

ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম এবং প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম।

অন্যদিকে আসামি ওবায়দুল কাদের, নাছিম ও আরাফাতের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম হাসান ইমাম। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদক ও যুবলীগ সভাপতি-সম্পাদকের পক্ষে শুনানি করেন ইশরাত জাহান।

অপর পলাতক আসামিরা হলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল। এছাড়া নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানও পলাতক রয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সামাজিক অবক্ষয়কে লাল কার্ড দেখিয়ে শপথ নিলো পঞ্চগড়ের শিক্ষার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০৯ পি.এম


সামাজিক অবক্ষয়কে লাল কার্ড দেখিয়ে শপথ নিলো পঞ্চগড়ের শিক্ষার্থীরা

পঞ্চগড়, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : দেশের সীমান্তবর্তী জেলা পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার কয়েক শতাধিক স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী একটি একযোগে লাল কার্ড প্রদর্শন করেছে। এর মাধ্যমে কিশোর অপরাধ, মাদক ও স্মার্টফোন আসক্তির বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।

আজ সোমবার, উপজেলার নৃপেন্দ নারায়ণ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে টিফিনের টাকায় পরিচালিত ‘লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘ’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে। বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে কিশোর অপরাধ ও মাদকবিরোধী একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি এই সময়ে চরিত্র গঠনের শপথ অনুষ্ঠানও আয়োজন করে সংগঠনটি।

এই ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জি এম রহুল আমিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইন্দ্রজীত সাহা। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অনুরোধে তিনি উন্নত চরিত্র গঠনের শপথ পাঠ করান, যার মধ্যে মাদক, কিশোর অপরাধ এবং স্মার্টফোনের অপব্যবহার থেকে বিরত থাকার প্রতিশ্রুতি ছিল।

এ সময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দেবীগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) প্রবীর সরকার, লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় সভাপতি কাওসার আলম সোহেল এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবী ফোরামের যুগ্ম সমন্বয়ক ওয়াসিম আকরাম প্রমুখ।

লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘের সভাপতি কাওসার আলম সোহেল বলেন, টিফিনের টাকা সাশ্রয় করে পরিচালিত এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি গত ১৫ বছর ধরে দেশের ৬৪ জেলায় শিক্ষার্থীদের সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কঠোর পরিশ্রম করছে। বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে সংগঠনটি এ পর্যন্ত প্রায় ৪৫ লাখ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সচেতন করেছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জি এম রহুল আমিন বলেন, আমরা শিক্ষকরা প্রতিনিয়ত শিক্ষার্থীদের এসব বিষয়ে সচেতন করার চেষ্টা করছি। লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘ যে শপথ ও লাল কার্ডের আয়োজন করেছে, এটি সামাজিক অবক্ষয়ের রোধে একটি চমৎকার উদ্যোগ। যদি আমরা সবাই নিজেদের জায়গা থেকে সচেতনতা তৈরি করি, তাহলে নতুন প্রজন্ম মাদক, অপরাধ এবং সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে থাকতে পারবে।

দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইন্দ্রজীত সাহা বাসসকে বলেন, শিক্ষার্থীদের উন্নত চরিত্র গঠনের এবং মাদক, কিশোর অপরাধ ও স্মার্টফোনের অপব্যবহার থেকে বিরত থাকার জন্য লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘ যে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, তা একটি প্রশংসনীয় বিষয়।

আমরা প্রত্যাশা করছি যে আমাদের শিক্ষার্থী তথা নতুন প্রজন্ম সকল সামাজিক অবক্ষয় এবং অপরাধ থেকে বিরত থাকবে। সবাইকে এভাবেই এগিয়ে আসতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে পুলিশকে ডিআইজি’র নির্দেশনা: জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পেশাদার ও প্রযুক্তিনির্ভর হতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:১০ পি.এম


চট্টগ্রামে পুলিশকে ডিআইজি’র নির্দেশনা: জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পেশাদার ও প্রযুক্তিনির্ভর হতে

চট্টগ্রাম, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য চট্টগ্রাম জেলা পুলিশকে আরও সক্রিয়, পেশাদার ও প্রযুক্তিনির্ভর হওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী।

সোমবার (১৭ আগস্ট) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় পরিদর্শন করেন এবং জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সব থানার অফিসার ইনচার্জদের (ওসি) সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশনা প্রদান করেন।

সভায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধের ধরণ ও প্রবণতা, মামলার তদন্ত ও নিষ্পত্তি, মাদকবিরোধী কার্যক্রম এবং থানাসমূহের সেবামুখী পদক্ষেপ পর্যালোচনা করা হয়।

মাদক নির্মূলের উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে ডিআইজি বলেন, শুধু খুচরা বিক্রেতাই নয়, বরং মাদকের মূল উৎস, সরবরাহকারী ও মূল হোতাদের চিহ্নিত করে নির্মূল করতে হবে। এছাড়া, দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। চাঞ্চল্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করতে এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা নিশ্চিত করতে ওসিদের নির্দেশ দেন তিনি।

ডিআইজি কুদ্দুছ চৌধুরী এসময় বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন করা হোক জনবান্ধব পুলিশিংয়ের প্রধান লক্ষ্য। সততা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনের উপর গুরুতর গুরুত্ব দিতে হবে। থানায় সেবা নিতে আসা নারী, শিশু ও সাধারণ জনগণের সঙ্গে সৌজন্যপূর্ণ আচরণ করা এবং ভুক্তভোগীদের দ্রুত আইনি সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

এ সময় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম বলেন, জেলাজুড়ে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছে। কিশোর অপরাধ, চুরি-ছিনতাই, ডাকাতি ও সাইবার অপরাধ মোকাবেলার জন্য বিশেষ অভিযান এবং নজরদারি আরও বাড়ানো হবে। থানাকে জনগণের আস্থার স্থানে রূপান্তর করার জন্য বিট পুলিশিং ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

পরিদর্শনের শেষে ডিআইজি রেঞ্জের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বিতভাবে কাজ করে জনগণের নিরাপত্তা ও কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দ্রুত অবকাঠামো নির্মাণের তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর কার্গো হ্যান্ডলিং সমস্যা সমাধানে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:১১ পি.এম


দ্রুত অবকাঠামো নির্মাণের তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর কার্গো হ্যান্ডলিং সমস্যা সমাধানে

ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : দেশের বিমানবন্দরে কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো দ্রুত নির্মাণের তাগিদ দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন, দীর্ঘ প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় আটকে না থেকে জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী ও স্থায়ী ওয়্যারহাউজ নির্মাণের কাজ এগিয়ে নিতে হবে।

সোমবার, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিমানবন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ওয়্যারহাউজ নির্মাণের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেন, বিমানবন্দরের অবকাঠামো তৈরি ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। কাস্টমসের দায়িত্ব হলো আমদানি-রফতানি পণ্যের বৈধতা নিশ্চিত করা, প্রয়োজনীয় ঘোষণা, কাগজপত্র এবং শুল্ক-সংক্রান্ত বিষয় নিশ্চিত করা। ওয়্যারহাউজ নির্মাণ ও অবকাঠামো ব্যবস্থাপনা কাস্টমসের জন্য প্রধান দায়িত্ব নয়।

তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি করে দেওয়া হলে কাস্টমস সেখানে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। তাই, কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে অবকাঠামোগত সমস্যার দ্রুত সমাধান প্রয়োজন।

খন্দকার মুক্তাদির আরো বলেন, বিষয়টি সরাসরি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত না হলেও দেশের বাণিজ্য ও রফতানি কার্যক্রমের সঙ্গে এটি গভীরভাবে সম্পর্কিত। বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে বিমানবন্দরটি আধুনিক কার্গো ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে এই সমস্যা সমাধানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি দ্রুত কার্যক্রম এগিয়ে নিতে প্রয়োজনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধিকে যুক্ত করে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় কাঠামোর মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তাব দেন। এতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে সমন্বয় বাড়বে এবং সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের গতি ত্বরান্বিত হবে।

অস্থায়ী ওয়্যারহাউজের জন্য জায়গা নির্ধারণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুত সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভাড়া বা অন্য কোনো উপায়ে জায়গা নিতে হলে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা দরকার। মূল লক্ষ্যে থাকতে হবে যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় সুবিধা চালু করা।

সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে অধিকতর নিরাপদ, আধুনিক ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরে সম্মিলিতভাবে কাজ করা হচ্ছে। দীর্ঘদিনের কারিগরি ও অবকাঠামোগত সমস্যার দ্রুত সমাধানকেই এখন অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সহজ করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত রাখার মাধ্যমে দ্রুত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ওপর তাঁর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় বিমানবন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধি, পণ্য খালাসের প্রক্রিয়া দ্রুত করা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রতিবন্ধকতা কমাতে অস্থায়ী সমাধানের পাশাপাশি স্থায়ী ওয়্যারহাউজ নির্মাণের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।

এ লক্ষ্যে বিমান বন্দরের নিকটবর্তী এলাকায় একটি অস্থায়ী ওয়্যারহাউজ নির্মাণ করার জন্য সাতটি সম্ভাব্য স্থান এবং একটি স্থায়ী ওয়্যারহাউজ নির্মাণ করার লক্ষ্যে চারটি সম্ভাব্য স্থানের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%