ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জানা গেল রোজা শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি


জানা গেল রোজা শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ১৪৪৮ হিজরির রবিউল সানি মাসের প্রথম দিন হওয়ায়, রমজান মাসের ক্ষণগণনা শুরু হয়েছে। পবিত্র মাসটি শুরু হতে এখন ১৪৭ দিন বাকি রয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রবিউল সানি মাসের তৃতীয় দিন। বর্তমান জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গণনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের রমজান মাস সোমবার, ৮ই ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এর আনুষ্ঠানিক তারিখ নতুন অর্ধচন্দ্র দেখার উপর নির্ভর করবে।

রমজান মাস কখনোই পরপর দুইবার একই গ্রেগরিয়ান তারিখে পড়ে না। ইসলামিক ক্যালেন্ডার চন্দ্রচক্র অনুসরণ করে এবং এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৫৪ দিন, যা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের চেয়ে প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন ছোট। এই কারণে পবিত্র মাসটি প্রতি বছর আরও আগে চলে আসে।

আরও পড়ুন: সৌদি আরবে গিয়ে ইসলাম গ্রহণ: সিস্টার ডেইজির জীবনের গল্প

এই ক্রমিক পরিবর্তনের ফলে মুসলমানরা প্রায় ৩৩ বছরের একটি চক্রে প্রতিটি ঋতুতেই রমজান মাস পালন করে থাকেন।

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৭ই ফেব্রুয়ারি, রোবাবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রমজানের নতুন চাঁদ দেখার চেষ্টা করা হবে। যদি চাঁদ দেখা যায়, তবে সেই সন্ধ্যায় প্রথম তারাবিহ নামাজ আদায় করা হবে এবং মুসলমানরা পরদিন সকাল থেকে রোজা রাখা শুরু করবে।

শাওয়ালের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে মাসটি ২৯ বা ৩০ দিন স্থায়ী হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকারিভাবে নিশ্চিত হওয়া সাপেক্ষে, বর্তমানে পূর্বাভাস অনুযায়ী ২০২৭ সালের ১০ই মার্চ, বুধবার ঈদুল ফিতর শুরু হবে।

রমজান হলো ইসলামী বর্ষপঞ্জির নবম মাস এবং মুসলমানদের কাছে এটি বছরের সবচেয়ে পবিত্র সময় হিসেবে বিবেচিত। এই মাসে মুসলমানরা বিশ্বাস করেন যে, নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর উপর সর্বপ্রথম কুরআন অবতীর্ণ হয়েছিল।

আরও পড়ুন: শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা পুত্রবধূর জন্য বাধ্যতামূলক নয়, জানুন ইসলামের বিধান

রমজান মাস জুড়ে মুসলমানরা ভোর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা রাখেন এবং খাদ্য ও পানীয় থেকে বিরত থাকেন। এই সময়ে তারা প্রার্থনা, দান, আত্মসংযম, পরিবার ও সম্প্রদায়ের উপর অধিক গুরুত্ব আরোপ করেন।

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গণনার ক্রমবর্ধমান নির্ভুলতা সত্ত্বেও, ইসলামী রীতি অনুসারে নতুন চাঁদ দেখার মাধ্যমেই রমজান মাসের আনুষ্ঠানিক সূচনা নির্ধারিত হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের মিশন শুরু ভুটান ম্যাচ দিয়ে, সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ পি.এম


বাংলাদেশের মিশন শুরু ভুটান ম্যাচ দিয়ে, সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ

অবশেষে অপেক্ষার অবসান ঘটেছে। দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ফেডারেশন (সাফ) ‘সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’-এর পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ করেছে। সূচি অনুযায়ী, আগামী ৫ নভেম্বর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তানের ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্টের সূচনা হবে। একই দিনে স্বাগতিক বাংলাদেশ ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তাদের মিশন শুরু করবে।

প্রকাশিত সূচিতে দেখা যাচ্ছে, গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে রাতের বেলায়। ৫ নভেম্বর রাত ৮টায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা ভুটানের মুখোমুখি হবে। এরপর ১১ নভেম্বর একই সময়ে তারা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামবে।

গ্রুপ পর্বের পূর্ণাঙ্গ সূচি অনুযায়ী, ৫ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টায় ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের পর রাত ৮টায় ভুটান-বাংলাদেশ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

৮ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টায় মালদ্বীপ ও পাকিস্তানের মধ্যে খেলা হবে। একই দিন রাত ৮টায় শ্রীলঙ্কা ও ভুটান মুখোমুখি হবে।

১১ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টায় ভারত ও মালদ্বীপের ম্যাচের পর রাত ৮টায় বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

গ্রুপ পর্ব শেষে ১৪ নভেম্বর দুটি সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম সেমিফাইনাল বিকেল ৩টায় এবং দ্বিতীয় সেমিফাইনাল রাত সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ১৭ নভেম্বর রাত ৮টায় শিরোপা নির্ধারণী ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।

তবে, এই সূচি এখনো চূড়ান্ত নয়। নেপালের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলে সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে বলে সাফ জানিয়েছে। সে ক্ষেত্রে টুর্নামেন্ট শুরুর তারিখও এক দিন এগিয়ে ৪ নভেম্বর হতে পারে। নেপালের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হওয়ার পর সংশোধিত ও চূড়ান্ত ফিকশ্চার প্রকাশ করা হবে।

ঘরের মাঠে এবারের সাফে বাংলাদেশের সামনে নিজেদের দর্শকদের সামনে ভালো কিছু করার একটি বড় সুযোগ রয়েছে। ভুটান ম্যাচ দিয়েই শুরু হবে সেই শিরোপা-যাত্রা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৬ শিশুর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ পি.এম


হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৬ শিশুর মৃত্যু

বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) হাম রোগের উপসর্গ নিয়ে ৬ জন শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। এই সময়ের মধ্যে ১ হাজার ৩১৬ জনের শরীরে হাম সংক্রান্ত উপসর্গ দেখা গেছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বিস্তারিত আসছে...

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এশিয়ান গেমসে বিছানা নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার গুরুতর অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৪ পি.এম


এশিয়ান গেমসে বিছানা নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার গুরুতর অভিযোগ

দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন যে, চলতি সপ্তাহে জাপানে শুরু হতে যাওয়া এশিয়ান গেমসের আবাসন ব্যবস্থা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে খারাপ। তারা সতর্ক করেছেন যে, কক্ষের তীব্র সংকট বিদ্যমান।

দক্ষিণ কোরিয়ার বাস্কেটবল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শিপিং কনটেইনারের আদলে তৈরি কেবিনের বিছানা এতটাই ছোট যে, খেলোয়াড়রা পুরোপুরি পা মেলে শুতে পারছেন না। অন্যদিকে, ফিলিপিন্সের কর্মকর্তাদের মধ্যে কেউ কেউ থাকার জন্য এয়ারবিএনবির আশ্রয় নিয়েছেন।

এবারের গেমসে খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে কোনো নির্দিষ্ট অ্যাথলেট ভিলেজ রাখা হয়নি। আয়োজকরা একটি ক্রুজ জাহাজ, অস্থায়ী কাঠের কেবিন এবং বিভিন্ন হোটেলের ওপর নির্ভর করছেন।

নাগোয়া শহর ও আইচি প্রিফেকচারে আয়োজিত এশিয়ান গেমস আনুষ্ঠানিকভাবে শনিবার শুরু হবে। তবে ফুটবল ও বাস্কেটবল প্রতিযোগিতা ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।

দক্ষিণ কোরিয়া বাস্কেটবল অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জুং জে-ইয়ং এএফপিকে জানান, পুরুষ বাস্কেটবল দলের জন্য যে কেবিন বরাদ্দ করা হয়েছে, তা নিয়ে তিনি গভীর অসন্তুষ্ট।

তিনি বলেন, "আমার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বলতে পারি, এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে খারাপ ব্যবস্থা। দুই মিটারের বেশি লম্বা খেলোয়াড়রা বিছানায় পা পর্যন্ত মেলে শুতে পারেন না। এটা কোনোভাবেই যুক্তিসংগত নয়।"

দক্ষিণ কোরিয়ার বাস্কেটবল দলের সদস্য বিয়ন জুন-হিয়ং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। ভিডিওতে তার কেবিনের চুইয়ে পড়া পানির কল এবং পানিতে ভেজা মেঝে দেখা যায়।

ভিডিওটির সঙ্গে তিনি লিখেছেন, "দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন।"

গেমস চলাকালীন দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় এসব কেবিনে প্রায় ২,০০০ খেলোয়াড় ও কর্মকর্তা থাকার কথা রয়েছে।

কেবিনগুলোর অবস্থা নিয়ে ভারতীয় ক্রীড়া কর্মকর্তারাও উদ্বিগ্ন। তারা নিজেদের খেলোয়াড়দের সেখানে থাকার অভিজ্ঞতার সঙ্গে মানিয়ে নিতে সহায়তা করার জন্য একই ধরনের কেবিনের প্রতিরূপ তৈরি করেছেন।

ভাইস প্রেসিডেন্ট জুং অভিযোগ করেন, দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্বেগের বিষয়ে আয়োজকরা কোনো সাড়া দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।

জুং বলেন, "আয়োজকরা এখনো কিছু বলেননি। আমরা খুবই উদ্বিগ্ন এবং এ বিষয়ে কী করা যায়, তা নিয়ে কোরিয়ান স্পোর্ট অ্যান্ড অলিম্পিক কমিটির সঙ্গে ব্যাপক আলোচনা করছি।"

গত সপ্তাহে নাগোয়ায় রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাতের সময় কয়েক শ’ খেলোয়াড়কে তাদের আবাসন থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

আগামী কয়েক দিনেও আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

এশিয়ান গেমসে ১৭,০০০-এর বেশি খেলোয়াড় ও কর্মকর্তার অংশগ্রহণের কথা রয়েছে, যা অলিম্পিক গেমসের তুলনায়ও বেশি।

স্থানীয় আয়োজকরা শুরুতে ১৫,০০০ জনের আশা করেছিলেন। তবে গত মাসে তারা বলেছিলেন, অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার মতো "জনবল বা বাজেট- কোনোটিই তাদের নেই।"

পরে এশিয়ান গেমসের আয়োজক সংস্থা অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়া (ওসিএ) জানায়, প্রত্যেকের থাকার ব্যবস্থা করা হবে।

তারকা ক্রিকেটাররাও উন্নতমানের হোটেলের স্বল্পতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার অলিম্পিক কমিটির এক কর্মকর্তা জানান, গেমস শুরুর আর মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকলেও আবাসন নিয়ে সমস্যা রয়েছে।

তিনি বলেন, "এই মুহূর্তে শুধু এশিয়ান গেমসে দক্ষিণ কোরিয়ার পুরো দলের জন্যই নয়, আইচি-নাগোয়া এলাকায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদলের জন্যও গুরুতর আবাসন সংকট রয়েছে।"

"সমস্যার সমাধান করতে এবং এ ধরনের কোনো সমস্যা যাতে না থাকে, তা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।"

ফিলিপাইন অলিম্পিক কমিটির সভাপতি আব্রাহাম টোলেন্তিনো জানান, তার দেশের সব খেলোয়াড়ের জন্য কক্ষের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তবে "কিছু কর্মকর্তা, যেমন কোচদের, বিভিন্ন হোটেল ও এয়ারবিএনবিতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।" ইতালির ক্রুজ জাহাজ কোস্টা সেরেনা মঙ্গলবার নাগোয়ায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। জাহাজটিতে ৪,০০০ থেকে ৫,০০০ খেলোয়াড় থাকবেন।

বাকি খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা হোটেলে থাকবেন। এর মধ্যে টোকিওর হোটেলও রয়েছে, যেখানে সাঁতার, ডাইভিং ও অশ্বারোহী ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৮ ও ২০২৯ চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের ভেন্যু আলিয়াঞ্জ অ্যারেনা ও ক্যাম্প ন্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৪ পি.এম


২০২৮ ও ২০২৯ চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের ভেন্যু আলিয়াঞ্জ অ্যারেনা ও ক্যাম্প ন্যু

উয়েফা ২০২৮ ও ২০২৯ সালের চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের ভেন্যু ঘোষণা করেছে। ২০২৮ সালের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে জার্মানির মিউনিখের আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায়। অন্যদিকে, ২০২৯ সালের শিরোপার লড়াই হবে স্পেনের বার্সেলোনার সংস্কার করা ক্যাম্প ন্যুতে।

থেসালোনিকিতে মঙ্গলবার উয়েফার নির্বাহী কমিটির সভায় বিডিং প্রক্রিয়া শেষে এই দুটি ভেন্যু চূড়ান্ত করা হয়।

আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় এটি হবে চ্যাম্পিয়নস লিগের তৃতীয় ফাইনাল। এর আগে ২০১২ ও ২০২৫ সালে ইউরোপের ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই প্রতিযোগিতার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছিল বায়ার্ন মিউনিখের মাঠটিতে।

অন্যদিকে, ক্যাম্প ন্যুতে সর্বশেষ চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯৯ সালে। দীর্ঘ বিরতির পর সংস্কার করা ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামটি আবারও ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চের সাক্ষী হতে চলেছে।

নারী চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালের ভেন্যুও নির্ধারণ করেছে উয়েফা। ২০২৮ সালের ফাইনাল হবে ফ্রান্সের লিঁওর পার্ক অলিম্পিক লিঁওনে। এক বছর পর, ২০২৯ সালের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ওয়েলসের কার্ডিফের প্রিন্সিপালিটি স্টেডিয়ামে।

এর আগে ২০২৭ সালের পুরুষ চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের আয়োজক হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে স্পেনের মাদ্রিদের মেত্রোপলিতানো স্টেডিয়াম। একই বছর নারী চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে পোল্যান্ডের ওয়ারশতে।

এদিকে, ইউরোপা লিগের ফাইনালের ভেন্যুও চূড়ান্ত করেছে উয়েফা। ২০২৮ সালের ফাইনাল হবে রোমানিয়ার বুখারেস্টের ন্যাশনাল অ্যারেনায়। ২০২৯ সালের ফাইনালের আয়োজক হিসেবে থাকছে সার্বিয়ার বেলগ্রেড ন্যাশনাল স্টেডিয়াম।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%