ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিএনপি সবসময় অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে : রিজভী


বিএনপি সবসময় অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে : রিজভী

দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন, "বিএনপি সবসময় অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে।"

এই মন্তব্যটি তিনি রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মাসকরা গ্রামে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত বিএনপি নেতা মিলনের পরিবারের জন্য নির্মিত নতুন ঘরের চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে করেছেন।

রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, "ধর্মের নামে রাজনীতি করে একটি দল মানুষের কাছে জান্নাতের টিকিট বিক্রির চেষ্টা করছে। অথচ তারাই এলাকায় দোজখের আগুন জ্বালিয়ে দিচ্ছে।"

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

তিনি উল্লেখ করেন, ইসলামের মূল শিক্ষা মানবতার সেবা ও মানুষের কল্যাণে কাজ করা। কিন্তু একটি পক্ষ ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে। তারা মানুষের কল্যাণের পরিবর্তে রাজনৈতিক লাভের পেছনে ছুটছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, জামায়াতে ইসলামী বারবার মানুষের সঙ্গে মোনাফেকি করছে। বর্তমানে তারা ত্রাসের রাজনীতি ও সন্ত্রাসের রাজনীতি করছে।

তিনি জানান, "আমরা বিএনপি পরিবারের পক্ষ থেকে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির জন্য এই ঘরটি উপহার দিয়েছি। বিএনপি সবসময় অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে।"

অনুষ্ঠানে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত মিলনের পরিবারের পাঁচ সদস্যের হাতে নবনির্মিত ঘরের চাবি তুলে দেওয়া হয়। এই সময় পরিবারটিকে একটি ছাগলও উপহার দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, সংগঠনটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, সংসদ সদস্য আলহাজ রাশেদা বেগম হিরা, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কামরুল হুদাসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুটকেসে না ধরায় প্রেমিকার মরদেহ দুই টুকরো করেন প্রেমিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:০৯ পি.এম


সুটকেসে না ধরায় প্রেমিকার মরদেহ দুই টুকরো করেন প্রেমিক

গাজীপুরের জয়দেবপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশের খালের জল থেকে নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করার ঘটনায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রেমিকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পিবিআই জানায়, নিহত ডলি আক্তার (৩০) হত্যার পর মরদেহ সুটকেসে না ধরায় কোমর থেকে দুই টুকরো করা হয়।

এ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হত্যায় ব্যবহৃত বটি, দা, ব্লেড, নিহতের মোবাইল ফোন ও জুতা এবং মরদেহ প্যাকেটজাত করতে ব্যবহৃত স্কচটেপের অবশিষ্টাংশ উদ্ধার করা হয়েছে।

গাজীপুর পিবিআই কার্যালয়ে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য প্রকাশ করেন গাজীপুর জেলার পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন, বগুড়ার শিবগঞ্জ থানার সৈয়দপুর পূর্বপাড়া গ্রামের মাসকুর আলমের ছেলে মো. মিশন ইসলাম (২২), তার মা বানু আক্তার (৪৩) এবং গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থানার বুড়াবুড়ি গ্রামের মিজানুর রহমান মিল্টন (২৪)। মিশন ইসলাম তার মায়ের সঙ্গে গাজীপুর মহানগরের বাহাদুরপুর তুলসীভিটা সাগর মার্কেট এলাকায় আনোয়ারের ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

নিহত ডলি আক্তার ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানার পাহাড় পাবিজান গ্রামের বাদশা মিয়ার কন্যা। তিনি স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর গাজীপুরের বানিয়ারচালার একটি কারখানায় কাজ করতেন এবং ওই এলাকায় ভাড়া থাকতেন।

পিবিআই জানায়, শুক্রবার বিকেলে জয়দেবপুর থানার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশের খালের পানিতে একটি সুটকেস ও প্লাস্টিকের বস্তা দেখতে পায় পুলিশ। পরবর্তীতে সুটকেস ও বস্তা থেকে এক নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের বড় ভাই সোহেল বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর নিহতের পরিচয় শনাক্তসহ ছায়া তদন্ত শুরু করে গাজীপুর পিবিআই।

তদন্তের এক পর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হত্যায় জড়িত সন্দেহে মিশন ইসলাম, তার মা বানু আক্তার ও মিজানুর রহমান মিল্টনকে শনাক্ত করা হয়। পরে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) গাজীপুর মহানগরের বাহাদুরপুর তুলসীভিটা এলাকার পৃথক ভাড়া বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে পিবিআই জানতে পারে, ডলি আক্তার ও মিশন ইসলাম একই কারখানায় কাজ করার সুবাদে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। গত ৮ সেপ্টেম্বর রাতে ডলি মিশনের ভাড়া বাসায় গেলে সেখানে মিশন, তার মা বানু আক্তার ও ডলি একসঙ্গে রাতের খাবার খান। পরে মিশন ও ডলি একই কক্ষে এবং বানু পাশের কক্ষে ঘুমাতে যান।

পিবিআইয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, রাতে বিয়ে ও পূর্বের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মিশন ও ডলির মধ্যে কথা কাটাকাটি ও বিরোধ হয়। এক পর্যায়ে ডলিকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন মিশন। তিনি ডলিকে ঘুমের ও অ্যালার্জির ওষুধ খাওয়ান। ডলি ঘুমিয়ে পড়লে রাত ২টার দিকে লুঙ্গি পেঁচিয়ে ও বালিশচাপা দিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন মিশন। পরে মরদেহ চৌকির নিচে লুকিয়ে রাখেন।

পরদিন সকালে ঘর ঝাড়ু দেওয়ার সময় বানু আক্তার চৌকির নিচে ডলির মরদেহ দেখতে পান। এরপর মা-ছেলে মরদেহ গুম করার পরিকল্পনা করেন। তারা বাজার থেকে একটি সুটকেস কিনে আনেন। কিন্তু মরদেহ সুটকেসে না ধরায় ব্লেড সংগ্রহ করেন। পরে বটি, দা ও ব্লেড দিয়ে মরদেহটি কোমর থেকে দুই খণ্ড করা হয়। এক খণ্ড সুটকেসে এবং অপর খণ্ড পলিথিনে মুড়িয়ে প্লাস্টিকের বস্তায় রাখা হয়।

মরদেহ গুম করতে মিশন তার বন্ধু মিজানুর রহমান মিল্টনকে বাসা পরিবর্তনে সহযোগিতার কথা বলে ডেকে আনেন। মিল্টন বাসায় এসে সুটকেস ও বস্তা অটোরিকশায় তুলে দেন। পরে মিশন, বানু ও মিল্টন অটোরিকশায় রাজেন্দ্রপুর যান। সেখান থেকে সিএনজি অটোরিকশায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে ভবানীপুর ব্রিজ এলাকায় গিয়ে সুটকেস ও বস্তাটি খালের পানিতে ফেলে দেন।

পিবিআই জানায়, এ সময় মিল্টনের হাতে রক্ত লাগলে তিনি সুটকেস ও বস্তার ভেতরে কী আছে তা মিশনের কাছে জানতে চান। তখন মিশন সেখানে ডলির মরদেহ থাকার কথা জানান। পরে তারা নিজ নিজ বাসায় চলে যান।

গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মিশনের ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে হত্যায় ব্যবহৃত বটি ও দা, মরদেহ প্যাকেজিংয়ে ব্যবহৃত স্কচটেপের অবশিষ্টাংশ, নিহত ডলির জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল ফোন ও জুতা উদ্ধার করা হয়।

গাজীপুর পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার বলেন, মরদেহ পচে যাওয়ায় প্রথমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন ছিল। পরে ক্রাইমসিন বিশ্লেষণ, আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য ও বিশ্বস্ত সোর্সের সহায়তায় নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। এরপর হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার তিন আসামিই হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে ৫৩৮ পদের জন্য বিশাল নিয়োগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১১ পি.এম


প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে ৫৩৮ পদের জন্য বিশাল নিয়োগ

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর রাজস্ব খাতভুক্ত বিভিন্ন পদে নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ৫৩৮ জনকে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। নিয়োগের জন্য নির্ধারিত পদ দুটি হলো সিমেন ক্যারিয়ার এবং অফিস সহায়ক। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে এবং চলবে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত।

একনজরে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি:

প্রতিষ্ঠানের নাম: প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর

চাকরির ধরন: সরকারি

পদসংখ্যা: ২টি

লোকবল নিয়োগ: ৫৩৮ জন

আবেদনের মাধ্যম: অনলাইন

আবেদন শুরুর তারিখ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আবেদনের শেষ তারিখ: ৬ অক্টোবর ২০২৬

চাকরির ধরন: স্থায়ী

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)

চাকরির বিবরণ:

১. পদের নাম: সিমেন ক্যারিয়ার

পদসংখ্যা: ৩২টি (গ্রেড: ১৯তম, বেতন স্কেল: ৮৫০০-২০৫৭০ টাকা)

শিক্ষাগত যোগ্যতা: প্রার্থীদের জন্য কোনো স্বীকৃত শিক্ষা বোর্ড থেকে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

২. পদের নাম: অফিস সহায়ক

পদসংখ্যা: ৫০৬টি (গ্রেড: ২০তম, বেতন স্কেল: ৮২৫০-২০০১০ টাকা)

শিক্ষাগত যোগ্যতা: প্রার্থীকে অবশ্যই কোনো স্বীকৃত শিক্ষা বোর্ড থেকে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

আবেদনের বয়সসীমা: প্রার্থীদের জন্য বয়সসীমা ১৮-৩২ বছর হতে হবে, যা ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত প্রযোজ্য। বয়স প্রমাণের জন্য এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।

বিস্তারিত জানতে ও আবেদনের জন্য এখানে ক্লিক করুন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভালোবেসে বিয়ে, স্বামীর হাতেই প্রাণ গেল গোপালগঞ্জের মিমের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


ভালোবেসে বিয়ে, স্বামীর হাতেই প্রাণ গেল গোপালগঞ্জের মিমের

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ২৩ বছর বয়সী গৃহবধূ মিম আক্তারের রহস্যজনক মৃত্যু ঘটেছে। স্বামী তারিকুল শিকদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, যে তিনি মিমকে মারধর করে হত্যা করেছেন। এই ঘটনা ঘটেছে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার ভাবড়াশুর গ্রামে।

মিম আক্তার, যিনি ভাবড়াশুর গ্রামের ছরোয়ার শিকদারের ছেলে তারিকুল শিকদারের স্ত্রী, ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার শাকপাইলদিয়া গ্রামের সিদাম মাঝির কন্যা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তারিকুল প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় প্রায় তিন বছর আগে মিমকে ভালোবেসে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক কলহের কারণে মিমকে প্রায়ই মারধর করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।

রোববার সকালে, তারিকুল মিমকে মারধর করেন। এরপর প্রতিবেশী আলামিন মৃধার স্ত্রী রিনা বেগমকে ডেকে তিনি বলেন, “চাচি, দেখেন তো আমার বউ মারা গেছে নাকি।”

রিনা বেগম ঘরে গিয়ে মিমকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে মুকসুদপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকে স্বামী তারিকুল শিকদার এবং তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছেন। মুকসুদপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) নাফিসুর রহমান বলেন, নিহত নারীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যা নাকি দুর্ঘটনা, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে মৃতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইফোন ১৮ কিনতে কিডনি বিক্রি, ভাইরাল এআই ছবি তৈরির পদ্ধতি প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১৩ পি.এম


আইফোন ১৮ কিনতে কিডনি বিক্রি, ভাইরাল এআই ছবি তৈরির পদ্ধতি প্রকাশ

নতুন আইফোন বাজারে আসার পূর্বে প্রযুক্তিপ্রেমীদের মধ্যে বিভিন্ন আলোচনা ও কৌতূহল শুরু হয়। বিশেষ করে দাম নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যায় নানা ধরনের মজার পোস্ট। এবার আইফোন ১৮ নিয়ে ছড়িয়ে পড়ছে এমন কিছু হাস্যরসাত্মক কনটেন্ট। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ছে ‘আইফোন কিনতে কিডনি বিক্রি’ ধরনের এআই ছবি।

ভাইরাল হওয়া এসব ছবিতে দেখা যাচ্ছে, কেউ হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে হাতে ধরে আছেন আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স। আবার কোনো ছবিতে অস্ত্রোপচারের পর হাসপাতালেই নতুন আইফোন হাতে হাসিমুখে সেলফি তুলছেন কেউ। ছবিগুলো দেখে মনে হতে পারে, দামি ফোনটি কেনার জন্য সত্যিই কিডনি বিক্রি করেছেন তিনি।

তবে বাস্তবে এসব ছবির পেছনে কোনো অস্ত্রোপচার বা কিডনি বিক্রির ঘটনা নেই। মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাধারণ ছবিকে সম্পাদনা করে তৈরি করা হচ্ছে এসব মজার ছবি। হাসপাতাল, ব্যান্ডেজ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং নতুন আইফোনের মতো বিভিন্ন উপাদান যুক্ত করে তৈরি হচ্ছে পুরো দৃশ্য।

চাইলে নিজের ছবিও ব্যবহার করে একই ধরনের ছবি তৈরি করা যায়। এজন্য ছবি আপলোড করে এআইকে নির্দিষ্ট নির্দেশনা বা প্রম্পট দিতে হবে।

হাসপাতালের বিছানায় আইফোন হাতে পোস্ট-সার্জারি হাসপাতালের দৃশ্য তৈরি করতে ব্যবহার করা যেতে পারে এমন একটি প্রম্পট হলো-

Prompt:

“Transform the uploaded photo into a highly realistic photograph of the same person or people recovering in a modern hospital room after a fictional surgery. Keep their original facial features, identity, hairstyle, skin tone, body proportions and overall appearance clearly recognisable. If the uploaded photo contains two people, keep both people in the scene naturally. Place the person or people on or beside a hospital bed, with realistic hospital clothing, large abdominal bandages and hospital wristbands. Add an IV stand, medical equipment, white bedding and soft clinical lighting. The person or people should be proudly holding exactly one iPhone 18 Pro Max towards the camera, making the phone the clear focus of the photograph. Do not create any additional phones. Make the scene look like a convincing social media photograph with a humorous, exaggerated feel. No blood, open wounds or graphic medical details.”

হাসপাতালের কক্ষে অস্ত্রোপচারের পর নতুন আইফোন হাতে সেলফি তোলার মতো ছবি তৈরি করতে ব্যবহার করা যেতে পারে-

Prompt:

“Edit the uploaded photograph into a highly realistic post-surgery hospital selfie while keeping the same person or people completely recognisable. Preserve their faces, hairstyles, skin tones, expressions and general appearance from the original image. Change the setting into a realistic hospital recovery room and add abdominal bandages, hospital wristbands and subtle medical equipment. The person or people should be proudly showing exactly one iPhone 18 Pro to the camera, as if the new phone is the most important thing about their recovery. If there are two people in the original photograph, keep both of them naturally positioned together while showing only one iPhone 18 Pro in the entire image. Make it look like a casual photograph taken on a phone, with realistic lighting, reflections, hands and proportions. Keep the medical elements non-graphic.”

আরও সিনেমাটিক বা ভাইরাল পোস্টের মতো ছবি চাইলে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসার দৃশ্যও তৈরি করা যায়। সেক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে-

Prompt:

“Transform the uploaded photograph into a highly realistic photograph of the same person or people leaving a modern hospital after a fictional surgery. Preserve their original identity, facial features, hairstyles, skin tones and natural appearance. Keep one or both people depending on the uploaded photograph. Place them in a hospital corridor or near the entrance, with realistic glass doors, reception areas and subtle medical surroundings. Add visible abdominal bandages and hospital wristbands. Have the person or people proudly display exactly one iPhone 18 Pro Max towards the camera, with the phone clearly visible and treated as the centre of attention. Do not add any second phone. Make the scene look like a candid viral social media photograph, with natural lighting and realistic proportions. Keep all medical details non-graphic.”

ব্যান্ডেজ নিয়েই অ্যাপল স্টোরে হাজির

মজার কনসেপ্টকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে হাসপাতাল থেকে সরাসরি অ্যাপল স্টোরে গিয়ে আইফোন কেনার দৃশ্যও তৈরি করা যায়।

Prompt:

“Edit the uploaded photo into a highly realistic photograph inside an Apple Store. Keep the same person or people from the original photograph clearly recognisable, preserving their facial features, hairstyles, skin tones and general appearance. If the original photo has two people, keep both naturally together. Give the person or people visible abdominal bandages and a hospital wristband, as though they have just come from a fictional surgery. Place them inside a realistic Apple Store with wooden display tables, iPhone displays, bright store lighting and softly blurred customers in the background. The person or people should proudly hold exactly one iPhone 18 Pro after buying it. Make sure there is only one iPhone visible in their hands and no additional phones elsewhere in the scene. The contrast between the hospital bandages and excitement over the iPhone 18 Pro should create the humour. Keep the image photorealistic and non-graphic.”

এ ধরনের ছবি তৈরিতে শুধু হাসপাতাল বা অ্যাপল স্টোরের দৃশ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে হবে না। নিজের পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো ছবি আপলোড করে এআইকে নির্দিষ্ট করে বলা যায় ছবির স্থান কোথায় হবে, কী পোশাক থাকবে, হাতে কী থাকবে, আলো কেমন হবে কিংবা ছবিটি কতটা বাস্তবধর্মী বা মজার হবে।

তবে প্রম্পট যত নির্দিষ্টভাবে লেখা যায়, কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়ার সম্ভাবনাও তত বাড়ে। বিশেষ করে নিজের ছবি ব্যবহার করলে মুখের পরিচয়, চেহারার বৈশিষ্ট্য, চুল, ত্বকের রং ও শরীরের গড়ন অপরিবর্তিত রাখার নির্দেশ দিলে ফলাফল সাধারণত আরও ভালো হয়।

এ ধরনের ছবি মূলত বিনোদন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মজার কনটেন্ট তৈরির জন্য। হাসপাতাল বা অস্ত্রোপচারের মতো দৃশ্য তৈরি করে প্রকাশ করার ক্ষেত্রে ছবিটি যে কাল্পনিক এবং এআই দিয়ে তৈরি তা উল্লেখ করা ভালো। এতে বাস্তব ঘটনা সম্পর্কে বিভ্রান্তি তৈরির আশঙ্কা কমে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%