০৬:০০ পি.এম
পঞ্চগড়ে একদিনে পৃথক দুই ঘটনায় সাপের কামড়ে আহত হয়েছেন দুই ব্যক্তি। তাদের মধ্যে একজন, যার সঙ্গে করে নিয়ে গেছেন তাকে কামড় দেওয়া সাপটিও, চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলেন।
শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ধরনের ঘটনা ঘটে।
চিকিৎসকরা সাপটি দেখে এবং বিষধর বলে শনাক্ত করার পর আক্রান্ত ব্যক্তি তাৎক্ষণিক এন্টিভেনাম পেয়েছেন। অপরদিকে, একই দিনে পাটক্ষেতে কাজ করার সময় সাপের কামড়ে আহত আরেক ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
সাপে কাটা রোগীরা হলেন আটোয়ারী উপজেলার চুচুলী বটতলী এলাকার ইউনুস আলীর ছেলে নজরুল ইসলাম (৪৬) এবং বোদা উপজেলার ময়দানদিঘি ইউনিয়নের সরকারপাড়া এলাকার আজিজার রহমানের ছেলে উমর ফারুক (২০)।
পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে নজরুল ইসলাম যখন নিজের বাড়ির খড়ির ঘরে কাজ করছিলেন তখন একটি সাপ কামড় দেয়। পরে তাঁর স্বজনরা সাপটি মেরে সেটিকে সঙ্গে নিয়েই বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। সাপটি দেখে প্রাথমিকভাবে এটিকে কোবরা সাপ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে। চিকিৎসকরা সাপটি দেখে এবং বিষধর বলে নিশ্চিত হয়ে তাকে তাৎক্ষণিক এন্টিভেনাম দেন।
একই দিন দুপুরে বোদা উপজেলার একটি পাটক্ষেতে পাট কাটার সময় উমর ফারুক সাপের কামড়ে আহত হন। পরে তাকে বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।
নজরুল ইসলামের বাবা ইউনুস আলী বলেন, আমি বাসার খড়ির ঘরে কাজ করছিলাম। তখন একটি সাপ এসে আমার ছেলেকে পায়ে কামড় দেয়। পরে সাপটি মেরে হাসপাতাল নিয়ে আসি। এখানে এসে ডাক্তাররা ইনজেকশন দিয়েছেন। এখন তিনি সুস্থ আছেন।
আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা
বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. লুৎফুল কবীর বলেন, শনিবার সাপে কাটা দুইজন রোগী হাসপাতালে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে নজরুল ইসলামকে বিষধর সাপ কামড় দিয়েছিল। তাই তাকে এন্টিভেনাম দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি সুস্থ আছেন। অন্য রোগী উমর ফারুককে হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন