ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার অপরিবর্তিত, জারি হলো প্রজ্ঞাপন


সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার অপরিবর্তিত, জারি হলো প্রজ্ঞাপন

চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত বিভিন্ন সঞ্চয় কর্মসূচির মুনাফার হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছে। এর ফলে আগামী ছয় মাস সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারীরা আগের নির্ধারিত হারেই মুনাফা পাবেন। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সরকারি ঋণ ও আর্থিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, সহকারী সচিব ফারহানা জাহান উপমার সই করা প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত যে সুদহার ও শর্ত কার্যকর ছিল, জুলাই থেকে ডিসেম্বর মাসেও একই হার ও শর্ত বহাল থাকবে। বিদ্যমান সুদহার ১ জুলাই থেকেই কার্যকর হয়েছে।

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিভিন্ন স্কিমে সর্বোচ্চ মুনাফার হার ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ থেকে ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশের মধ্যে থাকবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, প্রতি ছয় মাস পর পর সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার পর্যালোচনা করে পুনর্নির্ধারণ করা হয়। চলতি বছরের শুরুতে মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও পরে তা প্রত্যাহার করে আগের হারই বহাল রাখা হয়েছিল। এবারও সেই হার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এর আগে মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, "সঞ্চয়পত্রের বর্তমান মুনাফার হারই বহাল থাকবে। নতুন করে কোনো পুনর্নির্ধারণ করা হচ্ছে না।"

বর্তমান ব্যবস্থায় সঞ্চয়পত্রের বিনিয়োগকারীদের দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগকারীরা প্রথম ধাপে এবং এর বেশি বিনিয়োগকারীরা দ্বিতীয় ধাপে রয়েছেন। বিভিন্ন স্কিমের ভিত্তিতে দুই শ্রেণির জন্য মুনাফার হারে সামান্য পার্থক্য রয়েছে।

সবচেয়ে জনপ্রিয় পরিবার সঞ্চয়পত্রে প্রথম ধাপের বিনিয়োগকারীরা মেয়াদ শেষে সর্বোচ্চ ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং দ্বিতীয় ধাপের বিনিয়োগকারীরা সর্বোচ্চ ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ মুনাফা পাবেন। অন্যদিকে পেনশনার সঞ্চয়পত্রে প্রথম ধাপের বিনিয়োগকারীদের সর্বোচ্চ মুনাফা ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ, যা বর্তমানে জাতীয় সঞ্চয় স্কিমগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ হার।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এলপিজির দাম ৩৫৭ টাকা কমল, ১২ কেজি সিলিন্ডার এখন ১,৫২৮ টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০০ এম


এলপিজির দাম ৩৫৭ টাকা কমল, ১২ কেজি সিলিন্ডার এখন ১,৫২৮ টাকা

ভোক্তা পর্যায়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বেসরকারি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম উল্লেখযোগ্য কমিয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৫৭ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অটোগ্যাসের দামও লিটারপ্রতি ১৬ টাকা ৫৩ পয়সা কমিয়ে ৭০ টাকা ৪০ পয়সা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

বিইআরসির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জুলাই মাসের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারের দামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এলপিজির নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন হিসাবে প্রতি কেজি বোতলজাত এলপিজির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১২৭ টাকা ৩০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ হার অনুযায়ী বিভিন্ন ওজনের সিলিন্ডারের দামও সমন্বয় করা হবে।

এর আগে সোমবার (২ জুন) ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৫৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৮৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এক মাসের ব্যবধানে এবার আরও ৩৫৭ টাকা কমানোর ফলে গৃহস্থালি পর্যায়ের ব্যবহারকারীরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ১২ দশমিক ৫ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম সরকারী কোম্পানির সরবরাহের জন্য অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

বিইআরসি জানায়, সৌদি আরবের আরামকো ঘোষিত জুলাই মাসের কনট্রাক্ট প্রাইস, এলপিজি আমদানির ব্যয়, জাহাজভাড়া, ট্রেডারের প্রিমিয়াম এবং ডলারের গড় বিনিময় হার বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্ধারিত দামের বেশি মূল্যে বোতলজাত এলপিজি, রেটিকুলেটেড এলপিজি বা অটোগ্যাস বিক্রি করা যাবে না।

২০২১ সালের এপ্রিল থেকে প্রতি মাসে আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য বিবেচনায় এলপিজির দাম সমন্বয় করে আসছে বিইআরসি। এলপিজির প্রধান উপাদান প্রোপেন ও বিউটেনের আন্তর্জাতিক মূল্যকে ভিত্তি করে দেশে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচে মাটিকাটা নিয়ে যা জানালেন রেলমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০২ এম


পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচে মাটিকাটা নিয়ে যা জানালেন রেলমন্ত্রী

সড়ক পরিবহন ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচের মাটিকাটার কোনো নেতিবাচক প্রভাব নেই। বরং এর ফলস্বরূপ ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাবে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল বেলা নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার আলীগঞ্জ এলাকায় পদ্মা রেলব্রিজের ভায়াডাক্টের নিচে চলমান ডিমোবিলাইজেশন কার্যক্রমের পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম মন্তব্য করেন, পদ্মা রেলসেতুর ভায়াডাক্টের নিচে মাটি অপসারণের প্রক্রিয়া রেললাইন বা কাঠামোর জন্য কোনো ঝুঁকি তৈরির সম্ভাবনা নেই। বরং প্রকল্পের নিরাপত্তা, পরিবেশের স্বাভাবিক অবস্থার পুনরুদ্ধার এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার জন্য কাজটি করা হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সম্প্রতি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে এমন একটি ধারণা তৈরি করা হয়েছে যে, ভায়াডাক্টের নিচ থেকে মাটি কাটা হচ্ছে অপরিকল্পিতভাবে এবং এতে রেললাইনের নিরাপত্তা বিপন্ন হতে পারে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এরকম আশঙ্কার কোনো ভিত্তি নেই। যে মাটি অপসারণ করা হচ্ছে, সেটা সম্পূর্ণ প্রকল্পের প্রয়োজন অনুযায়ী এবং প্রকল্পের নকশা অনুসারে করা হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত নির্মিত ১৬ দশমিক ৭৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ভায়াডাক্টের নির্মাণকাজের জন্য ভারী যন্ত্রপাতি ও নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সুবিধার্থে বরং অস্থায়ীভাবে মাটি ভরাট করা হয়েছিল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এভাবে ভায়াডাক্ট নির্মাণে একই পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। প্রকল্পের কাজ শেষ হলে, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ওই অস্থায়ী ভরাট অপসারণ করে জায়গাটিকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া হবে। বর্তমানে এই প্রক্রিয়া চলছে।

মন্ত্রী আরও জানান, ১৬ দশমিক ৭৬ কিলোমিটারের মধ্যে ১৪ দশমিক ৪ কিলোমিটার এলাকায় ইতোমধ্যে অস্থায়ী ভরাট অপসারণ করা হয়েছে আর এখনও প্রায় ২ দশমিক ৩৪ কিলোমিটার অংশের কাজ বাকি রয়েছে। ঠিক এই সময়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার করা হয়েছে, যা জনমনে অযথা উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।

রেলমন্ত্রী বলেন, গড়ে প্রায় সাড়ে ৩ ফুট মাটি অপসারণ করা হবে। এরপর ভূমি তার স্বাভাবিক স্তরে ফিরে যাবে। মূল মাটির স্তরের নিচে পাইল ক্যাপ রয়েছে যা প্রায় ৭ থেকে ৮ ফুট নিচে এবং পাইলের গভীরতা প্রায় ২০০ ফুট। অর্থাৎ সম্পূর্ণ কাঠামো প্রকৌশলগতভাবে খুবই নিরাপদ এবং এগুলো বিবেচনায় রেখেই নির্মাণ করা হয়েছে। তাই মাটি অপসারণের প্রক্রিয়ায় ভায়াডাক্টের নিরাপত্তার মধ্যে কোনো নেতিবাচক সম্পর্ক নেই, বরং ইতিবাচক সম্পর্ক বিদ্যমান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দৃষ্টিহীন তরুণের পাশে দাঁড়ালো ‘অ্যাশেজ’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০৫ এম


দৃষ্টিহীন তরুণের পাশে দাঁড়ালো ‘অ্যাশেজ’

ব্যান্ড ‘অ্যাশেজ’-এর গানে তরুণদের অনেকেই বুঁদ হয়ে থাকে। জীবনের নানা ধরনের ব্যর্থতা ও হতাশায় জুনায়েদ ইভানের কথা, সুর ও কণ্ঠ যেন তাদের সঙ্গ দেয়। এসবের মধ্যে মানবিক কাজেও ব্যান্ডটি সক্রিয়। দেশজুড়ে তাদের ব্লাড ব্যাংক আছে। সেখান থেকে স্বেচ্ছায় রক্তদান সেবা অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া প্রায়ই অসুস্থ মানুষের চিকিৎসায় তারা এগিয়ে আসছে। এবার তাঁদের দায়িত্ব নিলো ‘অ্যাশেজ’ এক দৃষ্টিহীন তরুণকে সুস্থ করার। এ বিষয়ে জানান ব্যান্ডটির প্রধান জুনায়েদ ইভান। ফেসবুক বার্তায় ইভান লেখেন, ‘এবার একজন অন্ধ ছেলের জন্য কাজ করব। আমি তার সাথে দেখা করতে গিয়েছি। তাকে সুস্থ করতে চাই। গান লিখছি। কনসার্ট করব। প্রস্তুতি চলছে। সবার সহযোগিতা চাই।’ ইভানের আহ্বানে সাড়া দিচ্ছেন অনেকে। ভক্তদের পাশাপাশি অভিনেতা-নির্মাতা জিয়াউল হক পলাশও বলেছেন, ‘ইভান ভাই, আমি আছি আপনার সাথে। যে কোনো প্রয়োজনে আমাদের ডাকবাক্স ফাউন্ডেশন (পলাশের সংগঠন) থাকবে আপনার সঙ্গে।’

এদিকে, দৃষ্টিহীন ওই তরুণের বিষয়ে ইভান জানান, সে একটি দরিদ্র পরিবারের সন্তান। কিছু বছর আগে অসুস্থতার কারণে চোখের আলো হারিয়েছে। তার বাবা রিকশাচালক। তাই চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারছেন না। ইভান বলেন, ‘ছেলেটি এবং তার মায়ের সাথে আমি কথা বলেছি। তাদের চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করতে বলেছি। চিকিৎসার পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে বলেছি। এরপর আমাদের একজন প্রতিনিধি চিকিৎসকের সাথে কথা বলবেন এবং আমরা চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে চাই।’ শিল্পী আরও জানান, তারা চান এক মাসের মধ্যে ওই তরুণের চিকিৎসার প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা করতে। সরাসরি অর্থের জোগান না হলে কনসার্টের পরিকল্পনাও তাদের রয়েছে। উল্লেখ্য, এ পর্যন্ত শতাধিক ক্যানসার ও কিডনি রোগে আক্রান্ত মানুষের সহায়তা করেছে ‘অ্যাশেজ’, যা দেশের ব্যান্ড এবং গোটা শিল্পী সমাজের মধ্যে বিরল একটি ঘটনা। গানের পাশাপাশি ভীষণ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন ইভান ও তার সতীর্থরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পারিশ্রমিকের নতুন রেকর্ড গড়লেন আলিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০৭ এম


পারিশ্রমিকের নতুন রেকর্ড গড়লেন আলিয়া

যশরাজ ফিল্মসের বহুল প্রতীক্ষিত ‘স্পাই ইউনিভার্স’র নতুন সিনেমা ‘আলফা’ ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ তুঙ্গে।

অ্যাকশনধর্মী এই ছবিতে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যাবে আলিয়া ভাটকে। মুক্তির আগেই ছবিটি নিয়ে যেমন আলোচনা চলছে, তেমনি সামনে এসেছে অভিনয়শিল্পীদের পারিশ্রমিকের তথ্য। আর তাতেই নতুন রেকর্ড গড়েছেন আলিয়া। ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের দাবি, ‘আলফা’ ছবির জন্য ২৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছেন আলিয়া ভাট। এই অঙ্কের মাধ্যমে তিনি পারিশ্রমিকের দিক থেকে দীপিকা পাড়ুকোন ও ক্যাটরিনা কাইফকে ছাড়িয়ে গেছেন।

একসময় বলিউডের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেত্রীদের তালিকায় শীর্ষে ছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন, ক্যাটরিনা কাইফ ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। তবে দীর্ঘদিন ধরেই প্রিয়াঙ্কা হলিউডের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। অন্যদিকে, ক্যাটরিনা কাইফও বেশ কিছু সময় ধরে বড় পর্দায় অনিয়মিত। জানা গেছে, তিনি প্রতি ছবির জন্য প্রায় ১৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিতেন। আর ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’খ্যাত দীপিকা পাড়ুকোনের পারিশ্রমিক ছিল ২০ কোটির কিছু বেশি।

‘আলফা’ ছবিতে আলিয়ার বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন ববি দেওল। ‘অ্যানিম্যাল’ ছবির সাফল্যের পর তার ক্যারিয়ারে নতুন গতি এসেছে। এই ছবির জন্য তিনি প্রায় ৬ কোটি রুপি পারিশ্রমিক পেয়েছেন বলে জানা গেছে। ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে রয়েছেন শর্বরী ওয়াঘ। যশরাজ ফিল্মসের হাত ধরেই বলিউডে অভিষেক হওয়া এই অভিনেত্রী ‘আলফা’র জন্য প্রায় ৩ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছেন। একই পরিমাণ পারিশ্রমিক পেয়েছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা অনিল কাপুরও।

দেশে ‘স্পাই ইউনিভার্স’-এর জনপ্রিয় চরিত্র কবির হিসেবে বিশেষ উপস্থিতিতে (ক্যামিও) দেখা যাবে হৃতিক রোশনকে। যদিও তার পারিশ্রমিকের অঙ্ক প্রকাশ করা হয়নি। অন্যদিকে, অ্যাকশনধর্মী চরিত্রে আলিয়া ভাটকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকের মতে, এমন শক্তিশালী চরিত্রে তাকে মানাবে না। তবে নির্মাতারা ছবিটি নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী।

ববি দেওল, শর্বরী ওয়াঘ, অনিল কাপুর ও হৃতিক রোশনের উপস্থিতিতে নির্মিত ‘আলফা’ আগামীকাল শুক্রবার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। ছবিটি যশরাজ ফিল্মসের ‘স্পাই ইউনিভার্স’র অন্যতম বড় সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%