বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০১:৪৪ এম
রাজধানী ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ মোট ১৪৯২ টি মামলা করেছে।
ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৬ টি বাস, ১০ টি সিএনজি ও ২২ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৭৩ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অন্যদিকে, ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ৬ টি বাস, ১০ টি ট্রাক, ১ টি কাভার্ডভ্যান, ১১ টি সিএনজি এবং ৪৭ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৯৫ টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ৭ টি বাস, ৩ টি ট্রাক, ১১ টি কাভার্ডভ্যান, ৩৮ টি সিএনজি ও ৬২ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৫৬ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এছাড়া ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৯৯ টি বাস, ৩৮ টি ট্রাক, ৪৪ টি কাভার্ডভ্যান, ৭৩ টি সিএনজি ও ১৩০ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৮৪ টি মামলা দায়ের করা হয়। অপরদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১০ টি বাস, ১৫ টি কাভার্ডভ্যান, ২৪ টি সিএনজি ও ৩৮ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৪৭ টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৮ টি বাস, ৯ টি ট্রাক, ৭ টি কাভার্ডভ্যান, ২০ টি সিএনজি ও ৫৪ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১২০ টি মামলা তৈরি হয়েছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ২৮ টি বাস, ৯ টি ট্রাক, ২২ টি কাভার্ডভ্যান, ৩৩ টি সিএনজি ও ৫৯ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২২০ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ১৫ টি বাস, ৯ টি কাভার্ডভ্যান, ৪০ টি সিএনজি ও ৬৪ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৯৭ টি মামলা হয়েছে।
এছাড়া অভিযানের সময় মোট ৩০১ টি গাড়ি ডাম্পিং ও ৩১৩ টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ কর্তৃক রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা তৈরি করা হয়।
ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বাড্ডা এলাকায়, ট্রাফিক পুলিশের তৎপরতার মাধ্যমে প্রায় ১০০ কেজি গাঁজাসহ একটি গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।
ট্রাফিক বাড্ডা জোনের সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৮ জুলাই) সকাল আনুমানিক ১০:৩০ ঘটিকায়, আফতাবনগর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংলগ্ন হাবিব প্লাজার সামনে ট্রাফিক বাড্ডা জোনের চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনকালে, সার্জেন্ট দেবপ্রিয় বড়ুয়া রামপুরার দিক থেকে বেপরোয়া গতিতে আসা একটি নিশান জিপ গাড়িকে থামার সংকেত দেন। গাড়িটি থামানোর পরপরই চালক গাড়িটি রাস্তায় ফেলে দ্রুত দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে, ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্বরত সদস্যরা গাড়িটি তল্লাশি করার সময়, গাড়ির পেছনের অংশ থেকে ১০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে, এবং মাদক বহনে ব্যবহৃত নিশান জিপ গাড়িটি জব্দ করে।
বাড্ডা থানার সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তাকে পদায়ন করা হয়েছে।
পদায়নকৃত কর্মকর্তা হলো- ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (পেট্রোল-ডেমরা) ওয়ারী বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার মোহাঃ মামুন অর রশীদকে সহকারী পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-সবুজবাগ জোন) ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে।
সোমবার (০৬ জুলাই) ডিএমপির কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বিপিএম-সেবা স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই পদায়ন করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ওয়ারী থানা পুলিশ একটি হত্যার ঘটনায় জড়িত ছিনতাইকারী চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনাটি ঘটে যখন অটোরিকশা চালককে অজ্ঞান করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মোঃ দেলোয়ার হোসেন ওরফে হৃদয় (৪০), মোঃ মানিক সরদার (৫২) এবং মোঃ লিটন (৫০)।
ওয়ারী থানা সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ জুন ২০২৬ রাত আনুমানিক ০৯:০০ ঘটিকায় খিলগাঁও থেকে রিকশা নিয়ে বের হয়ে নিখোঁজ হন চালক দিদারুল ইসলাম। পরের দিন ২৯ জুন রাত আনুমানিক ০৪:০০ ঘটিকায় স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ওয়ারী থানাধীন নবাবপুর রোড থেকে চালককে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২ জুলাই রাত আনুমানিক ১০:০০ ঘটিকায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় প্রথমে ওয়ারী থানায় অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়।
মামলা দায়েরের পর, ওয়ারী থানা পুলিশের একটি টিম সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অপরাধীদের শনাক্ত করে। বুধবার (৮ জুলাই) রাত আনুমানিক ০৩:০০ ঘটিকায় গাজীপুরের শ্রীপুর, ঢাকার কেরানীগঞ্জ এবং ডিএমপির লালবাগ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তারা চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের সময় তাদের হেফাজতে থাকা ছিনতাইকৃত অটোরিকশা ১টি, ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত সিএনজি অটোরিকশা ১টি এবং আসামিদের ব্যবহৃত ৩টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা অজ্ঞানপার্টি চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তারা যাত্রী সেজে চালকদের অজ্ঞান করে ছিনতাই করত। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মিরপুর মডেল থানাধীন এলাকা থেকে একাধিক অস্ত্রসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে একটি বিদেশি পিস্তল, চারটি ফায়ার্ড কার্তুজ, দুইটি তাজা কার্তুজ এবং একটি ফায়ার্ড বুলেট সদৃশ বস্তু। গ্রেফতারকৃতের নাম মোঃ কাওছার ভুইয়া, যিনি শান্ত এবং এসবি নামেও পরিচিত, তার বয়স ২৪ বছর।
মিরপুর মডেল থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত আনুমানিক ০৯:১০ ঘটিকায় মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে টহল ডিউটিরত পুলিশ সদস্যরা মেট্রোরেলের পিলার নম্বর ২৫২ ও ২৫৩-এর মধ্যবর্তী চৌরঙ্গী মার্কেটের দক্ষিণ পাশ থেকে গুলির শব্দ শুনতে পান। তারা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় কাওছার ভুইয়া শান্তকে গ্রেফতার করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার কাছ থেকে উল্লেখিত অস্ত্র ও কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় মিরপুর মডেল থানায় অস্ত্র-আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আরও জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে ভিকটিম সাইফুল ইসলাম সিজু (৪০)-কে হত্যার পরিকল্পনা করে আসছিল। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, তিনি কৌশলে ভিকটিমের সাথে পরিচিত হন এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
পরবর্তীতে তিনি ভিকটিমের আস্থা অর্জন করে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে একসাথে অংশ নিতে থাকেন। ঘটনার দিন, হামলার কিছুক্ষণ আগে, আসামি ভিকটিমের পাশে বসে চা পান করেন। পরে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী, সহযোগীদের সহায়তায় তিনি আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে ভিকটিমকে লক্ষ্য করে গুলি করেন, যার ফলে সাইফুল ইসলাম সিজু গুরুতর আহত হন।
পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, এবং বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রাথমিকভাবে জানা যায়, মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মিরপুর মডেল থানায় অস্ত্র আইন-এ দায়েরকৃত একটি মামলা রয়েছে, যেখানে তিনি চার্জশিটভুক্ত আসামি। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ