ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশে স্বৈরাচার ফিরে আসার সুযোগ নেই: সমাজকল্যাণমন্ত্রী


দেশে স্বৈরাচার ফিরে আসার সুযোগ নেই: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, মনে রাখতে হবে, যারা পালিয়ে গেছে তারা বসে নেই। তাদের সাঙ্গপাঙ্গরা আশপাশেই আছে। তবে কোনো অবস্থাতেই স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের সুযোগ নেই।

রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহিদদের স্মরণে জাতীয়তাবাদী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (জেটেব) আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, জনগণের অধিকার নিয়ে কেউ যেন ছিনিমিনি খেলতে না পারে, সেদিকে লক্ষ্য রাখার দায়িত্ব সবার। যারা মনে করেছিলেন ষড়যন্ত্র করে ২০০৯ সালের মতো ক্ষমতায় চলে যাবেন, তাদেরও অনেক কষ্ট হচ্ছে। কারণ, জনগণ তাদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, আজকে আমাদের চিন্তা করার সময় এসেছে। কিছু মানুষ ভেতর থেকে, আর কিছু মানুষ বাইরে থেকে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য দিচ্ছেন, হুংকার দিচ্ছেন। বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের কথাও পত্রপত্রিকায় শোনা যায়।

তিনি বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে, বিগত ১৯ বছর গণতন্ত্রহীন থাকার পর ১২ ফেব্রুয়ারি একজন জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে মানুষ দীর্ঘদিন পর ভোট দিয়েছে। ২০০৮ সালেও মানুষ নিশ্চিন্তে ভোট দিতে পারেনি। তখনো প্রকৃত ভোটের প্রতিফলন মানুষ দেখেনি। এবারই প্রথম জনগণের ভোট, জনগণের অংশগ্রহণের ভোট হয়েছে। মানুষ নিশ্চিন্তে, নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে।

জাহিদ হোসেন বলেন, যখনই গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয়েছে, গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিংবা দেশ ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, তখনই বিএনপি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মার্চে যখন কেউ কেউ পালিয়ে গিয়েছিলেন, কেউ কেউ আত্মসমর্পণ করেছিলেন, তখন চট্টগ্রাম থেকে অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা ও বিদ্রোহের সূচনা করেছিলেন এবং অস্ত্র হাতে রণাঙ্গনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। দেশ যখন অন্ধকার অমানিশার দিকে যাচ্ছিল, তখন জিয়াউর রহমান হাল ধরেছিলেন।

জাহিদ হোসেন বলেন, আমরা তখন কানে শুনেছি কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে সেই ঘোষণা। কিন্তু আজ সেই ইতিহাসও মুছে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর যখন আবারও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা হয়েছিল এবং দেশের স্বাধীনতা বিপন্ন হওয়ার উপক্রম হয়েছিল, তখন সিপাহি-জনতা আস্থা রেখেছিল সেই মানুষটির ওপর, যিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং যার কোনো পিছুটান ছিল না।

মন্ত্রী বলেন, তখন বিএনপি নামের কোনো দল ছিল না। কিন্তু জনগণ ও সিপাহি-জনতার আস্থা ছিল মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের প্রতি। বন্দিদশা থেকে তাকে মুক্ত করে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

তিনি বলেন, বিএনপি দলগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কিন্তু কখনো ক্ষমতাকে আঁকড়ে ধরে রাখার চেষ্টা করেনি। বিএনপির মধ্যে জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা ছিল, কোনো স্বৈরাচারী মানসিকতা ছিল না।

তিনি বলেন, জনগণের পাশে না থাকলে, জনগণের ভালোবাসা অর্জন করতে না পারলে, যত প্রশাসন বা বাহিনীর ওপর নির্ভর করা হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত কাচের ঘরের মতো সব ভেঙে যায়। জনগণের ভালোবাসা না থাকলে ক্ষমতায় থাকাও অনিশ্চিত হয়ে যায়, জীবন রক্ষাও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

জেটেব কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. ফখরুল আলমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার এ বি এম রুহুল আমীন আকন্দের সঞ্চালনায় সভায় সংগঠনটির নেতাকর্মী ও জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙ্গামাটিতে হেডম্যান কারবারীদের সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ পি.এম


রাঙ্গামাটিতে হেডম্যান কারবারীদের সম্মেলন

রাঙ্গামাটি, ২৬ জুলাই ২০২৬ : জেলার রাজস্থলী উপজেলায় আজ সেনাবাহিনীর কাপ্তাই জোনের উদ্যোগে হেডম্যান-কারবারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজস্থলী আর্মি ক্যাম্পে অনুষ্ঠিত হেডম্যান-কারবারী সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন রাজস্থলী সাব-জোন কমান্ডার মেজর হাফিজ আহম্মদ সৈকত।

সম্মেলনে রাজস্থলী সাব-জোনের জেসিও মিজানুর রহমান, ১নং ঘিলাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবার্ট ত্রিপুরা, ২নং গাইন্দ্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পুচিংমং মারমা, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান উথিনসিন মারমা সহ বিভিন্ন মৌজা থেকে আগত ৯ জন মেম্বার, ৮ জন হেডম্যান এবং ১০২ জন কারবারী সহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে স্থানীয় হেডম্যান ও কারবারীরা বক্তব্য রাখেন এবং তারা বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে অবহিত করেন।

সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে সাব-জোন অধিনায়ক মেজর হাফিজ বলেন, সেনাবাহিনী আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি জনসাধারণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নসহ পার্বত্য এলাকায় বসবাসরত সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় সেনাবাহিনী নিরলসভাবে কাজ করেছে এবং দুস্থদের সহযোগিতা প্রদান অব্যাহত রয়েছে।

মেজর হাফিজ উল্লেখ করেন, পার্বত্য এলাকায় মাদকের আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে। মাদককে নিমূল করার জন্য তিনি সকলের প্রতি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানান।

তিনি এলাকার শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড তিস্তার ভাঙনরোধে কাজ শুরু করেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৩ পি.এম


ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড তিস্তার ভাঙনরোধে কাজ শুরু করেছে

নীলফামারী, ২৬ জুলাই, ২০২৬ : জেলার ডিমলা উপজেলায় ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নে তিস্তার ভাঙনরোধে কাজ শুরু করেছে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড।

ভাঙনকবলিত এলাকায় ফেলানো হচ্ছে ৪ হাজার ৫০০ জিও ব্যাগ ও ৮০০ মিটার জিও টিউব। আজ রোববার বিকেলে এসব তথ্য জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র।

উজানের ঢলে তিস্তার ভয়াবহ ভাঙনের মুখে পড়েছে ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের চার গ্রাম। গত পাঁচ দিনের অব্যাহত ভাঙনে এসব গ্রামের শতাধিক পরিবার হারিয়েছে ঘর-বাড়ি। অসহায় পরিবারগুলো আশ্রয় নিয়েছে তিস্তার বাধসহ বিভিন্ন স্থানে।

আজ রোববার দুপুরে ঝুনাগাছ চাপানী ইউনি‌য়ন পরিষদের নয় নম্বর ওয়াডের সদস্য (মেম্বার) নুর হোসেন জানান, গত পাঁচদিন ধরে ইউনিয়নের ভেণ্ডাবাড়ি, পূর্ব ছাতুনামা, পশ্চিম ছাতুনামা ও কেল্লাপাড়া গ্রামে ভয়াবহ ভাঙন চলছে।

অব্যাহত ভাঙনে গত বুধবার ২২টি, বৃহস্পতিবার ৬০টি ও শুক্রবার ১৫ পরিবারের বসতভিটা হারানোর তথ্য পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার ও আজ রোববারও ভাঙন অব্যাহত ছিল।

এতে করে গত পাঁচদিনে বসতভিটা হারানো পরিবারের সংখ্যা ১০০ পার হবে। ভাঙন ও জলমগ্নতায় এসব গ্রামের ৫০০ একর ফসলি জমি নষ্ট হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বাধসহ পাশ্ববর্তী এলাকার বিভিন্নস্থানে আশ্রয় নিয়েছে।

তিনি বলেন, ভাঙনরোধে গতকাল শনিবার কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। আজ রোববার কাজ অব্যাহত থাকায় স্বস্তি ফিরেছে এলাকার মানুষের মধ্যে।

এলাকাবাসী জানায়, উজানের ঢলে গত বুধবার থেকে ওই চার গ্রামে প্রবল ভাঙন শুরু হয়। নদীর পানি কমলেও ভাঙন অব্যাহত আছে। পাঁচদিনে অব্যাহত ভাঙনে শতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। তাদের দাবি, নদীর গতিপথ ডানতীরে সরে আসায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

ভাঙনের শিকার হয়ে তিস্তার বাধে আশ্রিত ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের পূর্ব ছাতুনামা গ্রামের গৃহিনী আনোয়ারা বেগম (২৭) বলেন, "নদী ভাঙতে ভাঙতে খেয়ে ফেলেছে আমাদের ভিটেমাটি। কোনোভাবে ঘরের চাল খুলে এনে এখানে আশ্রয় নিয়েছি। চুলা জ্বালাতে পারছি না, বাচ্চাদের মুড়ি, চিড়া, বিস্কুট খাওয়াচ্ছি।"

ভেণ্ডাবাড়ি গ্রামের কৃষক জাহিদুল ইসলাম (৫৬) বলেন, "প্রতি বছর নদী ভাঙনে ভিটেমাটিসহ কৃষিজমি নদীতে হারাচ্ছি আমরা। তবে এবারের ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। নদী ভাঙনে ১২ বিঘা কৃষি জমি হারিয়ে এখন আমি পথে বসেছি।"

কেল্লাপাড়া গ্রামের কৃষক মমিনুর রহমান (৬৫) বলেন, "নদীতে বন্যা আসলেই ঘর-বাড়ি, জমিজমা নদীতে চলে যাচ্ছে, এবারও তাই হয়েছে। কতবার নতুন করে ঘর করেছি, তার হিসাব নেই।"

ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একরামুল হক চৌধুরী বাসসকে জানান, ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য উপজেলা প্রশাসনের ত্রাণ ভাণ্ডার থেকে ১৩ মেট্রিকটন চাল শুকনো পাওয়া গেছে। যা বন্যা কবলিত মানুষদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বাসসকে বলেন, "তিস্তার যে ভাঙন দেখা দিয়েছে সেটি নদীর চর গ্রামে। সময়ে সময়ে নদীর পানির গতিপথ পরিবর্তন হয়। এর আগে উজানে বাইশপুকুর এলাকায় ভাঙনরোধে কিছু কাজ করায় এবার পানির গতি কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। ফলে ভাটিতে জেগে উঠা চরে পানি আঘাত করেছে। সেটি রক্ষায় ২৮ লাখ ৩৪ হাজার টাকা ব্যয়ে ৪ হাজার ৫০০ জিও ব্যাগ ৮০০ মিটার জিও টিউব ফেলানো হচ্ছে।"

গতকাল শনিবার কাজ শুরু করে আজ রোববার দিনব্যাপী চলেছে। এতে করে ভাঙনরোধের কাজ অনেটাই এগিয়েছে। এখন সেটিকে টেকসই করার জন্য আরও অন্তত ১০ দিন কাজ চলবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুয়াডাঙ্গায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বাইসাইকেল ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৬ পি.এম


চুয়াডাঙ্গায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বাইসাইকেল ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

চুয়াডাঙ্গা, ২৬ জুলাই, ২০২৬ : সদর উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ক্লাবগুলোর পাশাপাশি অসহায় ও দরিদ্র মানুষদের মাঝে বাইসাইকেল, ঢেউটিন, ফুটবল ও জার্সি বিতরণ করা হয়েছে।

আজ রোববার বিকেল ৪টায় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভার পর এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তিথি মিত্র।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমিন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল।

সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে যে, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে মোট ৬৭টি বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যালয় ও ক্লাবের জন্য ৪০ সেট জার্সি এবং ৯০টি ফুটবল প্রদান করা হয়।

একই সময়ে সদর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ক্লাব এবং অসহায়-দরিদ্র পরিবারের জন্য ৪০ বান্ডিল ঢেউটিন বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা উল্লেখ করেছেন, সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় শিক্ষা, খেলাধুলা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার সঙ্গে সঙ্গে খেলাধুলায় উৎসাহিত করার এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে এসব উপাদান বিতরণ করা হয়েছে।

এসময় এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী আক্তার হোসেনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন দিনের ব্যবধানে আবার বাঘের দেখা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৯ পি.এম


তিন দিনের ব্যবধানে আবার বাঘের দেখা

মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে পূর্ব সুন্দরবনে নতুন করে একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগারের দেখা মিলেছে। এবার বাঘটিকে দেখা গেছে শরণখোলা রেঞ্জের কচিখালী অভয়ারণ্য কেন্দ্রের টাইগার পয়েন্ট এলাকায় নদী সাঁতরে চলাচল করতে।

রোববার (২৬ জুলাই) সকাল প্রায় ১০টার দিকে বন বিভাগের টহলরত বোটের সামনে নদীতে নামেন বাঘটি। এক পাড় থেকে অন্য পাড়ে যাওয়ার জন্য যখন সাঁতার শুরু করে, তখন বোটের শব্দ শুনে কিছুক্ষণ পর তা আবার জঙ্গলের দিকে ফিরে চলে যায়।

বিরল এ দৃশ্যটি বন বিভাগের বোটচালক সাইফুর রহমান (বিএম) মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। পরে তিনি ভিডিওটি социаль медиа-তে প্রকাশ করেন, যা অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করে।

এর আগে, গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের আন্ধারমানিক পর্যটন কেন্দ্র ও বন বিভাগের টহল ফাঁড়ির আশপাশে একটি বাঘিনীকে ঘোরাফেরা করতে দেখা গিয়েছিল বনরক্ষীদের। ওই ঘটনার ভিডিওও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা জন্ম দেয়।

পরপর দুই ঘটনায় সুন্দরবনে বাঘের উপস্থিতি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বন্যপ্রাণীপ্রেমী, পর্যটক ও বন কর্মকর্তাদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বাঘের এমন দৃশ্য দেখা পাওয়া সুন্দরবনের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক বিচরণের ইতিবাচক ইঙ্গিত বোঝায়।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত শরণখোলা রেঞ্জের স্মার্ট টিমের বোটচালক সাইফুর রহমান বলেন, নিয়মিত টহলের সময় হঠাৎ একটি বাঘকে বন থেকে নদীতে নেমে সাঁতার কাটতে দেখা যায়। বাঘটি প্রায় নদীর মাঝামাঝি চলে গিয়েছিল, তবে টহল বোটের শব্দ শুনে আবার ফিরে যায়। তিনি জানান, এমন দৃশ্য সচরাচর দেখা যায় না, তাই মুহূর্তটি মোবাইল ফোনে ধারণ করেন।

পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. শরীফুল ইসলাম জানান, সুন্দরবনের বাঘের জন্য নদী বা খাল সাঁতরে পার হওয়া একটি স্বাভাবিক আচরণ। খাদ্যের সন্ধান, এলাকা পরিবর্তন বা অন্যান্য প্রাকৃতিক প্রয়োজনেই তারা নিয়মিত জলপথ অতিক্রম করে। তবে টহলরত অবস্থায় এত কাছ থেকে এমন দৃশ্য খুব কমই দেখা যায়।

বন বিভাগের তথ্যের ভিত্তিতে বলা হচ্ছে, বর্তমানে সুন্দরবনে তিন মাসের বনবন্ধ মৌসুম চলমান রয়েছে, ফলে বনজীবী, পর্যটক ও সাধারণ মানুষের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। মানবচাপ কমে যাওয়ায় বাঘসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণী বেশি স্বাভাবিকভাবে বিচরণ করতে পারছে। একই সঙ্গে বন বিভাগের কঠোর নজরদারির ফলে বন অপরাধও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব কারণে সাম্প্রতিক সময়ে সুন্দরবনে বাঘের দেখা পাওয়ার ঘটনা তুলনামূলকভাবে বেড়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%