ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যায় অভিযুক্ত মোজাফফর হোসেনকে আটক করা হয়েছে


সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যায় অভিযুক্ত মোজাফফর হোসেনকে আটক করা হয়েছে

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যার ঘটনায় ৪৫ বছর পর হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত পলাতক আসামি অবসরপ্রাপ্ত মেজর মোজাফফর হোসেনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। 

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডিবির তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর থেকে মেজর (অব.) মো. মোজাফফর হোসেন গ্রেপ্তার এড়িয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। প্রায় সাড়ে চার দশক পলাতক থাকার পর অবশেষে তাকে আটক করা সম্ভব হয়েছে।

ডিবি জানিয়েছে, দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর তাকে গ্রেপ্তার করে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সেনাবাহিনী তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

 ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। ঘটনার আগের দিন, অর্থাৎ ১৯৮১ সালের ২৯ মে দুই দিনের সফরে চট্টগ্রামে গিয়েছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার এই সফরের উদ্দেশ্য ছিল নিজের প্রতিষ্ঠা করা রাজনৈতিক দল-বিএনপির স্থানীয় নেতাদের মধ্যকার বিরোধ নিরসন করা।

চট্টগ্রামে পৌঁছে সফরের প্রথম দিনে নেতাকর্মীদের সঙ্গে একের পর এক বৈঠক শেষে মধ্যরাতে ঘুমাতে যান জিয়াউর রহমান। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেনাবাহিনীর একটি দল তার ওপর গুলি চালায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেক এই রাষ্ট্রপতি নিহত হন। পরবর্তীতে ৩০ মে সকালে রেডিওতে প্রথমবারের মতো জিয়াউর রহমানকে হত্যার খবর প্রচারিত হয়।

এই হত্যাযজ্ঞে সরাসরি অংশ নেওয়া সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে মেজর মোজাফফর হোসেন ও ক্যাপ্টেন মোসলেহ উদ্দিন ছিলেন অন্যতম। বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও মামলাসংক্রান্ত বিবরণ অনুযায়ী, মেজর মোজাফফর হোসেনই প্রথম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে শনাক্ত করেন এবং তাকে লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি চালান। হত্যাকাণ্ড নিশ্চিত করার পর তিনিই চট্টগ্রাম সেনানিবাসের ২৪ পদাতিক ডিভিশনের তৎকালীন জিওসি মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুরকে টেলিফোন করে জানান, ‘The President has been killed.’

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

হত্যাকাণ্ডের পর সেনাবাহিনীর অভিযানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুরসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরবর্তীতে মঞ্জুর নিহত হন। এছাড়া, ক্যাপ্টেন মোসলেহ উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। তবে, তখন মেজর মোজাফফর হোসেন ও মেজর এস এম খালেদ পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মেজর মোজাফফর হোসেন দীর্ঘসময় ভারতে আত্মগোপনে ছিলেন। ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত তিনি সেখানে অবস্থান করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি ছদ্মনাম ব্যবহার করে সীমান্ত অতিক্রম করে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতেন। অবশেষে ৪৫ বছর আত্মগোপনে থাকার পর ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। তার গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে দেশের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের একটি দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত অধ্যায়ে নতুন অগ্রগতি এলো। সেনাবাহিনীর নিজস্ব বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এখন তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘুমন্ত শিশুর পা মচকে দেওয়ার অভিযোগের পেছনে কী ঘটনা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৩ পি.এম


ঘুমন্ত শিশুর পা মচকে দেওয়ার অভিযোগের পেছনে কী ঘটনা?

নরসিংদীর মাধবদীতে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা নিঃসন্দেহে চাঞ্চল্যকর। যেখানে ঘুমন্ত তিন মাস বয়সী এক শিশুর পা মুচড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে যে, ঘটনাটি একটি মোবাইল ফোনের গোপন ক্যামেরায় ধারণ করা হয়েছে। ভিডিওটি যখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, তখন এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে মাধবদী থানার আমদিয়া ইউনিয়নের পাইকারদি গ্রামে। শিশুটির মা সায়েবা বেগম জানান, জন্মের পর থেকেই তার সন্তানের শারীরিক অবস্থা অসুস্থ হওয়ায় তাকে বিভিন্ন সময়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়। কিন্তু বারবার শিশুর অস্বাভাবিক কান্নার কারণ জানার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে গোপনে একটি মোবাইল ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। পরে সেই ফুটেজে উঠে এসেছে, শিশুর চাচি লতা বেগম ঘুমন্ত শিশুটির পা মুচড়ে দ্রুত ঘর থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন, এমনটাই পরিবারের দাবি।

শিশুর মা আরও জানান, এর আগে শিশুর দুই ভাইয়ের মধ্যে পারিবারিক বিরোধ ছিল, এবং তাদের ধারণা, সেই বিরোধের ফলস্বরূপ এই ঘটনা ঘটে গেছে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পরে পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা না করার কারণে নরসিংদী সমাজসেবা অধিদফতর নিজ উদ্যোগে মামলা দায়ের করেছে। মামলায় লতা বেগমসহ তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।

নরসিংদী সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রবেশন কর্মকর্তা রিজা আক্তার জানান, সৌভাগ্যক্রমে শিশুটির বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে একই পরিবারের একজন সদস্যের বিরুদ্ধে ওঠা এই ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন জানান, মামলাটি হওয়ার পর অভিযুক্ত লতা বেগমের বাবা আলমাস মিয়া এবং শিশুটির চাচা কাউসার আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে প্রধান অভিযুক্ত লতা বেগম এখনও পলাতক, এবং তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের নিষ্ঠুর ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

এদিকে, নরসিংদী সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. ফরিদা গুলশানার কবির বলেছেন, প্রাথমিক পরীক্ষায় শিশুটির পায়ের বড় ধরনের আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে মেডিকেল বোর্ডের চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

এটি উল্লেখ্য যে, গত ১১ জুলাইয়ের ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে এবং এলাকার মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্ট করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্দিশালায় নির্যাতনের শিকার জার্মান অধিকারকর্মী জানালেন ভয়াবহ অভিজ্ঞতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৭ পি.এম


বন্দিশালায় নির্যাতনের শিকার জার্মান অধিকারকর্মী জানালেন ভয়াবহ অভিজ্ঞতা

ইসরায়েলের হেফাজতে থাকার সময়ে ভয়াবহ যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন গাজাগামী মানবিক সহায়তাবাহী নৌবহরের (ফ্লোটিলা) কর্মী ও ফিলিস্তিনপন্থি জার্মান অধিকারকর্মী অ্যানা লিডকে।

তার বিভিন্ন সাক্ষাৎকার ও ইসরায়েলে করা একটি ফৌজদারি অভিযোগ থেকে যার একটি ভয়াবহ কাহিনী জানা গেছে, বন্দিশালায় তৃতীয়বারের মতো বেআইনিভাবে শরীর তল্লাশির সময় কারারক্ষীরা তাকে জোর করে হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করেন। এসময় চিৎকার বন্ধ করতে তারা লিডকের মুখ চেপে ধরেন এবং তাকে ধর্ষণ করেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। লিডকে বলেন, নির্যাতনের সময় তিনি পুরুষ রক্ষীদের হাসির শব্দ শুনেছিলেন। তার ধারণা, পুরুষ রক্ষীরা তার ওপর চলা এ নির্যাতন দেখছিলেন এবং সম্ভবত ভিডিও ধারণ করছিলেন। কারাগারের বারান্দা থেকে আংশিক টানা একটি পর্দা দিয়ে জায়গাটি আলাদা করা ছিল। পর্দাটি খোলাই রেখেছিলেন ইসরায়েলের কারারক্ষীরা।

২৫ বছর বয়সী লিডকে গত শরতে ইউরোপ থেকে গাজাগামী মানবিক সহায়তাবাহী নৌবহরে (ফ্লোটিলা) যোগ দেন। ইসরায়েলের বাহিনী ৮ অক্টোবর আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে তাদের নৌকাটি আটক করে। এরপর তাকে ইসরায়েলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে পাঁচদিন আটক রাখা হয়।

লিডকে বলেন, ইসরায়েলের কারাগারে ফ্লোটিলার কর্মীদের ওপর ধর্ষণের পাশাপাশি যে নির্যাতন ও সহিংসতা চালানো হয়েছে, তার উদ্দেশ্য ছিল তাদের ভয় দেখানো। গার্ডিয়ানকে তিনি বলেন, ‘এটি স্পষ্ট যে তারা আমাদের মনোবল ভেঙে দিতে চায় এবং আমাদের চুপ করাতে চায়। তারা আমাদের এমন এক ট্রমার মধ্যে ফেলতে চায়, যাতে আমরা আর কখনো ফিলিস্তিন নিয়ে কথা না বলি।’

তবে দমে না গিয়ে লিডকে কয়েক দিনের মধ্যে তার বন্ধু ও চিকিৎসকদের বিষয়টি জানান। গত ডিসেম্বরে তিনি প্রথম ফ্লোটিলা কর্মী হিসেবে ইসরায়েলি হেফাজতে ধর্ষণের শিকার হওয়ার কথা প্রকাশ্যে বলেন। আরও এক ডজনের বেশি কর্মী যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেছেন, যাদের বেশিরভাগই নাম প্রকাশ করেননি।

ইসরায়েলে লিডটকের আইনজীবীরা তার অভিযোগগুলো তদন্ত করার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ইসরায়েলের আইন অনুযায়ী, সম্মতি ছাড়া যেকোনো ধরনের যৌন নিপীড়নকে ধর্ষণ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

আইনি লড়াই শুরু করার পর দেওয়া প্রথম সাক্ষাৎকারে লিডকে বলেন, ‘আমার লজ্জা পাওয়ার কোনো কারণ নেই। আমরা চুপ থাকলে তারা অন্য কারও সঙ্গেও একই কাজ করবে।’

অভিযোগপত্রটি ইসরায়েলের অ্যাটর্নি জেনারেল, ইসরায়েল কারা কর্তৃপক্ষের আইনি উপদেষ্টা, কারারক্ষী তদন্ত বিভাগ (ইয়াহাস) এবং গিভন কারাগারের কমান্ডারের কাছে পাঠানো হয়েছে। লিডকের আইনজীবী মুনা হাদ্দাদ বলেন, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো ইসরায়েলে বন্দি নির্যাতনের ক্ষেত্রে যে ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতির’ সৃষ্টি হয়েছে, সেটাকে চ্যালেঞ্জ করা।

ইসরায়েলে কর্মরত ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংস্থা ‘আদালাহ’-এর আইনজীবী হাদ্দাদ বলেন, ‘অ্যানা ন্যায়বিচার চান। অপরাধীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে তিনি সব পথ ব্যবহার করতে চান। আমরা জনসচেতনতা বাড়াতে এবং তদন্তের দাবিতে ইসরায়েলের ব্যবস্থা কীভাবে সাড়া দেয় তা পর্যবেক্ষণ করতে চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রায় তিন বছর ধরে ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর ক্রমাগতভাবে যৌন সহিংসতা ও ধর্ষণের মতো অপরাধ চালানো হচ্ছে। এখন আমরা এর মাত্রা আরও বাড়তে দেখছি। ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানানো বিদেশি নাগরিকদের ওপরও একই আচরণ করছে ইসরায়েল।’

লিডকে বলেন, ‘আমি মনে করি না, মুখ খুললেই কারাগারে ধর্ষণ বন্ধ হয়ে যাবে। তবে একজন রাজনৈতিক সচেতন নারী হিসেবে আমি এ বিষয়ে কথা বলা দায়িত্ব মনে করি। আমি এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে চাই। আমি জোর দিয়ে বলতে পারি, ফিলিস্তিনি বন্দিরা যে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হন, আমার ওপর হওয়া নির্যাতন তার চেয়ে অনেক কম।’

গেল বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ ইতালি থেকে প্রায় ১০০ কর্মীর সঙ্গে একটি বড় ফেরিতে করে রওনা হওয়ার আগে লিডকে আগের ফ্লোটিলা সদস্যদের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়েছিলেন। তিনি ইসরায়েলের হেফাজতে যৌন নিপীড়নসহ সম্ভাব্য সহিংসতার মুখোমুখি হওয়ার জন্য নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে পরে তিনি বুঝতে পারেন, এমন পরিস্থিতির জন্য আগে থেকে প্রস্তুতি নেওয়া প্রায় অসম্ভব।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যনগরে "জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬" উপলক্ষে শহীদ আয়াতুল্লাহর কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ আব্দুল মোছাব্বির মধ্যনগর প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০২ পি.এম


মধ্যনগরে "জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬" উপলক্ষে শহীদ আয়াতুল্লাহর কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।

জুলাই শহীদ দিবসে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয়
কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপলক্ষে সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে শহীদ আয়াতুল্লাহর কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৬ জুলাই) বেলা ২ ঘটিকার সময় মধ্যনগর বাজার থেকে ট্রলারযোগে শহীদ আয়াতুল্লাহর কবরস্থানে গিয়ে কবর জিয়ারত, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধরমপাশা উপজেলা উলামা বিভাগের সভাপতি, সাবেক সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি এবং সম্ভাব্য চামরদানি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাওলানা মোঃ এনামুল হক।

তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগ জাতির জন্য প্রেরণার উৎস। তাদের আদর্শকে ধারণ করে ন্যায়, ইনসাফ ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মধ্যনগর উপজেলা জামায়াতের সভাপতি মাওলানা আবু তাহের।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সেক্রেটারি মোঃ আলী হোসেন, সহ-সেক্রেটারি অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট মোঃ আব্দুল মোছাব্বির, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সম্রাট মিয়া এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

শেষে শহীদ আয়াতুল্লাহর রুহের মাগফিরাত, দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটের বিশ্বনাথে এক নারীর দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, প্রধান অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৮ পি.এম


সিলেটের বিশ্বনাথে এক নারীর দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, প্রধান অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় এক নারীকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে নির্জন বাড়িতে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

এই ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার প্রধান অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তবে মামলার অন্য আসামিরা এখনও পলাতক রয়েছেন।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে দক্ষিণ সুরমার চণ্ডীপুল এলাকা থেকে ছাতকে যাওয়ার উদ্দেশ্যে এক নারী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করেন, যিনি এয়ারপোর্ট থানার সাহেববাজার এলাকার বাসিন্দা। অভিযোগ রয়েছে, সিএনজি চালক তাকে নির্ধারিত গন্তব্যে না নিয়ে কৌশলে বিশ্বনাথ উপজেলার অলংকারি ইউনিয়নের আলমনগর গ্রামের একটি নির্জন বসতঘরে নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া কয়েকজন ব্যক্তি মিলে তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেন।

এই ঘটনার পর, বুধবার (১৫ জুলাই) ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে বিশ্বনাথ থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও একজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর অভিযান চালিয়ে পুলিশ প্রধান অভিযুক্ত গয়াছ মিয়া গেদা (৪৫)কে গ্রেপ্তার করে। তিনি বিশ্বনাথ উপজেলার হায়াতেরগাঁও গ্রামের মৃত ছিদ্দেক আলীর ছেলে। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, ঘটনার পর থেকেই মামলার বাকি অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছেন। ভুক্তভোগী নারীকেসহ চিকিৎসা এবং প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।

বিশ্বনাথ থানার ওসি (তদন্ত) জানিয়েছেন, মামলার প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%