বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
১০:১৯ পি.এম
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে অধিকাংশ মূল্যসূচকের উত্থান লক্ষ্য করা গেছে। এদিন, ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৫ দশমিক ৫৯ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৫ হাজার ৬৫৫ দশমিক ৬৮ পয়েন্টে পৌঁছেছে।
অন্য দুই সূচকের মধ্যে, ডিএসইএস ৫ দশমিক ৭০ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৩২ দশমিক ৫৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে এবং ডিএস-৩০ সূচক ৮ দশমিক ৭৭ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ২ হাজার ১৩৪ দশমিক ৮৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
আজ ডিএসইতে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৪৬১টি ট্রেডের মাধ্যমে ৩৯৩টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মোট ১৭ কোটি ৭৪ লাখ ৬৫ হাজার ৫৩৪টি শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৮৫টির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, ১৪৪টির দাম কমেছে এবং ৬৪টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এসব লেনদেনের মোট আর্থিক মূল্য ৪৬৭ কোটি ১ লাখ ৪৮ হাজার ৩৬৮ টাকা।
বিভাগভিত্তিক লেনদেনে ‘এ’ ক্যাটাগরির ২০১টি কোম্পানির মধ্যে ৮৪টির দাম বেড়েছে, ৮৭টির দাম কমেছে এবং ৩০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ‘বি’ ক্যাটাগরির ৭৪টি কোম্পানির মধ্যে ৩৯টির দাম বেড়েছে, ২৬টির দাম কমেছে এবং ৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
‘জেড’ ক্যাটাগরির ১১৮টি কোম্পানির মধ্যে ৬২টির দাম বেড়েছে, ৩১টির দাম কমেছে এবং ২৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
এছাড়া, মিউচুয়াল ফান্ডের ৩৪টি ইস্যুর মধ্যে ৬টির দাম বেড়েছে, ১৬টির দাম কমেছে এবং ১২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। করপোরেট বন্ডের ৫টির মধ্যে ৩টির দাম বেড়েছে এবং ২টির দাম কমেছে। সরকারি সিকিউরিটিজের ৫টির মধ্যে ৪টির দাম বেড়েছে এবং ১টির দাম কমেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৮ আগস্ট, ২০২৬ : আজ মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ‘গেম ডেভেলপমেন্ট (জিডি) ট্রফি’ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল একটি উড়ন্ত সূচনা করেছে। ওপেনার শেখ জারিফ সিয়ামের চোখ ধাঁধানো ৯৯ রানের সুবাদে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ২৪৬ রানের বিশাল ব্যবধানে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ দলকে পরাজিত করেছে।
প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের উদ্দেশ্য ভবিষ্যতের প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করা। সিয়াম এই টুর্নামেন্টে নিজের জাত চিনিয়েছেন। তিনি মাত্র ১ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করেন। তবুও, সিয়ামের দুর্দান্ত ইনিংসের উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ৮ উইকেটে ৩২৯ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে।
সকালের বৃষ্টির কারণে ম্যাচটি ৪৩ ওভারে সীমাবদ্ধ করা হয়। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক ফরিদ হাসান। ব্যাটিং শুরু করেই সিয়াম প্রতিপক্ষের বোলারদের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। সিয়ামের মারমুখী ব্যাটিংয়ে উদ্বোধনী জুটিতে ৪৩ রানের সূচনা করে অনূর্ধ্ব-১৯ দল। সিয়ামের সঙ্গী আবদুল্লাহ মুহি ১১ রানে আউট হন। এরপর তিন নম্বরে নামা অদ্রিত ঘোষ ৫ রানে ফিরে গেলে ৫৯ রানে ২ উইকেট হারায় অনূর্ধ্ব-১৯ দল।
তৃতীয় উইকেটে সিয়াম এবং আহসান আলী মুমিন ১৪১ রানের জুটি গড়েন। সিয়াম ৩৯ বলে ৬টি চার মেরে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। অর্ধশতকের পর তিনি আরও বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন এবং সেঞ্চুরির দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন।
কিন্তু সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় পৌঁছানোর পর মুমিনের সাথে ভুল বোঝাবুঝির কারণে রানআউট হন সিয়াম। তিনি ৯৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন। সিয়ামের ৭৬ বলের ইনিংসে ১২টি চার এবং তিনটি ছক্কা ছিল।
এরপর মুমিন ৬৭ রানে বিদায় নেন। তবে অধিনায়ক ফরিদের ৬২ রানের ইনিংসের সুবাদে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ৮ উইকেটে ৩২৯ রানের বড় সংগ্রহ পায়।
৩৩০ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে অনূর্ধ্ব-১৭ দলের ব্যাটাররা প্রতিপক্ষের বোলারদের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিরোধ গড়তে পারেনি। তারা ২৯ দশমিক ১ ওভারে মাত্র ৮৩ রানে গুটিয়ে যায়।
দলের হয়ে মাত্র তিন ব্যাটার দুই অঙ্কের কোটা স্পর্শ করতে সক্ষম হন, এর মধ্যে সর্বোচ্চ ২৪ রান করেন ইমরান ভূঁইয়া।
দুর্দান্ত বোলিংয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের জয়ে অবদান রাখা শাকিল খান ৮ রানে ৩ উইকেট নেন। এছাড়া আতিকুর রহমান ও তাফিউল আলম দুটি করে উইকেট শিকার করেন।
সিয়াম ৯৯ রান করার পাশাপাশি অফ-স্পিন ঘূর্ণিতে মাত্র ১০ রানে ১ উইকেট নিয়ে ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রাখেন। অলরাউন্ড পারফরমেন্সের কারণে তিনি ম্যাচ সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা, ২৮ আগস্ট, ২০২৬ : বিমা কোম্পানিগুলোর তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গোপন বা অতিরিক্ত ‘ডাবল সার্ভার’ ছয় সপ্তাহের মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশনা প্রদান করেছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ), যা সকল তথ্য একীভূত করার উদ্দেশ্যে।
আইডিআরএ চেয়ারম্যান মীর নাদিয়া নিভিন জানিয়েছেন, নির্দেশনা অমান্য করলে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, কোম্পানিগুলো কর্তৃপক্ষকে যে তথ্য প্রদান করে, তা সবসময় প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে সক্ষম হয় না। গ্যারেজ বা বিছানার নিচে সার্ভার লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করা হলেও তা শনাক্ত করা হবে।
শুক্রবার কুমিল্লার বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে (বার্ড) ইন্স্যুরেন্স রিপোর্টার্স ফোরাম (আইআরএফ) এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও জানান, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বিমা খাতে ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। পাশাপাশি তিন থেকে চার মাসের মধ্যে অভিন্ন ‘ইউনিক পলিসি আইডি’ চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন, আগামী সপ্তাহ থেকে সংকটে থাকা কিছু বিমা কোম্পানির সম্পদ বিক্রি ও নগদায়নের মাধ্যমে গ্রাহকদের বকেয়া দাবি পরিশোধের প্রক্রিয়া শুরু হবে। প্রথম ধাপে সাত থেকে আটটি কোম্পানিকে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে।
এছাড়া, বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর ও বিএসইসির সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করে বিমা কোম্পানির তথ্য গোপনের সুযোগ বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান। আইডিআরএতে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কোম্পানির বিরুদ্ধে সরাসরি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৮ আগস্ট, ২০২৬ : ভয়াবহ বন্যার কারণে জলমগ্ন হয়ে পড়া একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকা পড়া প্রায় ১০০ জনকে উদ্ধারের জন্য শুক্রবার হেলিকপ্টার ব্যবহার করে অভিযান পরিচালনা করেছে নেপাল সেনাবাহিনীর উদ্ধারকারী দল।
নেপাল সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রাজা রাম বাসনেত এএফপিকে জানিয়েছেন, ‘আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে আটকা পড়া মানুষদের খুঁজে বের করে উদ্ধার করা। ত্রিশূলী-৩ এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে কিছু ব্যক্তি আটকা পড়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুটি হেলিকপ্টার পাঠানো হয়েছে। তবে কাজটি বেশ কঠিন। কারণ সুড়ঙ্গের প্রবেশপথগুলো চিহ্নিত করা খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার কাজও অব্যাহত রয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও সেনাবাহিনী উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘প্রতিকূল আবহাওয়া ও দ্রুতগতির বন্যার পানির মধ্যে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও কঠিন পরিস্থিতিতে কিছুক্ষণ আগে সুড়ঙ্গে আটকা পড়া ৩৫০ জন শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দাকে নেপাল সেনাবাহিনীর একটি দল সফলভাবে উদ্ধার করেছে।’
এতে আরও বলা হয়, ‘একই সুড়ঙ্গে আটকা পড়া আরও শতাধিক মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে সেনাবাহিনী এখনও কাজ করছে।’
উদ্ধার হওয়া বা আটকা পড়া ব্যক্তিদের জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রদান করা হয়নি।
শুক্রবার নেপালের উত্তর সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যায় ধ্বংসযজ্ঞের মাত্রা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সড়ক, সেতু ও জলবিদ্যুৎ অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়েছে। বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা নজিরবিহীন ধ্বংসযজ্ঞের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন।
ত্রিশূলী উপত্যকার অন্যান্য বাঁধ প্রকল্প থেকে উদ্ধার হওয়া শ্রমিকরা জানিয়েছেন, অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
যেখানে তারা কাজ করছিলেন, সেখান থেকে আকাশপথে সরিয়ে নেওয়া দেব শ্রেষ্ঠ এএফপিকে বলেন, ‘সেখানে অন্তত ৪০০ শ্রমিক ছিলেন। যতজনকে উদ্ধার করা হয়েছে, তার চেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছেন।’
শ্রমিক বুদ্ধ তামাং জানিয়েছেন, বন্যার পানি আঘাত হানার সময় তিনি বাঁধের একটি সুড়ঙ্গে অবস্থান করছিলেন, তাই প্রাণে বেঁচে যান। পরে তিনি সুড়ঙ্গ থেকে বেরিয়ে সহায়তা পান।
তামাং বলেন, ‘আমি সুড়ঙ্গে থাকায় বেঁচে গেছি।’ ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় আটকা থাকার পর বৃহস্পতিবার তাকে আকাশপথে সরিয়ে নেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, ‘অন্য পাশে কাজ করা জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা সবাই পানির স্রোতে ভেসে গেছেন।’
আরেক শ্রমিক অর্জুন কুমার তামাং জানিয়েছেন, যেখানে তিনি কাজ করছিলেন, সেই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে ‘ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির’ ঘটনা ঘটেছে।
তিনি বলেন, ‘কতজন মারা গেছেন জানি না। তবে পানির স্রোতের প্রচণ্ডতায় সবকিছু ভেসে গেছে।’
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, বুধবারের এই দুর্যোগের কারণ ছিল হিমবাহ ধসে পড়া। এর ফলে বরফমিশ্রিত ধ্বংসাবশেষের বিশাল স্রোত সৃষ্টি হয়।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে হিমবাহ গলে যাচ্ছে। এতে হিমবাহের হ্রদের বন্যা ও হিমবাহ ধসে পড়ার ঝুঁকি বাড়ছে।
ধ্বংসযজ্ঞের কারণে পার্বত্য এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সেখানে সড়ক ও সেতুই প্রায়ই চলাচলের একমাত্র পথ।
ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নেপালের গুরুত্বপূর্ণ জলবিদ্যুৎ খাতও। চালু ও নির্মাণাধীন উভয় ধরনের বেশ কয়েকটি প্রকল্প ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৮ আগস্ট, ২০২৬ : এল নিনোর কারণে আরোপিত বিধিনিষেধ শুরুর আগে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পানামা খাল দিয়ে যাওয়ার জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বহনকারী একটি ট্যাংকার ৫৩ লাখ ডলার দিয়েছে। পানামা খালের উপ-প্রশাসক ইলিয়া এসপিনো দে মারোত্তা বৃহস্পতিবার এএফপিকে এ তথ্য জানান।
ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানি এসকে গ্যাস তাদের জি. স্পিরিট ট্যাংকারটি ১ সেপ্টেম্বর খাল দিয়ে পার করার জন্য রেকর্ড এই অর্থ প্রদান করেছে। এল নিনো আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে খাল কর্তৃপক্ষ দুই দিন পর দৈনিক জাহাজ চলাচলের সংখ্যা কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পানামা সিটি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
মঙ্গলবার এল নিনোর কারণে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা মধ্য আমেরিকার সর্বশেষ দেশ হলো পানামা। অঞ্চলজুড়ে তীব্র খরার কারণে খালটির পানির স্তর কমে যাওয়ার ফলে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
এল নিনো একটি আবহাওয়াগত পরিস্থিতি, যা মধ্য ও পূর্ব নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের পানির উপরিভাগের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে বায়ুপ্রবাহ ও বৃষ্টিপাতের ধরন পরিবর্তিত হয়। আবহাওয়ায়ও দেখা দেয় অনিয়ম।
এল নিনোর প্রভাবে বৈশ্বিক তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছর রেকর্ডের সবচেয়ে উষ্ণ বছর হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
পানামা খাল দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলো তাদের যাত্রার সময় আগে থেকেই নির্ধারণ করে বুকিং করে। তবে বুকিং ছাড়া জাহাজকে খাল পার হওয়ার জন্য গড়ে পাঁচ দিন অপেক্ষা করতে হয়। এই ক্ষেত্রে শেষ মুহূর্তে অর্থের বিনিময়ে যাত্রার সুযোগ পাওয়ার জন্য নিলামের ব্যবস্থা রয়েছে।
পানামা খাল কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নিলামে গড় দাম ছিল প্রায় ৫৫ হাজার ডলার।
তবে এপ্রিলে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বহনকারী একটি জাহাজ লাইনে অপেক্ষা এড়িয়ে দ্রুত খাল পার হওয়ার জন্য ৪০ লাখ ডলার দিয়েছিল। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে গুরুত্বপূর্ণ পণ্য পরিবহনের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় জাহাজটির দ্রুত খাল পার হওয়ার প্রয়োজন হয়েছিল।
বিশ্বের সামুদ্রিক বাণিজ্যের ৫ শতাংশ পরিবহনকারী এই নৌপথে ৩ সেপ্টেম্বর থেকে দৈনিক জাহাজ চলাচলের সংখ্যা ৩৬ থেকে কমিয়ে ৩৪ করা হবে। পরে সেপ্টেম্বরের মধ্যে তা আরও কমিয়ে ৩২ করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ