বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:১২ পি.এম
বিশ্বকাপ ফাইনালের মধ্যে স্পেনের শিরোপা জয়ের ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব মিয়া খলিফা বড় অঙ্কের অর্থ জিতেছেন। স্প্যানিশ ক্রীড়া সংবাদমাধ্যম মার্কার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, স্পেনের পক্ষ থেকে বাজিতে জিতে তিনি মোট ১৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার (প্রায় ২০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা) ফেরত পেয়েছেন।
রোববার (১৯ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচটি গ্যালারিতে বসে উপভোগ করেন ৩৩ বছর বয়সী মিয়া খলিফা। তার গায়ে ছিল স্পেনের তরুণ ফুটবলার লামিনে ইয়ামালের জার্সি। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বাজির একটি স্ক্রিনশটও প্রকাশ করেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১.৬৫ অডসে তিনি ১০ লাখ (১ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার বাজি ধরেছিলেন। অতিরিক্ত সময়ের ফেরান তোরেসের একমাত্র গ goal লে স্পেন ১-০ ব্যবধানে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে শিরোপা জেতায়, তার বাজি সফল হয়। তার কারণে মোট ১৬ লাখ ৫০ হাজার ডলার ফেরত এসেছে। মূল বাজির অর্থ বাদ দিলে, তার নিট লাভ দাঁড়ায় প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার ডলার (প্রায় ৮ কোটি ২ লাখ ৫৭ হাজার টাকা)।
জয়ের পর, মিয়া খলিফা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রসিকতা করে লিখেছেন, "বিশ্বাস রেখেছি, আর বড় জয় পেয়েছি। আমার ‘নিজের দেশ’ স্পেনকে নিয়ে আমি খুব গর্বিত, যদিও আমার শরীরে এক ফোঁটা স্প্যানিশ রক্তও নেই।"
তার প্রকাশ করা পোস্টে ১০ লাখ ডলারের বাজি এবং সম্ভাব্য ১৬ লাখ ৫০ হাজার ডলার ফেরতের স্ক্রিনশটের পাশাপাশি স্টেডিয়ামে তার উপস্থিতি ও উদযাপনের কয়েকটি ছবিও রয়েছে।
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন মিয়া খলিফা। প্রথমে তিনি স্পেনের জার্সি পরে একটি ছবি প্রকাশ করেন। পরে তিনি ইঙ্গিত দেন যে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে যে দল খেলবে, তিনি তাদের সমর্থন করবেন।
সে সময় তিনি লিখেছিলেন, "আজ আর্জেন্টিনার বিপক্ষে যে দলই খেলুক না কেন, আমি তাদেরই সমর্থন করার জন্য প্রস্তুত ছিলাম।"
উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিয়া খলিফার বিশাল অনুসারী রয়েছে। বর্তমানে তিনি সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক কন্টেন্ট তৈরি ছাড়াও খেলাধুলা ও বিনোদনভিত্তিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রংপুরে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে বাবাসহ ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) তাজহাট থানা-পুলিশ। এ সময় তাদের প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ধার করা হয়েছে দুটি চোরাই মোটরসাইকেল।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম রফিক।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন পীরগঞ্জ উপজেলার মকিমপুর এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে দুলাল মিয়া (৪০) এবং তার ছেলে রাকিব মিয়া (২০)।
পুলিশ সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার মিঠাপুকুর উপজেলার বৈরাগীগঞ্জ এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ধার করা হয় দুটি চোরাই মোটরসাইকেল।
উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেলের মধ্যে রয়েছে একটি নিবন্ধিত ইয়ামাহা R15 V3 এবং একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন পালসার NS 160 মোটরসাইকেল।
তাজহাট থানার ওসি রফিকুল ইসলাম রফিক জানান, গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া, এই চোরচক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্তকরণ ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশের দাবি, মোটরসাইকেল চুরির সঙ্গে জড়িত সংঘবদ্ধ চক্রকে আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে এ ঘটনায় আরও গ্রেপ্তার হতে পারে বলে জানিয়েছে তাজহাট থানা পুলিশ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানা এলাকায় পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এই তথ্য জানিয়েছেন।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের নাম হলো- মো. জীবন হোসেন, কানিজ ইয়াসমিন ইভা, মো. গোলাম হোসেন (৩০), জসীম উদ্দীন (৩০), মো. মুবাশিরা হোসেন (৩৫) এবং শাফায়েত হোসেন (৩৫)।
শেরেবাংলা নগর থানার বরাত দিয়ে নিয়াজ মেহেদী জানান, বুধবার (২২ জুলাই) শেরেবাংলা নগর থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।
তিনি আরো বলেন, অভিযানে বিভিন্ন অপরাধের সাথে সম্পর্কিত ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের সংগীতপ্রেমীদের মন মাতাতে পাকিস্তানের জনপ্রিয় গায়ক আতিফ আসলাম আবারও ঢাকায় এসেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে একটি সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন তিনি। সেখানে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন জনপ্রিয় এই গায়ক।
সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক আতিফ আসলামের কাছে জানতে চান, বাংলাদেশের খাবারগুলি তাঁকে কেমন লাগে? কোন খাবারগুলো তাঁর বেশি প্রিয়?
জবাবে গায়ক বলেন, ‘খিচুড়ি। আর আপনাদের একটা চা আছে, সেটা খুবই মজা। এছাড়া আপনাদের বিরিয়ানিরও তুলনা হয় না।’
আতিফ আসলাম বলেন, ‘আমি পৃথিবীর যেখানেই যাই, বাংলাদেশে যে খাবারের কথা বলি, তা প্রশংসিত হয়। যখন কখনোই আমাকে মানুষ জিজ্ঞাসা করে, চাইনিজ, থাই এর মতো খাবারগুলি প্রিয় কিনা? আমি সোজা বলে দিই, একবার আপনারা বাংলাদেশ গিয়ে সেখানকার খাবার খেয়ে দেখুন। পরে আমাকে বলুন।’
অনেক বছর আগে একটি সংগীত প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের কিংবদন্তি শিল্পী রুনা লায়লার সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন আতিফ। সে প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আতিফ বলেন, রুনা লায়লা ম্যামের সঙ্গে আমি একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলাম। আমরা দুজনেই বিচারকের আসনে ছিলেন। এর প্রেক্ষিতে তিনি ‘ও লাল মেরি’ গানটি গেয়েছিলেন, যেটি খুবই জনপ্রিয়। নিশ্চয়ই তিনি অসাধারণ শিল্পী, একজন কিংবদন্তি। তার সঙ্গে কাজ করতে পেরে দারুণ আনন্দ পেয়েছি।
পাকিস্তানের জনগণের মধ্যে আতিফের বাংলাদেশে কোনো আত্মীয় রয়েছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আপনারা সবাই আমার আত্মীয়। আমার কাছে আপনারা পরিবারের মতো। তবে হ্যাঁ, যদি আক্ষরিক অর্থে বলি, এখানে কাজের সুবাদে কিছু পরিচয় হয়েছে। এর থেকে বেশি কিছু নয়।’
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে ঢাকার মাদানি এভিনিউর কোর্টসাইডে আতিফ আসলামের কনসার্ট হবে। এতে তার সঙ্গে গান পরিবেশন করবে বাংলাদেশের ব্যান্ড ‘মেঘদল’ এবং ‘লেভেল ফাইভ’।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ রেলওয়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় মালবাহী ওয়াগন এবং যাত্রীবাহী কোচের সংস্কারে বিপুল পরিমাণ ভারী ও খুচরা যন্ত্রাংশের প্রয়োজন হয়। যদিও কারখানাটিতে অধিকাংশ যন্ত্রাংশ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে, তবুও জনবল সংকট, আধুনিক প্রযুক্তির অভাব এবং প্রয়োজনীয় সময়ে কাঁচামাল না পাওয়ার কারণে প্রতিবছর টেন্ডারের মাধ্যমে দেশীয় বাজার ও বিদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ খুচরা এবং ভারী যন্ত্রাংশ কিনতে হচ্ছে।
এ ফলে একদিকে সরকারের রাজস্ব ব্যয় বাড়ছে আর অন্যদিকে বাইরে থেকে সরবরাহ করা যন্ত্রাংশের গুণগত মান নিয়েও রয়েছে উদ্বেগ।
কারখানার বিভিন্ন শপ ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা যন্ত্রাংশ তৈরির গুরুত্বপূর্ণ মিলরাইট শপে ২৯টি হালকা এবং ভারী মেশিন থাকলেও প্রায় সবগুলোই অচল হয়ে আছে দীর্ঘদিন। অযত্ন ও অবহেলার কারণে মেশিনগুলোর উপর ধুলাবালি জমছে এবং কোথাও কোথাও মাকড়সার জালও দেখা যাচ্ছে। একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে প্রোডাকশন শপ, টুলরুম শপসহ অন্যান্য শপেও।
কারখানার দুটি উৎপাদন শপ, প্রোডাকশন শপ এবং টুলরুম শপে, মোট ১৪২টি মেশিনের মধ্যে মাত্র ৩৮টি সচল রয়েছে। বাকি মেশিনগুলো দীর্ঘদিন ধরে অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে।
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা সূত্র জানায়, কারখানায় মোট ৭৭৯টি মেশিন রয়েছে। এর মধ্যে ৫৮২টি (৭৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ) কার্যক্ষম এবং ১৯৭টি (২৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ) অকার্যকর পর্যায়ে রয়েছে। কিন্তু উৎপাদনের সক্ষম অসংখ্য মেশিন দক্ষ কারিগরের অভাব এবং রক্ষণাবেক্ষণ সংকটের কারণে ব্যবহার না হওয়ায় অচল হয়ে পড়েছে।
কারখানার বিভিন্ন শপের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুসারে, বর্তমানে সচল ৫৮২টি মেশিন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবলের তুলনায় কারিগর মাত্র ১৪০ জন রয়েছে। দক্ষ কারিগরদের অভাবে অনেক মেশিন অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে।
তারা আরও জানিয়েছে, অনুমোদিত জনবল নিয়োগ করা হলে বাইরের বাজার থেকে যন্ত্রাংশ কেনার পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাবে। বর্তমানে কারখানায় বহু পুরোনো এবং মান্ধাতা আমলের মেশিনারিজ দিয়েই যন্ত্রাংশ উৎপাদন চলছে।
কারখানার মেশিনগুলোর বর্তমান বয়স বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ১ থেকে ২০ বছর বয়সী ৮২টি, ২০ থেকে ২৫ বছর বয়সী ২০৭টি এবং ৫০ বছরের বেশি পুরোনো ৪৮২টি মেশিন ব্যবহৃত হচ্ছে। অথচ এসব মেশিন পরিচালনার জন্য মোট জনবল রয়েছে মাত্র ২০১ জন।
দক্ষ জনবল সংকট থাকার পরেও প্রত্যেক মাসে মালবাহী ওয়াগন এবং যাত্রীবাহী কোচ মিলিয়ে প্রায় ৮০টি রোলিং স্টকের সংস্কার করা হচ্ছে। এই কাজ নির্বিঘ্নে পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত বিপুল সংখ্যক ভারী ও ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশের প্রয়োজন হচ্ছে।
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার উৎপাদন প্রকৌশলী মো. জাহিদ হাসান জানিয়েছেন, ২০১৬ সালের পর থেকে চীন, ভারত এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানিকৃত কোচগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ তৈরিতে আধুনিক সিএনসি মেশিন রেলওয়ে কারখানায় নেই। এ কারণে এসব যন্ত্রাংশ এখানে উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না। পাশাপাশি দক্ষ মেশিনম্যানের সংকটও উৎপাদনে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে কারখানায় প্রায় ৬৪৩ ধরনের খুচরা যন্ত্রাংশ উৎপাদন করা হচ্ছে, কিন্তু প্রতিবছর স্থানীয় বাজার থেকে প্রায় দুই কোটি টাকা মূল্যের ২৫০ ধরনের খুচরা যন্ত্রাংশ কিনতে হয়।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক শাহ সুফি নূর মোহাম্মদ বলেছেন, কারখানায় দীর্ঘদিন ধরে জনবল সংকট চলছে। প্রয়োজনীয় সময়ে কাঁচামাল পাওয়া যাচ্ছে না। এছাড়া আধুনিক সিএনসি টাইপ মেশিনের অভাব রয়েছে। এসব কারণে বাধ্য হয়ে টেন্ডারের মাধ্যমে কিছু খুচরা যন্ত্রাংশ কেনা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, জনবল সংকট সমাধান হলে এবং প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজিত হলে বাইরের উপর নির্ভরতা অনেকটা হ্রাস পাবে। ব্রিটিশ আমলের অস্থায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়ার পরিবর্তে স্থায়ী নিয়োগ পদ্ধতি চালু থাকলে দক্ষ শ্রমিক পাওয়া সহজ হবে। আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজন, দক্ষ জনবল নিয়োগ এবং নিয়মিত কাঁচামালের সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে রেলওয়ে কারখানার নিজস্ব উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। এতে সরকারের ব্যয় কমবে, বিদেশি নির্ভরতা কমবে এবং দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই রেলওয়ে কারখানা পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ