সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৪২ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দায়িত্ব পালনকালে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করার পর হাসপাতালে নেওয়ার সময় পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মারা গেছেন। নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. ফখরুল ইসলাম, বয়স ৪২ বছর। তিনি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) কর্মরত ছিলেন।
মৃত ফখরুল ইসলাম কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালি থানার পাঁচথুবী ইউনিয়নের মির্জানগর গ্রামের মৃত সানাউল হকের পুত্র। প্রায় দেড় মাস আগে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিআইডিতে পোস্টিং পান। এর পূর্বে, তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এএসআই মো. ফখরুল ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অবস্থিত সিআইডি অফিসে দায়িত্ব পালন করছিলেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে তার সহকর্মীরা তাকে দ্রুত ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে রাত সোয়া ১২টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আহসান হাবিব এ বিষয়ে জানান, ওই পুলিশ সদস্যকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছিল। তার মৃত্যু কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বা হৃদ্রোগের কারণে ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রকিব উর রাজা বলেন, সিআইডিতে কর্মরত একজন পুলিশ সদস্য মারা গেছেন। খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলাম। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক একটি ঘটনা। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তার মরদেহ পরিবারের কাছে পাঠানোর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম উল্লেখ করেন, দেশের মানুষের আমিষের ঘাটতি পূরণে দেশের মুক্ত ও বদ্ধ জলাশয়ে মৎস্য চাষ একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে সারাদেশের আনাচেকানাচে মৎস্য চাষের ধারাবাহিকতায় সংসদ ভবন লেকে পর্যায়ক্রমে পোনা মাছ অবমুক্ত করা হচ্ছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবন লেকে পোনামাছ অবমুক্তকরণের সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
স্পিকার আরও বলেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় ও বঙ্গোপসাগর এলাকা মৎস্য উৎপাদন ও আহরণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া।
এ সময় হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, সংসদ ভবন লেকে মাছ চাষের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলের জনগণকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে এদেশের জনগণ মৎস্য সম্পদ উৎপাদনে আগ্রহী হবেন।
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। দেশের মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণে মাছ-মাংসের উৎপাদন বৃদ্ধিতে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সন্তান থাকুক দুধে-ভাতে’ ও ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’ বাস্তবায়নে দেশের সব আনাচে-কানাচে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে।
সংসদ ভবন লেকে মোট ১২০০ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত করা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ২৫০ কেজি রুই, মৃগেল, কাতলা ও কালিবাউশ জাতীয় পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়।
অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার আদালতে হাজিরা শেষে গাজীপুরের কারাগারে নিয়ে যাওয়ার সময় শৌচাগারের কথা বলে ২৫ মামলার আসামী রাজা, যিনি পিচ্চি রাজা নামে পরিচিত, তার পলায়নের ঘটনায় ৫ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনার পর পুলিশ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, আসামী রাজার পলায়নের পর পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, গাড়ির ড্রাইভারসহ পাঁচজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। কমিশনার আরও জানান, ঘটনার তদন্তের জন্য ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ডিসি হেডকোয়ার্টারের নেতৃত্বে ওই তদন্ত কমিটি কাজ করবে।
কারাগার সূত্রে জানা যায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতে হাজিরার জন্য রোববার সকালে পিচ্চি রাজাকে প্রিজনভ্যানে করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। আদালতে হাজিরা শেষে তাকে ফের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ এ ফিরিয়ে নেওয়ার সময় প্রিজনভ্যানটি গাজীপুরের নাওজোড় এলাকায় পৌঁছালে পিচ্চি রাজা প্রাকৃতিক কাজ সম্পন্ন করার জন্য শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলেন। পরে আনা-নেওয়ার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্য তাকে একটি শৌচাগারে নিয়ে যান। সেখানে সুযোগ পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যায় রাজা।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ এর সিনিয়র জেল সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ঢাকার আদালতে হাজিরা শেষে পিচ্চি রাজাকে কাশিমপুর কারাগারে ফিরিয়ে আনা হচ্ছিল। পথে নাওজোড় এলাকায় প্রাকৃতিক কাজ সারার কথা বলে সে শৌচাগারে যায়। সেখান থেকেই পালিয়ে গেছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৯ মে মোহাম্মদপুর এলাকার শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত রাজা, যিনি পিচ্চি রাজা নামে পরিচিত, গ্রেপ্তার হন। পিচ্চি রাজা, তার স্ত্রী ও শ্যালক নেপাল থেকে দেশে ফেরার খবর পেয়ে পুলিশ বিমানবন্দরে অবস্থান নেয়। পরে ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়। পিচ্চি রাজার বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্রসহ ২৫টির মতো মামলা রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জানিয়েছেন, সরকার একটি বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনের জন্য জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, দলের নেতাকর্মীসহ যে কেউ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নেত্রকোণার কলমাকান্দা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং ‘ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জরিপ-২০২৬’-এর তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের উদ্দেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এ সভার আয়োজন উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় যৌথভাবে করেছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এন. এম. আবদুল্লাহ আল মামুন।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চান। এই উদ্দেশ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্পটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতীতে এই কার্ড বিতরণে সচ্ছল ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তির মতো যেসব অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতি ঘটেছিল, বর্তমান সরকার তথ্য সংগ্রহের নিয়মে পরিবর্তন এনে তা দূর করেছে।
তথ্য সংগ্রহকারীদের উদ্দেশে তিনি কড়া নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, তথ্য সংগ্রহের কাজ অবশ্যই সমাজের সবচেয়ে অবহেলিত ও দরিদ্র মানুষের বাড়ি থেকে শুরু করতে হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে গৃহহীন ও অন্যের জায়গায় বসবাসকারীদের তালিকাভুক্ত করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই সচ্ছল বা পাকা ভবনের অধিবাসীদের আগে তালিকাভুক্ত করা যাবে না।
তিনি আরও বলেন, তথ্য সংগ্রাহকদের সরকার নির্ধারিত সম্মানী দেওয়া হচ্ছে। তাই এ কাজে কোনো প্রকার অর্থ লেনদেন বা স্বজনপ্রীতি বরদাশত করা হবে না। তিনি সতর্ক করেন যে, নিজ দল বিএনপি বা অঙ্গসংগঠন ছাত্রদলের কেউ যদি চাঁদাবাজি বা দুর্নীতিতে লিপ্ত হয়, তবে তিনি নিজেই বাদী হয়ে মামলা করবেন।
জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় যে ব্যাঘাত ঘটছে, সে জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেন।
একইসঙ্গে অপচয় রোধে সবাইকে দিনের বেলায় অপ্রয়োজনে আলো বা ফ্যান না চালিয়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের আহ্বান জানান তিনি। সরকার দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে বলেও তিনি জানান।
পাহাড়ি এলাকার গারো ও হাজং সম্প্রদায়সহ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, নানা অভাব-অনটন সত্ত্বেও তাদের মধ্যে অপরাধ বা মিথ্যাচারের প্রবণতা নেই। বিগত সরকারের আমলে সামাজিক নিরাপত্তার ভাতার টাকা অন্য মোবাইল নম্বরে চলে যাওয়ার মতো যেসব অনিয়ম হয়েছে, তা বর্তমান সরকার কঠোরভাবে বন্ধ করবে।
তিনি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি প্রদান এবং গৃহহীনদের বাসস্থানের আশ্বাস দেন। দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে আগামী পাঁচ বছর কলমাকান্দা ও দুর্গাপুরের মানুষের সেবা করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।
এই অঞ্চলকে একটি বাগানের সঙ্গে তুলনা করে নিজেকে তিনি একজন ‘মালী’ আখ্যায়িত করেন এবং জনপদের উন্নয়নে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ দূতাবাস বাংলাদেশি পর্যটকদের নেপালে চলমান ভারী বৃষ্টিপাত, বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ভ্রমণের বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে।
স্থানীয় সময় রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে কাঠমান্ডুতে এক বিজ্ঞপ্তিতে দূতাবাস জানায়, সকল বাংলাদেশি পর্যটক ও ট্রেকারদের জন্য নেপালে চলমান ভারী বৃষ্টিপাত, বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ভ্রমণে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে। আবহাওয়া ও সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত ভ্রমণে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
বিশেষ করে পিসাং, চামে, মানাং এবং আশপাশের পর্যটন এলাকায় অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। অব্যাহত বৃষ্টিপাতের কারণে ভূমিধস এবং তুষারপাতের ফলে অনেক স্থানে সড়ক যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটেছে। দুর্গম ভূপ্রকৃতি এবং যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় উদ্ধার কার্যক্রম অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
এদিকে, কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে মানাং-এর বিভিন্ন এলাকায় ট্রেকিং স্থগিত করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো তিলিচো লেক, থরং লা পাস, আইস লেক, কাং লা এবং ভীমথাং।
এছাড়া, ভূমিধসের কারণে সড়ক যোগাযোগ এবং নিকটবর্তী ট্রেকিং গন্তব্যে যাতায়াত ব্যাহত হওয়ায় পোখারা ও আশপাশের এলাকায় ভ্রমণের জন্যও সতর্কতা অবলম্বন করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। মুস্তাং, জমসম এবং অন্যান্য পার্বত্য এলাকার ভ্রমণের পূর্বে গান্দাকি প্রদেশের বিভিন্ন সড়ক যোগাযোগ সম্পর্কে যথেষ্ট অবগত থাকা প্রয়োজন, কারণ এসব সড়ক ব্যবস্থা তাৎক্ষণিকভাবে বিঘ্নিত হতে পারে।
এ কারণে, বাংলাদেশি নাগরিকদের অন্নপূর্ণা, মানাং, মুস্তাং ও মানাসলু অঞ্চলসহ বিভিন্ন পার্বত্য ও ভূমিধসপ্রবণ এলাকায় ট্রেকিং, পর্বতারোহণ এবং ভ্রমণের পরিকল্পনা করার আগে সকল তথ্য যাচাই করা এবং নেপাল সরকার ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনাগুলো ঘনিষ্ঠভাবে অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
যেসব বাংলাদেশি নাগরিক ইতোমধ্যে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় ভ্রমণ করছেন, তাদের নিরাপদ স্থানে অবস্থান করা, নদীর তীর ও ভূমিধসের আশংকাযুক্ত এলাকা এড়িয়ে চলা, ভ্রমণের আগে সড়ক ও আবহাওয়া পরিস্থিতি যাচাই করা এবং ট্রাভেল অপারেটর ও দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
দূতাবাস নেপালের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ