ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সামাজিক নিরীক্ষার ফলাফল উপস্থাপন বিষয়ক সেমিনার


সামাজিক নিরীক্ষার ফলাফল উপস্থাপন বিষয়ক সেমিনার

সামাজিক নিরীক্ষার ফলাফল উপস্থাপন বিষয়ক মতবিনিময় সভা জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ সোমবার বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) এবং এফ্যারটস ফর রুরাল এডভ্যান্সমেন্ট (ইরা)-এর উদ্যোগে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জেলার সদর, তাহিরপুর, দোয়ারাবাজার ও বিশ্বম্বভরপুর উপজেলায় নারী শিক্ষা, কর্মদক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বিষয়ে নাগরিকদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরা হয়েছে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান।

এছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মতিউর রহমান খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুনজিত কুমার চন্দ, সহকারী কমিশনার সাকিবুর রহমান, সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি)-এর সিনিয়র রিসার্চার ও প্রকল্প কোঅর্ডিনেটর ড. দ্বিজেন মল্লিক, প্রকল্প পরামর্শক মোজাহিদুল ইসলাম, মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন অ্যাসোসিয়েট মো. জাওয়াদুল করিম, ইরা এর প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মো. কামরুজ্জামান, নাগরিক-তাইরা কর্মসূচির ফিল্ড কোঅর্ডিনেটর মিজ তৃপ্তি, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি এবং সিটিজেনস গ্রুপের সদস্যবৃন্দ।

সভায় সামাজিক নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রাপ্ত ফলাফল উপস্থাপনের পর জেলা প্রশাসক পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ে অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় তিনি তাদের অভিজ্ঞতা, মতামত ও সুপারিশ মনোযোগসহকারে শোনেন। আলোচনা শেষে জেলা প্রশাসক প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং সুপারিশসমূহ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের মানসিক পুনর্বাসনে বিশেষ কর্মসূচি নিয়েছে সরকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০৮ পি.এম


জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের মানসিক পুনর্বাসনে বিশেষ কর্মসূচি নিয়েছে সরকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সংসদ ভবন, ১৩ জুলাই, ২০২৬ : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, সরকার তরুণ সমাজের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা, বিশেষ করে মানসিক চাপ, হতাশা ও আত্মহত্যা প্রতিরোধকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহতদের মানসিক পুনর্বাসন এবং ট্রমা-পরবর্তী সেবা নিশ্চিত করতে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

আজ জাতীয় সংসদে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মু. মিজানুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রতি বছর আনুমানিক ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৪০০ জন আত্মহত্যার কারণে মারা যান, যাদের উল্লেখযোগ্য অংশ তরুণ ও কিশোর-কিশোরী।

তিনি জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহতদের জন্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা এবং সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোর মনোরোগ বিভাগের মাধ্যমে বিনামূল্যে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা, কাউন্সেলিং ও ট্রমা কেয়ার প্রদান করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বয়ে শহীদ পরিবার ও আহতদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি মানসিক পুনর্বাসন কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি জানান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আওতায় এমএইচজিএপি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের মাধ্যমে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ট্রমা-পরবর্তী মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে যশোর, ঝিনাইদহ, সিলেট ও চাঁপাইনবাবগঞ্জÑ এই চারটি জেলায় আত্মহত্যা প্রতিরোধ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ কর্মসূচির আওতায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি, স্কুল-কলেজ পর্যায়ে কাউন্সেলিং, ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় রেফারেল সেবা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, এমএইচজিএপি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় খুলনা, যশোর, ঝিনাইদহ, নোয়াখালী, বান্দরবান, সিলেট, শেরপুর, নেত্রকোনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও কুড়িগ্রামÑ এই ১০ জেলার প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পর্যায়ের চিকিৎসকদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান দক্ষ করে তোলা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘কাইন্ড টু মাইন্ড’সহ বিভিন্ন জাতীয় সচেতনতামূলক প্রচারণার মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে কাজ করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ও বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস পালনসহ জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি জানান, আগে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) এক শতাংশেরও কম স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ দেওয়া হতো। বর্তমান সরকারের বিশেষ উদ্যোগে চলতি অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে জিডিপির প্রায় ১ দশমিক ০১ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে। এর ফলে মানসিক স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দও আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি পাবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের বার্ষিক পরিচালন বাজেটে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং পাবনা মানসিক হাসপাতালের জন্য পৃথক বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০৯ পি.এম


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়েছেন, অপসংস্কৃতি, অশ্লীলতা ও জীবনবিমুখ সংস্কৃতির বিস্তার রোধে সরকার সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিল্প, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া কার্যক্রম সম্প্রসারণে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

তিনি জানান, আগামী ১৯ জুলাই থেকে পর্যায়ক্রমে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে এই কার্যক্রম বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে।

আজ জাতীয় সংসদে বগুড়া-৪ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. মোশারফ হোসেনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশে যে অপসংস্কৃতি, অশ্লীলতা এবং সংগ্রামবিমুখ সংস্কৃতির বিস্তার ঘটতে শুরু করেছে, তা বর্তমান সরকারের সৃষ্টি নয়। তিনি বলেন, এক দেশের স্থিতিশীলতা যখন জাতীয় পুঁজির বিকাশ হতে ব্যাহত হয় এবং লুটপাটনির্ভর অর্থনীতি প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন শিল্প, সংস্কৃতি, শিক্ষা ও আইনব্যবস্থাসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তিনি বলেন, ‘লুটপাটের অর্থ দিয়ে যা ইচ্ছা তাই করা যায়। এইভাবে শিল্প, সংস্কৃতি, আইনব্যবস্থা ও শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসস্তূপের ওপর এসে দাঁড়িয়েছে। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর এ বিষয়ে ব্যাপকভাবে পরিবর্তনের কাজ করছি।'

নিতাই রায় চৌধুরী আরও বলেন, নতুন প্রজন্মকে সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার জন্য সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, তথ্যপ্রযুক্তি এবং পর্যটন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহ যৌথভাবে কাজ করছে। প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে সব স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিল্প, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া কার্যক্রম সম্প্রসারণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি জানান, যেসব উপজেলায় এখনো শিল্পকলা একাডেমির কার্যক্রম চালু হয়নি, সেগুলোর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তা শুরু করা হবে। উপজেলা পর্যায়ে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো না থাকলে ইউএনওয়ের কার্যালয়ের ভবনে কক্ষ নিয়ে সাময়িকভাবে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্য এবং উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় যদি স্থান নির্ধারণ করা যায়, তাহলে চলতি বছরেই নতুন উপজেলাগুলোতে শিল্পকলা একাডেমির কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও জানান, সরকার শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক বিকাশেও সরকার সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতার নেতৃত্বে সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশে সম্মিলিতভাবে কাজ করা হচ্ছে এবং এ প্রচেষ্টায় সফল হওয়ার ব্যাপারে তিনি আশাবাদী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালের চুক্তি বাতিল বা পুনঃআলোচনার কোনো পরিকল্পনা নেই: নৌপরিবহন মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১১ পি.এম


লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালের চুক্তি বাতিল বা পুনঃআলোচনার কোনো পরিকল্পনা নেই: নৌপরিবহন মন্ত্রী

সংসদ ভবন, ১৩ জুলাই, ২০২৬ : নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল প্রকল্পের কনসেশন চুক্তি বাতিল বা পুনঃআলোচনার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। সরকারের পক্ষ থেকে এই বিষয়টিতে কোন পরিবর্তন আনার জন্য বা চুক্তিটি বাতিল করার জন্য কিছু ভাবা হয়নি। চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল প্রকল্পের চুক্তিটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে সব প্রযোজ্য আইন ও ক্রয় নির্দেশিকা অনুসরণ করে সম্পাদিত হয়েছে।

আজ জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. শাহাদাত হোসেন (লক্ষ্মীপুর-১)-এর তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, এই চুক্তির মেয়াদ মোট ৩৩ বছর। এর মধ্যে তিন বছর নির্মাণকাল এবং ৩০ বছর পরিচালনাকাল। পরবর্তীতে আরও ১৫ বছর চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল স্থাপন ও পরিচালনা’ প্রকল্পের কনসেশন চুক্তি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ আইন, ২০১৫, সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) অংশীদারত্বে পিপিপি প্রকল্প বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০১৭ এবং পিপিপি প্রকল্পের ক্রয় নির্দেশিকা, ২০১৮ অনুযায়ী সম্পাদিত হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ডেনমার্ক সরকারের মধ্যে সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) পিপিপি ব্যবস্থার আওতায় পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে এই চুক্তিটি সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি জানান, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে পিপিপির মাধ্যমে সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশের সরকার ও ডেনমার্ক ২০২১ সালের ৩০ জুন একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করে।

এর ধারাবাহিকতায় ডেনমার্কভিত্তিক এপিএম টার্মিনালস, যা মার্স্ক গ্রুপ-এর একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান, ২০২৩ সালের ২১ মে কর্ণফুলী নদীর ডান তীরে লালদিয়া চরে কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণের জন্য আগ্রহপত্র (এক্সপ্রেশন অব ইন্টারেস্ট) জমা দেয়।

মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটির জন্য ২০২৩ সালের ২৯ নভেম্বর অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিইএ) নীতিগত অনুমোদন দেয়।

পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত প্রথম বাংলাদেশ-ডেনমার্ক পিপিপি যৌথ প্ল্যাটফর্ম সভায় ডেনমার্ক সরকার এপিএম টার্মিনালসকে বাস্তবায়নকারী অংশীদার হিসেবে নিশ্চিত করে।

তিনি জানান, ২০২৪ সালের ১০ জুন পিপিপি কর্তৃপক্ষ ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি)-কে প্রকল্পটির ট্রানজ্যাকশন অ্যাডভাইজার হিসেবে নিয়োগ দেয়।

অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দরদাতার সঙ্গে সব ধরনের যাচাই-বাছাই ও আলোচনা শেষে ট্রানজ্যাকশন অ্যাডভাইজার ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও আইনগত যাচাইয়ের জন্য নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে চূড়ান্ত কনসেশন চুক্তি জমা দেয়।

এরপর ২০২৫ সালের ১২ নভেম্বর অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি (এসিইএ) চুক্তিটি অনুমোদন করে।

১৬ নভেম্বর তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদন লাভ করে এবং ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর এপিএমটি বিভি-কে কার্যাদেশ (লেটার অব অ্যাওয়ার্ড) দেওয়া হয় এবং একই দিন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও এপিএমটি বিভির মধ্যে কনসেশন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

তিনি জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের খালি জমিতে টার্মিনালটি নির্মিত হবে। এটি বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং আধুনিক প্রযুক্তি স্থানান্তরে সহায়তা করবে।

নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, ডেনমার্কভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি এ প্রকল্পে ৫৫ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল প্রকল্পের চুক্তি বাতিল বা পুনর্বিবেচনার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১২ পি.এম


কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে

ঢাকা, ১৩ জুলাই, ২০২৬ : কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে দেশটির ঢাকাস্থ দূতাবাসে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি জানান, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশের অংশ হিসেবে আগামী বৃহস্পতিবার অর্ধদিবস রাষ্ট্রীয় শোক পালন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারের জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ গুলশানে কাতার দূতাবাসে গিয়ে সরকারের পক্ষে এই শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেন। এই সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রীর শোকবার্তায় কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির মৃত্যুতে দুঃখ ও গভীর শোক প্রকাশ করা হয়। তিনি বাংলাদেশ সরকার, জনগণ এবং নিজের পক্ষ থেকে কাতারের সরকার, রাজপরিবার ও ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা ও সহমর্মিতা জানান।

তিনি বলেন, কাতারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ককে বাংলাদেশ অত্যন্ত মূল্যায়ন করে।

মন্ত্রী ঘোষণা করেন, প্রয়াত সাবেক আমিরের সম্মানে বাংলাদেশ সরকার আগামী বৃহস্পতিবার অর্ধদিবস রাষ্ট্রীয় শোক পালন করবে। এছাড়া, জাতীয় সংসদের স্পিকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদল কাতারের বর্তমান আমির, রাজপরিবার ও জনগণের প্রতি বাংলাদেশের সংহতি ও সমবেদনা জানাতে দোহা সফর করবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%