বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:৩৪ পি.এম
সিলেট আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবীদের লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। আগামী শনিবার (২৫ জুলাই) সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিতব্য ১১ দলীয় ঐক্যের সিলেট বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে এই লিফলেট বিতরণ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আইনজীবীদের উদ্যোগে কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে জামায়াত, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আইনজীবী নেতৃবৃন্দ এবং জেলা আইনজীবী সমিতির বিপুলসংখ্যক সদস্য অংশ নেন। আদালত প্রাঙ্গণের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে তারা আইনজীবীদের হাতে লিফলেট তুলে দেন। এছাড়া আগামী শনিবারের সমাবেশে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
লিফলেট বিতরণকালে এনসিপি সিলেট মহানগরের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান আফজল, সিলেট মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মো. আব্দুর রব, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সিলেট মহানগরের সভাপতি অ্যাডভোকেট জামিল আহমদ রাজু, অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ওয়াদুদ টিপু, অ্যাডভোকেট মো. আজীম উদ্দীন, অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল খালিক, অ্যাডভোকেট মো. সফিকুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন শামীম, অ্যাডভোকেট মো. সোলেমান আলী, অ্যাডভোকেট জুনেদ আহমদ, অ্যাডভোকেট নাজমুল হুদা, অ্যাডভোকেট আবজল মিয়া তালুকদার, অ্যাডভোকেট মো. রবিউল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মইনুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট কাজী আতিকুল ইসলাম, ব্যারিস্টার আবুল ফজল চৌধুরী, অ্যাডভোকেট মোজাম্মেল আলী, অ্যাডভোকেট সালেহ আহমদ এবং অ্যাডভোকেট আব্দুল গফ্ফার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
লিফলেট বিতরণকালে নেতৃবৃন্দ বলেন, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন ও দেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় এগিয়ে নিতে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। ২৫ জুলাইয়ের সিলেট বিভাগীয় সমাবেশকে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও জনসমাগমপূর্ণ করার মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা ও ঐক্যের বার্তা তুলতে আইনজীবীসহ সিলেটবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
এসময় নেতৃবৃন্দ বলেন, জুলাই গণআন্দোলনের চেতনা ও গণআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে জনগণের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান আরও সুসংহত করা প্রয়োজন। জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তার দোসরদের বিচার নিশ্চিত করার দাবি করা হচ্ছে। এই লক্ষ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে সিলেটে বিভাগীয় সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। আইনজীবীসহ সর্বস্তরের মানুষকে সমাবেশে অংশ নিয়ে গণরায়ের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নেয়ার আহ্বান জানান তারা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিহারের পশ্চিম চম্পারণ জেলার ১০ ফুট লম্বা একটি বিষধর শঙ্খচূড় বা কিং কোবরা উদ্ধার হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়ভাবে পরিচিত প্রশিক্ষিত সাপ উদ্ধারকারী জানকী দেবী, যিনি ‘স্নেক লেডি’ নামে পরিচিত, সাপটিকে নিরাপদে উদ্ধার করার পর গলায় মাফলারের মতো জড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি পশ্চিম চম্পারণের বাল্মিকীনগরে মুন্নি লাল নামে এক বাসিন্দার বাড়িতে প্রায় ১০ ফুট লম্বা একটি শঙ্খচূড় ঢুকে পড়ে। সাপটি দেখতে পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ঘর থেকে বেরিয়ে এসে প্রতিবেশীদের সতর্ক করেন। খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকার মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয় এবং বাড়ির সামনে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান জানকী দেবী। দীর্ঘ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিষধর সাপটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধার করার পরে সাপটিকে নিকটবর্তী একটি জঙ্গলে নিরাপদে অবমুক্ত করা হয়। জঙ্গলে নিয়ে যাওয়ার সময় সাপটিকে গলার চারপাশে জড়িয়ে হাঁটার দৃশ্যই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে।
ভিডিওটি ‘গাঁওয়ালা’ নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত হয়েছে। তবে ভিডিওটির সত্যতা ও এটি ঠিক কবে ধারণ করা হয়েছে, এ বিষয়টি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় বন কর্মকর্তা সত্যম কুমার জানান, বর্ষাকাল এবং আবহাওয়ার পরিবর্তনের সময় সাপ প্রায়ই শুকনো ও নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে লোকালয়ে চলে আসে। বিশেষ করে বাল্মিকী ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্রের আশপাশের এলাকায় এ ধরনের ঘটনা তুলনামূলক বেশি ঘটে। তিনি সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে আতঙ্কিত না হয়ে সাপ ধরার চেষ্টা থেকে বিরত থাকার এবং প্রয়োজনে প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারীদের খবর দেওয়ার আহ্বান জানান।
স্থানীয়দের কাছে জানকী দেবী একজন সুপরিচিত বন্যপ্রাণী উদ্ধারকর্মী হিসেবে পরিচিত। বন বিভাগের তথ্যমতে, গত কয়েক বছরে তার মাধ্যমে হাজার হাজার বিষধর সাপ নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। মাত্র ১২ বছর বয়সে সাপ উদ্ধারের কাজ শুরু করা জানকী উদ্ধার অভিযানের সময় একাধিকবার সাপের কামড়েও শিকার হয়েছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের আটক করতে আসা পুলিশ ভ্যানের সামনে দাঁড়িয়ে সহপাঠীকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা এক তরুণীর দৃশ্য ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। প্রায় দুই বছর পর ভারতের মুম্বাইয়ে একই ধরনের একটি ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে সেই স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, বুধবার (২২ জুলাই) মুম্বাইয়ের দাদারের শিবাজী পার্ক এলাকায় রিয়া আহির নামের এক তরুণী চলন্ত একটি পুলিশ ভ্যানের সামনে দাঁড়িয়ে সেটির গতিরোধ করেন। যদিও পুলিশ সদস্যরা তাঁকে সরে যেতে বললেও তিনি আন্দোলনের জায়গা পরিবর্তন করেননি।
ঘটনার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, প্রবল বৃষ্টির মধ্যে হুডি ও ক্যাপ পরা রিয়া দুই হাত সামনে রেখে পুলিশ ভ্যানের অগ্রযাত্রা থামানোর চেষ্টা করছেন।
তার এই পদক্ষেপে আশপাশে থাকা আন্দোলনকারী ও সাধারণ মানুষ করতালি এবং স্লোগানের মাধ্যমে সমর্থন জানান। স্থানীয় কয়েকটি প্রতিবেদনের দাবী, পরে ওই পুলিশ ভ্যান থেকে আটক কয়েকজন আন্দোলনকারীকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল অনুযায়ী, রিয়া আহির একজন অভিনেত্রী, মডেল ও উদ্যোক্তা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারীর সংখ্যা প্রায় এক লাখ। তিনি বেশ কয়েকটি মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত তার একটি মিউজিক ভিডিওর নাম 'দিলবারা'।
অভিনয়ের পাশাপাশি উদ্যোক্তা হিসেবেও কাজ করছেন রিয়া। হস্তশিল্প ও পোশাক নিয়ে তার ব্যবসা রয়েছে এবং 'রিয়াসত' নামে একটি নিজস্ব ফ্যাশন ব্র্যান্ড পরিচালনা করেন তিনি।
রিয়ার পুলিশ ভ্যানের সামনে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদের এই দৃশ্য ইতোমধ্যে ভারতজুড়ে চলমান ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম আলোচিত প্রতীক হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনেক ব্যবহারকারী ঘটনাটিকে বাংলাদেশের ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনের স্মরণীয় মুহূর্তের সঙ্গে তুলনা করছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনার প্রতিবাদ করায় শিক্ষার্থীরা আট ঘণ্টারও বেশি সময় রেলপথ অবরোধ করেন। এ কারণে বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে রেল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। একই সঙ্গে এ ঘটনায় প্রায় ২০ হাজার যাত্রী দুর্ভোগে পড়েছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশের রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের জনসংযোগ দপ্তরের উপপরিচালক মো. জাহিদুল হাসান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্যটি প্রকাশিত হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২১ জুলাই দিবাগত রাতে ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে রেলওয়ের এক কর্মচারীর অনাকাঙ্ক্ষিত একটি ঘটনা ঘটে। এর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৩টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত রেলপথ অবরোধ করে রাখেন। ফলে রাজশাহী থেকে বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী ট্রেনগুলো এবং বিভিন্ন রুট থেকে রাজশাহীগামী ট্রেনের চলাচল ব্যাহত হয়।
রেলওয়ের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে, অবরোধের কারণে ১০টি আন্তঃনগর ও ৯টি কমিউটার ট্রেন এক ঘণ্টা থেকে সর্বোচ্চ ৮ ঘণ্টা ২০ মিনিট পর্যন্ত বিলম্বিত হয়। এছাড়া দুটি আন্তঃনগর এবং চারটি কমিউটার ট্রেনের যাত্রা বাতিল করার প্রয়োজন হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এ ঘটনায় বিভিন্ন স্টেশন ও ট্রেনে থাকা প্রায় ২০ হাজার যাত্রী ভোগান্তির শিকার হন। বিশেষ করে অসুস্থ ও বয়স্ক যাত্রী, নারী-শিশু এবং বিদেশগামী যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, অবরোধের ফলে তাদের আনুমানিক ৩৫ লাখ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। একই সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত এই ভোগান্তির জন্য তারা যাত্রীদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ে।
উল্লেখ্য, গত ২১ জুলাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে এবং অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার কাছে রেললাইন অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। এই কারণে রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ প্রায় আট ঘণ্টার বেশি সময়ের জন্য বন্ধ থাকে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জুলাই মাসে অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে বার্তা ছড়িয়ে দিতে, রাজধানীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিতের উদ্যোগে রাজধানীর বিজয় সরণি, জিয়া উদ্যান এবং আশপাশের এলাকায় এ কর্মসূচিটি বাস্তবায়িত হয়।
আয়োজকরা জানান, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের স্মরণে এটি আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিকৃত প্রভাব মোকাবিলা এবং একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা রোপণ করা হয়।
কর্মসূচিতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে ফলজ, বনজ এবং ঔষধি গাছের চারা রোপণ করেন। তারা বলেন, একটি দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পরিবেশ সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। তাই রাজনৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ববোধের অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণের মতো জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নিয়মিতভাবে চলমান থাকবে।
এই কর্মসূচির এক পর্যায়ে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটে। যাতায়াতের পথে সরকারের বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম কর্মসূচিটি দেখতে পেয়ে গাড়ি থেকে নেমে আসেন। পরে তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং নিজেও বৃক্ষরোপণে অংশগ্রহণ করেন।
প্রতিমন্ত্রীর আকস্মিক উপস্থিতির ফলে কর্মসূচিতে উৎসাহ ও উদ্দীপনা বৃদ্ধি পায়। এ সময় তিনি পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণকে একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর এ ধরনের কর্মকাণ্ড পরিবেশ সংরক্ষণে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
ছাত্রদল নেতা কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোই ছিল এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। একসাথে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের স্মৃতিকে ধরে রেখে জনস্বার্থে এবং পরিবেশ রক্ষায় ছাত্রদলের এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ