বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:৫১ পি.এম
মাদারীপুর পৌরসভার জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল পুনঃখনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে, এবং খালের ওপর গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করারও কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের শামসুন্নাহার হাই স্কুল সংলগ্ন খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাহান্দার আলী জাহান। পৌর প্রশাসক জেসমিন আক্তার বানু জানান, পৌরসভার নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৩০০ মিটার খাল পুনঃখনন করা হচ্ছে, যা অগ্রাধিকারভিত্তিক উন্নয়ন প্রকল্পের অংশ। একই সাথে, খালের ওপর গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাহান্দার আলী জাহান বলেন, মাদারীপুর পৌরসভার বিভিন্ন খাল দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখলের শিকার হয়ে এসেছে। অতীতে কিছু খাল বরাদ্দ দেওয়ার কারণে অনেক খালের অস্তিত্বও বিলীন হয়ে গেছে। বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনের সুযোগ নেই বলে শহরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল পুনরুদ্ধারের কোনো বিকল্প নেই। তাই, খালের ওপর নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পৌর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। খাল দখলমুক্ত করে পুনঃখননের মাধ্যমে শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল করা হবে। এই সময় মাদারীপুর পৌর প্রশাসক জেসমিন আক্তার বানু, পৌরসভার প্রকৌশলী, জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, পৌরসভার কর্মকর্তাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় একটি নারীর উপর ধর্ষণের অভিযোগ করে দায়ের করা মামলায় শফিকুল ইসলাম (৪০) নামে একটি ব্যক্তিকে পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) রাতে উপজেলার বর্ণি গ্রাম থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত শফিকুল ইসলাম আসলে বর্ণি গ্রামের আব্দুল আজিজ শেখের পুত্র।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলে পাঠানো হয়। সেইসাথে ভুক্তভোগী নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা বাগেরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে। রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ রাজিব আল রশিদ এর মাধ্যমে জানানো হয়, উপজেলার ছায়েরাবাদ গ্রামের ৩৫ বছর বয়সী একটি নারী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন, যেখানে অভিযোগ করা হয়েছে যে- শফিকুল ইসলাম তার ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনার পর, তাকে কাউকে জানানোর জন্য প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা আছে।
ওসি আরো জানান, মামলার দায়েরের কিছুক্ষণ পরে পুলিশ তৎক্ষণাৎ অভিযান চালায় এবং বুধবার রাতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই মামলার তদন্ত বর্তমানে চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কলমেশ্বর এলাকার একটি বাড়িতে গভীর নলকূপ (সাবমার্সিবল) পানি পাম্প বসানোকে কেন্দ্র করে হামলাসহ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এই ঘটনায় অভিযুক্ত মাসুদ খান, রাহুল, ফরিদা ইয়াসমিন, আমেনা আক্তার সিমিসহ মোট অজ্ঞাতনামা ৩৪ জনের বিরুদ্ধে গাছা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মো. মাহফুজ।
গতকাল বুধবার দুপুরের সময় ভুক্তভোগী মাহফুজ থানায় লিখিত অভিযোগ করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ভুক্তভোগী মো. মাহফুজের বক্তব্য, তিনি প্রায় ২০ বছর আগে মাসুদ খানের বাবা কামাল খানের কাছ থেকে ৮.২৫ শতাংশ জমি কিনে স্বাভাবিকভাবে ভোগদখল করে আসছেন। এরপর ওই জমিতে গভীর নলকূপ (সাবমার্সিবল) পানির পাম্প বসানোর কাজ শুরু করেন।
এ সময় অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এসে তার কাজের বাধা দেন। তারা নিজেদের দাবি করেন যে, তারা এই জমি নিয়ে আদালতে মামলা করেছেন এবং জমির কাগজপত্র নিজেদের কাছে রয়েছে বলে উল্লেখ করে কাজ বন্ধ করতে বাধা দেন। কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে অভিযুক্তরা হামলা চালিয়ে তাকে এবং তার ভাড়াটিয়াকে মারধর করেন। এই হামলায় মাহফুজ এবং মোস্তফা গুরুতর আহত হন। হামলার সময় হামলাকারীরা তার পকেটে থাকা ৩৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া ছাড়াও প্রাণনাশের এবং গুরুতর জখমের হুমকিও প্রদান করেন বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাসুদ খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি হামলার ঘটনায় জড়িত নন বলে দাবি করেন এবং এটিকে মিথ্যা ও বানোয়াট বলেন। গাছা থানার কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের সালথা অঞ্চলে ৯ বছর বয়সী তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে শওকত মিয়া (৩৮) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। একইসাথে, তাকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফরিদপুরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. আবুল বাসার মিঞা আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর কড়া পুলিশ পাহারায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত শওকত মিয়া ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বড় বাংরাইল গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে।
মামলার বিবরণ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২২ মে বিকেলে সালথা উপজেলার বড় বাংরাইল গ্রামের তৃতীয় শ্রেণির পড়ুয়া ৯ বছরের ওই শিশুটি বাড়ির পাশে নিজেদের জমি শাক-সবজির ক্ষেত দেখতে গিয়েছিল। এসময়, আগে থেকেই ওঁৎ পেতে থাকা প্রতিবেশী শওকত মিয়া শিশুটিকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে একটি নির্জন পাটক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে।
ঘটনার পরদিনই নির্যাতিতা শিশুটির বাবা বাদী হয়ে সালথা থানায় শওকত মিয়াকে একমাত্র আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ৫ অক্টোবর সালথা থানা পুলিশ আসামি শওকত মিয়াকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় সাক্ষী গ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে ৬ বছর পর আদালত এ রায় প্রদান করেন।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (এ পি পি) অ্যাডভোকেট অর্চনা দাস বলেন, “একটি অবুঝ শিশুকে নির্যাতন করে যে নৃশংসতা চালানো হয়েছিল, এই রায়ের মাধ্যমে তার ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলো।”
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাসাইল পৌরসভার জন্য ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে, যার পরিমাণ ২৫ কোটি ৭৭ লাখ ৩৮ হাজার ৯৯০ টাকা ৮২ পয়সা। নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে পৌরসভার সভাকক্ষে আয়োজিত উন্মুক্ত সুধী সমাবেশে বাজেটটি উপস্থাপন করেন পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন।
ঘোষিত বাজেটে রাজস্ব আয় হিসেবে ৪ কোটি ৬৫ লাখ ২০ হাজার ৭৪৩ টাকা ধরা হয়েছে এবং উন্নয়ন আয় হিসেবে ২১ কোটি ১২ লাখ ১৮ হাজার ২৪৭ টাকা ৮২ পয়সা ধরা হয়েছে।
ব্যয়ের ক্ষেত্রে, রাজস্ব ব্যয় ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫১ হাজার ৬৬০ টাকা এবং উন্নয়ন ব্যয় ২১ কোটি ১২ লাখ ১৮ হাজার ২৪৭ টাকা ৮২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। রাজস্ব খাতে উদ্বৃত্ত নাই।
পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিরা, সাংবাদিক এবং সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়। এ সময় তিনি নাগরিক ভোগান্তির বিষয়গুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।
এদিন উপস্থিত ছিলেন বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শারলী আহমেদ, বাসাইল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলমগীর কবির, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন আল জাহাঙ্গীর, পৌর বিএনপির সভাপতি আখতারুজ্জামান তুহিন, বাসাইল প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা মোসলিম উদ্দিন আহমেদ্দ, বাসাইল পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল রাজ্জাক এবং বাসাইল প্রেসক্লাবে সভাপতি রুবেল মিয়া প্রমুখ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ