ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েই আইএমএফের নতুন ঋণ কর্মসূচি: অর্থমন্ত্রী


দেশের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েই আইএমএফের নতুন ঋণ কর্মসূচি: অর্থমন্ত্রী

পুরোনো ঋণ কর্মসূচি বাদ দিয়ে নতুন কর্মসূচি নিয়ে সরকারের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা শুরু করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

সচিবালয়ে অর্থ বিভাগের সঙ্গে বৈঠক করেছে ঢাকা সফররত সংস্থাটির ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দল।

এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, "ফ্যাসিস্ট আমলে নেয়া ঋণ কর্মসূচি জনগণের স্বার্থ রক্ষা করেনি। তাই সেটি বাদ দিয়ে নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চলছে।"

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

ডলার সংকট মোকাবিলা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা এবং সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে ২০২৩ সালে আইএমএফের সঙ্গে ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ কর্মসূচিতে যুক্ত হয় বাংলাদেশ।

পরে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এর আকার বাড়িয়ে ৫৫০ কোটি ডলারে উন্নীত করা হয়।

এ পর্যন্ত পাঁচ কিস্তিতে বাংলাদেশ পেয়েছে ৩৬৪ কোটি ডলার।

তবে ষষ্ঠ কিস্তির অর্থ ছাড় নিয়ে প্রায় এক বছর আলোচনা চললেও শেষ পর্যন্ত তা ছাড় হয়নি।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এরই মধ্যে উভয় পক্ষ নতুন ঋণ কর্মসূচির দিকে এগোচ্ছে।

এর অংশ হিসেবে রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে অর্থ বিভাগের সঙ্গে বৈঠকে বসে আইএমএফের মুদ্রা ও পুঁজিবাজার বিভাগের ডেপুটি ডিভিশন প্রধান ইভো ক্রজনারের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল।

বৈঠকের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, "দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই আইএমএফের সঙ্গে নতুন ঋণ কর্মসূচিতে যুক্ত হচ্ছে সরকার।" একই সঙ্গে তিনি আগের ঋণ কর্মসূচির সমালোচনা করেন।

তিনি বলেন, 'আইএমএফের আগের ঋণ কর্মসূচি থেকে বেরিয়ে এসেছে বর্তমান সরকার। জনগণের স্বার্থে নতুন করে ঋণ কর্মসূচিতে যাচ্ছি। কিস্তির টাকা পাওয়া নিয়ে চিন্তা করছি না। আগের সরকার যে ঋণ কর্মসূচি নিয়েছিল, তাতে জনগণের স্বার্থ সুরক্ষিত করা হয়নি।'

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

এ সময় অর্থমন্ত্রী আরও জানান, আগের ঋণ কর্মসূচির আওতায় ষষ্ঠ কিস্তির অর্থ ছাড় নিয়ে সরকারের কোনো উদ্বেগ নেই।

পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগকারী ও পর্যটকদের সুবিধার জন্য ভিসা নীতিতেও পরিবর্তন আনা হবে।

ঢাকা সফর শেষে আইএমএফের প্রতিনিধিদল ওয়াশিংটনে সংস্থাটির সদর দফতরে মূল্যায়ন প্রতিবেদন জমা দেবে। সেই মূল্যায়ন ইতিবাচক হলে আগামী অক্টোবরে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার পর নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করতে আরেকটি মিশন ঢাকায় আসতে পারে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইএমএফের শর্ত মেনে মুদ্রানীতি, ঋণ সহায়তায় আশার আলো দেখছে বাংলাদেশ ব্যাংক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১৬ পি.এম


আইএমএফের শর্ত মেনে মুদ্রানীতি, ঋণ সহায়তায় আশার আলো দেখছে বাংলাদেশ ব্যাংক

নতুন মুদ্রানীতিতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিভিন্ন শর্তের প্রতিফলন হওয়ায় ঋণ সহায়তা পাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক আশা প্রকাশ করেছে।

রোববার (১২ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই কথা জানান।

তিনি বলেন, গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করতে বাংলাদেশ ব্যাংকে এসেছে আইএমএফের মুদ্রা ও পুঁজিবাজার বিভাগের ডেপুটি ডিভিশন প্রধান ইভো ক্রজনারের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল।

নতুন মুদ্রানীতিতে আইএমএফের শর্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নীতিগত পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়নের ফলে আইএমএফের ঋণ কর্মসূচির পরবর্তী সহায়তা পাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক আশাবাদী।

এর আগে ডলার সংকট মোকাবিলা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা এবং সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে ২০২৩ সালে আইএমএফের সঙ্গে ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ কর্মসূচিতে যুক্ত হয় বাংলাদেশ। পরে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এর আকার বাড়িয়ে ৫৫০ কোটি ডলারে উন্নীত করা হয়েছিল।

এ পর্যন্ত পাঁচ কিস্তিতে বাংলাদেশ পেয়েছে ৩৬৪ কোটি ডলার। তবে ষষ্ঠ কিস্তির অর্থ ছাড় নিয়ে প্রায় এক বছর আলোচনা চললেও শেষ পর্যন্ত তা ছাড় হয়নি। এরই মধ্যে উভয় পক্ষ নতুন ঋণ কর্মসূচির দিকে যাচ্ছে।

এর অংশ হিসেবে রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে অর্থ বিভাগের সঙ্গে বৈঠকে বসে আইএমএফের মুদ্রা ও পুঁজিবাজার বিভাগের ডেপুটি ডিভিশন প্রধান ইভো ক্রজনারের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল।

বৈঠকের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই আইএমএফের সঙ্গে নতুন ঋণ কর্মসূচিতে যুক্ত হচ্ছে সরকার। পাশাপাশি তিনি আগের ঋণ কর্মসূচির সমালোচনা করেন।

তিনি বলেন, ‘আইএমএফের আগের ঋণ কর্মসূচি থেকে বেরিয়ে এসেছে বর্তমান সরকার। জনগণের স্বার্থে নতুন করে ঋণ কর্মসূচিতে যাচ্ছে। কিস্তির টাকা পাওয়া নিয়ে চিন্তা করছি না। আগের সরকার যে ঋণ কর্মসূচি নিয়েছিল, তাতে জনগণের স্বার্থ সুরক্ষিত করা হয়নি।’

এ সময় অর্থমন্ত্রী আরও জানান, আগের ঋণ কর্মসূচির আওতায় ষষ্ঠ কিস্তির অর্থ ছাড় নিয়ে সরকারের কোনো উদ্বেগ নেই। পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগকারী ও পর্যটকদের সুবিধার জন্য ভিসা নীতিতেও পরিবর্তন আনা হবে।

ঢাকা সফর শেষে আইএমএফের প্রতিনিধিদল ওয়াশিংটনে সংস্থাটির সদর দফতরে মূল্যায়ন প্রতিবেদন জমা দেবে। সেই মূল্যায়ন ইতিবাচক হলে আগামী অক্টোবরে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার পর নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করতে আরেকটি মিশন ঢাকায় আসতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পানি কমলেও রাঙ্গামাটির মানুষের দু'র্ভোগ রয়েই গেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২২ পি.এম


পানি কমলেও রাঙ্গামাটির মানুষের দু

বৃষ্টি কমে যাওয়ার ফলে রাঙ্গামাটিতে বন্যা পরিস্থিতি উন্নত হতে শুরু করেছে। যদিও জনভোগান্তি কমেনি।

রোববার সকালবেলা বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সাধারণ মানুষ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিশেষভাবে, জেলার বাঘাইছড়ি, বিলাইছড়ি, বরকল ও জুরাছড়ি উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি উন্নত হয়েছে। এর ফলে ধীরে ধীরে মানুষ আশ্রয় কেন্দ্র ছেড়ে চলে যেতে শুরু করেছে।

বাঘাইছড়ির এক বাসিন্দা জমির জানান, ‘চলমান বন্যায় আমার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পুকুর তলিয়ে যাওয়ায় সব মাছ চলে গেছে। আমি দুই বছর ধরে এই মাছগুলোকে লালন-পালন করেছি। প্রতিটি মাছের ওজন ছিল ৩ থেকে ৪ কেজি। আমি আশা করেছিলাম কিছু দিনের মধ্যে মাছগুলো বিক্রয় করবো। কিন্তু তার আগেই সব শেষ হয়ে গেছে। এতে আমার প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এই ক্ষতি কিভাবে কাটিয়ে উঠবো জানি না।’

একই উপজেলার সাধন চাকমা বলেন, ‘আমার জমির প্রায় কয়েক লাখ টাকার সবজি ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। সাথে ধানের বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে। পানি নামার পর কীভাবে ধানের চাষ করবো জানি না। ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’

অন্যদিকে বানভাসি মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চালাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, বিজিবি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা।

বন্যাকবলিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৃষ্টি না হওয়ায় পানি কমতে থাকায় উপজেলা বন্যা পরিস্থিতি এখন উন্নতি হচ্ছে। যদি এভাবে চলতে থাকে, তবে দুই এক দিনের মধ্যে সব মানুষ নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যেতে পারবেন।

তারা আরও বলেছেন, যতদিন এ অবস্থা থাকবে, ততদিন ত্রাণ কার্যক্রম চলবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যাত্রাবাড়ীত বাসায় ঢুকে গলা কেটে হত্যাকাণ্ড: কী বলছে পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৯ পি.এম


যাত্রাবাড়ীত বাসায় ঢুকে গলা কেটে হত্যাকাণ্ড: কী বলছে পুলিশ

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর দনিয়া এলাকায় একটি বাসায় ঢুকে শাহিদা বেগম (৬৮) নামে এক বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পরে ওই বাসা থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

শনিবার (জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে খবর পেয়ে দনিয়া রসুলপুরের অনাবিল হাসপাতাল রোডের একটি নির্মাণাধীন বাড়ির সাততলার বাসা থেকে ওই বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ। পরে ওই মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।

নিহত শাহিদা বেগমের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থানার সিদলাই গ্রামে। তার স্বামীর নাম মৃত শফিকুল ইসলাম সরকার।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই বাসায় শাহিদা বেগম তার ছেলের বউ শারমিন আক্তারের সঙ্গে থাকতেন। শাহিদার ছেলে বিল্লাল হোসেন মালয়েশিয়া প্রবাসী। পুত্রবধূ শারমিন একটি ডেন্টাল ক্লিনিকে চাকরি করেন। গতকাল রাতের ঘটনাটি ঘটে যখন শারমিন কর্মস্থল থেকে বাসায় ফিরে দেখেন, ঘরের সব জিনিসপত্র এলোমেলো হয়ে পড়ে রয়েছে। একপর্যায়ে ঘরের মেঝেতে শাশুড়িকে রক্তাক্ত ও মৃত অবস্থায় দেখতে পান তিনি।

যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, নিহত শাহিদা বেগমের গলার বাঁ পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা চুরি বা লুটপাটের উদ্দেশ্যে বাসায় ঢুকেছিল। এ সময় ওই বৃদ্ধা তাদের চিনে ফেলায় বা বাধা দেয়ায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গলার বাঁ পাশে আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।

এসআই আরও জানিয়েছেন, লুণ্ঠিত মালামালের মধ্যে নিহত শাহিদা বেগমের গলার চেইন, কানের দুল এবং নগদ ৫ হাজার টাকা রয়েছে। তবে লুটপাটের বাইরে অন্য কোনো শত্রুতা বা কারণ আছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অপরাধীদের শনাক্ত করতে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার উত্তর-দক্ষিণে বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে চীন-দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩৩ পি.এম


ঢাকার উত্তর-দক্ষিণে বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে চীন-দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ

ঢাকায় বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের দুটি বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার এগিয়ে চলছে। চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় এই দুই প্রকল্প স্থাপন করা হবে। এ লক্ষ্যে প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠক করেছেন।

রোববার (১২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রকল্প দুটির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

বৈঠকে জানানো হয় যে, চীনের সিএমইসি গ্রুপ আমিনবাজারে একটি বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প (ডব্লিউটিই) বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে বিনিয়োগ করবে। প্রকল্পটি প্রতিদিন ঢাকা শহরের প্রায় ৩ হাজার টন বর্জ্য ব্যবহার করে ৪২.৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে। আশা করা হচ্ছে যে, এই প্রকল্পটি ২০২৮ সালের আগস্টের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করবে। ২৫ বছর ধরে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে।

অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ার বিএন্ডএফ কোম্পানি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মাতুয়াইলে একটি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বছরে বর্জ্য থেকে প্রায় ১৫,০০০ টন মিথেন গ্যাস উৎপন্ন হবে, যা থেকে বছরব্যাপী মোট প্রায় ৮১,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে। এই বিদ্যুৎ দৈনিক প্রায় ২২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সমতুল্য। এছাড়াও, এই প্রকল্প থেকে সৌরশক্তি, সার, পশুখাদ্য এবং পরিবেশবান্ধব ইট (ইকো ব্রিকস) উৎপাদিত হবে। প্রতিদিন প্রায় ৩,০০০ থেকে ৩,৫০০ টন বর্জ্য ব্যবহৃত হবে। এটি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে, পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়ন হ্রাসে সহায়ক হবে। প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার, বিদ্যুৎ ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সময়সীমার মধ্যে প্রতিবেদন অনুযায়ী দুটি প্রকল্প বাস্তবায়ন ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%