ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বেঁচে থাকতেই কবর খুঁড়ে ‘চল্লিশার’ আয়োজন, এলাকায় চাঞ্চল্য


বেঁচে থাকতেই কবর খুঁড়ে ‘চল্লিশার’ আয়োজন, এলাকায় চাঞ্চল্য

একটি পাকা কবর, যা ইট-পাথরে মোড়ানো। এর চারপাশে রয়েছে পরিপাটি পরিবেশ, পিলার, ছাদ এবং ছোট ছোট মিনার। প্রথমবার দেখলে এটি সাধারণ কোনো ঘর মনে হতে পারে, কিন্তু এটি আসলে প্রস্তুত রাখা একটি কবর। গত পাঁচ বছর ধরে নিজের হাতে এই কবরটি তৈরি করে রেখেছেন এক বৃদ্ধ, যিনি জীবনের শেষ দিনগুলো গুনছেন এর পাশে বসে।

এটি একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা, যা ঘটেছে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার কুশাডাঙ্গা গ্রামে। বৃদ্ধের নাম আব্দুর রহিম। প্রতিদিন নিয়মিতভাবে তিনি এই কবরের যত্ন নেন। ধুলোবালি জমলে নিজ হাতে পরিষ্কার করেন। শুধু নিজের জন্য নয়, মৃত্যুর পর স্ত্রী যেন পাশে ঠাঁই পান, সেই উদ্দেশ্যে স্ত্রীর জন্যও একটি কবর খুঁড়ে রেখেছেন তিনি। আত্মীয়স্বজনদের কাছে তার শেষ আকুতি হলো, মৃত্যুর পর যেন দুজনকে পাশাপাশি দাফন করা হয়।

মৃত্যুর পর সন্তানরা ঠিকঠাক দাফন-কাফন করবেন কি না, এই শঙ্কা ও মানসিক ভাবনা থেকেই মূলত আব্দুর রহিম এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এমনকি, মৃত্যুর পর যেন কারও ওপর বোঝা হতে না হয়, সেই কারণে জীবিত অবস্থাতেই নিজের কুলখানি, চল্লিশা এবং দোয়া মাহফিলের মতো ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে রেখেছেন তিনি।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

এমন আগাম প্রস্তুতি ও ব্যতিক্রমী কাণ্ড দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে উৎসুক মানুষ আব্দুর রহিমের বাড়িতে ভিড় করছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বিষয়টিকে কৌতূহল ও বিস্ময়ের চোখে দেখছেন, তবে কেউ কেউ বলছেন, জীবনের চরম সত্যকে এত কাছ থেকে মেনে নেওয়ার মানসিকতা সত্যিই বিরল।

পৃথিবীর মায়াজাল ছিন্ন করে একদিন সবাইকে চলে যেতে হবে পরপারে। কিন্তু মহেশপুরের আব্দুর রহিমের এই প্রস্তুতি কি শুধুই আক্ষেপ ও লোকদেখানো, নাকি মৃত্যুর অবধারিত সত্যকে অতি নিকটে মেনে নেওয়ার এক অদ্ভুত মানসিকতা—এ নিয়ে পুরো এলাকায় আলোচনা ও কৌতূহল এখন তুঙ্গে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩১ ক্রীড়াবিদের ভাতা বাদ, নতুন ৯৫ জন যুক্ত হচ্ছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৪৬ পি.এম


৩১ ক্রীড়াবিদের ভাতা বাদ, নতুন ৯৫ জন যুক্ত হচ্ছেন

দেশের ৩০০ ক্রীড়াবিদের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করে সরকার ৩১ জনকে ক্রীড়া ভাতার সুবিধা থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একইসঙ্গে নতুন করে প্রায় ৯৫ জন ক্রীড়াবিদকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। এই নতুন অন্তর্ভুক্তিতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করা কোচ এবং রেফারিদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

রোববার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে ক্রীড়াকার্ডধারীদের সামাজিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আয়োজিত আলোচনা সভার শুরুতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমানে ৩০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া ভাতা দেওয়া হচ্ছে। প্রতি চার মাস পর পর তাদের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করা হচ্ছে। প্রথম চার মাসের পর্যালোচনায় ৩১ জনের পারফরম্যান্স আশানুরূপ না হওয়ায় তাদের ভাতার আওতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, "আমরা এখনও ৫০০ জনের পরিপূর্ণ তালিকা পাইনি। ৩১ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আরও প্রায় ৯৫ জনকে নতুন করে সংযোজন করা হচ্ছে। ফলে এই পর্যায়ে আমাদের ক্রীড়া ভাতার আওতায় প্রায় ৪০০ জনের কাছাকাছি ক্রীড়াবিদ থাকবেন।"

আমিনুল হক আরও জানান, ক্রীড়া ভাতার জন্য ৫০০ জনের কোটা নির্ধারণ করা হলেও তা এখনই পূরণ করা হবে না। চার মাস পর পর পর্যালোচনার মাধ্যমে যোগ্য ক্রীড়াবিদদের তালিকায় যুক্ত করা হবে এবং প্রয়োজন হলে বর্তমান তালিকা থেকে কাউকে বাদ দেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, "ক্রীড়া ভাতা প্রদানের মূল লক্ষ্য হচ্ছে খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা এবং ক্রীড়াবিদদের পেশাদারিত্ব ও দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা আরও সুদৃঢ় করা।" তিনি উল্লেখ করেন যে, অনেক ক্রীড়াবিদ এই ভাতার অর্থ দিয়ে ঘর নির্মাণ, ব্যবসা বা পরিবারের স্বাবলম্বীতার জন্য কাজে লাগাচ্ছেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, চলতি অর্থবছরের বাজেটে ক্রীড়া ভাতা ও নতুন ক্রীড়া কার্যক্রমের জন্য প্রায় ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ক্রীড়া ভাতার জন্য বছরে ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম জানান, গত অর্থবছরে ৩০০ জনকে ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড এবং আরও ২৫ জনকে শুধু ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরে আরও ৫০০ জনকে ক্রীড়া কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। মাসিক ১ লাখ টাকা করে ক্রীড়া ভাতা পাবেন এই কার্ডধারীরা।

ক্রীড়াবিদদের জন্য দেওয়া ক্রীড়া কার্ডের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা, বিমা এবং বিভিন্ন পরিবহনসেবায় অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

তিনি বলেন, "ক্রীড়াবিদরা নিয়মিত ইনজুরিতে পড়েন। বিশেষ করে ক্রিকেট ও ফুটবলের বাইরে অনেক ক্রীড়াবিদ আর্থিকভাবে স্বচ্ছল নন। ফলে, নিজের বা পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে অনেক সময় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব হয় না।" তিনি আরও বলেন, "আমরা চেষ্টা করেছি স্বনামধন্য স্বাস্থ্যসেবাগুলো কীভাবে আমাদের ক্রীড়াবিদদের সামাজিক সুযোগ-সুবিধার মধ্য দিয়ে ক্রীড়া কার্ডের অন্তর্ভুক্ত করা যায়।"

বড় ধরনের ইনজুরি বা দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে ক্রীড়াবিদ ও তাদের পরিবারের জন্য বিমা সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা করা হবে বলে এ সময় আশ্বাস দেন মো. আমিনুল হক।

এছাড়া রেলপথ, নৌপথ, বিমান ও সড়কপথে ক্রীড়া কার্ডের মাধ্যমে ক্রীড়াবিদদের বিভিন্ন নাগরিক সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার বিষয়েও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "দেশের জন্য যারা খেলছেন, তাদের সামাজিক মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার এসব সুযোগ-সুবিধা দিতে চায়।" এর মাধ্যমে ক্রীড়াবিদদের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি দেশের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতাও আরও বাড়বে বলে আশা করেন তিনি।

আমিনুল হক আরও বলেন, "শুধু এশিয়ান গেমস বা অলিম্পিকে অংশ নেওয়াই সরকারের লক্ষ্য নয়। পদকের জন্য লড়াই করতে ক্রীড়াবিদদের প্রস্তুত করা হবে।" তিনি জানান, এশিয়ান গেমস শেষ হওয়ার পর বছরব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এশিয়ান গেমস, অলিম্পিক, কমনওয়েলথ গেমসসহ যেসব আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ভালো করার সুযোগ রয়েছে, সেগুলোকে লক্ষ্য করেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, "অংশগ্রহণ করাই বড় কথা, আমরা এভাবে যেতে চাই না। আমরা সত্যিকার অর্থেই চাই, আমরা ভবিষ্যতে পদকের জন্য লড়াই করব।" সেইভাবে নিজেদের প্রস্তুত করেই অংশগ্রহণ করতে হবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ক্রীড়াবিদরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন। সরকারের পক্ষ থেকে ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ডের মাধ্যমে সামাজিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হলে ক্রীড়াবিদরা দেশের জন্য আরও ভালোভাবে পারফর্ম করতে পারবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম মারা গেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৪৭ পি.এম


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম মারা গেছেন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম মারা গেছেন। তিনি রোববার (৪ অক্টোবর) ভোর পাঁচটার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

এ তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক শোকবার্তায় জানানো হয়েছে। তার জানাজা সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ভবন মাঠে সম্পন্ন হয়।

অধ্যাপক সাইফুল ইসলামের মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের স্বাক্ষরিত শোকবার্তায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নির্দেশক্রমে এ তথ্য জানানো হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে ট্রাকচালক রাজিব হোসেন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৪৭ পি.এম


টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে ট্রাকচালক রাজিব হোসেন নিহত

টাঙ্গাইলের কালিহাতী এলাকায় ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে রাজিব হোসেন নামের একজন ট্রাকচালক নিহত হয়েছেন।

শনিবার (৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৩টার সময় ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা শাপলা স্টিল ওয়ার্কশপের পাশে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত রাজিব হোসেন লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানার অধিবাসী ছিলেন। এই ঘটনার পর পুলিশ ইতিমধ্যে দুজনকে আটক করেছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রাজিব ভূঞাপুর থেকে বালুবোঝাই ট্রাক নিয়ে টঙ্গীর দিকে যাচ্ছিলেন। ভোররাত ৩টার দিকে তিনি ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গায় ট্রাক থামিয়ে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে নিচে নামেন। এ সময় কয়েকজন ছিনতাইকারী তার ওপর হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাত করার ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

কালিহাতী থানার ওসি কাইয়ুম সিদ্দিকী জানিয়েছেন, এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের আটক করার চেষ্টা চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনের দ্বিতীয় দিনের সংলাপ শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৯ পি.এম


বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনের দ্বিতীয় দিনের সংলাপ শুরু

রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’-এর দ্বিতীয় দিনের সংলাপ শুরু হয়েছে। রোববার (৪ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১০টা থেকে একযোগে পাঁচটি রুদ্ধদ্বার অধিবেশন আমন্ত্রিত অতিথিদের অংশগ্রহণে শুরু হয়।

দ্বিতীয় দিনের আয়োজনে গণতন্ত্র, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), জলবায়ু নিরাপত্তা, বৈশ্বিক বাণিজ্য, কূটনীতি এবং গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের (সিজিএস) আয়োজনে আন্তর্জাতিক এই সংলাপের এটি পঞ্চম আসর। শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে তিন দিনব্যাপী সংলাপের উদ্বোধন করা হয়। এবারের প্রতিপাদ্য হলো ‘ফ্র্যাগমেন্টস, ফ্রন্টিয়ার্স, ফিউচার্স: নেভিগেটিং পাওয়ার, টেকনোলজি অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন এ ওয়ার্ল্ড রিরিটেন’। আগামী সোমবার (৫ অক্টোবর) এই আয়োজন শেষ হবে।

দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচিতে গ্র্যান্ড বলরুমে সকাল ১১টায় ‘ফাইভ সিজ, ওয়ান গ্যাদারিং স্টর্ম’ শীর্ষক কৌশলগত বক্তব্য দেবেন ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও সাংবাদিক এম জে আকবর। এরপর সকাল ১১টা ২০ মিনিটে ‘দ্য ডিপ্লোম্যাটিক লেন্স’ পর্বে বক্তব্য দেবেন বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধিদলের প্রধান রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে নেতৃত্ব ও যোগাযোগ বিষয়ে কথা বলবেন ভারতের কমেডিয়ান ও এক্সিকিউটিভ কোচ পাপা সিজে।

দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে ‘হু গেটস টু লিড?’ শীর্ষক গ্র্যান্ড কনভারসেশনে স্থানীয় সরকারে নারীর নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এতে অংশ নেবেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ, ইউএন উইমেনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিং, নির্বাচনী সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য মো. আব্দুল আলীম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রেজওয়ানা করিম স্নিগ্ধা এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিকস। অধিবেশনটি সঞ্চালনা করবেন যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক শাসন ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ক্যাথরিন এম সিসিল।

দুপুর ১টা ১০ মিনিটে বক্তব্য দেবেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। এর ১০ মিনিট পর ‘ডু উই নো হাউ টু গভর্ন?’ শীর্ষক পর্বে সুশাসন নিয়ে আলোচনা করবেন দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম।

দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে ‘হু ডিসাইডস হোয়েন দ্য মডেল ডিসাইডস?’ শীর্ষক অধিবেশনে রাষ্ট্র পরিচালনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে আলোচনা হবে। এতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, ইউনেসকোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি সুসান ভাইজ, শ্রীলঙ্কার ডিজিটাল অর্থনীতি মন্ত্রণালয়ের সচিব ওয়ারুনা শ্রী ধনপালা এবং এশিয়া ফাউন্ডেশনের ইনসাইটওয়ার্কসের নির্বাহী পরিচালক নিকোলা নিক্সন। অধিবেশনটি সঞ্চালনা করবেন এশিয়া ফাউন্ডেশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি কাজী ফয়সাল বিন সিরাজ।

বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে ‘বিটউইন পাওয়ার অ্যান্ড প্রিন্সিপল’ শীর্ষক বে অব বেঙ্গল লেকচার দেবেন সার্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বরিস তাদিচ। এরপর বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে ‘জার্নালিজম আফটার দ্য টার্নিং পয়েন্ট’ বিষয়ে বক্তব্য দেবেন প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান।

দিনের শেষ মূল অধিবেশন শুরু হবে বিকেল ৪টায়। ‘দ্য ডেমোক্রেসি কনভারসেশন’ শীর্ষক লিডারশিপ ফোরামে অংশ নেবেন ভারতের ইনস্টিটিউট অব গ্লোবাল স্টাডিজের প্রেসিডেন্ট অশোক সাজ্জানহার, সিপিডির ডিস্টিংগুইশড ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, মালির সাবেক প্রধানমন্ত্রী মুসা মারা, লাটভিয়ার সাবেক সংসদ সদস্য সের্গেজস পোটাপকিনস এবং মালয়েশিয়ার সাবেক মন্ত্রী জুরাইদা কামারুদ্দিন। অধিবেশনটি সঞ্চালনা করবেন নেপালের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক বিশ্বাস বরাল।

এবারের বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে বিভিন্ন দেশের রাজনীতিক, কূটনীতিক, গবেষক, অর্থনীতিবিদ, নীতিনির্ধারক এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নিচ্ছেন। সংলাপের বিভিন্ন অধিবেশনে বৈশ্বিক ক্ষমতার ভারসাম্য, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক রূপান্তর, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রযুক্তি, গণতন্ত্র, সুশাসন এবং বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক যোগাযোগ ও বাণিজ্যের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%