ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৫মবার জেল গেট থেকে গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতা


৫মবার জেল গেট থেকে গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতা

ময়মনসিংহের কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি নতুন বিস্ফোরক মামলা করা হয়েছে। এ মামলায় মহানগর যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল পাঠানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, যদিও উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

রোববার (১২ জুলাই) রাত ১০টার সময়ে তাকে ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলগেট থেকে এই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়।

রাসেল পাঠানের পরিবার ও আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন, এটি আদালতের আদেশের সরাসরি অবমাননা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

এর আগে ৬ জুলাই, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল এবং বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরী একটি বেঞ্চ গঠন করে রিট পিটিশন নং ৮৫৮১ এর শুনানি শেষে আদেশ প্রদান করেন। আদালত বিবাদী পক্ষকে নির্দেশ দেয় যে, সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া রাসেল পাঠানকে অন্য কোনোভাবে হয়রানি বা গ্রেপ্তার করা যাবে না।

আবেদনকারীর আইনজীবী মো. মোতাহার হোসেন সাজু এবং বিবাদী পক্ষের আইনজীবীদের শুনানি শেষে আদালত এ রুল জারি করেছিল। রাসেল পাঠানের আইনজীবী সেকান্দার আলীর অভিযোগ, রবিবার বিকেলে তার জামিননামা কারাগারে পৌঁছেছিল। কিন্তু রাত ১০টার পর কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ তাকে আবারও আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে তাকে নতুন একটি বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ১২ জুলাই রাতে ময়মনসিংহ নগরীর কাশর এলাকার স্থানীয় মো. রাকিব বাদি হয়ে বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয় যে, ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট দুপুর আড়াইটার দিকে নগরের বাতিরকল মোড়ে বাদী ও বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা দলের অফিসের দিকে যাওয়ার পথে হামলার শিকার হন। আসামিরা আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের গতিরোধ করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

রাসেল পাঠানের পরিবারের সদস্যরা জানাচ্ছেন, রাসেল পাঠান যখন আগের সব মামলা থেকে উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়ে মুক্তির অপেক্ষায় ছিলেন, তখনই জেলগেট থেকে নতুন মামলায় গ্রেপতার করা হলো।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

রাসেলের মা জোবেদা খাতুন বলেন, "হাইকোর্ট সুনির্দিষ্টভাবে হয়রানি বন্ধের নির্দেশ দেওয়ার পরও পুলিশ ২০২৪ সালের পুরোনো ঘটনার নাটক সাজিয়ে নতুন মামলা দায়ের করল। এটি আমাদের পরিবারের প্রতি অবিচার এবং আদালতের আদেশের প্রতি চরম অবজ্ঞা।"

রাসেলের আইনজীবী আরও জানিয়েছেন, ফৌজদারি কার্যবিধির নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে বারবার হয়রানিমূলক মামলায় জড়ানো মৌলিক অধিকারের পরিপন্থি। বিশেষ করে, যখন উচ্চ আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে নির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়ে দিয়েছেন, তখন তা অমান্য করলে বিচারিক প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন ময়মনসিংহের যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল পাঠান। তিনি নগরীর সানকিপাড়া শেষ মোড় এলাকার আব্দুর রাজ্জাক পাঠানের ছেলে।

ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার কামরুল হাসান বলেছেন, আগের সব মামলায় জামিনে থাকলেও নতুন মামলা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ ছাড়া অন্য কেউ পাবলিক বিস্ফোরক আইনে মামলা করতে পারে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে অবশ্যই মামলা করতে পারে।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে পরিত্যক্ত গোডাউনে আগুন, ৫ লাখ টাকার সম্পদ উদ্ধার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে বন্যার্তদের পাশে ছাত্রদল সভাপতি প্রধানমন্ত্রীর উপহার নিয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৪ পি.এম


কক্সবাজারে বন্যার্তদের পাশে ছাত্রদল সভাপতি প্রধানমন্ত্রীর উপহার নিয়ে

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কক্সবাজারে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে।

সোমবার (১৩ জুলাই) ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের নেতৃত্বে কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সদর, রামু এবং উখিয়া উপজেলার বন্যার্ত ১ হাজার ৫০০ পরিবারের মাঝে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রীর প্যাকেট বিতরণ করেন।

এই সময় ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, ‘এলাকার সাধারণ মানুষ এবং আমাদের স্থানীয় নেতারা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেছেন। তাঁদের মতে, খাল খনন কর্মসূচি যদি সত্যিকার অর্থে পরিকল্পিতভাবে আরও কয়েক বছর ধরে অব্যাহত রাখা যায় এবং এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচিতে পরিণত হয়, তাহলে বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে যে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়, তা থেকে সাধারণ মানুষ অনেকটাই মুক্তি পাবে। ইতোমধ্যে টেকনাফ ও রামুর মানুষ আমাকে জানিয়েছেন, খুব বেশি খাল খনন না হলেও যতটুকু কাজ হয়েছে, তার সুফল তারা ইতোমধ্যেই পেতে শুরু করেছেন।’

তিনি বলেন, গত প্রায় ২০ বছরে দেশের নদী, খাল, বিল, নালা, জলাশয় ও নর্দমাগুলো যেভাবে অবৈধভাবে দখল ও ভরাট করা হয়েছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। জোরপূর্বক দখল, অবৈধ বসতি স্থাপন এবং অপরিকল্পিত ভরাটের ফলে অনেক জলাশয় তার স্বাভাবিক অস্তিত্বই হারিয়ে ফেলেছে। ফলে পানি নিষ্কাশনের প্রাকৃতিক ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এত দীর্ঘ সময় ধরে সৃষ্ট এই সংকট কয়েক মাসের উদ্যোগে পুরোপুরি দূর করা সম্ভব নয়। এজন্য অবশ্যই সময়, পরিকল্পনা এবং ধারাবাহিক উদ্যোগের প্রয়োজন।

উপহার সামগ্রী বিতরণকালে কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফাহিমুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সাঈদ আনোয়ারও উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সোহরাওয়ার্দী মর্গে ঘুষ বাণিজ্য: প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ, প্রতিবেদকের বক্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৭ পি.এম


সোহরাওয়ার্দী মর্গে ঘুষ বাণিজ্য: প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ, প্রতিবেদকের বক্তব্য

গত ৭ জুলাই সময়ে টেলিভিশনের ফেসবুক ও ইউটিউবে ‘সোহরাওয়ার্দীর মর্গে অন্ধকার বাণিজ্য, ময়নাতদন্তে লাগে ঘুস’ শিরোনামে যে সংবাদ প্রচারিত হয়েছে, তার প্রতিবাদ পাঠিয়েছে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক ও টক্সিকোলজি বিভাগ। প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রতিবেদনটি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, অসম্পূর্ণ এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য উত্থাপিত হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রতিবেদকের বক্তব্য নিচে উপস্থাপন করা হলো—

প্রতিবেদক সরেজমিনে ময়নাতদন্ত করতে আসা স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার মাধ্যমে জানতে পারেন যে, তারা মর্গের সহকারী জীবন ওরফে জানু লাল এবং একজন বহিরাগত নারী সেলিনা কর্তৃক আর্থিক ও মানসিক হয়রানির শিকার হয়েছেন। এটি শুধু শেষ কথা নয়, কারণ এই সহকারীরা ময়নাতদন্তে আসা স্বজনদের একটি তালিকা দেন। ওই তালিকায় সাবান, হুইল পাউডার, কর্পূর, হ্যান্ডগ্লাভসসহ বিভিন্ন দ্রব্যাদি সংগ্রহ করার জন্য তাদেরকে বলেন। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, স্বজনরা এসব পণ্য বাধ্য হয়ে কিনে দিলেও বাস্তবে তা ময়নাতদন্তের কাজে ব্যবহার করা হয়নি। বরং পণ্যগুলো পার্শ্ববর্তী দোকানে ফেরত দেয়া হয়। এসব হয়রানির বিষয়ে সুস্পষ্ট অভিযোগের সচিত্র প্রমাণ ও বক্তব্য সময় টেলিভিশনের কাছে ক্যামেরায় রেকর্ড করা আছে।

৩০ হাজার টাকা ঘুস প্রসঙ্গ

অনুসন্ধানকালে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক ডা. নাশাত জাবিন মর্গের সহকারীদের কাছ থেকে নিয়মিত মাসিক ৩০ হাজার টাকা ঘুস আদায় করেন বলে জানা গেছে। মর্গের একজন সাবেক সহকারী, পরিচয় গোপন রেখে, সময় টেলিভিশনের ক্যামেরায় এ বিষয়ে সাক্ষাৎকার দেন। তার দাবি, ৩০ হাজার টাকা না দিলে মর্গে কাজ করার অনুমতি দেয়া হয় না। উল্লেখ্য, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে জীবন ওরফে জানু লাল একমাত্র আউটসোর্সিংয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারী। সেলিনা নামে অপর এক নারী সম্পূর্ণ বহিরাগত হয়ে মর্গে প্রবেশ করে যা বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই তথ্য আরও নির্ভরযোগ্য মনে হচ্ছে যে অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. নাশাত জাবিন স্থায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারী না থাকায় টাকা আদায় করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাবেক ওই সহকারীর বক্তব্যও সময় টেলিভিশনের কাছে রেকর্ড রয়েছে।

অভিযুক্তকে বক্তব্য দেয়ার সুযোগ দেয়া হয়নি প্রসঙ্গ

প্রতিবাদলিপিতে সাক্ষাৎকার নেওয়া অভিযুক্ত চিকিৎসকের বক্তব্য গ্রহণের সুযোগ দেয়া হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে। এই দাবিটি সঠিক নয়। ৩০ জুন অভিযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য প্রতিবেদক সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে গিয়েছিলেন। সেখানে দেখা হলে, অভিযোগের বিষয়ে কথা বলার জন্য বিনয়ের সাথে অনুরোধ জানান। কিন্তু অভিযুক্ত চিকিৎসক বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে প্রতিবেদককে মেডিকেলের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. আঈনুল ইসলামের কাছ থেকে লিখিত অনুমতি আনতে বলেন এবং স্থান বেড়িয়ে যান। প্রতিবেদক অধ্যক্ষের কাছে অনুমতি আনতে গিয়েছিলেন, তবে সেখানে অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. নাশাত জাবিনকে অধ্যক্ষের কক্ষে আলাপরত অবস্থায় দেখেন। ওই সময় ব্যক্তিগত সহকারীর মাধ্যমে অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলার অনুমতি চাওয়া হলে, অধ্যক্ষ প্রতিবেদককে দুইদিন পর আসার কথা বলেন। এ সম্পর্কে অধ্যক্ষের সহকারীর বক্তব্যও রেকর্ড করা হয়েছে। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর, ডা. নাশাত জাবিন অধ্যক্ষের কক্ষ থেকে বের হলে প্রতিবেদনকারী অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানানোর জন্য পুনরায় অনুরোধ করেন। কিন্তু তিনি বলেন, কিছুই জানাবেন না, বরং তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী আবেদন করার কথা বলে স্থান ত্যাগ করেন।

প্রতিবাদলিপিতে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের উত্থাপিত দাবিগুলো সঠিক নয়। সময় টেলিভিশন যথাযথ সম্পাদকীয় নীতি অবলম্বন করে সংবাদটি প্রস্তুত করেছে। প্রতিবেদক হয়রানির শিকার ভুক্তভোগীদের এবং মর্গের অনিয়ম সম্পর্কে সাবেক কর্মচারীর কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য ক্যামেরায় ধারণ করেছেন। পাশাপাশি অভিযোগের বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করেছেন। প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রতিবেদকের নিজস্ব কোনও মতামত, বক্তব্য বা চিন্তার প্রকাশ নেই। সম্পূর্ণ ওই ক্ষেত্রে পাওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। যেখানে সময় টেলিভিশনের সম্পাদকীয় নীতির কোনও ব্যত্যয় ঘটেনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (দ্বিতীয় সংশোধন) বিল জাতীয় সংসদে গৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৯ পি.এম


বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (দ্বিতীয় সংশোধন) বিল জাতীয় সংসদে গৃহীত

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনা সহজ করতে এবং চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা ও স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের জন্য একটি কোম্পানির প্রতিষ্ঠা ও তাতে বিনিয়োগের ক্ষমতা দেওয়ার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (দ্বিতীয় সংশোধন) বিল, ২০২৬ জাতীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে।

সোমবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন যখন বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন, তখন তা কণ্ঠভোটের মাধ্যমে পাস হয়ে যায়।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় যে, বাংলাদেশের উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা এবং উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৯৮-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়, তবে সেখানে পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও সহায়ক জনবলের অভাব এবং সুস্পষ্ট পরিচালন কাঠামোর অভাবে হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা সম্ভব হয়নি।

হাসপাতালটি কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর আওতায় হাসপাতালটির পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই কারণে বিদ্যমান আইনে সংশোধন আনার প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

প্রস্তাবিত সংশোধনীর মাধ্যমে, চিকিৎসা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় লাভজনক বা অলাভজনক কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান গঠন করতে সক্ষম হবে। এর সাথে কেন্দ্রীয়ভাবে এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার অর্জন, সংরক্ষণ এবং হস্তান্তরের ক্ষমতাও প্রদান করা হচ্ছে।

বিলে বিশ্ববিদ্যালয়কে এই ধরনের কোম্পানি প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার স্পষ্ট আইনগত ক্ষমতা দেওয়ার পাশাপাশি সিন্ডিকেটের ক্ষমতা, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচালন বিধিমালা, প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে অর্জিত আয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে অন্তর্ভুক্ত করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল থেকে বিনিয়োগের শর্তাবলী নির্ধারণের বিধান রাখা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে যদি এই কাঠামোর আওতায় আন্তর্জাতিক মানের বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হয়, তবে দেশি-বিদেশি খ্যাতিমান চিকিৎসক, শিক্ষক ও গবেষকরা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মাধ্যমে কাজ করার সুযোগ পাবে। এটি আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি, জ্ঞান ও দক্ষতার আদান-প্রদানকে আরও জোরদার করবে।

বিলে আরও উল্লিখিত হয়েছে যে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে রেসিডেন্সি, ফেলোশিপ ও অন্যান্য উচ্চতর চিকিৎসা প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আরও শক্তিশালী হবে। শিক্ষার্থীরা উন্নত ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবে এবং আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসক, গবেষক ও স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবী তৈরি করা সহজ হবে।

বিল অনুযায়ী, কোম্পানিগুলো থেকে অর্জিত আয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা, শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমে পুনর্বিনিয়োগ করা যাবে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করেছেন সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩০ পি.এম


বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করেছেন সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান

জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার বিভিন্ন বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শনসহ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার, আর্থিক সহায়তা, ঢেউ টিন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান এমপি।

আজ সোমবার দুপুর থেকে, তিনি জেলা উপজেলার দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে বাঘाइছড়ি উপজেলার বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকা ও আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করে এসব সহায়তা প্রদান করেন।

এ সময়, তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে এবং কোনো মানুষ না খেয়ে থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, দুর্যোগকালীন সময়ে বন্যাকবলিত অসহায় মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সরকার যথেষ্ট পরিমাণ সহায়তা দিচ্ছে। বর্তমানে এই দুর্যোগকালীন পরিস্থিতিতে বাঘাইছড়িতে সব ধরনের এনজিও’র কিস্তি আদায় বন্ধ রাখতে তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

এসময় দীপেন দেওয়ান, উপজেলার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন স্কুল এন্ড কলেজ আশ্রয়কেন্দ্রসহ বিভিন্ন প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে যান।

সেখানে, আশ্রয় নেওয়া পানিবন্দী ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সাথে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন।

তিনি প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শুকনো খাবার, আর্থিক সহায়তা, ঢেউ টিন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সুপ্তশ্রী সাহা এবং বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাছির উদ্দীন মজুমদার, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো, সাইফুল ইসলাম পনির, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুছ, সহ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক সেলিম উদ্দিন বাহারী, জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি মমতাজ মিয়া প্রমুখ।

বন্যা পরিস্থিতি ও আশ্রয়কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন শেষ করে, দীপেন দেওয়ান উপজেলা পরিষদে তার ব্যক্তিগত কার্যালয়ে এক জরুরি মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

উপজেলা প্রশাসনের সকল স্তরের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই সভায়, বাঘাইছড়ির সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা, দ্রুত ত্রাণ পৌঁছানো এবং দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্বাসন প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%