ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফুটবল খেলা সম্পর্কে ড. জাকির নায়েক–এর বক্তব্য


ফুটবল খেলা সম্পর্কে ড. জাকির নায়েক–এর বক্তব্য

ড. জাকির নায়েক বলেন, "ফুটবল নিজে হারাম কোনো খেলা নয়। বরং এটি শরীর সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখতে সহায়ক।" তবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে খেলাটি শরিয়তের সীমার মধ্যে থাকতে হবে এবং নামাজসহ ফরজ ইবাদতে বাধা সৃষ্টি করা যাবে না। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামি বক্তা ড. জাকির নায়েক এ কথা জানিয়েছেন।

তার মতে, সাধারণভাবে শরিয়তের বিধান মেনে ফুটবল খেলা এবং স্থানীয় পর্যায়ে পেশা হিসেবে ফুটবল খেলে জীবিকা অর্জন করা জায়েজ। কিন্তু খেলোয়াড়কে সতর রক্ষা, সময়মতো নামাজ আদায় এবং হারাম কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।

ড. জাকির নায়েক আরও বলেন, "জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের পেশাদার ফুটবলে ঝুঁকি অনেক বেশি। কারণ সেখানে অনেক সময় হারাম স্পন্সরশিপ, অশালীন পরিবেশ, অতিরিক্ত খ্যাতি ও অর্থের প্রলোভন একজন মুসলিমকে ইসলামের বিধান থেকে দূরে সরিয়ে দিতে পারে।" তাই তিনি উচ্চপর্যায়ের ফুটবলে একজন মুসলিমকে আরও বেশি সতর্ক থাকতে বলছেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তিনি এই বিষয়ে মন্তব্য করেন যে, "কোনো পেশার কারণে কেউ নামাজ না পড়লে তার দায় সেই পেশার নয়, বরং ব্যক্তির।" অতএব, ফুটবলকে ঢালাওভাবে হারাম বলা ঠিক নয়; বরং একজন খেলোয়াড় ইসলামের বিধান কতটুকু মেনে চলছেন, সেটিই মূল বিবেচ্য বিষয়।

ড. জাকির নায়েকের মতে, ফুটবল একটি উপকারী খেলাধুলা। কিন্তু পেশা হিসেবে গ্রহণ করার ক্ষেত্রে দ্বীনের বিধানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। যদি খেলাধুলা আল্লাহর আনুগত্যে বাধা না হয়ে বরং শরিয়তের সীমার মধ্যে পরিচালিত হয়, তাহলে তা গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

সূত্র: ড. জাকির নায়েকের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণই এখন সবচেয়ে জরুরি: ডিসি ফরিদা খানম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


ঢাকার পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণই এখন সবচেয়ে জরুরি: ডিসি ফরিদা খানম

 ঢাকাকে আরো বাসযোগ্য, পরিবেশবান্ধব ও জলবায়ু সহনশীল নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।

তিনি বলেছেন, ‘ঢাকাকে বাঁচাতে এখনই বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, এটি বিশুদ্ধ বাতাস, জীববৈচিত্র্য এবং আগামী প্রজন্মের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করে।’

আজ রাজধানীর বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ আয়োজনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘সবুজ ঢাকার অঙ্গীকার : আজকের বৃক্ষ আগামীর নিঃশ্বাস’।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বায়ুদূষণ ও পরিবেশগত ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে।

তিনি বলেন, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিককে বৃক্ষরোপণকে সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ হয় না। রোপণ করা প্রতিটি গাছের পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। একটি গাছ বাঁচানো মানে একটি জীবন, একটি পরিবার এবং একটি সুস্থ পরিবেশকে বাঁচিয়ে রাখা।’

ফরিদা খানম আরো বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি অফিস, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, আবাসিক এলাকা এবং খালি জায়গাগুলোতে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ করতে হবে। পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, একটি গবেষণায় দেখা গেছে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫৫০ লিটার অক্সিজেন গ্রহণ করেন।

ডিসি বলেন,  গড় আয়ু ৭০ বছর ধরা হলে, একজন মানুষের সারা জীবনে প্রয়োজন হয় প্রায় ১৪ লাখ লিটার অক্সিজেন। অন্যদিকে, একটি পূর্ণবয়স্ক গাছ বছরে গড়ে ৮২ হাজার ৬০০ লিটার অক্সিজেন উৎপাদন করে। সেই হিসেবে একজন মানুষের জীবনভর অক্সিজেনের চাহিদা পূরণে প্রয়োজন হয় প্রায় ১৭টি পূর্ণবয়স্ক গাছ।

তবে বাস্তবতা হলো, রোপণ করা সব গাছ পরিণত বয়সে পৌঁছায় না। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত জীবনে অন্তত ১০০টি গাছ রোপণ করা, যাতে অন্তত ১৭টি গাছ পূর্ণবয়স্ক হয়ে মানুষ ও পরিবেশের কল্যাণে অবদান রাখতে পারে।

জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, বাংলাদেশে একটি আইসিইউ বেডে অক্সিজেন ও অন্যান্য চিকিৎসাসহ প্রতিদিনের ব্যয় প্রায় ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা, কখনো কখনো এরও বেশি। অথচ আমরা সুস্থ অবস্থায় প্রতিদিন যে বিপুল পরিমাণ অক্সিজেন গ্রহণ করি, তার বিশাল অংশের যোগান প্রকৃতি এবং আমাদের চারপাশের গাছপালা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দিয়ে থাকে।

জেলা প্রশাসক আরো বলেন, অর্থ দিয়ে আইসিইউর অক্সিজেন কেনা সম্ভব, কিন্তু একটি পরিণত গাছ যে অক্সিজেন, ছায়া, শীতলতা, জীববৈচিত্র্যের আশ্রয় এবং পরিবেশগত সুরক্ষা প্রদান করে, তার প্রকৃত মূল্য কোনো অর্থেই নির্ধারণ করা যায় না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাজেট-পরবর্তী নৈশভোজ বাতিলের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৯ পি.এম


বাজেট-পরবর্তী নৈশভোজ বাতিলের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ব্যয় সংকোচনের কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এবার বাজেট পরবর্তী নৈশ ভোজও বাতিল করা হয়েছে। এতে সরকারের প্রায় ৫০ লাখ টাকা সাশ্রয় হয়েছে।

প্রতিবছর বাজেট পাসের দিন রাতে সংসদ ভবনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে নৈশ ভোজ হয়ে থাকে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতাসহ মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা অংশ নিয়ে থাকেন।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আপ্যায়ন খাতে প্রতিবছর ব্যয় হয়েছিল গড়ে  ৩০ থেকে ৫৫ কোটি টাকা। এই ব্যয়ের বাইরেও দেখা গেছে প্রতি বছর ১০ থেকে ১২ কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ করা হয়েছে। যেমন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এই খাতে খরচ হয়েছিল ৩০ কোটি ২ লাখ ৯৭ হাজার ৩৩৫ টাকা।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের খাবার সরবরাহ করতো। বিগত সরকারের সময়ে এই বিশাল অঙ্কের টাকা এখনো বাকি রয়ে গেছে, যা বর্তমান সরকারকেই পর্যায়ক্রমে পরিশোধ করতে হচ্ছে।’

গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন।

আজ সংসদে বিভিন্ন মঞ্জুরি দাবি নিষ্পত্তি করে বিকেল ৪টার দিকে জাতীয় বাজেট সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছে।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, ‘তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরে আপ্যায়ন ভাতা কাটছাঁট করেছেন। চলতি মাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আপ্যায়ন ব্যয় হয়েছে ১১ লাখ ৬৯ টাকা।’

‘এ ছাড়াও দুই ঈদে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আপ্যায়ন ব্যয় হয়েছে প্রায় ৯০ লাখ টাকা।’

এদিকে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পাসের প্রক্রিয়ায় জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্মব্যস্ত সময় অতিবাহিত করেছেন বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা তারেক রহমান সকাল পৌনে ১০ টায় সংসদে আসেন। প্রথম থেকে তিনি অধিবেশন কক্ষে অবস্থান করেন। বাজেটের মঞ্জুরি দাবির ওপর ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়াসহ  আইন প্রণয়ন কার্যাবলিতে অংশ নিয়েছেন।’

‘শুধু তাই নয়, বিরতির সময় প্রধানমন্ত্রী দাপ্তরিক কাজ সেরেছেন এবং জরুরি গুরুত্বপূর্ণ ফাইল সই করেছেন।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুরির অভিযোগে শিশুর মাথা ন্যাড়া করে নির্যাতনের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৩ পি.এম


চুরির অভিযোগে শিশুর মাথা ন্যাড়া করে নির্যাতনের অভিযোগ

নেত্রকোণার কলমাকান্দা উপজেলায় চুরির অভিযোগ এনে এক কিশোরের মাথা জনসম্মুখে ন্যাড়া করে অপদস্থ করার একটি ঘটনা ঘটে, যা দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর প্রশাসন তাড়াতাড়ি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং মূল অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশ সদস্য রতন রবি দাশকে আটক করেছে। পাশাপাশি, তাকে গ্রাম পুলিশ পদ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

এই ঘটনাটি সোমবার (২৯ জুন) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে রংছাতি ইউনিয়নের পাঁচগাঁও বাজারের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সংঘটিত হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখার জন্য পদক্ষেপ নেয়।

ভুক্তভোগী কিশোর মো. রাব্বিল (১৪) উপজেলার বানাইকোনা গ্রামের মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে। আটক রতন রবি দাশ পাঁচগাঁও গ্রামের বিন্দু রবি দাশের ছেলে। রতন স্থানীয় বাজারে একটি সেলুন পরিচালনার পাশাপাশি গ্রাম পুলিশ সদস্য হিসেবে কাজ করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে, পাঁচগাঁও বাজারের একটি হার্ডওয়্যারের দোকানে সাত হাজার টাকা চুরির অভিযোগে রাব্বিলকে আটক করা হয়। স্থানীয়রা জানায়, তল্লাশির সময় কিশোরের কাছ থেকে ওই টাকা উদ্ধারের পর সে অপরাধ স্বীকার করে। কিন্তু কিশোরটিকে পুলিশের হাতে তুলে না দিয়ে, গ্রাম পুলিশ সদস্য রতন রবি দাশ আইন নিজের হাতে তুলে নেন। তাকে শাস্তির জন্য শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে জনসম্মুখে মাথা সম্পূর্ণ ন্যাড়া করা হয়।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায় যে, চুল কাটার সময় কিশোরটি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বারবার ক্ষমা প্রার্থনা করছে এবং ভবিষ্যতে আর এমন কাজ করবে না বলেও আকুতি জানাচ্ছে। কিন্তু উপস্থিত কেউ তার অনুরোধে সাড়া না দিয়ে পুরো ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়।

আটকের পর রতন রবি দাশ বলেন, "বাজারে লোকজন কিশোরটিকে আটক করে আমাকে খবর দেয়। সেখানে গিয়ে উপস্থিত লোকজন ১০০ টাকার বিনিময়ে তার মাথা ন্যাড়া করে দিতে বলে। আমি তা করেছি। এখন আমি আমার কাজের জন্য অনুতপ্ত।"

রংছাতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান পাঠান বাবুল জানিয়েছেন, ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর অভিযুক্তকে ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ সদস্য হিসেবে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানা পুলিশকে জানালে তাকে আটক করা হয় এবং সাময়িক বরখাস্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) সজল সরকার জানান, চুরির অভিযোগে কিশোরকে নির্যাতনের ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইউএনও এস এম মিকাইল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সচেতন মহল বলছে, অপরাধের অভিযোগ থাকলেও বিচার করার দায়িত্ব আদালতের, জনসম্মুখে কাউকে অপদস্থ করা উচিত নয়। তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অনুমোদনহীন চিপসে অসুস্থ ১২ শিক্ষার্থী, বাগেরহাটে দোকান সিলগালা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৬ পি.এম


অনুমোদনহীন চিপসে অসুস্থ ১২ শিক্ষার্থী, বাগেরহাটে দোকান সিলগালা

বাগেরহাটের রামপালে অনুমোদনহীন চিপস খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১২ শিক্ষার্থী।

এই ঘটনায় ওই ব্যবসায়ী মনোরঞ্জন মণ্ডলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা এবং দোকানটি সিলগালা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত, কারণ অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনিরাপদ খাদ্যপণ্য বিক্রির প্রমাণ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে বড়দূর্গাপুর গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে ওই দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তামান্না ফেরদৌসি।

এর আগে সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে বড় দূর্গাপুর দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, তারা পাশে থাকা মনোরঞ্জন মন্ডলের দোকান থেকে খোলা চিপস কিনে খায়। এর পরপরই ১২ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের চিপসগুলো ডিটারজেন্টের প্যাকেটসদৃশ মোড়কে বিক্রি করা হচ্ছিল। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পেটে ব্যথা, বমি ও শারীরিক অস্বস্তি দেখা দিলে তাদের অভিভাবক ও শিক্ষকরা রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রস্থ মৈত্রী হাসপাতালে নিয়ে যান।প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।

মৈত্রী হাসপাতালে মেডিকেল অফিসার ডা. সাকিব রেজোয়ান জানিয়েছেন, খাদ্যে বিষক্রিয়ার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া ১২ জনের মধ্যে ১১ জনকে মৈত্রী হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। গুরুতর অসুস্থ এক শিক্ষার্থীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মৈত্রী হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সে করে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেফার করা হয়েছে।

বড় দুর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেবাংশু রায় জানিয়েছেন, দোকানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং শিক্ষার্থীরা এখন সুস্থ আছে।

রামপাল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার বলেন, শিক্ষার্থীদের অসুস্থতার খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নিয়েছি এবং প্রশাসনের সহযোগিতায় দোকানটি সিলগালা করা হয়েছে। তবে বাইরের শিক্ষকদের খাবার খাওয়ানোর ব্যাপারে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তামান্না ফেরদৌস জানিয়েছিলেন, স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে এবং দোকানটি সিলগালা করা হয়েছে। জনস্বাস্থ্য ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অভিভাবক ও সাধারণ জনগণকে শিশুদের জন্য অনুমোদিত ও নিরাপদ খাদ্যপণ্য কেনার জন্য এবং মেয়াদ ও মান যাচাই করে খাদ্য গ্রহণে সচেতন থাকার আহবান জানান এই কর্মকর্তা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%