০৮:৪৪ পি.এম
ড. জাকির নায়েক বলেন, "ফুটবল নিজে হারাম কোনো খেলা নয়। বরং এটি শরীর সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখতে সহায়ক।" তবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে খেলাটি শরিয়তের সীমার মধ্যে থাকতে হবে এবং নামাজসহ ফরজ ইবাদতে বাধা সৃষ্টি করা যাবে না। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামি বক্তা ড. জাকির নায়েক এ কথা জানিয়েছেন।
তার মতে, সাধারণভাবে শরিয়তের বিধান মেনে ফুটবল খেলা এবং স্থানীয় পর্যায়ে পেশা হিসেবে ফুটবল খেলে জীবিকা অর্জন করা জায়েজ। কিন্তু খেলোয়াড়কে সতর রক্ষা, সময়মতো নামাজ আদায় এবং হারাম কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।
ড. জাকির নায়েক আরও বলেন, "জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের পেশাদার ফুটবলে ঝুঁকি অনেক বেশি। কারণ সেখানে অনেক সময় হারাম স্পন্সরশিপ, অশালীন পরিবেশ, অতিরিক্ত খ্যাতি ও অর্থের প্রলোভন একজন মুসলিমকে ইসলামের বিধান থেকে দূরে সরিয়ে দিতে পারে।" তাই তিনি উচ্চপর্যায়ের ফুটবলে একজন মুসলিমকে আরও বেশি সতর্ক থাকতে বলছেন।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
তিনি এই বিষয়ে মন্তব্য করেন যে, "কোনো পেশার কারণে কেউ নামাজ না পড়লে তার দায় সেই পেশার নয়, বরং ব্যক্তির।" অতএব, ফুটবলকে ঢালাওভাবে হারাম বলা ঠিক নয়; বরং একজন খেলোয়াড় ইসলামের বিধান কতটুকু মেনে চলছেন, সেটিই মূল বিবেচ্য বিষয়।
ড. জাকির নায়েকের মতে, ফুটবল একটি উপকারী খেলাধুলা। কিন্তু পেশা হিসেবে গ্রহণ করার ক্ষেত্রে দ্বীনের বিধানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। যদি খেলাধুলা আল্লাহর আনুগত্যে বাধা না হয়ে বরং শরিয়তের সীমার মধ্যে পরিচালিত হয়, তাহলে তা গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
সূত্র: ড. জাকির নায়েকের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন