ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএসএফের পুশ-ইন চেষ্টা, বিজিবি কঠোর অবস্থানে


চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএসএফের পুশ-ইন চেষ্টা, বিজিবি কঠোর অবস্থানে

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তের মাধ্যমে সাতজন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। কিন্তু বিজিবির তাৎক্ষণিক তৎপরতা এবং কঠোর অবস্থানের ফলে তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা সফল হয়নি।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি)-এর অধীনে চাড়ালডাঙ্গা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ২১৯/২৪-আর সংলগ্ন শূন্য লাইনে এই ঘটনা ঘটে।

নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম জানিয়েছেন, ভারতের ১২ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের টিলাশন ক্যাম্পের সদস্যরা সাতজন ব্যক্তিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করেন। খবর পাওয়ার সাথে সাথে চাড়ালডাঙ্গা বিওপির একটি টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সীমান্তের শূন্য লাইনের ভারতীয় অংশে অবস্থানরত সাতজনকে শনাক্ত করে এবং তাদের বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দেয়।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

তিনি আরও জানান, বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে বিএসএফের পুশ-ইনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। পরবর্তীতে, সীমান্তের নিকটবর্তী কাঁটাতারবিহীন অংশ দিয়ে ওই সাতজনকে পুনরায় ভারতীয় ভূখণ্ডে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করা হয়।

বিজিবি জানিয়েছে, বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সীমান্তে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তারা জানিয়েছে, সীমান্ত দিয়ে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ বা পুশ-ইনের অপচেষ্টা সফল হতে দেওয়া হবে না। এই ধরনের যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সীমান্তজুড়ে টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীমান্তে অভিযান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৪ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ মালামাল উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২০ পি.এম


সীমান্তে অভিযান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৪ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ মালামাল উদ্ধার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তসহ অন্যান্য সীমান্ত এলাকাতে অভিযান চালিয়ে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) প্রায় ৩৪ লাখ ৬১ হাজার ৫০ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ চোরাচালানি মালামাল জব্দ করেছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় যে, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালকের নির্দেশনা অনুসরণে “বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক”—এই মূলমন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি পদ্ধতি আরও জোরদার করা হয়েছে।

সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম, এএসসি-এর দিকনির্দেশনা ও পরিকল্পনা অনুযায়ী শুক্রবার সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার চন্ডিদার, কসবা, মঈনপুর, মাদলা ও খাদলা বিওপি এবং কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া ও বুড়িচং উপজেলার সালদানদী ও শংকুচাইল বিওপি-র টহলদল পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করে।

ভারতীয় বাসমতি চাল, রেডবুল এনার্জি ড্রিংকস, ফুসকা, শিং মাছ, গরু, বিভিন্ন ধরনের ওষুধ, বাজি, শাড়ি, ভ্যাসমল, গাঁজা এবং একটি ইজিবাইক অভিযানে জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩৪ লাখ ৬১ হাজার ৫০ টাকা।

বিজিবি জানায়, সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পুশ-ইন প্রতিরোধ, নারী ও শিশু পাচার, মাদক এবং চোরাচালান রোধে সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ, গিয়ে দেখলেন নিজের ছেলের মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২২ পি.এম


দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ, গিয়ে দেখলেন নিজের ছেলের মরদেহ

কিশোরগঞ্জে ঘটে যাওয়া এক সড়ক দুর্ঘটনায় একটি স্কুলছাত্রের নিহত হওয়ার খবর পেয়ে, পুলিশের একটি টহল দলের সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালনের জন্য ঘটনার স্থলে ছুটে যান, ঠিক যেমনটি তারা অন্য দিনগুলোতে করেন। কিন্তু সেখানে উপস্থিত হয়ে তারা একটি হৃদয়ভঙ্গকারী মুহূর্তের সাক্ষী হন। ট্রাকচাপায় নিহত স্কুলছাত্রটি আর কেউ নয়, বরং তারই ছেলে।

শুক্রবার, ২৪ জুলাই সকালে, সাড়ে ১০টা নাগাদ কিশোরগঞ্জ শহরের জনতা স্কুল রোড এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে।

নিহত শিশু মোহাম্মদ তুহিন (১০) হলো কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার পুলিশ সদস্য শামসুল হকের সন্তান। তুহিন গাইটাল জনতা স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল।

কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা তানিয়া নাজনীন জানান, সকালে থানায় খবর আসে যে, জনতা স্কুল রোড এলাকায় একটি সিমেন্টবোঝাই ট্রাকের চাপায় একজন স্কুলছাত্র নিহত হয়েছেন। তখন পর্যন্ত নিহত শিশুর পরিচয় জানা যায়নি। খবর পাওয়ার পর থানার টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে। টহল দলের গাড়ির চালক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন পুলিশ সদস্য শামসুল হক। ঘটনাস্থলে পৌঁছে টহল দল দেখতে পায় যে, নিহত শিশুটি শামসুল হকের ছেলে তুহিন। এই দৃশ্য দেখে ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরাও শোকাহত হয়ে পড়েন।

স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, আজ সকালে গাইটাল এলাকার বাসা থেকে সাইকেল চালিয়ে জনতা স্কুল রোডে বের হয়েছিল তুহিন। এ সময় সিমেন্টবোঝাই ট্রাকটি তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু ঘটে।

লাশ উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম ভূঞা জানিয়েছেন। তিনি জানান, দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে, তবে তার চালক পালিয়ে গেছে। তাকে আটক এবং দুর্ঘটনার কারণ জানার জন্য পুলিশ কাজ করছে। এই ঘটনার জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় ৭৭ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি প্রাণিসম্পদ খাতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৪ পি.এম


বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় ৭৭ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি  প্রাণিসম্পদ খাতে

চট্টগ্রাম, ২৪ জুলাই, ২০২৬ : সাম্প্রতিক বন্যার কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় প্রাণিসম্পদ খাতে ৭৭ কোটি ১৫ লাখ ২ হাজার ২৪০ টাকার ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি চট্টগ্রাম জেলায় হয়েছে। সেখানকার প্রাণিসম্পদ খাতে ক্ষতির পরিমাণ ৬০ কোটি ৬ লাখ ৮১ হাজার ১৪০ টাকা।

বন্যার ফলে ১ লাখ ৬১ হাজার ৩৯৪টি গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি মারা গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩৩ লাখ ৩৩ হাজার ৬৪২টি গবাদিপশু এবং ১০ হাজার ৯৯১টি খামার। চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী এই ব্যাপারে জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার ৪৫টি উপজেলার ১৯১টি ইউনিয়নে এই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

জেলাভিত্তিক হিসাব করলে, কক্সবাজারে ক্ষতির পরিমাণ ১৩ কোটি ৫৩ লাখ ৯১ হাজার ১১০ টাকা, রাঙামাটিতে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮২ হাজার টাকা, খাগড়াছড়িতে ৩৭ লাখ ১ হাজার টাকা এবং বান্দরবানে ১৭ লাখ ৪৭ হাজার টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০ হাজার ৯৯১টি খামারের মধ্যে ৪ হাজার ৭৫৬টি গবাদিপশুর খামারে ১৭ কোটি ৫৫ লাখ ৭২ হাজার টাকার এবং ৬ হাজার ২৩৫টি হাঁস-মুরগির খামারে ১৯ কোটি ৭২ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এছাড়া, ৯১০ টন দানাদার পশুখাদ্যের ক্ষতির পরিমাণ ৫ কোটি ১৭ লাখ ৯২ হাজার টাকা, ১৪ হাজার ২৬৫ টন খড়ের ক্ষতির পরিমাণ ২১ কোটি ৫৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকা এবং ৯ হাজার ১২৯ টন ঘাসের ক্ষতির পরিমাণ ৮ কোটি ২৬ লাখ ১৪ হাজার টাকা হয়েছে। মৃত গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৪ কোটি ৮৫ লাখ ৪২ হাজার ৭৪০ টাকা।

চট্টগ্রাম জেলাতে, ১৫টি উপজেলার ১০৮টি ইউনিয়নে ৪ হাজার ২১৮টি গবাদিপশুর খামারে ১২ কোটি ৬৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার এবং ৫ হাজার ৬৭৪টি হাঁস-মুরগির খামারে ১৭ কোটি ২ লাখ ২০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এছাড়া, ১৬২ টন পশুখাদ্যের ক্ষতির পরিমাণ ৯২ লাখ ২০ হাজার টাকা, ৬ হাজার ৯৬০ টন ঘাসের ক্ষতির পরিমাণ ৬ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং মৃত গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির ক্ষতির পরিমাণ ৩ কোটি ৮৬ লাখ ৭৬ হাজার ১৪০ টাকার দিকে নির্দেশ করা হয়েছে।

বন্যার পানিতে চট্টগ্রামের ১ হাজার ১ একর, কক্সবাজারের ৭ হাজার ৮৪০ একর, বান্দরবানের ৫১০ একর এবং রাঙামাটির ১ হাজার ১২৯ একর চারণভূমি প্লাবিত হয়ে গেছে।

এতে ৭১টি গরু, ১৬৫টি ছাগল, ৫০টি ভেড়া, ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬০০টি মুরগি এবং ২ হাজার ৫০৮টি হাঁস মারা গেছে। এর মধ্যে শুধু চট্টগ্রামেই মারা গেছে ৩৯টি গরু, ৯৫টি ছাগল, ৪২টি ভেড়া, ১ লাখ ৪২ হাজার ১৩৭টি মুরগি এবং ১ হাজার ৩০০টি হাঁস।

এদিকে, বন্যার কারণে পাঁচ জেলায় ২ লাখ ২৩ হাজার ৩৯০টি গরু, ৪ হাজার ৭৫৫টি মহিষ, ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৭টি ভেড়া, ২৮ লাখ ৪৫ হাজার ৮২৮টি মুরগি এবং ৭০ হাজার ৩৭০টি হাঁস অসুস্থ হয়ে পড়েছে।

এ পর্যন্ত ১১ হাজার ৮৯৭টি পশু এবং ৮৪ হাজার ৬৫০টি হাঁস-মুরগিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ১০ হাজার ৬৮৯টি পশু ও ১৯ হাজার ২৭টি হাঁস-মুরগিকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

বন্যার পানিতে চট্টগ্রামের তিনটি, কক্সবাজারের একটি এবং বান্দরবানের চারটি প্রাণিসম্পদ কার্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উপ-পরিচালক (ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ) ডা. মুহাম্মদ ইজমাল হাসান বলেন, মাঠ পর্যায় থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে ৭৭ কোটি ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পাওয়া গেছে। তথ্য সংগ্রহের কাজ এখনও চলমান রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রথযাত্রা উৎসব সম্পন্ন হলো উল্টো রথ টানার মাধ্যমে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৬ পি.এম


রথযাত্রা উৎসব সম্পন্ন হলো উল্টো রথ টানার মাধ্যমে

ঢাকা, ২৪ জুলাই, ২০২৬ : আজ শুক্রবার উল্টো রথ টানার মাধ্যমে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় পর্ব শ্রী-শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব সম্পন্ন হলো। এর আগে গত ১৬ জুলাই ৯ দিনব্যাপী রথযাত্রা উৎসব শুরু হয়।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে বিশ্বাস রয়েছে যে, জগন্নাথ দেব হলেন জগতের নাথ বা অধীশ্বর। জগত মানে বিশ্ব এবং নাথ মানে ঈশ্বর, তাই জগন্নাথ হচ্ছে জগতের ঈশ্বর। মানুষের মুক্তিলাভের জন্য তার অনুগ্রহ পেলে জীব রূপে তাকে আর জন্ম নিতে হয় না। এই বিশ্বাসের ভিত্তিতে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা রথের ওপর জগন্নাথ দেবের প্রতিমা রেখে রথযাত্রা করেন।

উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে আজ শুক্রবার বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন এবং মন্দির নানা মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। সকালে বিভিন্ন মাঙ্গলিক আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়। এর মধ্যে হরিনাম সংকীর্তন, বিশ্ব শান্তি ও মঙ্গল কামনায় অগ্নিহোত্রী যজ্ঞ, মহাপ্রসাদ বিতরণ, আলোচনা সভা, ভাগবত কথা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শ্রীমদ্ভাগবত গীতা পাঠ অন্তর্ভুক্ত ছিল।

রাজধানী ঢাকায় আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে আজ বিকেলে বিশাল শোভাযাত্রা বের করে। উল্টো রথযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের মেলা প্রঙ্গণে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। আলোচনা সভা শেষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম উল্টো রথযাত্রার উদ্বোধন করেন। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বামীবাগ আশ্রমের অধ্যক্ষ এবং ইসকন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক নিতাই স্বামী মহারাজ।

পরে এখান থেকে বর্ণাঢ্য সাজে তিনটি বিশাল রথে জগন্নাথ দেব, শুভদ্রা এবং বলরামের প্রতিকৃতি নিয়ে শোভাযাত্রা বের করা হয়। এই শোভাযাত্রা পলাশীমোড়, জগন্নাথ হল, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট, জাতীয় প্রেসক্লাব, মতিঝিল, শাপলা চত্বর, ইত্তেফাক মোড়, টিকাটুলি, রাজধানী সুপার মার্কেট এবং জয়কালী মন্দির হয়ে স্বামীবাগ ইসকন মন্দিরে গিয়ে শেষ হয়।

সনাতনী রীতি অনুযায়ী, প্রতিবছর চন্দ্র আষাঢ়ের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা শুরু হয়। পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দির থেকে জগন্নাথ দেবের রথযাত্রার প্রচলন হয়ে থাকে। বাংলাদেশেও রথযাত্রা হিন্দুদের একটি পবিত্র উৎসব। ঢাকার ধামরাইয়ে এটি পরিচিত যশোমাধবের রথযাত্রা নামে। ভারতের ওড়িষ্যা রাজ্যের যশোমাধবের রথযাত্রা এবং মহেশের জগন্নাথ দেবের রথযাত্রাও উপমহাদেশের মধ্যে বিখ্যাত। ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যের মধ্যে রথযাত্রার ব্যাপক প্রচলন রয়েছে।

এছাড়া, বাংলাদেশের পুরান ঢাকার তাঁতীবাজারের জগন্নাথ জিউ ঠাকুর মন্দির, জয়কালী রোডের রামসীতা মন্দির এবং শাঁখারীবাজার একনাম কমিটিসহ রাজধানীর অন্যান্য মন্দির ও দেশের বিভিন্ন মন্দিরেও উল্টো রথ টানা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%