ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সম্পত্তি হেবা বা হস্তান্তরের বিধান অক্ষুণ্ন থাকবে


সম্পত্তি হেবা বা হস্তান্তরের বিধান অক্ষুণ্ন থাকবে

সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬ এর মাধ্যমে প্রচলিত হেবা বা হস্তান্তর বিধান অপরিবর্তিত রেখে সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য একটি নতুন ব্যবস্থা সংযুক্ত করা হয়েছে।

সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-২ শাখা থেকে প্রকাশিত এক পত্রে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এ বিলের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২-এর ১২২ ধারার অধীনে নতুন ১২২এ ও ১২২বি ধারা সংযোজন করা হয়েছে। এই দুটি ধারা যুক্ত করার ফলে নির্দিষ্ট পারিবারিক সম্পর্কের মধ্যে সম্পত্তি দান বা হস্তান্তরের পরও দাতার জীবদ্দশায় ওই সম্পত্তির ভোগদখলের অধিকার সংরক্ষণের বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

উল্লেখ্য, গত ৬ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬ পাস হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘যে নদী মরু পথে’র নায়িকা নাসিমা খান ১১ অক্টোবর মারা গেলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০২ পি.এম


‘যে নদী মরু পথে’র নায়িকা নাসিমা খান ১১ অক্টোবর মারা গেলেন

ষাটের দশকের অভিনেত্রী নাসিমা খান মারা গেছেন। রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর উত্তরার একটি হসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান বলে জানা গেছে।

অভিনেত্রীর পারিবারিক সূত্রে খবরটি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

নাসিমা খান বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের শুরুর দিকের অভিনেত্রীদের একজন। ষাটের দশকে রুপালি পর্দায় নিজের যাত্রা শুরু করা এই অভিনেত্রী বাংলা ও উর্দু—দুই ভাষার চলচ্চিত্রেই অভিনয় করেছেন। ১৯৪৪ সালের ৬ আগস্ট পুরান ঢাকার লালবাগে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

তার পৈতৃক নিবাস মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার রাড়িখাল গ্রামের উকিলবাড়ি। তার বাবা মোহাম্মদ মাসুদ খান। দাদা খান বাহাদুর আবদুল জলিল ব্রিটিশ ভারতের ঢাকার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। ১৯৪০-এর দশকে লালবাগে বাড়ি করে সেখানেই বসবাস শুরু করে তাদের পরিবার।

নাসিমা খানের চলচ্চিত্রে আসার পেছনে অভিনেতা আনিসের ভূমিকা ছিল। তখন ঢাকার চলচ্চিত্রে সুলতানা জামান, রওশন আরা, সুমিতা দেবী ও চিত্রা সিনহার মতো অভিনেত্রীরা পরিচিত মুখ। নাসিমাদের বাড়ির কাছাকাছি থাকতেন অভিনেতা আনিস, যিনি খান আতা নামেও পরিচিত। নাসিমার বাবার সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক ছিল। একসময় আনিসই নাসিমার বাবাকে মেয়েকে চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সুযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন।

১৯৫৯ সালে এ জে কারদার পরিচালিত ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক হয় নাসিমা খানের। ঢাকার দ্বিতীয় সবাক চলচ্চিত্র হিসেবে পরিচিত এই সিনেমায় সহনায়িকাদের একজন ছিলেন তিনি। ছবিটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পুরস্কার অর্জন করে। একই বছর বেবী ইসলাম পরিচালিত উর্দু চলচ্চিত্র ‘তানহা’য় অভিনয়ের সুযোগ পান তিনি। এতে তার সহশিল্পী ছিলেন শবনম, সুমিতা দেবী ও লাহোরের অভিনেত্রী শামীম আরা।

১৯৬১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘যে নদী মরু পথে’ সিনেমার মাধ্যমে নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন নাসিমা খান। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন আনিস। এরপর একের পর এক চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নিজের পরিচিতি বাড়ান তিনি।

নাসিমা খানের উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘সূর্যস্নান’, ‘ধারাপাত’, ‘কার বউ’, ‘উজালা’, ‘বেগানা’, ‘আপন দুলাল’, ‘উলঝন’, ‘ম্যায় ভি ইনসান হু’, ‘দুই ভাই’, ‘গৌরী’, ‘আমার বৌ’ ও ‘ঢেউয়ের পরে ঢেউ’। এসব সিনেমায় বিভিন্ন সময়ে আনোয়ার হোসেন, হাসান ইমাম, রহমান, মুস্তফা, আজিম ও হারুনের মতো অভিনেতাদের সঙ্গে অভিনয় করেছেন তিনি।

‘আসবন গ্যায়ে মতি’ চলচ্চিত্রেও অভিনয় করে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন নাসিমা খান। বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রে তার কাজের মধ্য দিয়ে ষাটের দশকের ঢাকার চলচ্চিত্রজগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আছে তার নাম। দীর্ঘ সময় ধরে চলচ্চিত্রে কাজ করার পর নাসিমা খানকে নাটকেই বেশি দেখা গেছে। বয়স ও সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে অভিনয়ের মাধ্যম বদলালেও শিল্পের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল অটুট। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের প্রাথমিক পর্যায়ে যারা অভিনয়ের মাধ্যমে পথ তৈরি করেছিলেন, নাসিমা খান তাদেরই একজন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০ নন-ক্যাডার কর্মকর্তাকে সিনিয়র সহকারী সচিব পদে পদোন্নতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৩ পি.এম


২০ নন-ক্যাডার কর্মকর্তাকে সিনিয়র সহকারী সচিব পদে পদোন্নতি

সরকার ২০ জন নন-ক্যাডার সহকারী সচিবকে সিনিয়র সহকারী সচিব (নন-ক্যাডার) পদে পদোন্নতি প্রদান করেছে। এই কর্মকর্তাদের মধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের পাশাপাশি সরকারি হাসপাতাল, সরকারি যানবাহন অধিদপ্তর এবং জাতীয় উন্নয়ন প্রশাসন একাডেমিতে কর্মরত ব্যক্তিরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে রোববার (১১ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘বাংলাদেশ সচিবালয় (ক্যাডার বহির্ভূত) গেজেটেড কর্মকর্তা এবং নন-গেজেটেড কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৪’ এর বিধি-৫ অনুযায়ী এই পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ অনুযায়ী পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ষষ্ঠ গ্রেডে বেতন পাবেন। এই গ্রেডের বেতন স্কেল ৭১ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা পর্যন্ত নির্ধারিত হয়েছে।

পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) সহকারী সচিব হরিচরণ চৌধুরী, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সহকারী সচিব মো. কামাল হোসেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মল্লিকা রানী মণ্ডল, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. হুমায়ূন কবীর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. মফিজুল ইসলাম, সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের সহকারী পরিচালক মো. মাকসুদুর রহমান এবং বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. তৈয়াবুর রহমান মোল্যা।

তাছাড়া আরও রয়েছেন- শিল্প মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব শংকর কুমার শীল, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. শওকতুল আম্বিয়া, সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. রেজাউল করিম, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব ফরিদা ইয়াসমিন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব রুবিয়া খাতুন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব সেলিনা আক্তার, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. রাশিদুল করিম এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব শাহানা আক্তার।

পদোন্নতিপ্রাপ্ত অন্যান্য কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন- বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সহকারী সচিব মো. সাইদুর রহমান, জাতীয় উন্নয়ন প্রশাসন একাডেমির সহকারী পরিচালক স্বপ্না রানী সোম, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব দেলোয়ার হোসেন, পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী সচিব মেহেরুন্নেছা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. মহিউদ্দীন শামীম।

পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব (ক্যাডার বহির্ভূত) হিসেবে যোগদান করতে হবে। এজন্য তারা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর সরাসরি বা ই-মেইলে যোগদানপত্র পাঠাবেন। তবে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তারা নিজ নিজ বর্তমান কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত শনাক্ত, গ্রেপ্তার হয়নি কেউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৩ পি.এম


রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত শনাক্ত, গ্রেপ্তার হয়নি কেউ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের পরিচয় শনাক্ত হওয়ার সাত দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়নি।

ঘটনার ভিডিও ফুটেজ, ছবি এবং অন্যান্য তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা গেলেও গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটি কয়েকজনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে। তবে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার না হওয়ায় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

সাংবাদিকদের অভিযোগ, হামলার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিরা অনলাইন ও অফলাইনে বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান করছেন। এতে ক্যাম্পাসে তাঁদের নিরাপত্তাহীনতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন।

তাদের অভিযোগ, হামলার ভিডিও ফুটেজ, ছবি এবং অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ প্রশাসন ও পুলিশের কাছে থাকার পরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে না। সরকারদলীয় ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মী হওয়ায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে গড়িমসি করা হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন তাঁরা। দ্রুত অভিযুক্তদের আইনের আওতায় এনে ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।

অভিযুক্তদের পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পরও গ্রেপ্তার না করায় প্রশাসনের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক নেতারা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের জিসান বলেন, ‘সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনার সাত দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। এটা পুলিশের বড় একটা ব্যর্থতা। ঘটনার অভিযুক্তদের সব ধরনের ডকুমেন্ট থাকার পরেও কেন তাদের আটক করা হচ্ছে না, এটা বড় প্রশ্ন। আমরা পুলিশ প্রশাসনকে বলতে চাই, আপনারা অতি দ্রুত তাদের আটক করুন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানাতে চাই, আপনারা পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত তাদের শাস্তির আওতায় নিয়ে আসুন।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (রাবিসাস) সভাপতি মীর কাদির বলেন, ‘সন্ত্রাসীরা চিহ্নিত হলেও প্রশাসন তাদের গ্রেপ্তার করছে না। সরকারদলীয় ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মী হওয়ায় প্রশাসন তাদের ধরছে না। প্রশাসন স্পষ্টভাবে সন্ত্রাসীদের পক্ষ নিচ্ছে। যদি সন্ত্রাসীরা অতি দ্রুত গ্রেপ্তার না হয়, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীরা বৃহত্তর আন্দোলনের দিকে যেতে বাধ্য হবে।’

এর আগে গত ৪ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হন সাংবাদিকেরা। এতে ক্যাম্পাস সাংবাদিক জাহিদুল ইসলাম, মাঈনুল ইসলাম রাজু, আরিফ উজ জামান কোরবান ও নূর আহসান মৃদুল আহত হন। এ ঘটনায় সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।

ঘটনার পরদিন হল প্রশাসন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করে। একই সঙ্গে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে হামলার পর থেকেই অভিযুক্তদের নাম উল্লেখ করে মামলা ও দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে আসছেন সাংবাদিকেরা। মামলায় আসামিদের নাম উল্লেখ না থাকায় তাঁদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়।

ঘটনার ভিডিও ফুটেজ, ছবি ও বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণে হামলায় জড়িত হিসেবে যাদের শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি ও আইন বিভাগের ২০১৩–১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এম আহসান হাবীব, ছাত্রদলকর্মী ও অর্থনীতি বিভাগের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী বিশাল চক্রবর্তী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইতিহাস বিভাগের ২০১৭–১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাসিবুল ইসলাম, সহদপ্তর সম্পাদক ও সংগীত বিভাগের ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম অথী, সহসভাপতি ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৩–১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শরিফুল ইসলাম, সহসভাপতি ও আইবিএর ২০১৭–১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তাকবীর আহমেদ ইমন, সহসাধারণ সম্পাদক ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সৈয়দ সাজহারুল ইসলাম এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলকর্মী তানিম রহমান।

গত ৯ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলামের কাছে প্রতিবেদন ও সুপারিশ জমা দেয়। এতে শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি এম আহসান হাবীব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম, কর্মী বিশাল চক্রবর্তী এবং শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আরিফুল ইসলামের ছাত্রত্ব সাময়িকভাবে বাতিলের সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়া আরও চারজনের বিরুদ্ধে অধিকতর তদন্ত এবং তিনজনকে সতর্ক করার সুপারিশ করেছে কমিটি। তবে এসব সুপারিশের পরও মামলায় কাউকে গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে হামলার ঘটনায় সাংগঠনিক ব্যবস্থা হিসেবে শাখা ছাত্রদলের তিন নেতাকর্মীকে পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। একই সঙ্গে আরও ছয়জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

এদিকে পুলিশ বলছে, তদন্ত শেষে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কাজলা পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তা মোস্তাক জানান, তদন্ত এখনো চলছে। ভুক্তভোগীদের মেডিকেল সনদের জন্য আবেদন করা হয়েছে। সনদ সংগ্রহের পর সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করতে হবে। পুরো প্রক্রিয়ায় কিছুটা সময় লাগছে। তদন্ত শেষে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি পুলিশ এখনো তদন্ত করছে। তবে আমাদের সিন্ডিকেটের বিষয়টির ডেট ঠিক করেছি। যদিও বন্ধের পরে ডাকব ভেবেছিলাম। তবে আগেই ডেকেছি, যাতে যত দ্রুত সম্ভব এটা সুরাহা হয়। বাকি গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিয়ে আমি প্রক্টরের সঙ্গে কথা বলেছি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাতে ইটভাটার থেকে ভেসে আসছিল তরুণীর চিৎকার, ধর্ষণের অভিযোগে দুই যুবক গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৩ পি.এম


রাতে ইটভাটার থেকে ভেসে আসছিল তরুণীর চিৎকার, ধর্ষণের অভিযোগে দুই যুবক গ্রেপ্তার

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় এক সন্তানের জননী (২১) কে নির্জন স্থানে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে সৈকত (২৮) এবং মুস্তাকিম (২০) নামের দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (১০ অক্টোবর) রাতে উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের হেলেঞ্চা এলাকায় একটি পরিত্যক্ত ইটভাটায় এই ঘটনা ঘটে। সাঘাটা থানায় মামলা নথিভুক্ত হওয়ার পর পুলিশ ভুক্তভোগী তরুণীকে চিকিৎসার জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী তরুণী গোবিন্দগঞ্জে বোনের বাড়ি থেকে সাঘাটায় নিজ বাড়িতে ফেরার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। বোনারপাড়ায় পৌঁছানোর পর তার ভগিনীপতির পরিচিত সৈকতের (২৮) সঙ্গে তার সাক্ষাৎ ঘটে। সৈকত তাকে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে একটি ভ্যানে তোলেন। পরে উল্লাসোনাতলা গ্রামের মুস্তাকিমকে (২০) সঙ্গে নিয়ে তাকে হেলেঞ্চা এলাকার একটি পরিত্যক্ত ইটভাটার নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, রাত ১০টার দিকে সেখানে ওই দুই যুবক তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। এই সময় ভুক্তভোগীর চিৎকারে আশপাশের স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করেন। স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্ত সৈকত ও মুস্তাকিমকে আটক করে পুলিশকে খবর দেন। সংবাদ পেয়ে বোনারপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা তাদের হেফাজতে নেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হুদা জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। আটক দুই আসামিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া ভুক্তভোগী তরুণীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদান এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ এ বিষয়ে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছে বলে তিনি জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%