ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

১৭ বছর পর পলাশ হত্যা মামলার রায়, দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড


১৭ বছর পর পলাশ হত্যা মামলার রায়, দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রায় ১৭ বছর আগে চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানাধীন ডিসি রোড এলাকায় সংঘটিত পলাশ হত্যা মামলায় আদালত আজ সোমবার চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলামের আদালত দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আছেন মাহমুদুল হাসান প্রকাশ সোহেল এবং আইয়ুব আলী প্রকাশ বাবুল।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর জানিয়েছেন, মামলায় ১৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পলাশ হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার কারণে আদালত দুই আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। এই রায়ে প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে।

রায় ঘোষণার সময় দুই আসামিই পলাতক ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

মামলার নথি থেকে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে ২০০৯ সালের ২৭ আগস্ট আসামিরা পরিকল্পিতভাবে মো. পলাশকে নগরের বাকলিয়া থানাধীন ডিসি রোড এলাকার জামাল বিল্ডিংয়ের চতুর্থ তলায় নিয়ে হত্যা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই মো. সম্রাট পরদিন ২৮ আগস্ট বাকলিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে এবং ২০১২ সালের ১২ নভেম্বর অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ প্রদান করে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈদগাঁও থানা পুলিশের অভিযানে আটজন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩১ পি.এম


ঈদগাঁও থানা পুলিশের অভিযানে আটজন আটক

ঈদগাঁও থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মোট ৮ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ওয়ারেন্টভুক্ত ও ৫৪ ধারায় আটক করা হয়েছে। এই অভিযানটি ২৮ জুন (২০২৬) তারিখে পরিচালিত হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মাদক, মারামারি, হুমকি এবং পিতা-মাতা ভরণ-পোষণ আইনের মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি রয়েছেন। সংক্ষিপ্ত আকারে গ্রেফতারকৃতদের তালিকা নিচের অংশে দেওয়া হলো:

ফৌজদারি কার্যবিধি (৫৪ ধারা)

ইসমাইল হোসেন মোর্শেদ (২৭) - ঈদগাঁও ইউপি।

আসমা (২৫) - রামু থানা।

মারামারি ও হুমকি মামলা

মোঃ আজিমুল হক (৩৫) - ইসলামাবাদ ইউপি।

মোঃ শাহজাহান (৩০) ও মোঃ ইমরান (২৬) - ঈদগাঁও ইউপি।

পিতা-মাতা ভরণ-পোষণ আইন মামলা

খালেদ বাদশা ও আব্দুল্লাহ - পশ্চিম গোমাতলী, ঈদগাঁও।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন মামলা

সুবল রুদ্র (৪৫) - ঈদগাঁও ইউপি।

পুলিশ জানিয়েছে, ঈদগাঁও থানার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভয়ে-আতংকে মানুষ পাহাড়ে যেতে পারছে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৩ পি.এম


ভয়ে-আতংকে মানুষ পাহাড়ে যেতে পারছে না

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ৫বছরে ৫কোটি বৃক্ষরোপন কর্মসূচী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (কক্সবাজার দক্ষিণ) ডিএফও’র সার্বিক তত্ত্বাবধানে চলতি মৌসুমে টেকনাফ ও উখিয়ায় ২৭লাখ ৫৬হাজার ১শ টি বৃক্ষ রোপন করা হয়েছে। প্রায় ১হাজার ১শ ৩হেক্টর বনভূমিতে নতুন করে এই বৃক্ষ রোপন করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কক্সবাজার জেলায় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর দ্বারা বন, বনভূমি এবং বন্যপ্রাণীর যে অপুরণীয় ক্ষতি হয়েছে, তা পুনরুদ্ধারে প্রকল্পটি সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

বনবিভাগ সূত্র জানায়, টেকনাফ রেঞ্জের মুচনী বিটে ২০ হেক্টরে ৫০হাজার, হ্নীলা বিটে ৬০ হেক্টরে ১লাখ ৫০হাজার ও মধ্য হ্নীলা বিটে ১শ হেক্টরে ২লাখ ৫০হাজার গাছের চারা রোপন করা হয়েছে। শীলখালী রেঞ্জের শীলখালী সদর বিটে ৪০ হেক্টরে ১লাখ, মাথাভাঙ্গা বিটে ৪০ হেক্টরে ১লাখ গাছের চারা রোপন করা হয়েছে। এছাড়া হোয়াইক্যং রেঞ্জের হোয়াইক্যং বিটে ১শ ৯০হেক্টরে ৪লাখ ৭৫হাজার, মনখালী বিটে ৩০হেক্টরে ৭৫হাজার গাছের চারা রোপন করা হয়েছে বলে বনবিভাগ সূত্র জানায়।

অপরদিকে উখিয়া উপজেলার উখিয়া রেঞ্জের থাইংখালী বিটে ১শ ৫০হেক্টরে ৩লাখ ৭৫হাজার, দোছড়ি বিটে ৫০হেক্টরে ১লাখ ২৫হাজার ও উখিয়া সদর মধুরছড়া বিটে ৬০ হেক্টরে ১লাখ ৫০হাজার গাছের চারা রোপন করা হয়েছে। রাজারকুল রেঞ্জাধীন উখিয়া উপজেলার পাগলিরবিল বিটে ৫০হেক্টরে ১লাখ ২৫হাজার বৃক্ষ রোপন করা হয়েছে। এছাড়া ইনানী রেঞ্জের রাজাপালং বিটে ৫০হেক্টরে ১লাখ ২৫হাজার, জালিয়াপালং বিটে ৫০হেক্টরে ১লাখ ২৫হাজার ও ইনানী সদর বিটে ৫০হেক্টরে ১লাখ ২৫হাজার বৃক্ষ রোপন করা হয়েছে। চোয়াংখালী বিটে ৯০ হেক্টর বনভূমিতে ২লাখ ২৫হাজার বৃক্ষের চারা রোপন করা হয়েছে। উপকূলীয় বন বিভাগ চট্টগ্রামের আওতায় টেকনাফের হ্নীলা বিটের জাদীমুড়া থেকে চৌধুরীপাড়া পর্যন্ত বাঁধ বনায়নে ১লাখ ও চৌধুরীপাড়া এলাকায় ১লাখ ১১হাজার ১শ টি ম্যানগ্রোভ প্রজাতির চারা রোপনের কাজ চলমান রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

বনবিভাগ জানায়, অর্জুন, হরতকি, বহেরা, চিকরাশি, জারুল, কাজলভাদী, গর্জন, সিভিট, পলাশ, বকুল, সিলকড়ি, চাকুয়া, কড়ই, সেগুন, গামার, ধারমারা, সোনালো, কৃষ্ণচুড়া, ছাতিয়ান, কাঞ্চন, বুদ্ধ নারিকেল, শিমুল, বক্সবাদাম, কাঠবাদাম, আমলকি, জলপাই, কালোজাম, পুতিজামসহ ৫৬টি বিপন্ন প্রজাতির দেশীয় উদ্ভিদের চারা।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক সময় কাঠুরিয়াদের মাধ্যমে পাহাড় থেকে কাঠ বা লাকড়ি সংগ্রহ করা হতো। পাহাড় থেকে সংগৃহীত কাঠ বা লাকড়ি স্থানীয়রা জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করতেন। কিন্তু কালের পরিবর্তনে এখন কাঠ কিংবা লাকড়ির ব্যবহার অনেকটা কমে গেছে। আধুনিকতার ছোঁয়ায় মানুষ বর্তমানে পাহাড় বিমুখ হয়ে পড়েছে। তারা গ্যাস বা অন্যকিছু জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করছেন।

লোকজনের মতে, ২০১৭ সালে টেকনাফ-উখিয়ায় লাখ লাখ রোহিঙ্গার আগমন ঘটে। এরপর থেকে পাহাড়ী জনপদ এবং সবুজ এই বনভূমি অনেকটা অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। পাহাড় কেন্দ্রীক ডাকাতি, অপহরণ ও মুক্তিপণ বাণিজ্যের কারণে টেকনাফ-উখিয়ার পাহাড়গুলো এখন এক আতংকের নাম। কাঠুরিয়া এবং পাহাড়ের পাদদেশে চাষবাস করা প্রান্তীক কৃষকদের জন্যও এখানে বনাঞ্চল ভয়ংকর হয়ে উঠেছে। ভয়ে আতংকে লোকজন পাহাড়ে যেতে পারছে না। ফলে পাহাড়গুলো বর্তমানে নির্জন এবং নিরবতার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, উল্লেখিত কারণে এবারের সৃজিত বাগান অক্ষুন্ন ও দীর্ঘ মেয়াদী থাকবে। তাদের মতে, মানুষ দিন দিন সচেতন হচ্ছেন। সবুজ বনায়নের প্রতি মানুষের আকৃষ্টও বাড়ছে। এর ফলে পাহাড় নির্ভর মানুষের সংখ্যা একেবারেই কমে যাচ্ছে। এছাড়া ডাকাত বা অপহরণের আতংকের কারণে সাধারণ মানুষ দিন দিন পাহাড় বিমুখ হয়ে পড়ায় টেকনাফ ও উখিয়ার বনাঞ্চলে সৃজিত নতুন বাগানে অপার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। সৃজিত ১২ লক্ষ গাছের মধ্যে ওষুধী, ফলজ ও বনজ বৃক্ষ রয়েছে।

দীর্ঘ মেয়াদী এইসব গাছ বড় হয়ে অক্সিজেন দিবে। পাশাপাশি আগামীতে উখিয়া-টেকনাফের ঘনবসতি এলাকায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় উল্লেখিত বৃক্ষরাজি এক অপরিসীম ভূমিকা রাখবে, বলে মনে করছেন পরিবেশবাদীসহ সংশ্লিষ্টরা।

জানতে চাইলে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম অনিক চৌধুরী জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ৫বছরে ২৫কোটি বৃক্ষরোপনের আলোকে ইতিমধ্যেই আমাদের কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। বনবিভাগ কর্তৃক টেকনাফের বনাঞ্চলে ১২লাখ চারা রোপনের পাশাপাশি চলতি মৌসুমে উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উদ্যোগেও পৃথক ১০হাজার চারা রোপন করা হয়েছে। ফলজ বনজ ও ওষুধি গাছের এসব চারা বড় হয়ে অক্সিজেন সরবরাহ করবে এবং পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা রাখবে জানিয়ে তিনি বনাঞ্চলে এবং স্থানীয়ভাবে সৃজিত বৃক্ষরাজি রক্ষায় স্থানীয় এলাকাবাসীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগীতা কামনা করেছেন।

কক্সবাজার বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, যথাযথ প্রক্রিয়া মেনেই ১হাজার ১শ ৩হেক্টর বনভূমিতে সাড়ে ২৭লাখ গাছের চারা রোপন করা হয়েছে। দীর্ঘ মেয়াদী সৃজিত এসব বাগানে ফলজ বনজ ওষুধিসহ প্রায় ৫৬ প্রজাতির বৃক্ষ রয়েছে। সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে সৃজিত বৃক্ষরাজি রক্ষায় বনবিভাগ কাজ করবে। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী দ্বারা বন, বনভূমি ও বন্যপ্রাণীর যে অপুরণীয় ক্ষতি হয়েছে, তা পুনরুদ্ধারে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে জানিয়ে ডিএফও আরো বলেন, দীর্ঘ মেয়াদী এসব বাগান রক্ষা করতে পারলে পরিবেশের যেমন উপকার হবে, তেমনি একদিন এই বৃক্ষরাজি একটি অপার সম্পদে পরিণত হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেনবাগ ডিগ্রি কলেজের অফিস কক্ষে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের তালা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪০ পি.এম


সেনবাগ ডিগ্রি কলেজের অফিস কক্ষে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের তালা

এইচএসসি-২০২৬ পরীক্ষার্থীরা সেনবাগ সরকারি কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণে কিছু অনিয়মের প্রতিবাদে একটি বিক্ষোভ মিছিল করে। তাদের বিক্ষোভের সময় তারা কলেজের অফিস কক্ষের কলাপসিবল গেইটে তালা ঝুলিয়ে দেয়। রবিবার (২৮ জুন) দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। এই পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, পরীক্ষার শুরু হতে মাত্র ৩ দিন বাকি থাকলেও এখনও অনেক পরীক্ষার্থী প্রবেশপত্র (এডমিট কার্ড) হাতে পাইনি। কলেজ কর্তৃপক্ষ বারবার তারিখ দিলেও প্রবেশপত্র বিতরণ হচ্ছে না। তাদের অভিযোগ, এদিকে নতুনভাবে টোকেন দিয়ে অর্থের বিনিময়ে প্রবেশপত্র দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এই ধরনের অনিয়মের প্রতিবাদে রবিবার সেনবাগ সরকারি কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে কলেজের অফিস ভবনে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। তারা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন শ্লোগান দেন এবং দ্রুত সকল পরীক্ষার্থীর হাতে প্রবেশপত্র পৌঁছে দেওয়ার দাবি জানান। বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা বলেন "দুর্নীতি আর চলবে না। শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।" এদিকে সকালে সেনবাগ উপজেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে পরীক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং শিক্ষা উপকরন বিতরণ কর্মসূচিও পালন করা হয়। কলেজের অফিস কক্ষে তালা দেওয়ার কারণে উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক মোহাম্মদ সানা উল্লাহ জানান যে, কলেজের এক শিক্ষার্থীকে জরিমানা করায় সাধারণত শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে গেইটে তালা ঝুলিয়ে দেয়। পরে বিষয়টি তারা নিজেদের মধ্যে মিমাংসা করে দিলে শিক্ষার্থীরা তালা খুলে দেয়। এই বিষয়ে সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) আবদুল রহিম সরকারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান যে তিনি বিষয়টি জানতেন না। এছাড়া কলেজ অধ্যক্ষের মোবাইল ফোনে একাধিক বার কল দেওয়ার পরও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়, তাই মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপান সমর্থকের কান্না, ব্রাজিল পতাকা জড়িয়ে নারী ভক্তের সান্ত্বনা ভিডিও ভাইরাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫০ পি.এম


জাপান সমর্থকের কান্না, ব্রাজিল পতাকা জড়িয়ে নারী ভক্তের সান্ত্বনা ভিডিও ভাইরাল

বিশ্বকাপে নকআউটপর্বের প্রথম ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ-১৬তে জায়গা করে নিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির শেষ মুহূর্তের নাটকীয় গোলে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় জাপান। উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচের পর গ্যালারির একটি আবেগঘন দৃশ্য নিয়ে ইন্টারনেটে বেশ আলোচনা তৈরি হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল ভিডিওটিতে দেখা যায়, ব্রাজিলের কাছে শেষ মুহূর্তের হারে চরমভাবে ভেঙে পড়েছেন এক জাপানি সমর্থক। ম্যাচ হারের হতাশায় ওই সমর্থক নিজের জ্যাকেট খুলে মাটিতে আছাড় মারেন এবং চিৎকার করে কাঁদতে শুরু করেন। করুণ এই দৃশ্য দেখে গ্যালারিতে উপস্থিত ব্রাজিলের সমর্থকেরা তাকে সান্ত্বনা দিতে এগিয়ে আসেন।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, প্রথমে এক ব্রাজিলিয়ান সমর্থক ওই হতাশ জাপানি ভক্তের কাঁধে ব্রাজিলের একটি পতাকা জড়িয়ে দেন। জাপানি সমর্থকটি কিছুটা থমকে গিয়ে আবার চিৎকার শুরু করলে, পাশ থেকে আরেক নারী সমর্থক এগিয়ে এসে তার গায়ে আরেকটি ব্রাজিলের পতাকা জড়িয়ে দেন এবং সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন। আরও একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, জাপানিজ ওই সমর্থককে শান্ত করতে এক ব্রাজিলিয়ান ভক্ত নিজের গায়ের জার্সি বিনিময় করেন তার সঙ্গে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের সমর্থকদের এমন ক্রীড়াসুলভ মনোভাবের ভূয়সী প্রশংসা করেন ফুটবল সমর্থকরা। অনেকেই বলছেন, ফুটবল কেবল একটি খেলা নয়, বরং সম্প্রীতির বড় মাধ্যম—এই ঘটনা তারই প্রমাণ।

তবে অনেকে এই ভিডিওর সত্যতা নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন। কেউ কেউ দাবি করেছেন, আবেগঘন দৃশ্যটি আসলে পূর্বপরিকল্পিত বা সাজানো। একজন মন্তব্য করেন, 'তিনি একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর, চোখের জলগুলো আসলে আসল নয়।' আরেকজন লিখেছেন, 'ভিডিওর শুরুতে যখন ক্যামেরা ঠিক করা হচ্ছিল, সেই অংশটুকু কেটে দিলে দৃশ্যটি আরও বাস্তবসম্মত মনে হতো।'

বিতর্ক যা-ই থাকুক না কেন, মাঠের লড়াই শেষে গ্যালারির এই দৃশ্য ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। উল্লেখ্য, বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব থেকে এই নিয়ে পাঁচ বার বাদ পড়ল জাপান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%