ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রেলের জায়গা দখল করে আ.লীগ নেতার ছেলের ‘ভবনবিলাস’


রেলের জায়গা দখল করে আ.লীগ নেতার ছেলের ‘ভবনবিলাস’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় রেলওয়ের জায়গা অবৈধভাবে দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার ছেলের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন- আখাউড়া উত্তর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শহীদ মেম্বারের ছেলে আল আমিন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আল আমিন প্রভাব খাটিয়ে উপজেলার আজমপুর কড়ি গাছতলা এলাকায় আখাউড়া-বিজয়নগর সড়কের পাশে রেলওয়ের জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, প্রায় ১০ দিন ধরে সড়কের পাশে সামিয়ানা টানিয়ে দিন-রাত নির্মাণকাজ চালানো হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, রেলওয়ের জায়গা দখল করে নির্মাণাধীন স্থাপনার বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করা হোক এবং সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার করে অবৈধ দখলের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

সরেজমিনে দেখা যায়, রেলওয়ের জায়গায় সামিয়ানা টানিয়ে নির্মাণসামগ্রী রেখে স্থাপনা নির্মাণের কাজ চলছে। স্থানীয়দের মতে, সরকারি সম্পত্তি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের ফলে রেলওয়ের জায়গা সংকুচিত হওয়ার পাশাপাশি সরকারি সম্পদের ক্ষতি ও রাজস্ব হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।

রেলওয়ের জায়গায় স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি জানার পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিকভাবে নির্মাণকাজে বাধা দিয়েছেন। তারা একই সঙ্গে জানিয়েছেন, যদি কাজ বন্ধ না করা হয়, তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগের বিষয়ে আল আমিন বলেছেন, তিনি আজমপুর রেলওয়ে স্টেশনের লামিয়া স্টোরের মালিক সোহাগের মাধ্যমে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) সদস্য রেজাউলকে ১৫ হাজার টাকা দিয়েছেন। তার দাবি, ওই টাকা দেওয়ার পর তাকে বলা হয়েছিল, নির্মাণকাজের সময় কেউ বাধা দেবেন না। তবে পরে বাধা দেওয়ার ফলে তার প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি জানান।

এদিকে, আল আমিনের এই বক্তব্য অস্বীকার করেছেন আরএনবি সদস্য রেজাউল। তিনি জানান, “আমার বিরুদ্ধে করা সব অভিযোগ মিথ্যা। এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আমি এসব কাজে জড়িত নই।”

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

লামিয়া স্টোরের মালিক সোহাগ বলেন, “এখানে প্রায় দেড়শোর মতো দোকান রয়েছে। অন্যরা যেভাবে দোকান করেছে, তিনিও সেভাবেই করেছেন। আমাকে শুধু পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। আমি পরিচয় করিয়ে দিয়েছি। কীভাবে কী করেছে, সেটা আল আমিনই ভালো জানেন। এর চেয়ে বেশি কিছু আমি জানি না।”

স্থানীয় ৬ নম্বর ইউপি সদস্য ফিরোজ মিয়া জানিয়েছেন, “রেলওয়ের জায়গায় দোকান নির্মাণ করা হয়েছে বলে শুনেছি। তবে কীভাবে জায়গাটি দখল করে নির্মাণকাজ করা হয়েছে, সেটা আল আমিনই ভালো বলতে পারবেন।”

আজমপুর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার শাখাওয়াত হোসেন বলেন, “বিষয়টি জানার পর রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে।”

রেলওয়ে ফিল্ড কাননগো মো. শহিদুজ্জামান জানান, “রেলওয়ের জায়গায় স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি শুনেছি। জায়গাটি পরিদর্শন করে তাকে প্রাথমিকভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে। এরপরও কাজ বন্ধ না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে পরিত্যক্ত গোডাউনে আগুন, ৫ লাখ টাকার সম্পদ উদ্ধার

ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী-কার্য (আইডব্লিউ) আব্দুর রউফ বলেন, “বিষয়টি আমি জেনেছি। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ বিষয়ে আখাউড়া সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী (এ.ই.এন) আবু হানিফ পাশা জানান, “রেলওয়ের জায়গায় কেউ অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করতে পারবে না। বিষয়টি আমরা জেনেছি। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।”

আখাউড়া রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) ওসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা সব সময় সজাগ রয়েছি। রেলের জায়গায় স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি শুনেছি। এ বিষয়ে আমি রেলওয়ে থানার ওসির সঙ্গে কথা বলেছি। টাকা লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যদি এরকম কোনো বিষয় প্রমাণিত হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস বলেন, “রেলের জায়গা কেউ দখল করতে পারবে না। কেউ দখল করে ঘর বা দোকান নির্মাণ করে থাকলে সে অপরাধ করেছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এসআরবি পরিচয়ে ব্যবসায়ীকে অপহরণ, পুলিশ উদ্ধার অভিযান

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘চীনা বিনিয়োগে বাংলাদেশে প্রায় এক লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৪৯ পি.এম


‘চীনা বিনিয়োগে বাংলাদেশে প্রায় এক লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে’

ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন আশা প্রকাশ করেছেন যে, চীনের প্রায় ৩০টি কোম্পানি বাংলাদেশে চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চলে (সিইআইজেড) প্রায় ৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে। তিনি জানান, এই বিনিয়োগের ফলে বাংলাদেশের স্থানীয় জনগণের জন্য আনুমানিক এক লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে চীনের রাষ্ট্রদূত এসব তথ্য তুলে ধরেন।

সাক্ষাৎকালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে চীন সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান ইয়াও ওয়েন।

এ সময় রাষ্ট্রদূত ওয়েন প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের অংশ হিসেবে সিইআইজেড-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, মোংলা বন্দর আধুনিকায়নে একটি বাণিজ্যিক চুক্তি স্বাক্ষর এবং মোংলা এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (ইপিজেড) প্রতিষ্ঠায় সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফর দুই দেশের বিদ্যমান সুসম্পর্ককে আরও বিস্তৃত ও সুগম করবে।

সাক্ষাৎকালে তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প, পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের কৌশলগত সংলাপ দ্রুত শুরু এবং প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ের ‘২+২’ কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা সংলাপ চালুর উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা হয়।

এছাড়া বাংলাদেশ থেকে চীনে কাঁঠাল, আম ও পেয়ারা রপ্তানি শুরু, সৌরশক্তি, বৈদ্যুতিক যানবাহন সংযোজন কারখানা স্থাপন, চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের বিষয়গুলোও আলোচনায় আসে।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন গত এপ্রিল মাসে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী থাকাকালে রাষ্ট্রপতির চীন সফরের কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

ওই সফরে আইডিসিপিসির মন্ত্রী লিউ হাইশিংয়ের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ এবং তার বাবা লিউ শু ছিংয়ের মাধ্যমে ১৯৮০ সালের আগস্টে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কাছে পরিচয়পত্র পেশের বিরল আলোকচিত্র ও ভিডিও হস্তান্তরের বিষয়টি স্মরণ করে রাষ্ট্রদূত ধন্যবাদ জানান।

সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করে বহুমাত্রিক সহযোগিতার মাধ্যমে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ঢাকা প্রতিনিধি

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৫ পি.এম


এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মোঃ বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে উঠেছে অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, উন্নয়নকাজের প্যাকেজ থেকে অবৈধ পার্সেন্টেজ গ্রহণ, অর্থ লেনদেন এবং নামে-বেনামে সম্পত্তি অর্জনের মতো বিভিন্ন অভিযোগ। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। এলজিইডির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মোঃ বেলাল হোসেন বর্তমানে প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁকে ২০২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি এই দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

এদিকে, বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রনি শিকদার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে একটি লিখিত আবেদন করেছেন বলে জানা গেছে। উক্ত আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এলজিইডির বিভিন্ন উন্নয়নকাজের প্যাকেজ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মাধ্যমে অবৈধভাবে পার্সেন্টেজ গ্রহণের ঘটনা ঘটছে। বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালকদের কাছ থেকেও প্যাকেজ অনুযায়ী অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ উপজেলাসহ বিভিন্ন স্থানে প্রধান প্রকৌশলীর একাধিক সম্পত্তি রয়েছে। ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ফ্ল্যাট, বাড়ি ও অন্যান্য স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি থাকার অভিযোগও করা হয়েছে। আবেদনকারী এসব সম্পত্তির প্রকৃত মালিকানা, ক্রয়ের অর্থের উৎস এবং বৈধতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন। লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এলজিইডির বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজকে কেন্দ্র করে অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের বিষয়ে অনেক ঠিকাদার তথ্য দিতে আগ্রহী। তবে বিভিন্ন কারণে তাঁদের কেউ কেউ পরিচয় প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক। অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে বলেও তাঁরা মনে করেন।

আবেদনকারী মোঃ রনি শিকদার বলেন, "কোনো ব্যক্তিকে তদন্তের আগে অভিযুক্ত বা দোষী হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত নয়। তবে সরকারি অর্থের অপচয়, ক্ষমতার অপব্যবহার কিংবা দুর্নীতির মতো গুরুতর অভিযোগ উঠলে জনস্বার্থে সেগুলো নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।" লিখিত আবেদনে অভিযোগগুলোর বিষয়ে দ্রুত নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন ও সরকারি বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে। উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগগুলো আবেদনকারীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও যাচাই ছাড়া এসব অভিযোগকে প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতেই অভিযোগগুলোর সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারিত হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সওজের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৮ পি.এম


সওজের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, সরকারি অর্থের অপচয়, অবৈধ পার্সেন্টেজ গ্রহণ এবং জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করার পাশাপাশি অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি মো. মনিরুজ্জামানকে সওজের প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর পূর্বে তিনি সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির সাংগঠনিক সম্পাদক রনি শিকদার সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে একটি লিখিত আবেদন করেছেন বলে জানা গেছে।

লিখিত আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে যে, দেশের বিভিন্ন জেলায় সড়ক, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ, সংস্কার ও মেরামতের প্রকল্প গ্রহণ এবং বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিয়মের মাধ্যমে সরকারি অর্থের অপচয় করা হচ্ছে। প্রকৃত প্রয়োজনীয়তার প্রতি নজর না দিয়ে এসব প্রকল্পের মাধ্যমে অর্থের অপব্যবহার করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:২০ পি.এম


জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আবদুল আউয়াল এবং "সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প"-এর প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ হানিফের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রকল্প অনুমোদনে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এই অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রনি শিকদার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।

লিখিত আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আবদুল আউয়ালের পূর্ববর্তী কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও পার্সেন্টেজ গ্রহণের অভিযোগে বিভিন্ন সময়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এসব অভিযোগের যথাযথ তদন্ত হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে এবং তাঁর বর্তমান পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার প্রক্রিিয়া নিয়েও তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রধান প্রকৌশলী বিভিন্ন স্থানে মন্ত্রণালয়ের সচিবের নাম ও পদমর্যাদা ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তার করেন। দেশের ৬৪ জেলার নির্বাহী প্রকৌশলীদের ওপরও তিনি প্রভাব বিস্তার করে আর্থিক সুবিধা ছাড়া বিভিন্ন প্রকল্প অনুমোদন না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। আবেদনকারী দাবি করেছেন যে, এসব বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং অভিযুক্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব ও পদমর্যাদা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতাধীন "সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প"-এর প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ হানিফের বিরুদ্ধেও অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে। লিখিত অভিযোগে দাবি করা হয়েছে যে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অনৈতিকভাবে সম্পদ অর্জনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এছাড়া প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণের প্রক্রিয়াও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%