০৪:৪৬ এম
২০১০ সালে পুরো বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল স্পেন। সেবার প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জিতে তারা ইতিহাস রচনা করেছিল। কিন্তু এরপর গত ১৬ বছরের মধ্যে তারা আর সেই আভিজাত্যে ফিরতে পারেনি। অবশেষে, দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবারও তারা বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। ডালাস স্টেডিয়ামে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে পরাজিত করে ফাইনালে পৌঁছেছে দে লা ফুয়েন্তের দল।
২০২২ সালের বিশ্বকাপে ফ্রান্স যেন একরকম অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছিল। প্রথম দিকে মনে হচ্ছিল, এই ফ্রান্সকে আটকানোর কোন ক্ষমতা স্প্যানিশদের নেই। তবে সেমিফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে কোচ দে লা ফুয়েন্তে নিজেদের কৌশল পাল্টে ফেলে। দিদিয়ের দেশমের ট্যাকটিস মোকাবেলায় তার পরিকল্পনাগুলো কার্যকরী হয়ে ওঠে। অবশেষে, ফ্রান্সকে ২-০ গোলে পরাজিত করে ফাইনালে পৌঁছায় স্পেন।
ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেনের দখলেই ছিল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ। টুর্নামেন্টে আগের ছয় ম্যাচে ১৬ গোল করা ফ্রান্সের জন্য এই ম্যাচে সুবিধা নেয়া সম্ভব হয়নি। স্প্যানিশ রক্ষণের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণেই কিলিয়ান এমবাপ্পে বারবার ব্যর্থ হয়েছেন।
আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন
২০তম মিনিটে লামিন ইয়ামাল ফাউলের শিকার হন, ফলে স্পেনকে পেনাল্টি পেতে হয়। ২২ মিনিটে মিকেল ওইয়ারসাবাল সফল স্পট কিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। গোল হজমের পর ইনজুরি নিয়ে মাঠ থেকে উঠে যান সেন্টারব্যাক উইলিয়াম সালিবা। তাকে হারিয়ে ফ্রান্স আরও চাপে পড়েছিল।
বিরতির আগে কিছু ভালো অবস্থা তৈরি করলেও স্পেন তাদের ব্যবধান বাড়াতে পারেনি এবং ফ্রান্সও সমতা ফিরে আনতে পারেনি। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ ব্যবধানে।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫৮তম মিনিটে দানি ওলমো এবং পেদ্রো পোরোর অসাধারণ বোঝাপড়ায় স্পেন তাদের গোলের ব্যবধান দ্বিগুণ করে। তিন মিনিট পর ইয়ামাল বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।
শেষদিকে স্পেনের দিকে একের পর এক আক্রমণ করে ফ্রান্স। কিন্তু গোলকিপার উনাই সিমন তাদের সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। ৮২ মিনিটে তিনি ভুল করে বল ক্লিায় করলেও, তার পরবর্তী মিনিটে হার্নান্দেজের শটও ঠেকিয়ে দেন।
আরও পড়ুন: ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর, সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের উৎসাহিত করলেন
অবশেষে নিজেদের জাল অক্ষত রেখেছে স্পেন। ২-০ গোলের জয় নিয়ে ২০১০ সালের পর প্রথমবার তারা বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠলো।
আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্ক–নিউজার্সিতে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল। সেখানে স্পেনের প্রতিপক্ষ হবে ইংল্যান্ড অথবা আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে ১৮ জুলাই ফ্রান্স তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মাঠে নামবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন