ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বলাৎকারের পর শিশু শিক্ষার্থীকে ৫ টাকা দিয়েছেন শিক্ষক


বলাৎকারের পর শিশু শিক্ষার্থীকে ৫ টাকা দিয়েছেন শিক্ষক

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় এক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. ইব্রাহীম নামে এক শিক্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।

সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের এক মাদরাসায় এ ঘটনাটি ঘটেছে।

জানা গেছে, সকাল ছয়টার দিকে শিশুটিকে একা পেয়ে একটি কক্ষে ডেকে নিয়ে বলাৎকার করেন শিক্ষক ইব্রাহীম। এরপর শিশুটির কাছে ঘটনাটি চেপে রাখতে তিনি ভয়ভীতি দেখানোর পাশাপাশি পাঁচ টাকা দেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

পরে শিশুটি বাড়ি ফিরে পরিবার পরিচিতদের কাছে বিষয়টি জানালে ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে দুমকি থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

তবে শিক্ষক ইব্রাহীম নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার এবং তাকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হচ্ছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন গণমাধ্যমে জানান, ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাকে বেধড়ক পেটালেন ছেলে সম্পত্তির জন্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪২ পি.এম


মাকে বেধড়ক পেটালেন ছেলে সম্পত্তির জন্য

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ এলাকায় সম্পত্তির জন্য আকলিমা আক্তার রোজি নামে এক মহিলা মারধরের অভিযোগ তার ছেলে রাজু হোসেনের বিরুদ্ধে উঠেছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোজি সাংবাদিকদের কাছে ঘটনাটি জানান। এর আগে রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার দেওপাড়া এলাকার পুরাতন মোল্লা বাড়িতে এই মারধরের ঘটনা ঘটে।

আহত আকলিমা আক্তার রোজি দেওপাড়া এলাকার কলার আড়তের ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম খোকনের স্ত্রী। অভিযুক্ত রাজু হোসেন ভুক্তভোগী রোজির প্রথম সংসারের ছেলে।

রোজির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাজু দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে সম্পত্তি, অর্থাৎ জায়গা-জমি লিখে নেওয়ার চেষ্টা করে আসছে। এক সময় রাজু সম্পত্তি লিখে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। এ নিয়ে একাধিকবার তাদের মধ্যে বিরোধও ঘটে। তবে রোজি কোনোভাবেই সম্পত্তি লিখে দিতে রাজি হননি। ঘটনার সময় রাজু তার স্ত্রী তাসলিমাকে নিয়ে রোজির কাছে আসে এবং একপর্যায়ে তারা রোজিকে সম্পত্তি লিখে দেওয়ার জন্য জোরাজুরি করতে থাকে। এতে রোজি রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে রাজু তার মাকে লাঠিসোঁটা দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে।

রোজি বলেন, "সম্পত্তির জন্য রাজু আমাকে পিটিয়ে আহত করেছে। পরে আমার ঘরে থাকা নগদ টাকা ও কিছু স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।"

অভিযুক্ত রাজু হোসেন এবং তার স্ত্রীর কোনো বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি। তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এই বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রব বলেন, "ঘটনাটি আমার জানা নেই। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবাকে হত্যা করল ছেলে স্পর্শকাতর অঙ্গ চেপে ধরে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৪ পি.এম


বাবাকে হত্যা করল ছেলে স্পর্শকাতর অঙ্গ চেপে ধরে

সাভারে পারিবারিক বিরোধের কারণে নেশা সংক্রান্ত বিষয়ে মহিন মিয়া (৩৮) নামে এক দুধ বিক্রেতাকে হত্যার অভিযোগ তার ১৫ বছরের ছেলে জিসানের বিরুদ্ধে উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে জিসানকে পুলিশ আটক করেছে।

রোববার (২৬ জুলাই) ভোররাতে সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের রাজফুলবাড়িয়া ছাকিপাড়া এলাকায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভোররাতে নেশা করাকে কেন্দ্র করে বাবার সঙ্গে ছেলের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে ছেলে জিসান তার বাবাকে মারধর করে। এই সময় গর্ভের স্পর্শকাতর অঙ্গ, অর্থাৎ অণ্ডকোষে আঘাত ও চাপ দেওয়ার ফলে মহিন মিয়া গুরুতর আহত হন। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।

খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে সাভারের শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়ে।

সাভার মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, প্রাথমিকভাবে এটি পারিবারিক বিরোধের জেরে সংঘটিত অপরাধ বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের জন্য তদন্ত চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাকসু কার্যালয়ে হামলার ঘটনার প্রেক্ষিতে রাবিতে সংঘর্ষ, জিএসসহ আহত ২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৭ পি.এম


রাকসু কার্যালয়ে হামলার ঘটনার প্রেক্ষিতে রাবিতে সংঘর্ষ, জিএসসহ আহত ২

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (রাকসু) কার্যালয়ে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ এক নেতার ওপর সাবেক ছাত্রলীগ কর্মীর হামলার অভিযোগের পর একাধিক দফায় সংঘর্ষ, হামলা ও বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে অভিযুক্তকে পুলিশে সোপর্দ না করে প্রশাসনিক ব্যবস্থার আশ্বাস দেওয়া নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেল ৪টা নাগাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাকসু ভবন ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার প্রাঙ্গণে ঘটনাটি ঘটে।

এ বিষয়ে জানা যায়, নারীঘটিত এক ইস্যুতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক কর্মী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমানের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে। পরবর্তীতে তার মোবাইল ফোন তল্লাশি করে তাকে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে শনাক্ত করা হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ করেন রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও তার সঙ্গে থাকা শিক্ষার্থীরা। উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তিকে মারধর করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা যায় যে, রোববার (২৬ জুলাই) রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী ছাত্রদল কর্মী মহসিন আলমের বিরুদ্ধে প্রক্টর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের বিষয়টি আলোচনা করতে প্রক্টর দপ্তরে যান সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী ও বর্তমানে ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত আনাস।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান যে, এ সময় প্রক্টরের সঙ্গে আনাসের বাকবিতণ্ডা হয়। পরিস্থিতি নিষ্পত্তির অভিপ্রায় নিয়ে প্রক্টর তাকে দপ্তর থেকে বের হয়ে যেতে বলেন।

পরবর্তীতে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে অভিযোগের বিষয়ে মহসিন আলমের বক্তব্য ও স্বীকারোক্তি গ্রহণের জন্য তাকে প্রক্টর দপ্তরে তলব করা হয়। এই সময়ও আনাস সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি ফের প্রক্টরের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার মধ্যে জড়িয়ে পড়েন। এক সময় রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার তাকে মারধর করেন।

এরপর ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে আনাসকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ প্রক্টর দপ্তরে আসে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ডিসিপ্লিনারী কমিটির মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ার পর প্রক্টর পুলিশকে তাকে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান।

পরে আনাস প্রক্টর দপ্তর থেকে বের হয়ে কিছু সময় পর কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে রাকসু ভবনে অবস্থানরত নেতাদের ওপর হঠাৎ হামলা চালান। এতে রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার এবং সহ-বিজ্ঞান সম্পাদক নাজমুস সাকিব আহত হন।

হামলার পর উভয়পক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের দিকে চলে যায়। সেখানে রাকসুর নেতারা ও আনাসের নেতৃত্বাধীন দলের মধ্যে মুখোমুখি অবস্থান তৈরি হয়। এক পর্যায়ে আনাস ও তার সহযোগীরা গ্রন্থাগারের রিডিংরুমে আশ্রয় নিলে রাকসু ও শিবিরের নেতাকর্মীরা সেখানে ঢুকে তাদের মারধর করেন বলেও অভিযোগ এসেছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান ও জনসংযোগ দপ্তরের কর্মকর্তারা গিয়ে উভয়পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে আহত এক সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন প্রক্টর। যদিও অভিযোগ রয়েছে যে, হাসপাতালে নেওয়ার সময়েও তার ওপর হামলা করা হয়। পরবর্তীতে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এই ঘটনার পর সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ‘সেইফ এক্সিট’ দেওয়া অভিযোগে প্রতিবাদ ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন রাকসু ও হল সংসদের নেতারা।

পরে উপাচার্যের সঙ্গে শিবির, রাকসু ও হল সংসদের নেতৃবৃন্দ বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা), উপ-উপাচার্য (প্রশাসন), ছাত্র উপদেষ্টা ও প্রক্টরসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মারধরের ঘটনায় রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করার পর জোহা চত্ত্বরে পুলিশ ছেড়ে দেয়। হামলার পর তিনি বলেন, "সেই ছেলে আমি কার্যালয়ে বসার পর গিয়ে হামলা করেছে। দুই বছর ধরে ছাত্রলীগের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে আজকের এই পরিস্থিতিতে নিয়ে আসলো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর দায় অবশ্যই দেশের আইন ও প্রশাসনকে নিতে হবে। রাকসু কার্যালয়ে আমাদের এক সম্পাদক গুরুতর আহত হয়েছে। তারা আকস্মিকভাবে আমাদের ওপর হামলা করে। তারা ছিল ৭ জন, আমরা ছিলাম ৩ জন।"

সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম বলেন, "আমরা খুব দ্রুত ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। আজকের মধ্যেই আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানাব।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চিকিৎসককে ‘ভাই’ বলায় কোলের শিশুর চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫০ পি.এম


চিকিৎসককে ‘ভাই’ বলায় কোলের শিশুর চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন চিকিৎসককে ‘স্যার’ না বলে ‘ভাই’ সম্বোধন করায় একটি রোগীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে চিকিৎসাসেবা না দিয়ে রোগীকে ফিরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেলে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা এবং সমালোচনা সৃষ্টি হয়।

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রোগীর স্বজন চিকিৎসককে উদ্দেশ্য করে বলছেন, 'প্রথমে ঢুকেই আপনাকে সালাম দিলাম, এরপর ভাই বললাম। আপনি কোন গেজেটেড অফিসার যে আপনাকে ভাই বলা যাবে না?' জবাবে চিকিৎসক বলেন, 'আপনি চলে যান, আপনার সঙ্গে কোনো কথা বলব না।'

জানা গেছে, রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার সাতুরিয়া ইউনিয়নের বোর্ড অফিস এলাকার বাসিন্দা তানভীর হাসান তার দুই বছর বয়সী ছেলে রুজায়াইনকে নিয়ে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে যান। পরিবারের দাবি, শিশুটিকে একটি বিড়াল আঁচড় দিলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল নেওয়া হয়।

তানভীর হাসানের অভিযোগ, জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. আরিফুল ইসলামকে সালাম দিয়ে 'ভাই' সম্বোধন করে শিশুর বিষয়ে জানান তিনি। চিকিৎসক তখন হাসপাতাল থেকে বিড়ালের আঁচড় বা কামড়ের জন্য প্রয়োজনীয় টিকা না থাকায় বিকেলে আসতে বলেন। পরে যোগাযোগের সুবিধার্থে চিকিৎসকের মোবাইল নম্বর চাইলে চিকিৎসক ক্ষুব্ধ হয়ে যান। এমন সময় তিনি বলেন, 'আপনি একজন বিসিএস ক্যাডারকে ভাই বলে ডাকেন, আবার তার ফোন নম্বর চান?' এই মন্তব্যের পর রোগীর স্বজনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে তাদের চলে যেতে বলেন।

এ বিষয়ে তানভীর হাসান বলেন, 'আমি আমার অসুস্থ শিশুকে নিয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলাম চিকিৎসার আশায়। চিকিৎসককে সম্মান দিয়েই কথা বলেছি। কিন্তু 'ভাই' বলায় তিনি বিরক্ত হন। পরে নম্বর চাইতেই ক্ষিপ্ত হয়ে আমার সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং চিকিৎসা না দিয়ে চলে যেতে বলেন।'

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. মো. আরিফুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. আবুল খায়ের মাহমুদ গণমাধ্যমকে বলেছেন, 'ডা. আরিফুল ইসলাম দায়িত্বশীল ও কর্মঠ একজন চিকিৎসক। ঘটনাটি মূলত ভুল বোঝাবুঝির কারণে ঘটেছে। রোগী যোগাযোগের জন্য নম্বর চাইলে হাসপাতালের অফিসিয়াল নম্বর দেওয়া যেতে পারত। ভিডিওতেও ভাই বলে সম্বোধন করতে নিষেধ করার বিষয়টি স্পষ্টভাবে শোনা যায় না। আমার মতে, উভয়পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।'

এদিকে ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা গ্রহণে রোগীদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও পেশাদার আচরণ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%