মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৪৯ পি.এম
অনলাইনে আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাৎকারী চক্রের সদস্য শামীম আহমেদ (৩০) সহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. ছুফি উল্লাহ সোমবার (১২ অক্টোবর) এ তথ্য প্রকাশ করেন।
মো. ছুফি উল্লাহ জানান, টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে এক ব্যক্তির সাথে পরিচয়ের সূত্র ধরে ভুক্তভোগী বাদী একটি প্রতিষ্ঠানে অনলাইনে আয়ের প্রলোভনে প্রতারণার শিকার হন। প্রতারক চক্রটি বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে বাদীর কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করে।
একপর্যায়ে, যখন ভুক্তভোগী তার অর্থ উত্তোলন করতে চান, তখন প্রতারক চক্রটি তাকে সিকিউরিটি ফি জমা দেওয়ার কথা বলে আরও অর্থ আদায় করে। পরবর্তীতে, ভুক্তভোগীকে তার প্রাপ্য অর্থ বুঝিয়ে না দিয়ে কালক্ষেপণ করতে থাকলে তিনি মতিঝিল থানায় মামলা করেন।
সিআইডির এই কর্মকর্তা তদন্তের তথ্য জানিয়ে বলেন, ২০২৫ সালের জুলাই মাসে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে প্রতারক চক্রের দেওয়া একটি বেসরকারি ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে মোট ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়। সেই অর্থ পরবর্তী সময়ে প্রতারক চক্রের নির্দেশিত অন্য একটি ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের তথ্য জানিয়ে মো. ছুফি উল্লাহ বলেন, গ্রেপ্তার শামীম আহমেদের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে অনলাইন প্রতারণাসংশ্লিষ্ট অর্থ লেনদেনের তথ্য উঠে এসেছে। এসব অর্থের উৎস, গন্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
মামলাটির সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে অর্থ লেনদেনের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তি, ব্যবহৃত ব্যাংক হিসাব এবং প্রতারণার অর্থের চূড়ান্ত গন্তব্য শনাক্তে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এ নিয়ে এই মামলায় শামীম আহমেদসহ মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের মধ্যে একজন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে দেশের প্রথম অনগ্রিড সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনার একটি উদাহরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই কেন্দ্র থেকে সূর্যের আলো ব্যবহার করে প্রতিদিন উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। প্রায় ৫০ বছর ধরে অব্যবহৃত পাহাড়ের জমিতে ৭ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত এই সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র জাতীয় গ্রিডে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট সোলার বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছে, যার বাজার মূল্য প্রায় ৭৪ কোটি টাকা।
রাঙ্গামাটি কাপ্তাই কর্ণফুলী জল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানিয়েছেন, উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বর্তমানে দু’টি প্রকল্পের কাজ চলছে। দেশের প্রথম অনগ্রিড সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রে একটি পথ প্রদর্শক হিসেবে কাজ করছে।
মাহমুদ হাসান আরও জানান, ১৯৬২ সালে কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পর কাপ্তাই বাঁধের পাশে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকা প্রায় ২২ একর জমির ১৯ একর জমিতে ২০১৯ সালে ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কাপ্তাই সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়, যার ব্যয় ছিল প্রায় ১শ’ ১১ কোটি টাকা।
এখন এই অব্যবহৃত জমিতে সারি সারি সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। এই সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পটি শুধু পরিত্যক্ত জমির ব্যবহার নিশ্চিত করছে না, বরং পরিচ্ছন্ন জ্বালানির নতুন উৎসও তৈরি করছে। সূর্যের আলো থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হওয়ার ফলে এটি দেশের অর্থনৈতিক সম্পদে পরিণত হচ্ছে।
কাপ্তাই সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, প্রকল্পটি অত্যন্ত লাভজনক। জনবল এবং খরচ কম হওয়ায় রক্ষণাবেক্ষণের জন্য শুধু পরিস্কার রাখতে হয়। আবহাওয়া খারাপ হলে উৎপাদন কিছুটা কমলেও উৎপাদন বন্ধ হয় না। পাহাড়ের পরিত্যক্ত এলাকায় এই প্রকল্পগুলোর প্রসার ঘটলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে।
মাহমুদ হাসান আরও জানান, কাপ্তাই সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সাফল্যকে কাজে লাগিয়ে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে বর্তমান কেন্দ্রের সঙ্গে আরও ১ মেগাওয়াট এবং নতুন ৭ দশমিক মেগাওয়াট প্রকল্পের কাজ চলছে।
তিনি বলেন, আমাদের ব্রিকফিল্ডে একটি ৭ দশমিক ৬ মেগাওয়াট পাওয়ার প্লান্ট নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে এবং এর টেন্ডার প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছে। কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সক্ষমতা বাড়াতে ১ মেগাওয়াট সম্প্রসারণের পাশাপাশি ৭ দশমিক ৬ মেগাওয়াটের নতুন প্রকল্পের কাজ বর্তমানে পুরোদমে এগিয়ে চলছে।
তিনি জানান, সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে তেল, গ্যাস, কয়লার প্রয়োজন হয় না। এই সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রচলিত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি করছে। সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরাসরি কোনো জ্বালানি পোড়াতে হয় না, ফলে আমদানি নির্ভরতা কমানোর সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে এবং কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে পরিবেশ সুরক্ষার সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে জ্বালানি আমদানির ব্যয় কমে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হচ্ছে। কাপ্তাইয়ে সৌর বিদ্যুতের পরিধি আরও বাড়ানোর উদ্যোগও চলছে।
কাপ্তাইয়ের এই সফল সম্ভাবনাকে দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে কাজে লাগানোর পাশাপাশি ছাদভিত্তিক সৌর বিদ্যুৎ, কৃষিভিত্তিক সোলার এবং সোলার পার্ক স্থাপনে আরও বিনিয়োগের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
রাঙ্গামাটির কাপ্তাই সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের অন্যান্য অনাবাদি এবং উপযুক্ত জমিতে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প বাড়ানো গেলে জ্বালানি নিরাপত্তার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব বিদ্যুতের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। পরিকল্পিত বিনিয়োগ, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সরকারি সহায়তার মাধ্যমে এমন উদ্যোগকে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে, যাতে জ্বালানি আমদানির চাপ কমিয়ে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় নবায়নযোগ্য শক্তির অংশ বৃদ্ধি পায়।
দেশের এক দশমাংশ অঞ্চলজুড়ে তিন পার্বত্য জেলার অবস্থান রয়েছে। এই অঞ্চলের পরিত্যক্ত বা অব্যবহৃত সুবিশাল পাহাড়ি অঞ্চলকে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের আওতায় এনে কাজে লাগানো গেলে দেশের বিদ্যুৎ চাহিদার বিশাল একটি যোগান দেওয়া সম্ভব। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানে পাহাড়ের এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রয়োজন সরকারি উদ্যোগ। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আবুধাবি টেস্টে বাংলাদেশের দেওয়া ৪৭৯ রানের টার্গেট নিয়ে ব্যাট করছে আফগানিস্তান। পঞ্চম দিনে হার এড়ানোর উদ্দেশ্যে ব্যাট করতে নেমে তারা আরও বিপদে পড়েছে। বলের আঘাতে আহত হয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন হাশমতউল্লাহ শহীদি।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) পঞ্চম দিনের খেলার তৃতীয় ওভারে বোলিংয়ে আসেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ওই ওভারের চতুর্থ বলে সেদিকুল্লাহ আতাল একটি সিঙ্গেল নেন। দৌড়ে রান নেওয়ার সময় ফিল্ডারের থ্রো এসে লাগে হাশমতউল্লাহর পায়ের প্যাডে।
এরপর হাশমতউল্লাহ খোঁড়াতে শুরু করেন, যিনি ২০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। মাঠে ফিজিও তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিলেও তিনি ব্যাটিং চালিয়ে যেতে পারেননি। ফিজিওর সহায়তায় তাকে ‘রিটায়ার্ড হার্ট’ হিসেবে মাঠ ছাড়তে হয়।
ক্রিজে নতুন ব্যাটার হিসেবে যোগ দিয়েছেন ইকরাম আলীখিল। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আফগানিস্তান ৬৯ ওভার শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান সংগ্রহ করেছে। বাংলাদেশের জয়ের জন্য প্রয়োজন ৭ উইকেট।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পরিত্যক্ত প্লাস্টিক বর্জ্য দিয়ে নির্মিত হয়েছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ব্যতিক্রমী ভাস্কর্য ‘প্লাস্টিক দানব’।
এই ভাস্কর্যটি সমুদ্র দূষণের ভয়াবহতা তুলে ধরার উদ্দেশ্যে পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ৫ টন পরিত্যক্ত প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে, জানান আয়োজকরা।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান সোমবার (১২ অক্টোবর) রাত ৭টায় এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন।
বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় আয়োজিত এই প্রদর্শনী আগামী ৪ মাস ধরে চলবে। প্রদর্শনী চলাকালীন সময়ে পর্যটক এবং স্থানীয় জনগণের কাছে সমুদ্র দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরা এবং প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বশীল আচরণ উৎসাহিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রদর্শনীর পাশাপাশি সৈকতে একটি বিশেষ থিয়েটার নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে দায়িত্বশীল পর্যটন বিষয়ক সচেতনতামূলক চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হবে। চলচ্চিত্রটি দেখার জন্য দর্শনার্থীদের দু’টি পরিত্যক্ত প্লাস্টিক বোতল সঙ্গে আনতে হবে। এর মাধ্যমে বিনোদনের পাশাপাশি প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ ও পুনর্ব্যবহারের গুরুত্ব সম্পর্কে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, ‘সমুদ্র আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ। জীববৈচিত্র্য এবং অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অথচ মানুষের অসচেতনতার কারণে প্রতিনিয়ত প্লাস্টিক বর্জ্য সমুদ্র ও সৈকতের পরিবেশকে হুমকির মুখে ফেলছে। এ ধরনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ মানুষের সামনে দূষণের ভয়াবহতা দৃশ্যমান করে তুলবে এবং নিজেদের আচরণ পরিবর্তনে উৎসাহিত করবে। কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি পর্যটক, স্থানীয় জনগণ, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’
বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের পরিচালক জামাল উদ্দিন বলেন, ‘আমরা প্রায়ই সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করি, কিন্তু সেই সমুদ্রকে দূষিত করার পেছনে আমাদের নিজেদের ভূমিকার কথা ভুলে যাই। পরিত্যক্ত প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি এই দানব আসলে আমাদের অসচেতনতারই প্রতিচ্ছবি। আমরা চাই, মানুষ এই ভাস্কর্য দেখে শুধু ছবি তুলে চলে যাবে না; বরং নিজের ব্যবহৃত প্লাস্টিক কোথায় ফেলছে, সেটি সমুদ্রের জন্য কী ক্ষতি তৈরি করছে- সে প্রশ্নটিও নিজের কাছে করবে।
আয়োজক প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা জানান, বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন সারা বছর প্লাস্টিক এক্সচেঞ্জ স্টোরের মাধ্যমে পরিত্যক্ত প্লাস্টিক সংগ্রহ করে এবং এর বিনিময়ে মানুষকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য গ্রহণের সুযোগ দেয়। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে প্লাস্টিক বর্জ্যকে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর আবর্জনা হিসেবে ফেলে না রেখে সংগ্রহ ও যথাযথ ব্যবস্থাপনার আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।
‘প্লাস্টিক দানব’ ভাস্কর্যটি সেই কার্যক্রমে সংগৃহীত প্লাস্টিকের একটি অংশ দিয়ে নির্মিত হয়েছে। এটি দর্শনার্থীদের কাছে প্লাস্টিক দূষণের দৃশ্যমান প্রতীক হিসেবে কাজ করবে এবং একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলা ও দায়িত্বশীল পর্যটনের বার্তা ছড়িয়ে দেবে।
৪ মাসব্যাপী এই প্রদর্শনী ও চলচ্চিত্র প্রদর্শন কার্যক্রমের মাধ্যমে কক্সবাজারে আগত দেশি-বিদেশি পর্যটক এবং স্থানীয় জনগণের মধ্যে পরিবেশবান্ধব আচরণ গড়ে তোলার প্রত্যাশা করছে আয়োজক প্রতিষ্ঠান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাভারের মির্জানগরে অবস্থিত গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালের একটি কক্ষে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির জ্যেষ্ঠ ইলেকট্রিশিয়ান রবিউল ইসলাম (৪৫) আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ৮টা ১০ মিনিটের দিকে প্রতিষ্ঠানটির দুই তলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় কোয়ালিটি কন্ট্রোল বিভাগের পিসি টেবিলের পাশে প্রায় ২ হাজার বর্গফুটের কক্ষে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।
ধামরাই ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা আল আমিন গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর ধামরাই ফায়ার স্টেশনের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। পরে সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে আগুন সম্পূর্ণভাবে নির্বাপণ করা হয়।
ফায়ার সার্ভিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই কক্ষে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড, অ্যালকোহল, অ্যাসিটিক অ্যাসিড এবং সালফিউরিক অ্যাসিডসহ বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক ছিল, যা ওষুধ পরীক্ষার কাজে ব্যবহৃত হয়।
প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক গোলযোগকে আগুন লাগার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই ঘটনায় আনুমানিক তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারায় আনুমানিক এক কোটি টাকার সম্পদ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ