মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩৫ পি.এম
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করেছে।
আজ অনুষ্ঠিত বৈঠকের নেতৃত্ব দেন দলের সেক্রেটারী জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
বৈঠকের সময়, নির্বাচন কমিশনে (ইসি) এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ রাখার দাবি জানিয়ে ৯ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে।
এছাড়া, বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য দুই নির্বাচন কমিশনার এবং ইসি সচিব।
বৈঠক শেষে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার সাংবাদিকদের জানান, আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনের তফসিল শিগগিরই ঘোষণা হতে পারে বলে তাদের বিশ্বাস। এই প্রেক্ষাপটে, তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে ৯ দফা, কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ, সুপারিশ ও মতামত উপস্থাপন করেছেন। তিনি বলেন, "আমরা সিইসির কাছে লিখিতভাবে ৯টি দাবি হস্তান্তর করেছি।" এর আগে, তারা ইসিতে কিছু দাবি জানিয়েছিল, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করার জন্যও তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মঙ্গলবার ইন্দোনেশিয়ার সংসদ ডেস্ট্রি দামায়ান্তিকে দেশের নতুন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে অনুমোদন প্রদান করেছে। গত জুলাইয়ে পেরি ওয়ারজিও হঠাৎ করে পদত্যাগ করার পর তাকে নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই তথ্যটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে জানা গেছে।
গত মাসে প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ান্তো ডেস্ট্রিকে মনোনয়ন দেওয়ার পর তিনি একমাত্র প্রার্থী হিসেবে ছিলেন। পেরির পদত্যাগের পর থেকে তিনি ভারপ্রাপ্ত গভর্নরের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন গভর্নর নিয়োগে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়ে প্রেসিডেন্ট প্রবোওর মনোনয়ন ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছিল। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তার ভাতিজা ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর থমাস জিওয়ান্দোনোকে আলোচনা করা হয়েছিল।
পেরি পদত্যাগ করার আগে ৬২ বছর বয়সী অর্থনীতিবিদ ডেস্ট্রি ২০১৯ সাল থেকে ব্যাংক ইন্দোনেশিয়ার (বিআই) ডেপুটি গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ঋণমান নির্ধারণকারী সংস্থা ফিচ রেটিংস জানিয়েছে, ডেস্ট্রির মনোনয়ন থেকে নীতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে—এমন প্রত্যাশা আরও জোরালো হয়েছে।
গত সপ্তাহে সংসদে অনুষ্ঠিত নিয়োগসংক্রান্ত শুনানিতে ডেস্ট্রি উল্লেখ করেন, তিনি এমন একটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবেন, যা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রাসঙ্গিক থাকবে, আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখে বিশ্বাসযোগ্যতা ধরে রাখবে এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।
প্রেসিডেন্ট প্রবোও ২০২৪ সালের অক্টোবরে দায়িত্ব নেওয়ার পর পেরির পদত্যাগ ছিল দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারকের দ্বিতীয় পদত্যাগের ঘটনা। ক্যাপিটাল ইকোনমিকসসহ কয়েকটি পর্যবেক্ষক প্রতিষ্ঠান মনে করছে, সরকারের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিমুখী নীতিকে আরও বেশি সমর্থন করার জন্য পেরির ওপর চাপ ছিল কি না, তা নিয়ে এ পদত্যাগের পর জল্পনা তৈরি হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা নিয়েও উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে জুনে একটি আইন পাস হয়, যা সংসদকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যক্রম মূল্যায়নের দায়িত্ব প্রদান করে। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দায়িত্বও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর দেওয়া হয়—যা প্রেসিডেন্ট প্রবোওর সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
পেরির পদত্যাগ ঘটে এমন এক কঠিন সময়ে, যখন ইন্দোনেশিয়ার মুদ্রা রুপিয়াহর বড় ধরনের দরপতন এবং শেয়ারবাজারে মন্দাভাব দেখা দিয়েছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ও কয়েকজন ডেপুটি গভর্নর নিয়ে গঠিত পরিচালনা পর্ষদ দেশের মুদ্রানীতি নির্ধারণ করে এবং সুদের হার ঠিক করে।
জুলাইয়ে পেরির শেষ নীতিনির্ধারণী বৈঠকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণের সুদহার ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখে। চলতি বছরে এর আগে সুদহার মোট ১০০ বেসিস পয়েন্ট বাড়ানো হয়েছিল। ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের মতে, সুদহার বাড়ানোর এ পদক্ষেপ সরকারকে সম্ভবত হতাশ করেছিল।
গত মাসের বৈঠকেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদহার অপরিবর্তিত রাখে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন উল্লেখ করেছেন, "জাতীয় জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে।" বর্তমান সরকার দেশকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, যা একটি তলাবিহীন ঝুড়ির মতো। ক্ষমতাচ্যুত সরকারের ১৭ বছরের শাসনকাল দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। তিনি বলেন, "সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে, ধৈর্য ধরে একটু সময় দিতে হবে।"
আজ দুপুরে গাইবান্ধা জেলা বিএনপি কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
শামীম কায়সার লিংকন নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন; ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।" তিনি আরও বলেন, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায় থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত সকল ধরনের ভেদাভেদ ভুলে জয় ছিনিয়ে আনতে হবে।
সমাবেশ শেষে জেলা বিএনপির কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়, যা শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা প্রদক্ষিণ করে ইসলামি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গিয়ে শেষ হয়।
এতে জেলার সাত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিটের বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মঙ্গলবার থেকে জাপান ওভারটাইমের নিয়ম শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। তবে, এই পদক্ষেপকে দেশের দীর্ঘদিনের কাজপাগল সংস্কৃতির দিকে ফিরে যাওয়ার প্রচেষ্টা হিসেবে সমালোচনা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির নেতৃত্বাধীন সরকার জুলাই মাসে একটি প্রবৃদ্ধি কৌশল গ্রহণ করে, যেখানে কর্মঘণ্টার তদারকি ব্যবস্থায় পরিবর্তনের আহ্বান জানানো হয়। এর পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে এই নিয়ম পরিবর্তন করা হলো।
এ খবরটি টোকিও থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়।
শ্রমিকের তীব্র সংকট মোকাবিলা করতে গিয়ে কিছু ব্যবসায়ী খাত আরও নমনীয় কর্মপদ্ধতির দাবি জানাচ্ছিল। এই পরিবর্তনের পেছনে তাদের দাবিও আংশিকভাবে কাজ করেছে।
জাপানের শ্রম মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির প্রায় ৪০ শতাংশ প্রতিষ্ঠান শ্রমিক ও ব্যবস্থাপনার মধ্যে বিশেষ চুক্তির আওতায় পরিচালিত হচ্ছে। এসব চুক্তির মাধ্যমে আইনগতভাবে মাসে সর্বোচ্চ ১০০ ঘণ্টা পর্যন্ত ওভারটাইমের অনুমতি রয়েছে।
তবে, এসব প্রতিষ্ঠানকে কর্তৃপক্ষ মাসে ৪৫ ঘণ্টার মধ্যে ওভারটাইম সীমিত রাখার পরামর্শ দিয়ে আসছিল। এই নির্দেশনাকে কার্যত নিয়মের সমতুল্য হিসেবে বিবেচনা করা হতো। শ্রম মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা এএফপিকে জানান, ৪৫ ঘণ্টার সীমা অতিক্রম করলে ‘কারোশি’ বা অতিরিক্ত কাজের কারণে মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায়।
নতুন নিয়মটি মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হচ্ছে, যার ফলে শ্রমমান পরিদর্শন দপ্তরগুলো ৪৫ ঘণ্টার সীমা নিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আর চাপ প্রয়োগ করবে না।
জাপান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির একটি জরিপে দেখা যায়, মে মাসে এ ধরনের চাপ দেশটির প্রায় ২০ শতাংশ ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ‘সীমিত’ করে দিচ্ছে। বিশেষ করে নির্মাণ, পরিবহন ও আতিথেয়তা খাতের মতো জনবল সংকটে থাকা শিল্পগুলো এতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তবে সমালোচকরা বলছেন, এ পদক্ষেপ জাপানের করপোরেট সংস্কার কার্যক্রমকে পিছিয়ে দেবে। দীর্ঘ কর্মঘণ্টার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা করপোরেট সংস্কৃতিকে আধুনিক করার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, এটি তার বিপরীতমুখী পদক্ষেপ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের স্ত্রী ফারহানা রহমান হ্যাপি, ঘিওরের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান জনি এবং যুবলীগ নেতা মো. আবুল বাশারকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
আজ দুদক প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নিয়মিত ব্রিফিংয়ে কমিশনের জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম এই তথ্য প্রকাশ করেন।
দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তাদের নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ ও অস্বাভাবিক আর্থিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এই প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারা অনুযায়ী সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
দুদক জানায়, সাবেক সংসদ সদস্য এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের স্ত্রী ফারহানা রহমান হ্যাপির নামে ১ কোটি ৩৯ লাখ ৬৭ হাজার ১৬৭ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁর অর্জিত সম্পদের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ উদঘাটন এবং আয়ের উৎসের সঠিকতা যাচাইয়ের জন্য এই আদেশ দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া, মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান জনির নামে ৬৯ লাখ ৯৪ লাখ ১৮৪ টাকার অসংগতিপূর্ণ সম্পদ পাওয়া গেছে। তাঁর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের সঠিক হিসাব বের করার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন আইন অনুযায়ী একই আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, যুবলীগ নেতা মো. আবুল বাশারের বিরুদ্ধে ২০১০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত অবৈধ বালু ব্যবসা, দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের (মানি লন্ডারিং) মাধ্যমে বিপুল অর্থ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। তাঁর মালিকানাধীন ১৪টি ব্যাংক হিসাবে মোট ৮৬ কোটি ৮০ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪৯ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
দুদকের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আবুল বাশারের নামে আরও বেনামী স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ থাকতে পারে। তাই তাঁর অর্জিত সব সম্পদের উৎস ও সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, সাবেক সংসদ সদস্য এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের বিরুদ্ধে ১ কোটি ২১ লাখ ৮১ হাজার ৭৯০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং ২২টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ৯৩ কোটি ৬৫ লাখ ৯৯ হাজার ৬৫০ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে ২০২৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় (সজেকা), ঢাকা-১-এ একটি মামলা দায়ের করা হয়। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।
দুদক প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক মো. আবুল হাসনাতের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের অনুসন্ধান দল এই বিষয়ে তদন্ত পরিচালনা করছে। দলের অন্য সদস্যরা হলেনÑসহকারী পরিচালক তাপস ভট্টাচার্য্য এবং উপ-সহকারী পরিচালক ওয়াশকুরুনী।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ