ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাত বছরের ভোগান্তির অবসান, রংপুরে জিএল রায় সড়কের সংস্কার শুরু


সাত বছরের ভোগান্তির অবসান, রংপুরে জিএল রায় সড়কের সংস্কার শুরু

সাত বছর ধরে বেহাল অবস্থায় থাকা রংপুর নগরের গুরুত্বপূর্ণ জিএল রায় রোডের সংস্কারকাজ রংপুর সিটি করপোরেশন শুরু করেছে।

এ দীর্ঘ সড়কটির দৈর্ঘ্য প্রায় চার কিলোমিটার। সংস্কারের উদ্যোগে স্থানীয় বাসিন্দা ও নিয়মিত যাতায়াতকারীরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

রবিবার সকালে সাতমাথা এলাকায় ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে সড়কটির সংস্কারকাজের উদ্বোধন করলেন রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ-উন-নবী ডন। এ সময় সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

জাহাজ কোম্পানির মোড় থেকে সাতমাথা পর্যন্ত বিস্তৃত জিএল রায় রোডটি রংপুর নগরের অন্যতম ব্যস্ত সড়ক হিসেবে পরিচিত। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন এ পথে চলাচল করে। এই সড়কটির মাধ্যমেই লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, কাউনিয়া, পীরগাছা, সুন্দরগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ রংপুরে যাতায়াত করেন।

দীর্ঘ সময় সংস্কার না হওয়ায় সড়কজুড়ে অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল। ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারী ও যানবাহনের চালকেরা। সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবিতে বিভিন্ন সময়ে মানববন্ধন, সমাবেশ, সড়কে ধানের চারা রোপণ এবং প্রতীকীভাবে সিটি করপোরেশনকে ‘মৃত’ ঘোষণা করে গায়েবানা জানাজার মতো ব্যতিক্রমী কর্মসূচিও পালন করেছিল স্থানীয়রা।

সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২০ কোটি ৬৭ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হচ্ছে, যাতে ৩ হাজার ৬৮০ মিটার কার্পেটিং সড়ক, ১১০ মিটার আরসিসি সড়ক, ৬০০ মিটার ড্রেন, আড়াই হাজার মিটার সড়ক বিভাজক, ৮০০ মিটার সড়ক বিভাজন কাঠামো এবং ১৩০টি খুঁটিতে ২৬০টি স্মার্ট এলইডি সড়কবাতি স্থাপন করা হবে। এই কাজ আগামী ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ-উন-নবী ডন মন্তব্য করেছেন, এ সড়কটি রংপুর, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ এ সড়কটি ব্যবহার করেন। তাই আমরা চেষ্টা করবো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংস্কারকাজ শেষ করার।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

তিনি আরও বলেন, কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে প্রকৌশল বিভাগ ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। নির্মাণকাজের মানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বঙ্গোপসাগরে ৪.৫ মাত্রার ভূমিকম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৩ পি.এম


বঙ্গোপসাগরে ৪.৫ মাত্রার ভূমিকম্প

বঙ্গোপসাগরে একটি ভূমিকম্প আঘাত করেছিল। রোববার (১২ জুলাই) সকালে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৫। এর প্রভাবে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের বিশাখাপত্তনমসহ আশপাশের কয়েকটি জেলায় মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোন হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি  জানাচ্ছে, রোববার ভারতের স্থানীয় সময় সকাল ৫টা ৫ মিনিটের দিকে উপকূলীয় শহর বিশাখাপত্তনমের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হয়। এ সময় গাজুওয়াকা, মঙ্গলাপালেম, সাগর নগর, পেদ্দা ওয়ালটেয়ার, আরিলোভা, এমভিপি কলোনি, আপ্পুঘরসহ আরও কয়েকটি এলাকায় এই কম্পন টের পান বাসিন্দারা।

ভারতের ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল সেন্টার ফর ওশান ইনফরমেশন সার্ভিসেস (ইনকয়েস) জানিয়েছে, রোববার ভোরে বঙ্গোপসাগরে রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ৫ মাত্রার একটি মৃদু ভূমিকম্প হয়েছে। এর প্রভাবে বিশাখাপত্তনম শহরের বিভিন্ন এলাকায় হালকা কম্পন অনুভূত হয়েছে।

ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি অন্যদিকে জানিয়েছে, ভারতীয় স্থানীয় সময় সকাল ৫টা ৫ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডে ১০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটি আঘাত হানলো। এর উৎপত্তিস্থল ছিল বঙ্গোপসাগরে কাকিনাডা উপকূল থেকে প্রায় ২২৫ কিলোমিটার দূরে।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন হতাহত, সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি বা অন্য কোন ধরনের ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। এছাড়া আনাকাপল্লি, ভিজিয়ানাগারাম, কাকিনাডা ও কোনাসিমা জেলার বিভিন্ন এলাকায়ও কম্পন অনুভূত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এটি ছিল অগভীর ভূমিকম্প। তবে ভূ-গঠনের স্বাভাবিক সমন্বয়ের কারণেই মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে। তাই সাধারণ মানুষের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। তাদের মতে, এ অঞ্চলটি ভূ-তাত্ত্বিকভাবে স্থিতিশীল।

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে বিশাখাপত্তনম ও আলুরি সীতারামা রাজু জেলাতেও একটি মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। তারও আগে ২০১৫ সালের ৪ নভেম্বর উত্তর উপকূলীয় অন্ধ্র প্রদেশের আলুরি জেলায় ৩ দশমিক ৭ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। সে সময় বিকট শব্দ শোনার পর আতঙ্কিত হয়ে অনেক বাসিন্দা ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন। তবে ওই ঘটনাতেও কোন হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাইবান্ধায় কৃষককে গলা কেটে হত্যা, পাশেই পড়েছিল ছুরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৪ পি.এম


গাইবান্ধায় কৃষককে গলা কেটে হত্যা, পাশেই পড়েছিল ছুরি

গাইবান্ধার ফুলছড়িতে শাহজালাল মিয়া (৫০) নামে একজন কৃষকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনাটি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কঞ্চিপাড়া গ্রামে। কৃষক শাহজালাল মিয়া ওই গ্রামের মৃত নিয়ামত উল্লার ছেলে।

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী ফুলছড়ি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জহুরুল ইসলাম জানান, শনিবার রাতে খাবার খেয়ে শুয়ে পড়েন শাহজালাল। তার স্ত্রী, যিনি ভেতরের ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন, তা সত্ত্বেও শাহজালাল মিয়া বারান্দাসংলগ্ন আলাদা একটি কক্ষে (টিনের ঘর) ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। রাত আড়াইটার দিকে স্বামীকে গোঙানির শব্দ শুনতে পান স্ত্রী গোলেদা বেগম। এরপর, বারান্দার কক্ষে গিয়ে স্বামীকে গলাকাটা অবস্থায় দেখতে পান তিনি। এই সময় হত্যাকাণ্ডের জন্য ব্যবহৃত ছুরিটি মরদেহের পাশেই পড়ে ছিল। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়।

কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহেল রানা সালু জানিয়েছেন, শুনেছেন যে কৃষক শাহাজালালের সঙ্গে এক আত্মীয়ের পূর্বে থেকে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। তিনি বলেন, গতকাল ঐ আত্মীয় ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন এবং হত্যাকাণ্ডের পর তিনি আবার ঢাকা চলে যান। এ বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।

ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হোদা জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, কী কারণে এবং কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। মামলার পর তদন্ত সাপেক্ষে হত্যার কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টানা বর্ষণে বাঁশখালির কয়েকটি ইউনিয়ন প্লাবিত, পানিবন্দি হাজারো মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৫ পি.এম


টানা বর্ষণে বাঁশখালির কয়েকটি ইউনিয়ন প্লাবিত, পানিবন্দি হাজারো মানুষ

কয়েক দিনের টানা বর্ষণের কারণে পানিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রামের বাঁশখালির বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। রোববার (১২ জুলাই) সকাল থেকে আবারও ভারি বৃষ্টি শুরু হওয়ায় পানিবন্দি মানুষের মধ্যে উদ্বেগের নতুন এক ঢল দেখা দিয়েছে।

 

তবে, গত রাত থেকে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছিল।

বাঁশখালিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চাম্বল, ছনুয়া ও গণ্ডামারা ইউনিয়ন। বন্যার পানিতে বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেইসাথে ফসলি জমি তলিয়ে গেছে এবং মাছের ঘের ভেসে গেছে।

এদিকে, প্লাবিত এলাকাগুলোতে দেখা দিয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। দুর্গত মানুষের সহায়তায় মাঠে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সাথে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাত জেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখ ২২ হাজার মানুষ, মৃত্যু ৫১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৬ পি.এম


সাত জেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখ ২২ হাজার মানুষ, মৃত্যু ৫১

দেশের বিভিন্ন স্থানে টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল এবং পাহাড়ধসের কারণে সাতটি জেলায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮টি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এখন পর্যন্ত ৫১ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং ৩৯ জন আহত হয়েছেন।

রোববার দুপুরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত হালনাগাদ পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বন্যাকবলিত সাত জেলা হলো—চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ। এসব জেলার অন্তর্ভুক্ত ৫৮টি উপজেলা, ৩৮৬টি ইউনিয়ন এবং ১১টি পৌরসভা প্লাবিত হয়েছে। দুর্গত মানুষের জন্য মোট ১ হাজার ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যেখানে বর্তমানে ৪৪ হাজার ৪৫৭ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

চট্টগ্রাম সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জেলা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। জেলার ১৬টি উপজেলার ১৫২টি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় বন্যার প্রভাব পড়েছে। পানিবন্দী হয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫০০ পরিবার এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ সেখানকার সংখ্যা ৫ লাখ ৯৫ হাজার। এই জেলায় ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১২ জন আহত হয়েছেন। ৬১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে বর্তমানে ২১ হাজার ৯০০ মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে খাদ্য, নগদ অর্থ, শুকনো ও রান্না করা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।

কক্সবাজারের ১০টি উপজেলার ৭০টি ইউনিয়ন ও চারটি পৌরসভা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানিবন্দী হয়েছে ৩৯ হাজার ৫০৬ পরিবার। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ৫৮ হাজার ২৭। এই অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দা ও রোহিঙ্গা মিলিয়ে মোট ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, এর মধ্যে ১৩ জন রোহিঙ্গা। আহত হয়েছেন ২৪ জন, তাঁদের মধ্যে পাঁচজন রোহিঙ্গা। এছাড়া একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। জেলায় ২৭টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজার ৫৮০ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

বান্দরবানেও সাতটি উপজেলার ৩৪টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে পানিবন্দী হয়েছে ১২ হাজার ৫০০ পরিবার এবং সেখানের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৮৩ হাজার ৫০০। সেখানে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন দুজন। ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ৬ হাজার ২৫০ জন。

রাঙামাটিতে নয়টি উপজেলার ৪৩টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা বন্যাকবলিত হয়েছে। পানিবন্দী ১ হাজার ৪৪টি পরিবার। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৩ হাজার ৫২৪। মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। ৫০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৩ হাজার ৬৩৭ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

খাগড়াছড়ির নয়টি উপজেলার ৩৩টি ইউনিয়ন ও তিনটি পৌরসভা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানিবন্দী হয়েছে ১ হাজার ৭৩টি পরিবার এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৩৪ হাজার ৪১৭। সেখানে একজন আহত হয়েছেন। জেলার ১৫০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২ হাজার ৮৮৩ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

মৌলভীবাজারের পাঁচটি উপজেলার ৩১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী হয়েছে ৭ হাজার ৩০৮ পরিবার। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ২৬ হাজার ৫৪৪। সেখানে একজনের মৃত্যু হয়েছে। জেলার ২০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২ হাজার ১৭২ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

হবিগঞ্জের তিনটি উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নও বন্যাকবলিত হয়েছে। পানিবন্দী হয়েছে ৬ হাজার ৪৪৪ পরিবার। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ২৮ হাজার ১৪০। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, দুটি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হলেও সেখানে এখনও কেউ আশ্রয় নেননি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ৭ থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত সাতটি ক্ষতিগ্রস্ত জেলার জন্য ২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা নগদ এবং ৩ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দেশের ৬৪ জেলার জন্য মানবিক সহায়তা হিসেবে মোট ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং ৮ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উদ্ধার, আশ্রয় ও ত্রাণ কার্যক্রম স্থানীয় প্রশাসন, সেনাবাহিনী, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন অনুযায়ী আরও ত্রাণ বরাদ্দ দেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%